বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২০ পি.এম
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের জার্সিতে আর খেলবেন না। ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা ২৩ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় জাতীয় দলের প্রতি তাঁর অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর মাধ্যমে পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক গোল এবং সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডধারীর বিদায় ঘটল।
২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেকের পর, রোনালদো জাতীয় দলের জার্সিতে ২৩৪টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি ১৪৬টি গোল করেছেন। এই দীর্ঘ যাত্রায় তিনি শুধু রেকর্ড গড়েননি, বরং পর্তুগিজ ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন। তাঁর নেতৃত্বে ২০১৬ সালে পর্তুগাল প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতে। ২০১৯ সালে উয়েফা নেশনস লিগও জয়ের সাফল্য অর্জন করে দেশটি।
রোনালদো পাঁচটি বিশ্বকাপ এবং ছয়টি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পর, তাঁর আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে তিনি জানান, জাতীয় দল ছাড়ার কথা একসময় ভাবেন; তবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে খেলা চালিয়ে যান।
পর্তুগাল কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে মতবিরোধের খবরও উঠে আসে। সেপ্টেম্বরে নরওয়ের বিরুদ্ধে নেশনস লিগের ম্যাচে তাঁকে বেঞ্চে বসানোর ঘটনায় প্রকাশ্যে অস্বস্তির সৃষ্টি হয়। তবে অবসরের সিদ্ধান্তের পেছনে এটি কি একমাত্র কারণ, তা স্পষ্ট নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপার ঐতিহ্যবাহী শাহী মসজিদের দান-অনুদানের ৩০ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মসজিদের মোতাওয়াল্লি মীর শামসুজ্জামান পান্নার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মসজিদে বিভিন্ন খাত থেকে সংগৃহীত অর্থের একটি বড় অংশের কোনো হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।
এ মসজিদটি বাদশা হোসেন শাহ ওয়াকফ স্টেটের অধীনে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রতিদিন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দান-অনুদান প্রদান করেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকেও অনুদান আসে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব অর্থের যথাযথ হিসাব সংরক্ষণ করা হয় না।
অভিযোগ রয়েছে যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে মসজিদের মোতাওয়াল্লির দায়িত্ব পান মীর শামসুজ্জামান পান্না। গত দুই বছরের বেশি সময়ের মধ্যে দান-অনুদানসহ বিভিন্ন খাত থেকে মোট ৬১ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক অর্থ খাদেমের বেতনসহ আনুষঙ্গিক খরচে ব্যয় করা হলেও বাকি অর্ধেক টাকা মোতাওয়াল্লির কাছে জমা দেয়া হয়। তবে জমা হওয়া ওই অর্থের সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব তিনি দেননি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এমনকি মসজিদের ইমামের কাছ থেকেও মাসিক চাঁদা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় মুসল্লি স্কুলশিক্ষক জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেন, ‘মসজিদের প্রতিদিনের আয়ের অর্ধেক টাকা মোতাওয়াল্লির কাছে জমা হয়। সেই টাকা ব্যাংকে রাখার কথা থাকলেও তিনি কোনো ব্যাংকে রাখেননি এবং কোনো হিসাবও দেননি। সম্প্রতি মসজিদের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের ক্ষেত্রেও তিনি কোনো অর্থ দেননি। গাছ বিক্রি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে টাকা তুলে প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে।’
হোসেন আলী নামে আরেক মুসল্লি জানান, ‘দুই বছর ধরে মসজিদে কোনো সভা বা বৈঠক করা হয় না। টাকা কোথায় কীভাবে খরচ হয়, তারও কোনো হিসাব নেই।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক মুসল্লি জানান, দুই বছরের বেশি সময়ে ৩১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা মোতাওয়াল্লির কাছে জমা দেয়া হয়েছে। সেই টাকার বড় একটি অংশ তিনি আত্মসাৎ করেছেন।
শৈলকুপা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিহাব মল্লিক বলেন, ‘মসজিদের টাকা নয়ছয় করা মোটেও কাম্য নয়। গত দুই বছরে সংগ্রহ করা অর্থ কোথায় কীভাবে খরচ হলো, তা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’
অভিযোগের বিষয়ে মোতাওয়াল্লি মীর শামসুজ্জামান পান্না বলেন, ‘এত টাকা কোথায়? দুই বা তিন লাখ টাকা থাকতে পারে। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
এ বিষয়ে শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহফুজুর রহমান জানান, ‘মসজিদের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের সঙ্গে চলমান সংঘাত বন্ধের জন্য ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ এবং ইয়েমেনের বৈধশাসক হিসেবে তাদের স্বীকৃতির দাবি তুলেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে, যেখানে বিষয়টির সঙ্গে অবগত ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হুতিরা দাবি করেছে যে, এই অর্থ সৌদি-নেতৃত্বাধীন বিমান হামলা এবং দীর্ঘস্থায়ী অবরোধের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হুতিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর সৌদি আরব সংঘাত বন্ধের জন্য আলোচনার সম্ভাবনা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে হুতিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানা গেছে।
হুতিদের এই দাবি রিয়াদের জন্য মেনে নেওয়া বেশ কঠিন। বিশেষ করে, হুতিদের ইয়েমেনের বৈধশাসক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ হবে এমন একটি গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া, যাদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব বছরের পর বছর ধরে লড়াই করে আসছে। এটি সৌদি আরব সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারকে দুর্বল করে দিতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইয়েমনে সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার পেক্ষাপটে এই আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুতিরা ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের শাসনবার পরিচালনার মূল কেন্দ্র এডেনের আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। অন্যদিকে, সৌদি আরবের ভূখণ্ড ও অবকাঠামোর ওপর হামলা দেশটির ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
হুতিদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা অর্জন না করা পর্যন্ত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে অনিচ্ছুক বলে জানা গেছে। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইয়েমেনে অতিরিক্ত সৌদি সেনা পাঠানো হলে এতে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে এবং এটি সৌদি আরবকে নিজ দেশে সমালোচনার মুখে ফেলতে পারে।
সৌদি আরব হুতিবিরোধী অভিযানে আঞ্চলিক মিত্রদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পাচ্ছে না। সংযুক্ত আরব আমিরাত হুতি-বিরোধী অভিযান থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান ইয়েমেনের ভেতরে অভিযানে অংশ নেয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রও ইয়েমেনে সরাসরি সামরিক সম্পৃক্ততা থেকে বিরত থাকার কথা জানিয়েছে।
ইয়েমেন সংঘাতের সুদূরপ্রসারী আঞ্চলিক প্রভাব রয়েছে। কারণ ইরানের সঙ্গে হুতিদের সম্পর্ক এবং সৌদি অবকাঠামো ও নৌ-চলাচল রুটের প্রতি হুমকি সৃষ্টির সক্ষমতা। গত অক্টোবরে এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছিল, গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তাসহ ইরানের সমর্থন হুতি গোষ্ঠীকে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আরও উন্নত ও জটিল আক্রমণ চালাতে সাহায্য করেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, হুতিদের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণের চেয়েও বেশি কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে হুতিদের রাজনৈতিক মর্যাদা, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের ভবিষ্যৎ এবং সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তে নিরাপত্তার বিষয়গুলো সামনে আসবে।
তবে চুক্তি নিয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত আলোচনা হয়নি। যেসব দাবির কথা শোনা যাচ্ছে, সেগুলো আলোচনার অংশমাত্র; ফলে এগুলো সৌদি আরব মেনে নেবে কিনা তা এখনই বলা সম্ভব নয়।
সূত্র: দ্য খামা প্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আইডিই বাংলাদেশের সভা, যেখানে বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে টেকসই পণ্য ও সেবা গ্রামীণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পৌঁছানোর বিষয়টি আলোচনা করা হয়।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এই সভায় বর্তমান ও সম্ভাব্য বেসরকারি খাতের অংশীদাররা উপস্থিত ছিলেন। সভায় কৃষি, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পুষ্টি এবং জলবায়ু-সহনশীল খাতের বিভিন্ন বাজারভিত্তিক উদ্ভাবনের বিষয় তুলে ধরা হয়।
আইডিই বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের অংশীদারদের পণ্য, নমুনা, প্রযুক্তি ও সেবা নিয়ে ১৭টি প্রদর্শনী স্টল ছিল। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল গ্রামীণ ড্যানোন ফুডস লিমিটেড, এটেক, সিপিআইএল, আবেদিন ইকুইপমেন্ট লিমিটেড, বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেড বাংলাদেশ, টিএমএসএস, সার্পভ, আরএফএল, সেফপ্যাড বাংলাদেশ, মেটাল, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, এসিআই পিএলসি, লাল তীর সিড লিমিটেড, রুরাল সান পাওয়ার, এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি ও এসএমসি।
অনুষ্ঠানে আইডিই গ্লোবালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিড অ্যান্ড্রু পিটারসন বিশেষ বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বাজারভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে সুবিধাবঞ্চিত জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারে, তা তুলে ধরেন। কক্সবাজারে সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "নিম্ন আয়ের মানুষ শুধু সহায়তা গ্রহণকারী নন; তাঁরা একই সঙ্গে ক্রেতা, উৎপাদক ও উদ্যোক্তা।"
আইডিই এসব জনগণের সঙ্গে ব্যবসায়িক সংযোগ তৈরিতে কাজ করছে, যা পণ্যের উপযোগী পরিবর্তন, সরবরাহব্যবস্থার শেষ ধাপ পর্যন্ত পৌঁছানোর নেটওয়ার্ক এবং যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে সম্ভব হচ্ছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ উদ্যোক্তাকে ক্ষমতায়িত করার বৈশ্বিক লক্ষ্যও তিনি তুলে ধরেন।
আইডিই বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সমীর কারকি বলেন, "বেসরকারি খাতের অংশীদাররা এমন পণ্য ও সেবা সরবরাহের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের বাস্তব সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারেন, যা গ্রামীণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পৌঁছায়।" তিনি আইডিই বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কৌশলের আওতায় যৌথ উদ্যোগ, সহবিনিয়োগ ও পণ্য উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। এ কৌশল আইডিইর বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক।
অনুষ্ঠানে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন লাল তীর সিডের পরিচালক তাজওয়ার এম আওয়াল, এসএমসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিম উদ্দিন, আরএফএলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সুকান্ত দাস, সেফপ্যাড বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিদ কে. চৌধুরী, এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেডের কান্ট্রি লিড, ফিল্ড সলিউশনস অ্যান্ড ক্রপসায়েন্স গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের রাজাউল করিম, টিএমএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাদিদ জামিল, আবেদিন ইকুইপমেন্ট লিমিটেডের মো. আমির হোসেন এবং আরএসপির মো. নাজমুল হাসান। তাঁরা বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও বাজার উন্নয়ন নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
আইডিই বাংলাদেশ সুবিধাবঞ্চিত জনগণের জন্য টেকসই সমাধানের সুযোগ বাড়াতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে এসব জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় পণ্য, সেবা ও অর্থনৈতিক সুযোগ পৌঁছে দেওয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিগত সরকারকে কোনোভাবেই দায়মুক্তি দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের কর্মকাণ্ডে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা, সম্পদ লুটপাট, সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায়-অত্যাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণের অধিকার হরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে, দুস্থ অসহায়, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন এককালীন আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে যত অন্যায় ও অপকর্ম সংঘটিত হয়েছে, প্রতিটি অন্যায়ের বিচার বাংলার মাটিতে হবে। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা এবং মানুষের ওপর নির্যাতনের জন্য প্রত্যেককে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
জাহিদ হোসেন বলেন, জনগণ সবকিছু মনে রেখেছে। যদি আপনারা জনগণের কাছে দুই হাত তুলে করজোড়ে ক্ষমা চাইতেন, তাহলে জনগণ বিবেচনা করত আপনাদের ক্ষমা করা যায় কিনা। তাই আরেকটি জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, দয়া করে কেউ আস্ফালন করবেন না, উসকানিমূলক বক্তব্য দেবেন না এবং জনগণকে বিপথগামী করার চেষ্টা করবেন না। দেশের মানুষ এখন শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়। জনগণের আবেগ ও ধৈর্যকে দুর্বলতা মনে করার কোনো কারণ নেই। তাই আমি সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
এ সময় দিনাজপুর জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আতিকুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্র প্রকাশ চক্রবর্তী, নবাবগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, পেস এগ্রোভেটের এমডি আনিছুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাজ্জাদ আল মামুন, মুক্তি মাহফুজসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ