০৪:৪৬ পি.এম
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের মাধ্যমে শহিদ ও আহতদের পরিবার ন্যায়বিচার পেতে সক্ষম হয়েছে।
রবিবার দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এটি তৃতীয় রায়। রামপুরায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের তৎকালীন এডিসি রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক। এছাড়া, এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং এসআই তরিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাঁশপাতার চায়ের উদ্ভাবনী ধারণায় দেশসেরা বেরোবির মাহিদ-আজিজ, পাচ্ছেন লাখ টাকার ফান্ড
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে একটি বেতার বার্তার মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের পায়ে গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেদিনই সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে বুকে ও মাথায় গুলি চালানো হয়েছে। ১৯ জুলাই রামপুরায় নির্বিচার গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহত হন মায়া ইসলাম ও নাহিদ ইসলাম এবং গুরুতর আহত হন আমির হোসেন।
তিনি আরও বলেন, কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি করার বিষয়টি এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার তার জবানবন্দিতে স্বীকার করেছিলেন। সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে একটি অভিযোগে তার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তবে অপর্যাপ্ত প্রমাণের কারণে বাকি দুটি অভিযোগ থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন।
রায়ের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি একটি যথাযথ ও ন্যায়সঙ্গত রায়। এই রায়ের মাধ্যমে শহিদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। তিনি একই সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন।
আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন