মামুন বিল্লাহ কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা
০৭:৩৩ পি.এম
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা চৌমুহনীতে অবস্থিত জিয়াদ আলীর পুত্র সাইফুল ইসলামের বেকারীতে বিএসটিআই অনুমোদন না থাকার কারণে ভ্রাম্যমান আদালত ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। এর আগে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ভুমি) মাইনুল ইসলাম খান মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালান।
তিনি জানান, বাংলাদেশ স্টান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর অনুমোদন না থাকায় ২০১৮ সালের ৩৩ ধারায় বেকারীর মালিক সাইফুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় বিএসটিআই এর আব্দুল মান্নানসহ পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, নলতা চৌমুহনীতে অভিযানের খবর পেয়ে অন্যান্য বেকারীগুলো দ্রুত বন্ধ করে লাপাত্তা হয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উগ্রবাদী এবং উসকানিমূলক পোস্টের অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্র লীগের নেতা ফরিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে হাকিমপুর থানা পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উগ্রবাদী ও উসকানিমূলক পোস্ট ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অভিযোগ ওঠে। বোয়ালদার ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফরিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেনের নির্দেশনায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ফরিদুল ইসলামকে আটক করা হয় এবং প্রাথমিক তদন্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিভিন্ন উগ্রবাদী এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য ও পোস্ট প্রচার করে আসছিলেন। এগুলো জনশৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য একটি গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
হাকিমপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, উসকানি এবং জনস্বার্থবিরোধী প্রচারণার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বুধবার (২৩ জুন) সংসদে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (এমপি) শারীরিক অসুস্থতা এবং তার অনুপস্থিতি বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে জানান, মির্জা আব্বাস আমাদের দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং সংসদের অভিজ্ঞ সদস্য। এর ফলে, তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার তথ্য, শপথ গ্রহণের বিষয়ে কি পরিস্থিতি এবং কবে তিনি সংসদে যোগ দিতে পারবেন, এ বিষয়ে সংসদকে অবহিত করা জরুরি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এ বিষয়ে জবাব দিয়ে বলেন, মির্জা আব্বাস সংসদ সচিবালয়কে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন যেখানে তিনি তার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, তার অবস্থা ক্রমাগত উন্নতির দিকে যাচ্ছে এবং তিনি সুস্থ হয়ে যথাসময়ে সংসদে যোগ দেবেন।
এর আগে, গত ৩ জুন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে স্পিকারকে দেওয়া এক চিঠিতে জানানো হয়েছিল যে, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (এমপি) বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ হতে তার আরও কিছুদিন প্রয়োজন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তিনি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনসহ স্থায়ী কমিটির সব বৈঠকে অংশ নিতে পারবেন না। এ অবস্থায়, তার অনুপস্থিতিকে সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে সরকারকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন। না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।’
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় আওয়ামী লীগ কর্তৃক সংঘটিত সব গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে ১১ দল আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট এই জাতিকে আল্লাহ তাআলা আমাদের ছাত্র, শ্রমিক, যুব ও জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মাত্র দুই বছর আগে মুক্তি দিয়েছিলেন। সেই সময় যে দলটি আমাদের মতোই মজলুম ছিল, নির্যাতিত ছিল, আজকে তারা ক্ষমতায় আছে। তারা তখন প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছিল।
নির্বাচনের সময় তারা বলেছিল, নির্বাচিত হলে যত হত্যা ও নির্যাতন হয়েছে সবগুলোর বিচার করবে। কিন্তু ক্ষমতায় বসার পর এখন তাদের সুর পাল্টে গেছে।’
সরকারের তীব্র সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিচার তো তারা করছেই না, বরং আপনারা শুনেছেন চার মাসে ৬০০ জনের অধিক মানুষ নির্মমভাবে বাংলার মাটিতে খুন হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আরো দুঃখজনক, এই দলটি নিজেদের হাতে নিজেদের কর্মীদেরকেই খুন করেছে। যাদের নিজেদের কর্মীদের সম্পর্কে নিজেদেরই কোনো দায় এবং দরদ থাকে না, ২০ কোটি মানুষের জন্য তাদের কী দায় এবং দরদ থাকবে? আমরা কোনো লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি না।’
ব্যাংকিং খাত, প্রশাসন ও শিক্ষাঙ্গনে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিভিন্ন ব্যাংকে অযাচিত হস্তক্ষেপ, বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজগুলো দলীয় অনুগতদের দিয়ে দখল করা, জেলায় জেলায় প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া, এমনকি খেলার মাঠটাও পর্যন্ত তারা দলমুক্ত রাখতে পারলেন না। এইভাবে তারা আবার কার্যত একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কিন্তু বারবার বিপ্লবের সাক্ষী। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন। না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আপনাদেরকে বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করব, মজলুম ছিলেন, জালেম হবেন না।’
সংসদে নিজেদের অবস্থানের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ‘আপনারা যে পথে হাঁটছেন, সংসদে আমরা প্রতিটি বিষয়েই সেখানে প্রতিবাদ করছি। দুই-তৃতীয়াংশ কিভাবে পেয়েছেন, আপনারাই ভালো জানেন। আর এ দেশের জনগণ জানে।’
গাইবান্ধার হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, ‘গত ২১ তারিখ, মাত্র দুই দিন আগে গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের একজন তরুণ নেতাকে গলা কেটে স্পষ্ট সেই ফ্যাসিবাদী কায়দায় হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করে মানুষকে দুনিয়া থেকে বিদায় দেওয়া হবে। কিন্তু কোনো আদর্শকে খুন করা যাবে না।’ তিনি বলেন, আপনাদের এক সিনিয়র নেতা ‘নির্মূল’ করার ঘোষণা দিয়েছেন, ‘অতীতে যারা নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তারা নিজেরাই আজকে নির্মূল হয়ে গেছে। নির্মূল নির্মূল বেশি করবেন না।’
দেশে চলমান পরিস্থিতিকে ‘ভাইরাস’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই ফ্যাসিবাদের ভাইরাস, চাঁদাবাজির ভাইরাস, দুর্নীতির ভাইরাস, দলীয় শাসনের ভাইরাস—এসব ভাইরাসমুক্ত করার জন্য আরেকটি বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠেছে।’ এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের আগামী বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘এই বয়সে আমি এবং আমরা পিছিয়ে থাকব না, সম্মুখসারিতে থাকব ইনশাআল্লাহ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ আবারও আইনি জটিলতায় পড়েছেন। একাধিক ভোটার আইডি থাকার অভিযোগে করা মামলায় তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় বেঙ্গালুরুর একটি আদালত তার বিরুদ্ধে অজামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, বেঙ্গালুরুর ৪৮তম অতিরিক্ত প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বারবার সমন পাঠানোর পরও প্রকাশ রাজ হাজির না হওয়ায় এই পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকাশ রাজ বিচারিক নির্দেশের জবাব দেননি এবং নির্ধারিত সময়েও আদালতে উপস্থিত হননি।
এই মামলার সূত্রপাত ২০১৯ সালে। তখন আইনজীবী দিলীপ কুমার বেঙ্গালুরুর হালাসুরু গেট থানায় অভিযোগ করেন যে, প্রকাশ রাজ একই সঙ্গে কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, একজন নাগরিক কেবল একটি জায়গাতেই ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত থাকতে পারেন।
তবে প্রকাশ রাজ শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, তিনি শুধু তামিলনাড়ু থেকেই ভোট দেন এবং একাধিক ভোটার আইডি থাকার অভিযোগ সত্য নয়।
জানা গেছে, পরোয়ানার বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ কিংবা জরুরি জামিনের আবেদন জানাতে তার আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।
সম্প্রতি কর্ণাটকের ধর্মস্থলাকে ঘিরে আলোচিত এক মামলাতেও প্রকাশ রাজের নাম উঠে আসে। ‘একাধিক হত্যা, ধর্ষণ ও গোপনে দাফনের’ অভিযোগকারী সি. এন. চিন্নাইয়া কর্ণাটক হাইকোর্টে করা রিট আবেদনে অভিনেতার নাম উল্লেখ করেন।
এই বিষয়ে সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ রাজ বলেন, ‘একজন কর্মী আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, চিন্নাইয়া আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। একজন নাগরিক হিসেবে আমি সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ তদন্ত দলের প্রধান প্রণব মোহান্তিকে বিষয়টি জানিয়েছি। এটাই আমার দায়িত্ব ও জবাবদিহি।’
তিনি এও বলেন, ‘হ্যাঁ, তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। আর সেই তথ্য আমি সঙ্গে সঙ্গেই এসআইটি প্রধানকে দিয়েছি। বিষয়টি এখানেই শেষ।’
এদিকে আইনি জটিলতার মধ্যেও অভিনয়ে ব্যস্ত রয়েছেন প্রকাশ রাজ। তিনি সম্প্রতি তামিল ছবি ‘কালিদাস ২’-এ অভিনয় করেছেন। সামনে তার হাতে রয়েছে হিন্দি ছবি ‘দৃশ্যম ৩’, তেলুগু সিনেমা ‘স্পিরিট’, ‘ডাকয়েত: আ লাভ স্টোরি’, ‘বারাণসী’ এবং তামিল ছবি ‘জনা নায়াগান’-সহ একাধিক প্রজেক্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ