বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১৫ পি.এম
যুক্তরাজ্যে ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে গেছে।
শীতের দেশে গ্রীষ্মের দাবদাহ এখন নতুন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ৯২ শতাংশ বাড়ি অতিরিক্ত গরমের কারণে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা পেয়েছে। মে মাসের এক প্রতিবেদনে জলবায়ু পরিবর্তন কমিটি (সিসিসি) এ সমস্যার কথা জানিয়েছিল। বাস্তবতায় মে ও জুনের রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহের কারণে অতিরিক্ত প্রায় তিন হাজার প্রাণেরও ক্ষতি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা (ইউকেএইচএসএ) বুধবার জানিয়েছে, ইংল্যান্ডে তীব্র গরমের কারণে ২,৮৭৭ জনের অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে মে মাসে ৭৫৩ জন এবং জুনে রেড এলার্ট চলাকালীন ২,১২৪ জন মারা যান। এই সংখ্যা ২০২৫ সালের পুরো গ্রীষ্মের (১,৫০৪ জন) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ, যা জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক আঘাত হিসাবে দেখা দিয়েছে। ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিনের সাথে শীতল দিনের মৃত্যুর তুলনামূলক হিসাব করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
ইউকেএইচএসএ-এর বিজ্ঞানী রস থম্পসন বলেছেন, জনস্বাস্থ্যে গরমের এই প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শীতকালীন অসুস্থতায় অভ্যস্ত যুক্তরাজ্যে গ্রীষ্মের দাবদাহ হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে, জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইভেট কুপার।
চলমান জুলাইয়ের দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের হিসাব এখনও যুক্ত হয়নি। ফলে সংস্থাটির আশঙ্কা রয়েছে যে ২০২৬ সাল হতে পারে সর্বোচ্চ তাপজনিত মৃত্যুর বছর। এর আগে ২০২২ সালের গ্রীষ্মে সর্বোচ্চ ২,৯৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সিসিসি গত বছর জানিয়েছিল যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য মোটেও প্রস্তুত নয়। সুতরাং, ইউকেএইচএসএ গ্রীষ্মের শুরু থেকেই প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছে। চরম পরিস্থিতি এড়াতে তারা কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা নির্ধারণ এবং স্কুল-হাসপাতালে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) চালুর সুপারিশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে ব্রাজিল হেরে শেষ ষোলোতে বিদায় নিয়েছিল। সেই হতাশা ভুলে নতুন দল তৈরির কাজ শুরু করেছেন কার্লো আনচেলত্তি ২০২৮ কোপা আমেরিকা ও ২০৩০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের জন্য।
এসময় তিনি নতুন প্রজন্মের ওপর আস্থা রাখার ইঙ্গিত দেন। ব্রাজিল কোচ জানান, নেইমার, দানিলো ও কাসেমিরোর জাতীয় দলের অধ্যায় হয়েছে সমাপ্ত।
গ্লোবোএসপোর্তে–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এটা তিনি বলেছেন।
কার্লো আনচেলত্তি মন্তব্য করেন, "২০২৬ বিশ্বকাপের মাধ্যমে ব্রাজিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজন্মের সমাপ্তি ঘটেছে।"
নেইমার, দানিলো, কাসেমিরো—বিশ্বকাপে ৩০ বছরের বেশি বয়সী যেসব খেলোয়াড় ছিলেন, তাদের সময় শেষ হয়ে গিয়েছে।
নেইমার জুনিয়র গতকাল আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ৩৫ বছর বয়সী দানিলো ও ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা না দিলেও আনচেলত্তির বক্তব্য স্পষ্ট করে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাদের আর রাখা হচ্ছে না।
ব্রাজিল কোচ আরও বলেন, "আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকার জন্য একটি নতুন ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ দল তৈরি করা।"
তিনি উল্লেখ করে বলেন, "আমরা নতুন খেলোয়াড় খুঁজে বের করব, যারা দ্রুত দলে এসে অবদান রাখতে পারবে।"
তিনি ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের কথাও বলেননি। তার প্রথম লক্ষ্য ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা।
এছাড়া আনচেলত্তি গোলকিপারের ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতের কথা ভাবছেন।
আলিসন ও এডারসনের অভিজ্ঞতা প্রশংসা করলেও নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আনচেলত্তির ভাষ্য, "আমার মনে হয় আমাদের নতুন গোলকিপারদের দেখা উচিত।" ব্রাজিলিয়ান লিগে তরুণ গোলকিপাররা খেলছেন। নতুন গোলকিপারদের নিয়ে খুব সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করাই আমাদের পরিকল্পনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এর ফলে চলতি বছরের ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৫৩ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে সারা দেশের হাসপাতালে ৪৬৩ নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডেঙ্গু বিষয়ে তাদের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যটি প্রকাশ করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত একদিনে ঢাকা বিভাগের মধ্যে ডেঙ্গুর কারণে ২ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ১ জনের মৃত্যু ঘটেছে। অন্যদিকে, গত একদিনে ঢাকা বিভাগে সর্বাধিক ১৮৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এছাড়াও, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৯, বরিশাল বিভাগে ৬৭, খুলনায় ৬২, রাজশাহী বিভাগে ৩২, ময়মনসিংহ বিভাগে ২১, রংপুর বিভাগে ২০ এবং সিলেট বিভাগে ৩ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
সব মিলিয়ে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই দুই সিটি করপোরেশনসহ ২৫ জন মারা গেছেন। এছাড়া, খুলনা বিভাগে ৯ জন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগে ৬ জন করে ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জন এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে ১ জন করে মোট ২ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ভবনে হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছে।
হামলার পর ভবনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে, যা কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার, কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি মুখপাত্র সৌদ আল আতওয়ান এক বিবৃতিতে জানান, হামলার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জরুরি উদ্ধার ও নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করে। তারা অন্যান্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
তবে হামলার ধরন, কীভাবে এটি সংঘটিত হয়েছে কিংবা নিহত ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
সৌদ আল আতওয়ান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এই সময়, নাগরিক ও বিদেশি বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করছে সেনাবাহিনী।
তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পরিস্থিতির ওপর নিরাপত্তা বাহিনী নিবিড়ভাবে নজর রাখছে।
এই হামলার ঘটনা ঘটে যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা, জ্বালানি অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কুয়েতে চীনা প্রতিষ্ঠানের ভবনে হামলার ঘটনা সংঘাতের ভৌগোলিক বিস্তৃতিকে আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে, উপসাগরীয় অঞ্চলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই ঘটনার রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিশেষ অর্থনৈতিক ও মুদ্রা অঞ্চল ইউরোজোন পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। তবে বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা রয়েছে যে, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় এবং নতুন করে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের প্রভাবের ফলে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
ইইউর অফিসিয়াল পরিসংখ্যান অফিস ইউরোস্ট্যাটের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী ২১ দেশের অর্থনীতি, দ্বিতীয় প্রান্তিকে আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। অন্যদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সের জরিপে অর্থনীতিবিদরা ০ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। একই সময়ে গত বছরের তুলনায়, ইউরোজোনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশে পৌঁছেছে, যা বাজারের ০ দশমিক ৫ শতাংশ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। আগের কিছু প্রবৃদ্ধির হিসাবও ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের জন্য বলেছেন, কয়েকটি বড় অর্থনীতির প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স এই প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে যেমন জার্মানি, ফ্রান্স ও ইতালির অর্থনীতি ০ দশমিক ২ শতাংশ করে বেড়েছে, তেমনি ইউরোজোনের অন্যতম সেরা পারফরমার স্পেনের অর্থনীতি ০ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে। এছাড়া, নেদারল্যান্ডসের প্রবৃদ্ধি ০ দশমিক ৪ শতাংশ, যা প্রত্যাশার দ্বিগুণ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, ইউরোপে এআই খাতে ব্যবসায়িক বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, সেইসাথে পারিবারিক ভোগব্যয়ও আশঙ্কার তুলনায় স্থিতিশীল রয়েছে। জার্মানি প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে সরকারি ব্যয়ও ধীরে ধীরে বাড়ছে, যা অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
ইউরোজোনে বেকারত্বের হার জুন মাসে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে স্থিতিশীল ছিল, যা শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। শিল্প ও সেবা খাতের আস্থার সূচকও প্রত্যাশার তুলনায় বেশি বেড়েছে।
তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন, এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পেছনে কিছু সাময়িক কারণও রয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। বিশেষ করে, আয়ারল্যান্ডের অর্থনীতি দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা মূলত দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ কোম্পানিগুলোর কারণে হয়েছে। ছোট অর্থনীতি হলেও আয়ারল্যান্ডের প্রবৃদ্ধি ইউরোজোনের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে বড় প্রভাব ফেলেছে।
কমার্জব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইয়র্গ ক্রেমার রয়টার্সকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা হতে আরও সময় লাগতে পারে। ফলে, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ধীর হতে পারে। এছাড়া, যুদ্ধের কারণে উচ্চ জ্বালানি মূল্য, অপরিশোধিত জ্বালানি পণ্যের সংকট, জ্বালানির বাড়তি খরচ এবং মূল্যস্ফীতির চাপ ধীরে ধীরে ভোক্তাদের ওপর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। একই সাথে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচ্চ সুদের হারও ভোগব্যয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যদিও দ্বিতীয় প্রান্তিকের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ভালো, তথাপি বিশ্লেষকদের মতে, চলমান ভূরাজনীতি অস্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকলে ইউরোজোনের অর্থনীতি আগামী মাসগুলোতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ