বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
‘আত্মহত্যায় প্ররোচনার’ মামলায় সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপস রফা সম্পন্ন হয়েছে। সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগটি দায়ের করা হয়েছিল।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালতে এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন শুনানিতে আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বিষয়টি তুলে ধরেন।
এদিন আদালতে মামলার বাদী এস এম মাসুম বিল্লাহ আপসনামা দাখিল করেন। সেখানে তিনি এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীকে দায়মুক্তি প্রদান করে বলেন, আসামিদের জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই।
তবে, শুনানি শেষে বিচারক মাকসুদার জামিন মঞ্জুর করলেও গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যা আছে আপসনামায়—
আপসনামার নথি থেকে জানা যায়, প্রথম পক্ষ এস এম মাসুম বিল্লাহ (মরিয়মের বাবা) এবং দ্বিতীয় পক্ষ আব্দুল হামিদ মোড়ল (আসামির স্বজন)। এই সমঝোতা দলিলটি তাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
আপসনামায় উল্লেখ রয়েছে, প্রথম পক্ষের মেয়ে মরিয়মের সঙ্গে ১ নম্বর আসামি জি এম নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মরিয়ম জি এম নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের সঙ্গে সদ্ভাব রেখে সংসার পরিচালনা করেন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার বাসভবনে মরিয়ম আত্মহত্যা করেন। যেহেতু ঘটনাটি জামাইয়ের (নজরুল) বাসায় ঘটে, তাই মৃত মরিয়মের বাবা শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় জি এম নজরুল ইসলাম, প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও অন্য একজনকে আসামি করা হয়।
পরে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে প্রথম পক্ষ নিশ্চিত হন, আসামি জি এম নজরুল ইসলাম বা প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের কোনো প্ররোচনা ছাড়াই মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন। দুই পরিবারের মধ্যে পূর্ব থেকেই নিকট আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় থাকায় উভয় পক্ষের সম্মতিতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এই আপসনামা সম্পাদিত হয়।
আপসনামার শর্তাবলীতে উল্লেখ করা হয়েছে—
১. আসামি জি এম নজরুল ইসলাম ও মাকসুদা ইসলাম আদালত থেকে জামিন পেলে মামলার বাদী বা তার পরিবারের কোনো আপত্তি থাকবে না।
২. জামিন পাওয়ার পর উভয় পক্ষ পুনরায় সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবেন।
৩. বিচারধীন এ বিষয়ে উভয় পক্ষ নিরপেক্ষ থেকে বিচার কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবেন।
এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সংসদ ভবনের উল্টোদিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
রাতে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন ও মাকছুদা বেগমের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২৪ সেপ্টেম্বর এমপি নজরুলকে ফের চার দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শেষে এমপি নজরুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অপর আসামি মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাদেরকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এই ঘটনার পর ২২ জুলাই সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার এবং একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি অবগত করা হয়।
এদিকে, ভিডিও ভাইরালের পর অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ২১ জুলাই গাড়ি চালক ও মৃত মরিয়ম খাতুনের মামা ওবায়দুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন পল্লবী থানায়। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত ১০ আগস্ট ৮ সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল ইসলাম। সেই মামলার বাদী ওবায়দুরকে এবার মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মামলায় মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ উল্লেখ করেন, গত জুনে গাজী নজরুলের সঙ্গে ভিক্টিমের ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয়। তিনি সংসদ সদস্য হওয়ায় ভিকটিম মরিয়ম ও তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলামসহ শেরেবাংলা নগর থানাধীন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকাস্থ সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন। আসামি ওবায়দুর রহমানের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় গাজী নজরুলের সঙ্গে ভিকটিম মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী ভিকটিম মরিয়মকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে বিভিন্ন সময় মোবাইল তার পরিবারকে জানায়। এর ধারাবাহিকতায় ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টায় গাজী নজরুল ভিকটিমের বাবাকে মোবাইল ফোনে দ্রুত তাদের বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন বাসার ভেতরের রুমে ভিকটিম মরিয়ম ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন। পরে শেরেবাংলা নগর পুলিশের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার মেয়ের দেহ ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে দেখতে পান। আসামিদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এবং আসামিদের প্ররোচনায় তার মেয়ে মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পৃথক অভিযানের মাধ্যমে কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ ৫১ হাজার ২৭১ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ অভিযানের সময় গাঁজাসহ মো. সনি (২৫) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
বিজিবি আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) জানায়, গতকাল মঙ্গলবার শেওড়াতলা পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৯৫ বোতল ভারতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ উদ্ধার করা হয়। একই রাতে রংমহল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট ও ৫৯ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, আজ দৌলতপুরের ডাক্তার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা ও মোটরসাইকেলসহ সনিকে আটক করা হয়।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা মাদক ও চোরাচালান পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ ৫১ হাজার ২৭১ টাকা। আটক সনিকে উদ্ধার করা মালামালসহ দৌলতপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
৪৭ বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, চীন ও পাকিস্তান বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিতে তাদের দুয়ার খুলে দিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশি চিকিৎসকদের ফেলোশিপে নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির হাসপাতালগুলোতে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে চীনে নিয়ে গিয়েও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের ১৩৫ থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চীনের হাসপাতালগুলোতে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি চীনা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চীনে নিয়ে গিয়েও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
পাকিস্তানের সহযোগিতার প্রসঙ্গে তিনি জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে, পাকিস্তানি চিকিৎসকরাও বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন। দুই দেশের এই ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।
থ্যালাসেমিয়া ও এইচআইভি সহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রোগীর চিকিৎসা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করাও চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে সাধারণ মানুষকে রোগের কারণ, প্রতিরোধ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পর্কে জানাতে হবে।
বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, স্বামী ও স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই বিয়ের আগে ছেলে ও মেয়ের রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত। তিনি বলেন, "আপনারা দয়া করে এখন বিয়ের আগে মেয়ে ও ছেলের ব্লাড টেস্ট করাবেন থ্যালাসেমিয়ার জন্য। এটা রক্তের মধ্যে পাওয়া যায়।"
চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে সব রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সন্তানদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করার পাশাপাশি চিকিৎসকেরা যেখানে যাবেন, সেখানেই মানুষকে থ্যালাসেমিয়া, এইচআইভি ও ছোঁয়াচে রোগ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। হাত ধোয়া ও পরিচ্ছন্নতার মতো বিষয়েও জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায়, স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার কারণে ক্ষোভে জীবন (২০) নামে এক যুবক নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে নয়টায় সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, সন্ধ্যা সাতটায় উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত যুবক জীবন আঙ্গারিয়া এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায়, জীবন ও মিম (১৬) পালিয়ে বিয়ে করে সিংগাইরের আঙ্গারিয়া এলাকায় জীবনের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি জানার পর মিমের পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
জীবন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি ব্যর্থ হন। পরে স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নিয়ে যাওয়ার কারণে ক্ষোভে জীবন নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান।
এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, "কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা খোঁজখবর রাখছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেইমারের অবসর এবং ২০৩০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দল গঠন শুরু করেছেন কার্লো আনচেলত্তি। সেই প্রেক্ষাপটে ম্যাচে পেনাল্টি নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পান রানিফিয়া। বার্সেলোনার এই তারকা অনুপস্থিত থাকলে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে সবকিছু বদলে যায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম পেনাল্টি নেওয়ার পর ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন রাফিনিয়া। ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় পেনাল্টি গিমারায়েসের নেওয়ার কথা থাকলেও শট নিতে আসেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষে এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা তার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।
বিশ্বকাপের পর থেকে ভিনিসিয়ুস নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন না। তাই তাকে ফর্মে ফিরিয়ে আনতে গিমারায়েস ভিনির হাতে বল তুলে দেন। এ জন্য তিনি সতীর্থকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।
ভিনিসিয়ুস বলেন, "রাফিনিয়া মাঠে না থাকলে, আমাদের পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব ব্রুনো গিমারায়েসের। আমি ভেবেছিলাম সে নিতে চাইবে, কিন্তু সে জানে যে বর্তমানে আমার কিছুটা আত্মবিশ্বাস দরকার। বিশ্বকাপে হেরে যাওয়া অনেক বড় ধাক্কা এবং সেটা মেনে নেওয়া কঠিন, আর ঘুরে দাঁড়ানোও সহজ নয়।"
পরে গিমারায়েসও তার পেনাল্টি না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন। আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার বলেন, "দলের সবার মধ্যে একতাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এটাই কারণ ছিল (পেনাল্টিটা ভিনিকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে)। পেনাল্টির ঘটনার পর, অনেক কিছুই সামনে আসে। কিন্তু এখানে জাতীয় দলে, আমাদের মধ্যে কেউ ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবে না।"
আনচেলত্তি ভিনিকে পেনাল্টি নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। গিমারায়েস বলেন, "বিশ্বকাপে আনচেলত্তি আমাকে পেনাল্টি নিতে বলেছিলেন। আর আজ তিনি ভিনিকে নিতে বলেন। ভিনির একটা গোল করা খুব দরকার ছিল। সে খুব ভালোভাবেই সেটা করেছে।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের কারও মধ্যে ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবনা নেই। ব্রাজিলের জন্য কোনটা সেরা, সেটাই আমরা চাই। তার জন্য আমরা খুশি এবং এভাবে কাজ করে যাওয়াটাই আসল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ