বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০১:২৬ পি.এম
সুনামগঞ্জের গহনার দোকানে চুরি করার চেষ্টা করতে গিয়ে এক চোর চক্রের সদস্য সিসিটিভি ক্যামেরার অ্যালার্মে ধরা পড়েছে। তবে এটি উল্লেখযোগ্য যে, চোর ভুলবশত রুপার দোকানে ঢুকেছিল।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে সুনামগঞ্জ শহরের কালীবাড়ি রোডের স্বর্ণপট্টিতে উষা জুয়েলার্সের একটি দোকানে এই ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার ভোরে নরসিংদী এলাকার একটি চোর চক্র সুনামগঞ্জ শহরের কালীবাড়ি রোডের স্বর্ণ পট্টির উষা জুয়েলার্সের তালা ভেঙে ফেলে। যদিও চক্রের সদস্য সংখ্যা পাঁচ, তবে একজনকে ভিতরে ঢুকিয়ে চারজন বাহিরে পাহারাদারের ভূমিকায় ছিল। এটি দোকানের বাহিরের সিসিটিভি ক্যামেরাতে রেকর্ড হয়েছে।
এদিকে চোর যখন দোকানে প্রবেশ করে, তখন দোকান মালিক শুভ বণিকের মোবাইল ফোনে সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে একটি অ্যালার্ম বেজে ওঠে। এরপর বিষয়টি সদর থানায় জানানো হলে পুলিশ দোকানের ভিতর থেকে একটি ব্যক্তি আটক করে।
আটক হওয়া ব্যক্তির নাম বিল্লাল ও তার বাড়ি নরসিংদী, কিন্তু পুলিশের ধারণা তিনি প্রকৃত পরিচয় গোপন করেছেন।
কালীবাড়ি রোডের মন্দিরের পাশে উত্তম জলযোগের মালিক প্রদীপ পাল বলেন, দিনদুপুরে দলবেঁধে লুঙ্গি দিয়ে দোকানের তালা ভাঙার ঘটনা সুনামগঞ্জে আগে ঘটেনি। তিনি বলেন, ফেসবুকে দেখেছিলাম কিন্তু আজ বাস্তবে দেখলাম শহরের ব্যস্ততম সড়কের পাশে কীভাবে এত সময় চোরেরা তালা ভেঙে দোকানে প্রবেশ করে। সিসিটিভি ক্যামেরার অ্যালার্ম বাজানো না হলে চোর নিরাপদেই চলে যেত।
উষা জুয়েলার্সের মালিক শুভ বণিকের কাকা বিমল বণিক জানান, পাশাপাশি দুটি দোকানের মধ্যে যেটাতে চোর প্রবেশ করেছিল সেটি রুপার দোকান। সেখানে ১০-১২ লাখ টাকার রুপার অলংকার ছিল। দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে মোবাইল ফোনে অ্যালার্ম বেজে ওঠার ফলে চোর শনাক্ত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি থানায় জানানো হয়। পরে পুলিশ দোকানের ভিতর থেকে চোরকে আটক করে। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকার জন্য চোর ধরা পড়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, দোকান মালিকের সচেতনতার কারণে সিসিটিভি ক্যামেরার অ্যালার্মের ফলে চুরি রোধ হয়েছে এবং চোর ধরা পড়েছে। চোরের অন্য সদস্যদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের আটক করার চেষ্টা চলছে। আটক চোরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জুগিন্দা গ্রামের একটি পুকুরে পূর্বশত্রুতার কারণে অজ্ঞাত কেউ বিষ ঢেলে মাছ নিধন করেছে বলে অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এই ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাছ চাষি কামরুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরে পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠলে বিষয়টি সবার নজরে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুজ্জামান ৩ বিঘা পুকুরে গত দুই বছর ধরে পাঙাশ মাছ চাষ করছেন। প্রতিটি মাছের ওজন ৭-১২ কেজি পর্যন্ত হয়েছে। তিনি কয়েক দিনের মধ্যে মাছ বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। আজ সকালে স্থানীয় মানুষেরা পুকুরে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখেন। পুকুর মালিক লোকজন নিয়ে মাছ তুলে বিক্রির চেষ্টা করেছেন, কিন্তু বিষে আক্রান্ত বেশিরভাগ মাছে পচন ধরেছে।
স্থানীয়রা দ্রুততম সময়ে বিষয়টির তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আল মামুন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের পক্ষ থেকে খালের পাড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
তিনি বলেছেন, জনগণের ম্যান্ডেট পেলে পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। তার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ৭০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা প্রয়োজন। চলতি বছরে এই লক্ষ্যে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে ঢাকার ধামরাইয়ে অবস্থিত স্নোটেক্স আউটওয়্যার লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানা পরিদর্শনের সময় ত্রাণমন্ত্রী এ কথা বলেন। পরে ধামরাইয়ে খননকাজ চলমান একটি খাল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ওই সময় ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন।
খাল খননের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছিল, জনগণের ম্যান্ডেট পেলে আমরা পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করব। এটি চার-পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ভাগ করা হয়েছে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের অংশ ৭ হাজার কিলোমিটার। এই বছর আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার।
তিনি বলেন, আপনাদের জানি, এ বছর আগাম বৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে অনেক জায়গায় সুষ্ঠুভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের আন্তরিকতার অভাব নেই।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। তখন বাংলাদেশ খাদ্যঘাটতির দেশ ছিল। তিনি এই খাল ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত করেছিলেন এবং বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় অবজ্ঞা, অবহেলা ও অযত্নে অনেক খাল ভরাট হয়ে গেছে, বেদখল হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এখন খাল কেটে মানুষের মুখে হাসি ফিরছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে খাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে চাই। আপনাদেরও জানি, পার্শ্ববর্তী দেশের পানিবৈষম্যের কারণে আমাদের দেশে অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, উপরিভাগের পানিকে ধরে রাখতে হবে।
তিনি বলেন, এ খালের মাধ্যমে বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন হবে এবং শুকনো মৌসুমে কৃষকদের সেচের জন্য পানি সরবরাহ করা যাবে। সঙ্গে সঙ্গে খালের পাড়ে গাছ লাগানো হবে। আমাদের ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি রয়েছে। ইতোমধ্যে গাছ লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। আমরা চাই, সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে হতদরিদ্র মানুষদের এই কাজে সম্পৃক্ত করা হোক, যাতে তারা কর্মসংস্থান পায় এবং আয়বর্ধক কর্মসূচি হিসেবে এটি কাজে আসে। আমাদের চেষ্টা থাকবে পুরো কার্যক্রম দুর্নীতিমুক্তভাবে পরিচালনা করা। কোথাও অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক তদন্ত টিম পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খাল খননে ২৫ শতাংশ শ্রমিক সম্পৃক্ত করার সরকারি নির্দেশনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, না, মূল খননের কাজ ভেকু দিয়ে করা হবে। কারণ এটি ড্রেজিংয়ের কাজ। তবে স্লোপিং, বৃক্ষরোপণ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ মানুষের মাধ্যমে করা হবে। আপনাদের জানা উচিত, বর্তমানে এ কাজে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি দেওয়া হচ্ছে, যা বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে খুবই কম। আমরা নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি এবং আগামী অর্থবছরে এই মজুরি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে যাতে মানুষ আরও উৎসাহ নিয়ে এ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারে।
এ সময় সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেন, জনগণের মধ্যে বিএনপির ওপর একটি বিশাল আস্থা ও আত্মবিশ্বাস রয়েছে। আমাদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সর্বোপরি আমাদের নেতা তারেক রহমানের প্রতি জনগণের এই আস্থা তৈরি হয়েছে। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আজ ধামরাইয়ে এসেছেন। আমার নির্বাচনি এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমি তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি অনুগ্রহ করে মানিকগঞ্জের কর্মসূচি শেষ করে এ সময় আমার এলাকায় এসে পদচারণা করেছেন। এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ধামরাইবাসীর পক্ষ থেকে আমি আমাদের এই নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্কুল শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হত্যা মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি আবু দারদা মো. জোবায়ের (১৮) পুলিশ দ্বারা গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী থানার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন এসআই মো. সোলেমান ও এএসআই (নিরস্ত্র) মো. মহিউদ্দিন।
গ্রেপ্তারকৃত জোবায়ের নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বালিয়াধর গ্রামের বাসিন্দা এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। একইসঙ্গে এ মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুন বিকেলে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির আবাসিক হল থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মেহেদীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মেহেদীর পিঠ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওইদিন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকসহ কয়েকটি কক্ষের ভাঙচুর চালায়। নিহত মেহেদি রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের ছেলে।
পরে ১৮ জুন, নিহতের বাবা জিয়া উদ্দিন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নান ও ৭ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ রয়েছে, একটি আইফোন চুরিকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনা মেহেদীর মৃত্যুর কারণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ২৩ জুন এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনাটি নিয়ে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি।
বুধবার (২৪ জুন) পৃথক বিবৃতিতে দুই সংগঠনের নেতারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ করেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাকিব আসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক সমাজে সাংবাদিকরা জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাংবাদিকদের ওপর হামলা করা মানে সত্য এবং বস্তুনিষ্ঠ তথ্যপ্রবাহের ওপর আঘাত করা। এ ধরনের ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী এবং এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ।
অন্যদিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম এবং সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে এবং মুক্ত সাংবাদিকতার পথ বন্ধ করতেই এমন কাপুরুষোচিত হামলা চালানো হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা জানিয়েছেন, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমন্ডি জোনের বিক্ষোভ মিছিলের সমাপ্তির পর ব্রিফিং চলাকালে কতিপয় নেতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। এই ঘটনায় দৈনিক সকালের প্রতিবেদক মাহফুজুর রহমান শিশির আহত হয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতারা আরো বলেন, অতীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় গণমাধ্যমকর্মীরা বারবার হামলার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
জানা গেছে, ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমন্ডি জোনের বিক্ষোভ মিছিল শেষে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির অভিযোগ করেছেন, জামায়াতের নেতা-কর্মীরাই তার ওপর হামলা চালিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ