বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৩৫ পি.এম
পটুয়াখালীর কলাপড়ায় আন্দারমানিক নদীর পানির প্রবল স্রতে সদরপুর স্লুইস বেরিবাঁধ ভেঙে পড়ায় চরম দুর্ভোগে ভুগছেন কয়েক হাজার মানুষ। স্লুইসটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কারণে প্রায় সাতশ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সাত গ্রামের প্রায় চার হাজার পরিবার।
গত বছর থেকেই স্লুইসে ভাঙনের লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। তখন প্রয়োজনীয় মেরামত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। কয়েকদিন ধরে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন, তবে অভিযোগ রয়েছে যে স্লুইস দিয়ে পানি নামানোর কার্যকর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, ওই এলাকায় সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। হাজীপুর এলাকায় সোনাতলা ও আন্ধারমানিক নদীর সংযোগস্থল এবং সাগর মোহনা ঘেঁষা জনপদের মানুষকে জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করার জন্য হাজীপুর সেতু থেকে জালালপুর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় বেড়িবাঁধ। ওই বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরের পানি নিষ্কাশনের জন্য সদরপুর তিন ভেন্টের স্লুইস নির্মাণ করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় সংস্কার না হওয়ায় এবার পানির তীব্র চাপে স্লুইসটি বেরিবাঁধসহ ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্লুইসটি ভেঙে যাওয়ার পর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সোনাতলা নদীর জোয়ারের পানি ঢুকে আশপাশের সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে গেছে। বসতঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের পুকুর ও ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। এদিকে, পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।
স্থানীয় সোনাতলা গ্রামের জলিল মিয়া বলেন, “স্লুইসটি ভেঙে যাওয়ার কারণে পানি নামতে পারছে না। ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে, ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
সদরপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ হাওলাদার জানান, “গত বছর থেকেই স্লুইসটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তখন সংস্কার করলে আজ আমাদের এমন সমস্যায় পড়তে হতোনা।”
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সূত্রে জানা যায়, কলাপাড়ার অনেক স্লুইস ও জলকপাট দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সদরপুর স্লুইসসহ উপজেলার ১২৯টি স্লুইস নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রস্তবনা পাঠানো হয়েছে।
কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শাহ আলম বলেন, “ভেঙে যাওয়া স্লুইস ও জলকপাটগুলো পুনর্র্নিমাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে একটি ঘটনার বর্ণনা রয়েছে যেখানে এক যুবকের বিরুদ্ধে নিজ ঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। আগুন লাগানোর পর যুবক দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে ঘরের সামনে অবস্থান করেন এবং স্থানীয়দের ভয়ভীতি দেখান। এই ঘটনার কারণে এলাকায় চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার বলদিটারি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সাথে যুক্ত যুবক শামীম, যার পিতা মৃত আনোয়ার (বিডিআর)। স্থানীয়দের মতে, শামীম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারাই জানিয়েছেন যে, শামীম নিজেই তার বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি দেশীয় অস্ত্র, ছুরি ও শাবল নিয়ে ঘরের সামনে অবস্থান করেন। যদি কেউ তাকে আটকাতে বা আগুন নেভাতে এগিয়ে আসেন, তাহলে তিনি প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকেন। ফলে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে তার স্ত্রী, মা ও বোনও ভয়ে তার কাছে যেতে পারেননি।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাদের আসার আগে ঘরের প্রায় সব আসবাবপত্র এবং মালামাল পুড়ে যায়। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান বলেন, ‘মাদকাসক্ত এক যুবক নিজ বাড়িতে আগুন লাগিয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার আতাইকুলায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মরদেহবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় মারা গেছে আরও একজন। এই দুর্ঘটনার পর নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ জনে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার সময় সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী কড়ইতলা এলাকায় ঢাকা–পাবনা মহাসড়কে এই ঘটনা ঘটে।
মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনাটির নিশ্চিততা প্রদান করেন।
তিনি আরও জানান, গুরুতর আহত শিশু নাফিস (৭)-কে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেল ৩টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাফিস সাঁথিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।
এর আগে, রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে নাটোরে পৌঁছানোর পর সকাল ১১টার দিকে ছলিম প্রামাণিক (৬৫) নামের একজন মারা যান। তিনি সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত দানেজ প্রামাণিকের ছেলে। এর আগে, সকালে দুর্ঘটনাস্থলে মারা যান সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক পাবনা পৌর শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের ছেলে রাজ শেখ (২৮) ।
এই ঘটনায় আহত দুজন ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) ও নাতি রিয়াদ সরদার (১৭) পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ এবং স্থানীয় লোকজন জানায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স সাঁথিয়া উপজেলার নিজ বাড়ির উদ্যেশ্যে রওনা দেয়। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে সাড়ে ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গীর কড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ এবং লাশের সঙ্গে থাকা শিশু কেয়ার নানি বুলু খাতুন নিহত হন। সেই সময় আরো চারজন গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। একই সাথে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে। সেই ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলসে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নগরীর আন্দরকিল্লা সংলগ্ন জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. মোতাহার হোসেন, জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস-চেয়ারপারসন মোহাম্মদ আছিফ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সাবেক সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ডা. তাসলিম চৌধুরী, রায়হানুল আনোয়ার রাহী, জাহাঙ্গীর আলম বাবর, হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা (সিএমও) ডা. নাজ সোহানী সুলতানা, ইউনিট লেভেল অফিসার মো. জিয়াউল হক, প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দৌলা সুজন, রক্ত কেন্দ্রের প্রধান ডা. মেজবাহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট চেয়ারম্যানের পিএস মুহাম্মদ রিয়াজুর রহমান চৌধুরী, নার্সিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মর্জিনা আক্তার, যুব প্রধান সিরাজুল করিম হিরো, উপ-যুব প্রধান আব্দুর রহমান অপি ও অভিষেক চৌধুরীসহ চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নার্স ও স্বেচ্ছাসেবকরা তাকে স্বাগত জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশাসন এবং দুর্নীতির জঞ্জাল দূর করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি জায়গায় অপশাসন ও দুর্নীতির জঞ্জাল বিদ্যমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার এই জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব নিয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এফডিসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভার সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা তানি।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী অতীতের নির্বাচন নিয়ে বিচার করে বলেন, শিল্পী সমিতির নির্বাচনের উদাহরণ দেখে অনিয়মের কথা আমরা জানি। তবে বর্তমান সরকারের নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ করার অভিপ্রায় নেই। সরকার চেয়েছে শিল্পীরা যাকে খুশি তাকে নির্বাচিত করবে এবং স্বাধীনভাবে ভোট দেবে। এই কারণে এবারের নির্বাচনের সঙ্গে কোনো বিতর্ক নেই।
তিনি আরও বলেন, সরকার নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার ব্যাপারে কঠোর ছিল। যাতে নির্বাচন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হয়, সে জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করেছে।
ডিরেক্টর সমিতির অভিযোগের জবাবে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সরকার কাউকে আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে পারে না। কারণ সরকার কিন্তু আইনের রক্ষক। তবে আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে—নিজেদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন কিনা!
এফডিসির উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের অর্থ খরচ করে এবং সেই অর্থ ফেরত আসবে কিনা সে বিষয়টি আপনাদেরও ভাবতে হবে। আমি জনগণের টাকার রক্ষক। বিগত সরকারের মতো ইচ্ছেমতো খরচ করে জনসাধারণকে অবজ্ঞা করতে পারব না।
এদিকে সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ ফুটবলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ৪৭ কোটি টাকা দিয়ে ফিফার কাছ থেকে স্বত্ত্ব কিনে বিটিভি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সম্প্রচার করেছে। আমরা অত্যন্ত তৎপর ছিলাম, যার ফলে এখন পর্যন্ত ৪৪ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
এটিকে একটি ‘বিরল ঘটনা’ হিসাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এর আগে এমন উদাহরণ তৈরি হয়নি। বিগত ফ্যাসীবাদী সরকার আগের বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সম্প্রচার করতে গিয়ে জনগণের প্রায় ১০০ কোটি টাকা লোপাট করেছিল।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে চলচ্চিত্র নির্মাণ করার ওপর সরকার গুরুত্বের সাথে চিন্তা করছে। চলচ্চিত্র শিল্পকে আগের গৌরবময় অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এফডিসির সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং সরকার এ লক্ষ্যে নিরলস কাজ করছে।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পী ইথুন বাবু, জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হেলাল খান, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন, বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি সামছুল আলম এবং চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী।
সভা শুরুর আগে নবনির্বাচিত শিল্পীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করানো হয় শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানুর মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় শিল্পীদের পক্ষ থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ