ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য ভিসা নিয়ে সুখবর দিল সৌদি আরব


বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য ভিসা নিয়ে সুখবর দিল সৌদি আরব

বাংলাদেশসহ সাতটি দেশের নাগরিকদের জন্য সৌদি আরব নতুন সমন্বিত ভ্রমণ ও ভিসা সুবিধা চালু করেছে। নতুনভাবে, একটি বুকিংয়ের মাধ্যমেই ভ্রমণ, হোটেল এবং ইলেকট্রনিক পর্যটক ভিসার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা যাবে। এর ফলে আলাদাভাবে ভিসার আবেদন করা বা সৌদি দূতাবাসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে নির্ধারিত দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য একটি ট্রাভেল প্যাকেজ বুকিংয়ের সাথে সহজেই ইলেকট্রনিক (ই-ভিসা) পর্যটক ভিসা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) গালফ নিউজের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত সাতটি দেশের মধ্যে রয়েছে— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিশর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া এবং মেক্সিকো। সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরবর্তী ধাপে আরও বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের এ সুবিধার আওতায় আনা হবে।

নতুন এই কাঠামোর আওতায় যোগ্য ভ্রমণকারীরা একটি বুকিংয়ের মাধ্যমে ফিরতি বিমান টিকিট, লাইসেন্সপ্রাপ্ত পর্যটন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ই-ভিসা একসঙ্গে সম্পন্ন করতে পারবেন। ফলে আলাদাভাবে ভিসার আবেদন করা বা সৌদি দূতাবাসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।

দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাভেল প্যাকেজ কেনা সম্পন্ন হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ই-ভিসা ইস্যু করা হবে। অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে বুকিং সম্পন্ন হওয়ার পর আবেদনকারীরা ই-মেইলে ভিসা, ভ্রমণ বীমা এবং প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সংক্রান্ত নথিপত্র পেয়ে যাবেন।

গালফ নিউজ অনুসারে, এই সেবা দেয়ার অনুমোদন পাওয়া ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মধ্যে রিজার্ভাল এবং আলমোসাফের নাম রয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনে দক্ষিণ এশিয়ার কাছে চীনের জবাবদিহি জরুরি

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি আরবের নতুন ভিসা প্যাকেজ কর্মসূচির আওতায় ইস্যু করা ই-ভিসার মেয়াদ হবে তিন মাস। এই ভিসায় একবার প্রবেশের (সিঙ্গেল এন্ট্রি) সুযোগ থাকবে এবং ভ্রমণকারীরা ন্যূনতম ২ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৮৮ দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করতে পারবেন।

এই ভিসা পেতে, ট্রাভেল প্যাকেজে অবশ্যই নিশ্চিত ফিরতি বিমান টিকিট, সৌদি পর্যটন মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ন্যূনতম চার তারকা মানের হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক ভিসার আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রথম দুই দিনের সর্বনিম্ন প্যাকেজ মূল্য ৪ হাজার সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। এটির সাথে প্রতি অতিরিক্ত দিনের জন্য ১ হাজার সৌদি রিয়াল যোগ হবে। এছাড়াও, ভিসা প্রদান ও ভ্রমণ বীমাসহ মোট ভিসা ফি ৪০২.২১ সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ দেশে যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ এম


আজ দেশে যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পর, সর্বশেষ সমন্বয়ের ভিত্তিতে মূল্যবান এই ধাতু দুটি আজ (শনিবার, ১১ জুলাই) বিক্রি হচ্ছে নতুন নির্ধারিত দামে।

গত ১০ জুলাই সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেখানে স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং রুপার দাম ১১৭ টাকা বৃদ্ধি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বেড়েছে। এসব দামের পরিবর্তনের ফলস্বরূপ, সার্বিক পরিস্থিতি বিচার করে স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে সেদিন সকাল ১০টা থেকে।

দেশের বাজারে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসে, ততক্ষণ সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হতে পারে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়মও বহাল থাকবে।

এর আগে, গত ৯ জুলাই বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন আবারও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেই সময়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা হিসাবে। যা কার্যকর হয়েছিল দুপুর সোয়া ১২টা থেকে।

এবং চলতি বছর এটি দেশের বাজারে ৮৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছে। যেখানে ৪৪ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৪৪ দফা দাম কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় হয়েছে। গত ২০২৫ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ৯৩ বার, যেখানে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং ২৯ বার দাম কমেছিল।

দেশের বাজারে বর্তমানে রুপার দামও বেড়ে গেছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৭২৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

চলতি বছর পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৫ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ২৮ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৭ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় হয়েছিল; যেখানে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৩ বার দাম কমেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে তিন তরুণের টেকনাফ-তেঁতুলিয়া পদযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ এম


পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে তিন তরুণের টেকনাফ-তেঁতুলিয়া পদযাত্রা

‘কালো ধোঁয়া নয়, হাঁটাতেই দূরত্ব জয়’, এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে দেশের সর্বদক্ষিণের জনপদ টেকনাফ থেকে সর্বউত্তরের তেঁতুলিয়া পর্যন্ত এক হাজার ২০ কিলোমিটার পদযাত্রা শুরু করেছেন তিন তরুণ।

পরিবেশ রক্ষা এবং অল্প দূরত্বে যান্ত্রিক যানবাহনের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে হাঁটার অভ্যাস গড়ার বার্তা ছড়িয়ে দিতেই তাদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়ার মধ্যেই টেকনাফের জিরো পয়েন্ট থেকে এই পদযাত্রা শুরু করেন পরিবেশপ্রেমী তরুণ ফাহিম মুনতাসির।

তার সঙ্গে রয়েছেন প্রণব দেবনাথ ও ফাইয়াজ ফারসিদ মুবিন। ব্যক্তিগত অর্থায়নে ২০ দিনের এই যাত্রায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ কিলোমিটার হাঁটার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

কোনো মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ি নয়, তিন জোড়া পায়েই তারা পাড়ি দেবেন এই দীর্ঘ পথ।

ফাহিমের কাছে এই পদযাত্রা নিছক কোনো রেকর্ড গড়ার অভিযান নয়। এটি সাধারণ মানুষের কাছে একটি ছোট কিন্তু জরুরি বার্তা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা।

তার বিশ্বাস, অল্প দূরত্বে হাঁটার অভ্যাস গড়ে উঠলে একদিকে মানুষ যেমন সুস্থ থাকবে, অন্যদিকে কমবে জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের ব্যবহার।

এতে কার্বন নিঃসরণ কমে প্রকৃতিও কিছুটা স্বস্তি পাবে।

এ প্রসঙ্গে ফাহিম বলেন, 'আমরা খুব সহজেই হাঁটার অভ্যাস হারিয়ে ফেলছি। অল্প দূরত্বেও যানবাহনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। অথচ নিয়মিত হাঁটা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ অনেক অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

শরীরের পাশাপাশি মনও ভালো রাখে।'

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. মফিজ মিয়া ও মাহমুদা আক্তার চৌধুরীর বড় ছেলে ফাহিম।

ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে বর্তমানে তিনি শিক্ষকতা করছেন।

পাশাপাশি লেখালেখি এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় তিনি।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের যুব প্রধান এবং 'সোনালী সকাল'-এর সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন ফাহিম।

তবে এই যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ শুধু হাঁটা নয়, পথের মানুষও।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় থেমে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলবেন এই তিন তরুণ।

যাত্রাপথে কোথাও বীজ বপন করবেন, আবার কোথাও বৃক্ষরোপণ করবেন।

ছোট ছোট এসব উদ্যোগের মধ্য দিয়েই পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিতে চান তারা।

ফাহিম বলেন, 'আমি চাই মানুষ আমাকে নয়, আমার বার্তাকে মনে রাখুক।

পরিবেশ রক্ষা কোনো একদিনের কাজ নয়। প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তই বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

হাঁটা সেই পরিবর্তনেরই একটি সহজ শুরু।'

টেকনাফের সমুদ্রপাড় থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ পথচলা শেষ হবে তেঁতুলিয়ায় গিয়ে।

তবে ফাহিম ও তার সঙ্গীদের আশা, তাদের এই পদচিহ্ন হয়তো আরও অনেক মানুষের মনে একটি নতুন অভ্যাসের বীজ বপন করবে;

যেখানে অল্প দূরত্ব মানেই গাড়ি নয়, হাঁটা; আর কালো ধোঁয়ার বদলে থাকবে নির্মল বাতাসের স্বপ্ন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে কাউখালীতে জনজীবন বিপর্যস্ত, কর্মহীন রিকশাচালক-দিনমজুর, দুর্ভোগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ এম


টানা বৃষ্টিতে কাউখালীতে জনজীবন বিপর্যস্ত, কর্মহীন রিকশাচালক-দিনমজুর, দুর্ভোগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা
 
 
পিরোজপুরের কাউখালীতে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। একটানা বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কাঁচা সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন রিকশাচালক, দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই ভিজে ভিজে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, টানা বৃষ্টির কারণে হাট-বাজারেও মানুষের উপস্থিতি কমে গেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার কাঁচা রাস্তা কাদায় পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
রিকশাচালক লিটন হোসেন বলেন, সারাদিন রিকশা নিয়ে বের হলেও যাত্রী মিলছে না। বৃষ্টির কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।
দিনমজুর শুকুর আলী বলেন, বৃষ্টি থাকায় কোনো কাজ নেই। কয়েকদিন ধরে প্রায় বেকার বসে আছি। সংসারে খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক সময় অর্ধাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে ক্রেতা কমে গেছে। বিক্রি একেবারেই নেই। দোকান খুলে বসে থাকলেও তেমন কোনো বেচাকেনা হচ্ছে না। এতে ব্যবসায় লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।
চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সন্তানদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। বৃষ্টিতে ভিজে পরীক্ষা দিতে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মনোযোগও ব্যাহত হচ্ছে। তারা দাবি জানান, দেশের আবহাওয়া বিবেচনায় জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাগুলো আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীদের এমন দুর্ভোগে পড়তে হতো না।
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে সাধারণ মানুষের কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা ও জনসচেতনতার বিষয়ে প্রশাসন সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। সবাইকে অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের না হয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, সব ধরনের ছুটি বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ এম


চট্টগ্রামের পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, সব ধরনের ছুটি বাতিল

চট্টগ্রামে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা হয়েছে।

সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় 80 শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন।

এছাড়া, জেলার চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব স্থানে বিশুদ্ধ পানি এবং খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।

জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সকল ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য।

একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে 24 ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলার 15 উপজেলায় প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার এবং ত্রাণ বিতরণসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে, সাতকানিয়া উপজেলায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এ উপজেলার প্রায় 80 শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। মানুষের বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%