০৩:২৯ পি.এম
আজ রাতে (১২ আগস্ট) আকাশে দেখা মিলতে পারে বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় মহাজাগতিক দৃশ্য পার্সিড উল্কাবৃষ্টি। এই উল্কাবৃষ্টি ১২ আগস্ট রাতের পরে ১৩ আগস্ট ভোর পর্যন্ত সবচেয়ে সক্রিয় থাকবে। এ বছরে অমাবস্যার কারণে আকাশে চাঁদের আলো না থাকার ফলে উল্কার ঝলকানি দেখার পরিবেশেও তুলনামূলক ভাবে অনুকূল থাকবে।
যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং শহরের কৃত্রিম আলোর প্রভাব থেকে দূরে কোনো খোলা ও অন্ধকার জায়গায় অবস্থান করা যায়, তাহলে ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি উল্কা দেখা যেতে পারে। বিশেষভাবে রাত ১২টার পর থেকে ভোরের আগ পর্যন্ত উল্কা দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।
পার্সিড উল্কাবৃষ্টির উৎস হচ্ছে ধূমকেতু ১০৯পি/সুইফট-টাটল। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় এই ধূমকেতু মহাকাশে ধূলিকণা ও পাথুরে কণার একটি ভ্রাম্যমাণ রেখা রেখে যায়। প্রতিবছর পৃথিবী ওই ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এসব কণা প্রচণ্ড গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে উত্তপ্ত হয়ে জ্বলে ওঠে। এর ফলে রাতের আকাশে তৈরি হয় একটি আলোর ঝলকানি, যা সাধারণভাবে ‘তারা খসা’ নামে পরিচিত।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ৩২টি বাস রুট কমছে, ৬টির উদ্বোধন রোববার
উত্তর গোলার্ধের দেশের মানুষের জন্য পার্সিড উল্কাবৃষ্টি দেখার সুযোগ তুলনামূলক ভাবে ভালো। তবে, নির্দিষ্ট কোনো একটি জায়গায় তাকানোর প্রয়োজন নেই। পারসিয়াস নক্ষত্রমণ্ডলের দিকে উল্কাগুলো আসছে বলে মনে হলেও আকাশের বিভিন্ন অংশে তাদের আলোর রেখা দেখা যেতে পারে। সুতরাং যত বেশি সম্ভব বিস্তৃত আকাশ চোখের সামনে রাখা ভালো।
এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগের জন্য টেলিস্কোপ বা দূরবীনের প্রয়োজন নেই। খালি চোখেই উল্কার ঝলকানি দেখা সম্ভব। তবে, মেঘমুক্ত আকাশ এবং আশপাশের কম আলোর দূষণ থাকাটা উল্কাবৃষ্টি দেখার প্রধান শর্ত।
অতএব, আজ রাতে সুযোগ থাকলে শহরের আলো থেকে দূরে কোনো নিরাপদ খোলা জায়গায় গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কয়েক মিনিট কেবল অপেক্ষা করলে দেখা মিলতে পারে ‘তারা খসার’ সেই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
আরও পড়ুন: জনগণের অধিকার ও ভাগ্যোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে চাই: ইশরাক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন