০৫:৪৭ পি.এম
দেশের প্রত্যেক নাগরিককে একটি করে গাছের চারা রোপণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি দেশের সবার কাছে আহ্বান জানাতে চাই আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। আপনার সন্তান যেন একটি সুন্দর পরিবেশে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে, এই বিষয়টি মাথায় রেখে আজকের দিন থেকে প্রত্যেকে দয়া করে যার যেখানে সম্ভব সেখানে একটি করে বৃক্ষের চারা রোপণ করবেন। যদি সবাই চেষ্টা করে, তবে আমরা বাংলাদেশের বাতাসকে বিশুদ্ধ বাতাসে রূপান্তর করতে সক্ষম হব।
শনিবার (১৩ জুন) ডুলাহাজারার মালুম ঘাট সংরক্ষিত বনে, দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই আহ্বান জানান।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার তাগিদ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি এই বৃক্ষরোপণ অভিযানে সফলতা অর্জন করতে পারি, তাহলে আমরা নিশ্চিত থাকতে পারি যে, আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঠিকভাবে বুক ভরে পরিষ্কার শ্বাস নিতে পারবে। আসুন আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিশ্চিত করি যে আমরা একটি পরিষ্কার, একটি দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে পারব, যেখানে আমাদের পরের প্রজন্ম একটি পরিষ্কার পরিবেশে বাস করবে।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য
প্রধানমন্ত্রী তাঁর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি উল্লেখ করে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা দেশের মানুষের কাছে ওয়াদা করেছিলাম যে আমরা যদি আল্লাহর রহমতে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে আমরা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করব এবং আমাদের লক্ষ্য হবে প্রতি বছর অন্তত আল্লাহর রহমতে পাঁচ কোটি গাছ লাগানো। আগামী পাঁচ বছরে আমরা ২৫ কোটি গাছের চার রোপণ করব।’
সকলের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আসুন আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি, তাহলে আগামী দিনে বাংলাদেশে বাতাসকে আমরা পরিষ্কার, বিশুদ্ধ একটি বাতাসে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হব।
সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ করে এখানে বিভিন্ন জেলার প্রশাসকবৃন্দ সংযুক্ত আছেন। সবার কাছে আমার নির্দেশনা থাকবে যে আপনার নিজ নিজ জেলাকে সুন্দর সবুজ অভয়ারণ্য করতে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।’
তিনি বললেন, ‘আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আজকের দিন থেকে এই বৃক্ষরোপণ অভিযান ঘোষণা করছি। আমরা শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি এবং আশা করি আমাদের ইচ্ছা, আমাদের প্রত্যাশা হচ্ছে যে আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে বুক ভরে মুক্ত শ্বাস গ্রহণ করতে পারে, সেরকম একটি পরিবেশ আমরা গড়ে তুলতে পারবো ইনশাআল্লাহ।’
আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?
এদিন সকালে আকাশপথে স্বস্ত্রীক কক্সবাজারে যান প্রধানমন্ত্রী। শুরুতে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা পাতলীখাল পুনঃখননকাজের উদ্বোধন করেন। এরপর পাশেই একটি পথসভায় যোগ দেন।
পথসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৬০টি পণ্যের কর বাতিল করায়, অন্যবারের মত এবার বাজেটের পর নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি। তিনি জানান, দেশকে অস্থিতিশীল করে যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তারাই মূলত গণমুখী বাজেটের সমালোচনা করছে।
তিনি আরও বলেন, এই দেশই বিএনপির শেষ ঠিকানা, তাই আমরা দেশের মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করার জন্য আগ্রহী।
আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন