ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফাঁসির পরিবর্তে ইনজেকশনে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন, আদালতের যা বক্তব্য


ফাঁসির পরিবর্তে ইনজেকশনে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন, আদালতের যা বক্তব্য

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশনসহ কম যন্ত্রণাদায়ক পদ্ধতিতে শাস্তি কার্যকরের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। আদালত জানিয়েছে, আপাতত দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসিই বহাল থাকবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি বিক্রমনাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ এ বিষয়ে রায় দিয়েছেন। বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে ফাঁসির সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রেখে বিকল্প পদ্ধতির আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।

আবেদনকারী আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশন, গুলি, বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট করা কিংবা গ্যাস চেম্বারের মতো পদ্ধতি ব্যবহারের আবেদন জানিয়েছিলেন। তার দাবি ছিল, এসব পদ্ধতিতে তুলনামূলক কম যন্ত্রণায় দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

আবেদনে বলা হয়, ফাঁসি একটি অমানবিক ও যন্ত্রণাদায়ক পদ্ধতি। তাই ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫৪(৫) ধারায় ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধানকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়। একই সাথে সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে মর্যাদাপূর্ণ মৃত্যুর অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতির দাবিও করা হয়।

আবেদনকারী পক্ষের যুক্তি ছিল, ফাঁসির পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে দীর্ঘ সময় লাগে। অন্যদিকে প্রাণঘাতী ইনজেকশন বা অন্য কিছু বিকল্প পদ্ধতিতে কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আগের তিনটি রায় বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর জন্য পর্যাপ্ত কারণ নেই। তাই সেই আবেদনও খারিজ করা হয়েছে।

আদালত অবশ্য পরিষ্কার করেছে, এই রায়ই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। ভবিষ্যতে বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্র চাইলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে পারে।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

এর আগে শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি পরিবর্তনে অনাগ্রহ দেখানোয় আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।

২০২৫ সালের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করেছিল, প্রচলিত এই পদ্ধতি অনেক পুরোনো এবং সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি নীতিগত সিদ্ধান্তের সাথে সম্পর্কিত।

সর্বশেষ রায়ে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করেছে, নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসিই কার্যকর থাকবে।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড গেজেট প্রকাশের ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশ, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বাড়ছে সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


ইরানে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশ, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বাড়ছে সংকট

ইরানে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ শতাংশ। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও আঞ্চলিক সংঘাতের ব্যয় সামলাতে গিয়ে দেশটির অর্থনীতিতে চাপ বেড়ে যাওয়ার ফলে, মূল্যস্ফীতির এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

ইরানি শ্রমিক সংবাদ সংস্থা (আইএলএনএ) দেশটির পরিসংখ্যান কেন্দ্রের সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের জুলাই মাসে পণ্যের দাম বেড়েছে ৮৭.৯ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্য ও পানীয়ের দাম বেড়েছে ১২৮.১ শতাংশ।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক বছরে অন্তত আটটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে। জুলাই মাসে মাসিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩.১ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের দাম রেকর্ড নিম্নস্তরে নেমে গেছে।

আইএলএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রমজীবী একটি পরিবারের ন্যূনতম মাসিক জীবনযাত্রার ব্যয় প্রায় ৯ কোটি তোমান। বিপরীতে সর্বনিম্ন মজুরির একজন শ্রমিক মাসে পান প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ তোমান। অর্থাৎ একজন ন্যূনতম মজুরির শ্রমিকের আয় দিয়ে পরিবারের মৌলিক ব্যয়ের মাত্র এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি মেটানো সম্ভব হচ্ছে।

শ্রমিক অধিকারকর্মী ফারামার্জ তৌফিঘির মতে, জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বাড়ানোর কারণে অনেক শ্রমিক মাসের মাত্র আট দিন পর্যন্ত নিজেদের প্রয়োজনীয় খরচ চালাতে পারছেন। তিনি বলেন, মাস শেষে বাকি ২০ দিনেরও বেশি সময় কার্যত কোনো অর্থ তাদের হাতে থাকে না।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব ইরানের মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্রুত বৃদ্ধির ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ক্রমেই কমছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করেরহাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান: বিপুল পরিমাণ পাইপ ও মেশিন বিনষ্ট, ট্রাক জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম।

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


করেরহাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান: বিপুল পরিমাণ পাইপ ও মেশিন বিনষ্ট, ট্রাক জব্দ

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ১নং করেরহাট ইউনিয়নের অলিনগর মোল্লারঘাট ও চৌধুরী ঘাট এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে একটি যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
আজ (১৮ আগস্ট) মঙ্গলবার পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
অভিযানকালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত আনুমানিক ২০ হাজার ফুট পাইপ এবং ১০টি শ্যালো মেশিন গুঁড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ উত্তোলিত বালু এবং বালু বোঝাই ০১টি ট্রাক জব্দ করেছেন অভিযান পরিচালনাকারী দল।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিবেশ ও স্থানীয় সম্পদ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আঞ্চলিক সংহতি জোরদারে ‘সার্ক’ পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর বাংলাদেশ-ভুটানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


আঞ্চলিক সংহতি জোরদারে ‘সার্ক’ পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর বাংলাদেশ-ভুটানের

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জন্য যৌথ সুফল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক সংহতিকে আরও এগিয়ে নিতে ‘সার্ক’ (এসএএআরসি)-কে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ও ভুটান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভুটানের পররাষ্ট্র সচিব পেমা লেকতুপ দর্জি আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শামা ওবায়েদ আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির কথা স্মরণ করে বলেন, তিনিই দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার ধারণাটি উত্থাপন করেছিলেন।

এই প্রেক্ষাপটে, বৃহত্তর সংহতি গড়ে তুলতে এবং দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জন্য সম্মিলিত সুফল পৌঁছে দিতে আঞ্চলিক এই জোটকে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর উভয় পক্ষ জোর দেয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং কুড়িগ্রামে ভুটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই দুটি বিশেষ অঞ্চল চালু হলে তা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে পারস্পরিক অর্থবহ অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

শামা ওবায়েদ বলেন, এসব উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে যোগাযোগ (কানেক্টিভিটি) জোরদার করতে অবদান রাখতে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে আজ সকালে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ‘ফরেন অফিস কনসালটেশন’ (এফসিও)-এ যোগ দিতে ভুটানের পররাষ্ট্র সচিব তিন দিনের সফরে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের নতুন খসড়া মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে সিডিএ-এফপিসির মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


চট্টগ্রামের নতুন খসড়া মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে সিডিএ-এফপিসির মতবিনিময়

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের (এফপিসি) মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মতবিনিময় সভাটি মঙ্গলবার বিকেলবেলা সিডিএর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, যা চলমান জনমত গ্রহণ কার্যক্রমের অংশ। এই সভায় সিডিএর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিডিএর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, সার্বক্ষণিক সদস্য মো. জামিলুর রহমান, এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনছারী।

পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের (এফপিসি)-এর পক্ষ থেকে সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থপতি জেরিনা হোসেন, ফারুক আহমেদ, মো. শাহীনুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, মুহাম্মদ সিকান্দার খান, মো. জাফর আলম, এস এম শহীদ, এবিএমএ বাসেত এবং তসলিমা মুনা।

সভায় মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মহাপরিকল্পনার ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন। পরে, পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের প্রতিনিধিরা খসড়া মহापরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা তাদের মতামত, পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ তুলে ধরেন। চট্টগ্রামের দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবভিত্তিক, কার্যকর এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামতের প্রতিফলন ঘটিয়ে চূড়ান্ত করা হয়, সে বিষয়ে তারা গুরুত্বারোপ করেন।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, পেশাজীবী, নাগরিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের অভিজ্ঞতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত মতামত যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%