০৮:৫৭ এম
পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলতে থাকা উত্তেজনা এবং সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি শান্তির সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছিল। তবে, সেই সব জল্পনা একেবারেই উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে ২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো তেহরানকে আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপে রাখা।
ইরানের বন্দর ছেড়ে আসা সব জাহাজ আটকাতে প্রণালিতে অবরোধও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড-সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে সহায়তা এবং তেহরানের বিরুদ্ধে অবরোধ জোরদারে এ যুদ্ধজাহাজগুলি হরমুজে মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়াও, মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস রসে’র নাবিকরাও সেখানে রয়েছেন। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটে ২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে বলে সেন্টকমের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতা বাড়লো বা কমলো, তার চেয়ে জরুরি শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সংস্কার ও কর্মসংস্থান’
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, আমেরিকা যতক্ষণ না তাদের আচরণ সংশোধন করবে, ততক্ষণ হরমুজ খোলা হবে না। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব এবং ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের কমান্ডার বাঘের জোলঘাদর এক শর্তের তালিকা প্রকাশ করেছেন।
সেখানে বলা হয়েছে, আমেরিকা যদি ইরানের শর্তগুলো মানে, তবে তবেই হরমুজ খোলা হবে। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, আমেরিকাকে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে হামলা বন্ধ করতে হবে, তেহরানকে কোনো হুমকি দেয়া যাবে না, ইরানের সহযোগীদের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। এছাড়াও, ইরানের বন্দরের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে, সেনা সরে যেতে হবে এবং ক্ষতিপূরণও দিতে হবে ইরানকে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তেহরানের ওপর চাপানো সমস্ত নিষেধাজ্ঞা আমেরিকাকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং বাজেয়াপ্ত সম্পদও মুক্ত করতে হবে। যদিও বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন এখনো কোনো বক্তব্য দেয়নি।
আরও পড়ুন: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন