মোহাম্মদ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
১১:০০ পি.এম
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে।
EFT এবং iBAS++-এর মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ সরাসরি প্রদানের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব তারেক রহমান এমপি, যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন থেকে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জনাব মাশুকুল ইসলাম রাজিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), জেলা শিক্ষা অফিসার, অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ, নারায়ণগঞ্জ || ১৫ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি পালন এবং এর ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ভাতাইয়া এলাকায় তার নিজ বাড়িতে অভিযানে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী সিলেট জেলা ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে পরিচিত। কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল খায়ের তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে ভাতাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন করেন জান্নাতুল ফেরদৌস। পরে তিনি বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি রেখে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কর্মসূচির বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে পরে নিজেই তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন জান্নাতুল ফেরদৌস। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পর তার অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং অভিযান চালানো হয়।
পরে দুপুরে ভাতাইয়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ঘটনার ফলে তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এই স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণের কথা উল্লেখ করে বলেন, সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে।
হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—
প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন।
আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।
এক. চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর জানা দরকার ছিল যে সমাধান ইতোমধ্যেই টেবিলে আছে। এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্বল্প (৩০ দিন), মধ্য (৬-১৮ মাস) ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন।
অন্যদিকে আমি ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কোন সিদ্ধান্তটি কোথায় ভুল হয়েছে। ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিঞ্জেন্সি প্ল্যান এবং ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে সুস্পষ্ট সমাধানধর্মী বক্তব্য রেখেছেন বিরোধীদলীয় সদস্যারা। মতামত এসেছে নাগরিক সমাজ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকেও। এসব ছাপা হয়েছে জাতীয় দৈনিকে, আলোচিত হয়েছে সেমিনারে। প্রধানমন্ত্রীর ডাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তার কাছে পৌঁছায়নি, এটি লজ্জার কথা।
দুই. মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদ। এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি, গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম আছে। প্রশ্নটা আর নীতির নয়, প্রশ্নটা এখন এই টিমের কার্যকারিতা ও যোগ্যতার।
এনসিপির দেওয়া ৩০ দিনের জন্য ৫টি, মধ্যমেয়াদি (৬-১৮ মাস) ৬টি এবং দীর্ঘমেয়াদে ৪টি সুস্পষ্ট সমাধান প্রস্তাব পড়ে নিন প্লিজ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান আলোচনা করতে বিরোধীদল থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন ডাকার অনুরোধেও সাড়া দিন। আমরা সরকারের এমন ইগ্নোরেন্সকে খুবই হতাশার চোখে দেখি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার টিমের সক্ষমতা যোগ্যতা ও আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।
তিন. ছয় মাসে প্রশাসনে যে হারে দলীয় পদায়ন হয়েছে, তাতে ইনস্টিটিউশনাল মেমরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত। সচিবালয়ে যারা এসেছেন তারা নতুন, অনভিজ্ঞ, এবং লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন। মহেশখালী এফএসআরইউতে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।
চার. আজ আমরা একটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানাচ্ছি। সরকার বলছে ডলার ও বকেয়ার কারণে বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না। দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটে বন্ধ হয়ে পড়েছিল।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছেন না কেন? এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদক সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারে, দর দুই পক্ষ ঠিক করে, বিইআরসি কেবল অবহিত থাকে, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে যায়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক টাকাও লাগে না। বাকি কাজ কেবল এসএলএ ফরম্যাট ও হুইলিং চার্জ চূড়ান্ত করা ,যা কয়েক সপ্তাহের প্রশাসনিক কাজ, রকেট সায়েন্স নয়।
প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলার আগেই আমরা সমাধান দিয়েছি। আপনারা সেটা পড়ার দরকার মনে করেননি কিংবা আপনার কাছে পৌঁছানো হয়নি। তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের। মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি।
পুনরাবৃত্তি করছি- প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রী ও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলে না। এটা হচ্ছে ‘আই হ্যাভ নো প্ল্যান’ এর টেস্টিং’।
একটি প্র্যাক্টিসিং ডেমোক্রেসিতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে আল্টিমেটাম কিংবা চ্যালেঞ্জ দেয় না বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে।
এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে, সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়লো! এই রাষ্ট্র কেনো অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো?
সবশেষে, সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের মুলাদীতে শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে আট বছরের মেয়েকে বিষপান করানোর পর নিজেও বিষপান করেছেন পিংকি বেগম (২৮) নামের এক গৃহবধূ। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পিংকি বেগম বেঁচে গেলেও তাঁর মেয়ে সুমাইয়া বেগম (৮) মারা গেছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ঘোষেরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, পিংকি ওই গ্রামের কাঠমিস্ত্রি হালিম তালুকদারের স্ত্রী। নিহত সুমাইয়া স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বর্তমানে পিংকি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
পিংকির স্বামী হালিম জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেয়েকে বিষপান করানোর পর পিংকিও বিষপান করেন। এ সময় তিনি বাজারে ছিলেন। ঘরে মা-মেয়ে ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। খবর পেয়ে বাড়িতে গিয়ে দুজনকে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
সেখানে পিংকিকে ওয়াশ করানো হলে তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। তবে শিশু হওয়ায় সুমাইয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওয়াশ করানো হয়নি। পরবর্তীতে দুজনকে নিয়ে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান তাঁরা। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই সুমাইয়ার মৃত্যু হয়েছে।
হালিম বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে পিংকিকে তিনি বিয়ে করেন। সংসারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর মায়ের সঙ্গে পিংকির প্রায়ই ঝগড়া হতো। সংসারে শান্তি ফেরাতে তিনি তাঁর মাকে কিছুদিনের জন্য বোনের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। দুই দিন আগে তাঁর মা বাড়িতে ফিরে এলে আবারও পিংকির সঙ্গে ঝগড়া হয়। শনিবার সকালে তাঁর মা পাশের বাড়িতে গেলে মেয়েকে নিয়ে পিংকি বিষপান করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ‘মেয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"চেয়ারম্যান মানে ক্ষমতার আসন নয়, চেয়ারম্যান মানে জনগণের সেবক" - এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ১নং গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন মো. মহসিন রানা। তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি প্রান্তরে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হচ্ছেন। স্বচ্ছ, সুন্দর ও জনবান্ধব একটি ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করার জন্য তার প্রচারণায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
মো. মহসিন রানা গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুর ফকির পাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান। তিনি একাধারে গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে, তিনি সফলভাবে কুলিয়ারচর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও কুলিয়ারচর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় তার কাছে তৃণমূলের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মাঝে শক্ত অবস্থান এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে।
জনপ্রতিনিধিত্ব ও ইউনিয়নের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে মহসিন রানা বলেন, "আমি বিশ্বাস করি, ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের কাছে জনপ্রতিনিধির জবাবদিহিতা থাকা উচিত। জনগণের সমস্যা সরাসরি শুনতে হবে, তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সরকারি সুযোগ-সুবিধার বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।"
নিজেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে মহসিন রানা ভোটারদের উদ্দেশ্যে তাঁর লক্ষ্য তুলে ধরে জানান, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে জনগণের মতামত ও চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, "ইউনিয়ন পরিষদের সকল নাগরিক সেবা সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব করা হবে, ইউনিয়নের প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা হবে।"
"প্রতিশ্রুতির চেয়ে কাজ, কথার চেয়ে জবাবদিহিতা - এই হোক আমাদের অঙ্গীকার" - এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, "আপনাদের ভোট, আপনাদের অধিকার - সঠিক নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার দায়ীত্বও আপনাদের। আপনাদের ভালোবাসা, পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে আমি গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চাই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ