বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৮ পি.এম
ভোলার চরফ্যাশনে ভূমি বিরোধকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ করেছেন ইমাম হোসেন পাটোয়ারী।এসব তথ্যের কারণে তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন ইমাম হোসেন পাটোয়ারী।
তিনি বলেন, দক্ষিণ চর মাদ্রাজ, পশ্চিম এওয়াজপুর ও উত্তর ফ্যাশন মৌজার কয়েকটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মামলা হয়েছে। তার দাবি, ল্যান্ড সার্ভে মামলায় রায় ও ডিক্রি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট জমি ক্রয় করে তারা নিজেদের নামে নামজারি করেন এবং নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন।
ইমাম হোসেন পাটোয়ারীর অভিযোগ,মুনছুর আহম্মদ গং ওই জমি নিয়ে বিভিন্ন আদালতে মামলা করেছেন। কয়েকটি মামলায় স্থগিতাদেশ ও খারিজের আদেশ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়া কথিত নোটারি পাবলিক আম-মোক্তারনামা নিয়ে ঢাকার আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে উক্ত মামলায় নোটারী পাবলিক আম মোক্তার নামার সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।
তার আরও অভিযোগ, তাদের ক্রয় করা জমি জোরপূর্বক দখল করে ভোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে আবেদন করা হলে স্থানীয় প্রিন্স মহাজন ও হাজী জাহিদুল ইসলাম রাসেল কমিশনারকে বিষয়টি মীমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইমাম হোসেন পাটোয়ারী বলেন ২৩ সেপ্টেম্বরের মানববন্ধন এবং ২৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক আজকের পরিবর্তন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তাকে ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে করা বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে ‘আজমত খান’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে তাদের বিরুদ্ধে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।
তিনি সাংবাদিকদের প্রতি কোনো পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান। ইতোমধ্যে প্রকাশিত কোনো সংবাদে ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য থাকলে তা সংশোধনেরও অনুরোধ করেন।
প্রয়োজনে ভূমি বিরোধসংক্রান্ত দলিলপত্র ও অন্যান্য প্রমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান ইমাম হোসেন পাটোয়ারী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং হজযাত্রী পরিবহন সহজতর করার লক্ষ্যে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ ইবন ধাফের ইবন উবাইয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি দাম্মাম ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
বৈঠকে দুই দেশের বিমান চলাচল, হজযাত্রী পরিবহন, এয়ার সার্ভিস অ্যাগ্রিমেন্ট (এএসএ) এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, “দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।” ইতিমধ্যে সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে সাপ্তাহিক ফ্লাইট সংখ্যা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ওপর আরোপিত কর ও চার্জের বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পায়। গত ১৩ জুলাই এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী সৌদি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য।
২০২৭ সালের হজ ফ্লাইট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ঢাকা-জেদ্দা-ঢাকা রুটে ২৮ মার্চ থেকে ৩০ অক্টোবর ২০২৭ পর্যন্ত প্রতিদিন তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে স্লট চেয়েছে। হজ ফ্লাইটের সূচি চূড়ান্ত করতে দ্রুত স্লট অনুমোদনের জন্য সৌদি রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা চান মন্ত্রী।
দুই দেশের এয়ার সার্ভিস অ্যাগ্রিমেন্টের খসড়া তৈরির কাজও পর্যালোচনা করা হয়। মন্ত্রী জানান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) চুক্তির খসড়া তৈরির কাজ করছে। খসড়া চূড়ান্ত হলে পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে।
সৌদি এয়ারলাইনস ফ্লাইঅ্যাডিলের অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার অনুরোধের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও স্লট সীমিত থাকায় আপাতত অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। তবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি দাম্মাম ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
হজ মৌসুম সামনে রেখে সিএএবির প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শনে সৌদি জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট আলী মোহাম্মদ রাজাবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরের আগ্রহ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিমান যোগাযোগ এবং পর্যটন খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা কম। একই সঙ্গে নোবেল পুরস্কার নিয়ে তাঁর আগ্রহ এবং নোবেল কমিটির ওপর তাঁর প্রভাব নিয়েও আলোচনা চলছে।
গত বছর ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার জন্য তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়। ট্রাম্পও পূর্বে কয়েকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পরবর্তীতে মাচাদো তাঁর প্রাপ্ত নোবেল পদকটি ট্রাম্পকে দেন।
পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট অসলো (পিআরআইও)-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হাকন জেরলো মন্তব্য করেন, গত বছরের ঘটনাবলী এবারের নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। কমিটি এমন প্রার্থীকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে, যিনি ট্রাম্পের চাপের মুখে পড়লেও পুরস্কারটি গ্রহণ করতে সক্ষম।
জেরলো আরও বলেন, কাউকে পুরস্কার দিলে তিনি ট্রাম্পের চাপের মুখে পড়বেন কি না এবং পুরস্কারটি তাঁর জন্য উপকারের বদলে ক্ষতির কারণ হবে কি না—এসব বিষয়ও কমিটি বিবেচনা করতে পারে।
এ বছর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি), আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টার ফ্রান্সেসকা আলবানিজের নাম আলোচনায় এসেছে। নোবেল শান্তি পুরস্কারের ঘোষণা ৯ অক্টোবর দেওয়ার কথা।
প্রথম মার্কিন বংশোদ্ভূত পোপ লিও যুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছেন। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সমালোচনা করায় ট্রাম্প তাঁকে ‘দুর্বল’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান, শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মেটানোর পক্ষে অবস্থান এবং অভিবাসীদের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বানের কারণে পোপ লিওর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়েও তিনি একটি বিশ্বপত্র প্রকাশ করেছেন।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক করিম হাগাগ বলেন, পোপ লিও শুধু একজন ধর্মীয় নেতা নন, তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাবিদ হিসেবেও পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
অন্যদিকে, জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টার ফ্রান্সেসকা আলবানিজের নামও আলোচনায় রয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের সমালোচনা করায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
গত বছরের ঘটনাবলীর কারণে এবারের নোবেল কমিটি তুলনামূলকভাবে বিতর্কমুক্ত কোনো প্রার্থীকে বেছে নিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এমন প্রার্থী বেছে নেওয়া হতে পারে, যাকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কম।
গত বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার জন্য ট্রাম্প নরওয়েকে দায়ী করেছিলেন। তবে নোবেল শান্তি পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নেয় নরওজিয়ান নোবেল কমিটি। এবারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সুদানের ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস’-এর নামও রয়েছে। এটি সুদানের বিভিন্ন স্থানীয় সংগঠনের একটি নেটওয়ার্ক, যা দেশটির গৃহযুদ্ধের মধ্যে সাধারণ মানুষকে জরুরি সহায়তা দিয়ে আসছে।
সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শিশুদের সহায়তা করার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’-এর নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে ইতিহাসবিদ ও নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে লেখক ওভেইন্ড স্টেনারসেন মনে করেন, ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক নীতির কারণে নোবেল কমিটির ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি রয়টার্সকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের জন্য শান্তি পুরস্কার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
এ কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)-এর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে। আইসিসিকে পুরস্কার দিলে আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। আর আইসিজেকে পুরস্কার দেওয়া হলে রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মেটানোর নীতির প্রতি সমর্থন জানানো হবে।
এদিকে কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট অসলো (পিআরআইও)-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হাকন জেরলো মনে করেন, ট্রাম্পের পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম।
নোবেল কমিটির ওপর ট্রাম্পের চাপের বিষয়টি নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মারিয়া রেসাকেও বিস্মিত করেছে। ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সাংবাদিক বলেন, গত বছর তিনি বিষয়টি উদ্বেগের সঙ্গে দেখেছেন।
সেপ্টেম্বরে অসলো সফরের সময় রয়টার্সকে মারিয়া রেসা বলেন, ‘গুণ্ডারা বিশ্ব শাসন করে না। আমাদের কিছু নীতি আছে, যা আমাদের মেনে চলতে হবে। শক্তিই সবকিছু ঠিক করে দেয়, এমনটা নয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখের একক চিত্র প্রদর্শনী ‘মুক্তির সংগ্রামে অনুভবের বৈভব’ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওসমান জামাল মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। প্রাচ্যকলা বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম। চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য এই প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, "অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম শেখ একজন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী শিল্পী ও শিক্ষক।" তিনি উল্লেখ করেন, সিরামিক শিল্পসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে শিল্পচর্চা করে আসছেন। চিত্রকলা ও সিরামিকের পাশাপাশি সংগীত ও অভিনয়েও তার প্রতিভার ছাপ রয়েছে। তার শিল্পকর্ম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্প ও সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরছে।
গুণী শিল্পীদের সৃজনশীল চর্চাকে আরো বিস্তৃত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, "এ ধরনের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।" চারুকলা অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্মে বাংলাদেশের প্রকৃতি, মানুষ ও জীবনযাত্রার নানা দিক অত্যন্ত নান্দনিকভাবে ফুটে ওঠে, যা দেশীয় সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরছে।
আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীতে অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখের বিভিন্ন সময়ের সৃজনশীল শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। চিত্রকর্মের মাধ্যমে মুক্তির সংগ্রাম, মানুষের অনুভূতি, জীবন, প্রকৃতি ও সমকালীন বাস্তবতার নানা দিক শিল্পীর নিজস্ব নান্দনিক ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, প্রভোস্ট, চারুকলা অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিল্পী ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেতা হৃত্বিক রোশন এবং অভিনেত্রী-গায়িকা সাবা আজাদের সম্পর্কের পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই বিশেষ উপলক্ষে হৃত্বিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবার সঙ্গে কাটানো কিছু অদেখা মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন। পোস্টে সাবার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে, সাবেক স্ত্রী সুজান খানও হৃত্বিককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হৃত্বিক ইনস্টাগ্রামে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। একটি ছবিতে দেখা যায়, সমুদ্রসৈকতে সূর্যাস্তের সময় সাবাকে জড়িয়ে ধরেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে, ছুটির সময় নদীর ধারে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে।
ছবিগুলোর সঙ্গে হৃত্বিক লেখেন, ‘এটা আমাদের জন্মদিন। আমার ভালোবাসা, পঞ্চম বছর পূর্তির শুভেচ্ছা।’
হৃত্বিকের পোস্টে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্ত্রী সুজান খান। তিনি লেখেন, ‘খুবই মিষ্টি। শুভ বার্ষিকী।’ মন্তব্যের সঙ্গে ভালোবাসার ইমোজিও যুক্ত করেছেন তিনি।
হৃত্বিক এবং সুজান ২০০০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রায় ১৪ বছর সংসার করার পর ২০১৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। তাদের দুই সন্তানও রয়েছে। বিচ্ছেদের পরেও, সন্তানদের নিয়ে দুজনকে বিভিন্ন সময় একসঙ্গে দেখা গেছে।
অন্যদিকে, হৃত্বিক এবং সাবার সম্পর্ক ২০২২ সালে প্রকাশ্যে আসে। এরপর থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে তাদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে।
কর্মজীবনের দিক থেকে, হৃত্বিক সর্বশেষ ‘ওয়ার ২’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। সাবা আজাদ সম্প্রতি ‘সংস অব প্যারাডাইস’ সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়া, অনুরাগ কাশ্যপের ‘বান্দর’ সিনেমাতেও তাকে দেখা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ