বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
বলিউডের অভিনেতা হৃত্বিক রোশন এবং অভিনেত্রী-গায়িকা সাবা আজাদের সম্পর্কের পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই বিশেষ উপলক্ষে হৃত্বিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবার সঙ্গে কাটানো কিছু অদেখা মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন। পোস্টে সাবার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে, সাবেক স্ত্রী সুজান খানও হৃত্বিককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হৃত্বিক ইনস্টাগ্রামে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। একটি ছবিতে দেখা যায়, সমুদ্রসৈকতে সূর্যাস্তের সময় সাবাকে জড়িয়ে ধরেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে, ছুটির সময় নদীর ধারে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে।
ছবিগুলোর সঙ্গে হৃত্বিক লেখেন, ‘এটা আমাদের জন্মদিন। আমার ভালোবাসা, পঞ্চম বছর পূর্তির শুভেচ্ছা।’
হৃত্বিকের পোস্টে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্ত্রী সুজান খান। তিনি লেখেন, ‘খুবই মিষ্টি। শুভ বার্ষিকী।’ মন্তব্যের সঙ্গে ভালোবাসার ইমোজিও যুক্ত করেছেন তিনি।
হৃত্বিক এবং সুজান ২০০০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রায় ১৪ বছর সংসার করার পর ২০১৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। তাদের দুই সন্তানও রয়েছে। বিচ্ছেদের পরেও, সন্তানদের নিয়ে দুজনকে বিভিন্ন সময় একসঙ্গে দেখা গেছে।
অন্যদিকে, হৃত্বিক এবং সাবার সম্পর্ক ২০২২ সালে প্রকাশ্যে আসে। এরপর থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে তাদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে।
কর্মজীবনের দিক থেকে, হৃত্বিক সর্বশেষ ‘ওয়ার ২’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। সাবা আজাদ সম্প্রতি ‘সংস অব প্যারাডাইস’ সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়া, অনুরাগ কাশ্যপের ‘বান্দর’ সিনেমাতেও তাকে দেখা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার একদিনের মাথায় অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীর বদলি ও পদায়ন আদেশ বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনের ক্রমিক নম্বর ০৪-এ উল্লেখিত অধ্যাপক (রসায়ন) মোহাম্মদ আকবর আলীকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে বদলি ও পদায়নের আদেশের সংশ্লিষ্ট অংশ প্রশাসনিক কারণে বাতিল করা হলো।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহান।
এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়। আদেশ অনুযায়ী ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কার্যালয়ে যোগদান সম্পন্ন করেন।
এরপর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে তিনি পূর্বধলা সরকারি কলেজে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ সময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পূর্বধলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও তাকে পুষ্পস্তবক দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাপক আকবর আলী কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী, সাংবাদিক ও ছাত্রনেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই আসে পদায়ন বাতিলের প্রজ্ঞাপন। এতে মাত্র একদিনের ব্যবধানে অধ্যক্ষের পদায়ন বাতিলের বিষয়টি নিয়ে পূর্বধলা সরকারি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলী এর আগে নেত্রকোনা সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ২২তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায়।
দীর্ঘদিনের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অধ্যায়
১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজ ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট জাতীয়করণ হয়ে পূর্বধলা সরকারি কলেজে রূপ নেয়। জাতীয়করণের পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে উপাধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল হক রতন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ফলে প্রায় আট বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নেতৃত্বেই কলেজটির প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল।
এর আগে ২০২৫ সালের ১৫ এপ্রিল আনন্দমোহন সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. বাহারুল ইসলামকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। তবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ না করেই ফিরে যান। ফলে ওই পদায়ন কার্যকর হয়নি।
দীর্ঘদিন পর অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীর পদায়ন ও যোগদানের মধ্য দিয়ে কলেজটিতে পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষের নেতৃত্বে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই সেই পদায়ন বাতিল হওয়ায় কলেজটির প্রশাসনিক নেতৃত্বের বিষয়টি আবারও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে পদায়ন বাতিলের কারণ হিসেবে শুধু ‘প্রশাসনিক কারণে’ উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কোনো কারণ জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিজিটাল সেবা, স্বচ্ছতা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি
‘মাটি ও মানুষের জন্য পথচলা—সেবা, স্বচ্ছতা, উন্নয়ন’—এই প্রত্যয় সামনে রেখে ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ৫নং শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল মোর্শেদ সাদ্দাম।
ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট প্রত্যাশা করে সাদ্দাম বলেন, তিনি শাসক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চান। নির্বাচিত হলে আগামী পাঁচ বছরে শৌলজালিয়াকে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করবেন।
ডিজিটাল হবে নাগরিক সেবা
সাদ্দামের পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান দিক হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবা ডিজিটাল ও জনবান্ধব করা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক ও ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা সহজ ও দ্রুত করার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সেবার সময় ও সরকারি ফি উল্লেখ করে ‘সিটিজেন চার্টার’ দৃশ্যমান করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
প্রতি বছর জনগণের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা এবং ইউনিয়ন পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
ভাতা বণ্টনে স্বচ্ছতার অঙ্গীকার
বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা এবং টিসিবিসহ সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচনকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সাদ্দাম। তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও অনৈতিক সুবিধা ছাড়াই যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা প্রণয়ন।
যোগাযোগ ও নাগরিক অবকাঠামো
ইউনিয়নের কাঁচা ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন, দ্রুত সংস্কার, হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
এ ছাড়া প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করে রাতের চলাচল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
মাদকমুক্ত সমাজে তরুণদের সম্পৃক্ততা
মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে সামাজিক উদ্যোগ গড়ে তোলার কথা বলেছেন সাদ্দাম। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি স্থাপন এবং গ্রাম পুলিশের টহল জোরদারের পরিকল্পনাও রয়েছে।
যুবসমাজে দক্ষতা ও কর্মসংস্থান
তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, খেলার মাঠ সংস্কার এবং কম্পিউটার ও কারিগরি প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় শিক্ষা সহায়তা তহবিল গঠনের পরিকল্পনাও তুলে ধরেছেন তিনি।
কৃষক ও ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি
কৃষকদের প্রয়োজনীয় বীজ, সার ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের কথা বলেছেন সাদ্দাম। পাশাপাশি হাট-বাজারের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ করে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
ন্যায়সংগত গ্রাম আদালত
স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালতকে সক্রিয় ও নিরপেক্ষ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানি ছাড়াই স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়সংগত সমাধান পান, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
সাদ্দাম বলেন, “জনপ্রতিনিধিত্ব আমার কাছে ক্ষমতার বিষয় নয়, দায়িত্বের বিষয়। মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে শৌলজালিয়ার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
একটি সুন্দর, উন্নত ও জনকল্যাণমুখী শৌলজালিয়া গড়ে তুলতে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সহযোগিতা, সুপরামর্শ ও মূল্যবান রায় প্রত্যাশা করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন, যা জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিকে অন্তর্ভুক্ত করে।
আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এই আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।
অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসি’র পক্ষ থেকে অভিবাদন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন।
তিনি অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা কৌশল, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশি পেশাজীবীদের, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও অন্যান্য কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে স্বাগত জানান।
এছাড়া বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতা এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কর্মশক্তির জন্য কর্মোপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। এ ক্ষেত্রে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং সংকটের টেকসই সমাধানে দেশটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারি ভবিষ্যতে বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও চলাচল বৃদ্ধির ওপর আরো বেশি গুরুত্ব দেবে।
হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় ব্যবসায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান সহযোগিতা আরো জোরদারে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।
এই সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেসসচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৬৪ বছর বয়সে তৃতীয়বার বিয়ে করেছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ও কৌতুকশিল্পী জিম ক্যারি। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা মিন আহকে বিয়ে করার খবরটি নিশ্চিত করেছেন জিম ক্যারির মুখপাত্র। ‘দ্য মাস্ক’ ও ‘ব্রুস অলমাইটি’খ্যাত এই অভিনেতা লস অ্যাঞ্জেলেসে ঘরোয়া ও ব্যক্তিগত আয়োজনের মাধ্যমে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন।
মিন আহর বয়স ৩২ বছর। তবে তাদের বিয়ের সঠিক তারিখ এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। জিম ক্যারি বরাবরই তার ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন, তাই বিয়ের আয়োজনও ছিল বেশ গোপনীয়।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবার জনসমক্ষে একসঙ্গে দেখা যায় জিম ক্যারি ও মিন আহকে। তারা প্যারিসে অনুষ্ঠিত সিজার অ্যাওয়ার্ডসে একসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে জিম ক্যারিকে সম্মানসূচক সিজার পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পুরস্কার গ্রহণের সময় মিন আহকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন জিম। ফরাসি ভাষায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি পরিবারের সদস্যদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি মিন আহকে নিজের বিশেষ সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করেন।
এটি জিম ক্যারির তৃতীয় বিয়ে। এর আগে ১৯৮৭ সালে মেলিসা ওমারকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাদের একটি মেয়ে রয়েছে, জেন এরিন ক্যারি। ১৯৯৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
এরপর ১৯৯৬ সালে ‘ডাম্ব অ্যান্ড ডাম্বার’ সিনেমার সহশিল্পী লরেন হলিকে বিয়ে করেন জিম ক্যারি। তবে এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে এবং ১৯৯৭ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।
কে এই মিন আহ?
লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাসকারী অভিনেত্রী ও শিল্পী মিন আহ। জিম ক্যারির তুলনায় তিনি বরাবরই অনেকটা আড়ালে ছিলেন। তার অভিনয়জীবন ও ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি তথ্য নেই।
তবে জিম ক্যারির সঙ্গে সম্পর্কের কারণে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিজার অ্যাওয়ার্ডসের পর থেকেই আলোচনায় আসেন মিন আহ। ওই অনুষ্ঠানে জিমের মেয়ে জেন ও নাতি জ্যাকসনের পাশেই বসেছিলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ