ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাতে ঢাকায় বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস


রাতে ঢাকায় বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাতের সময়ে রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আকাশের অবস্থা আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য এই পূর্বাভাস প্রদান করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৪ শতাংশ। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন: মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে, সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতি ৮.৩৪%

গত ছয় ঘণ্টায় ঢাকায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪৮ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫১ মিনিটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশ অস্থিতিশীলের অপচেষ্টা-নেত্রকোনায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম আর উজ্জ্বল, জেলা প্রতিনিধি নেত্রকোনা

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


দেশ অস্থিতিশীলের অপচেষ্টা-নেত্রকোনায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ

 

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার অভিযোগ তুলে নেত্রকোনায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা ছাত্রদল।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পৌর শহরের কালেক্টরেট মাঠে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শামছুল হুদা শামীমের নেতৃত্বে মিছিলে জেলা ছাত্রদল এবং অধীন বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
মিছিলটি কালেক্টরেট মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহরের বিভিন্ন সড়ক।
মিছিলের সামনে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সমাবেশ ও মিছিল’। ব্যানারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ছিল।
মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ছাত্রলীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে মিছিলটি শহরের ছোট বাজার এলাকায় জেলা বিএনপির অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধরনের প্রচারণার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তারা এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তারা রাজপথে অবস্থান করবেন।
এ সময় জেলা ছাত্রদল ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে কোতোয়ালি মডেল থানার আকস্মিক মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


বরিশালে কোতোয়ালি মডেল থানার আকস্মিক মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান

বরিশাল মহানগরীতে মাদকবিরোধী তৎপরতা জোরদার করতে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পরিচালনা করা হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেলাল হোসাইন, পিপিএমের নেতৃত্বে কোতোয়ালি মডেল থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানটি বাংলাবাজার, আলেকান্দা বটতলা, হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা, নবগ্রাম রোডসহ মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পরিচালিত হয়। এ সময় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তল্লাশি ও নজরদারি চালানো হয়।

অভিযানে র‍্যাব-৮-এর একটি চৌকস আভিযানিক দলও অংশ নেয়। দুই বাহিনীর সমন্বিত অংশগ্রহণে পরিচালিত এ অভিযানে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও অপরাধীদের গতিবিধির ওপর নজরদারি করা হয়।


বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযানে সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) অলক কান্তি শর্মাসহ কোতোয়ালি মডেল থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসপি এম এম মাহমুদ হাসানকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের নেপথ্যে কারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ পি.এম


এসপি এম এম মাহমুদ হাসানকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের নেপথ্যে কারা?

একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বক্তব্য, মন্তব্য ও প্রচারণাকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের একাংশের অভিযোগ, এম এম মাহমুদ হাসানকে লক্ষ্য করে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন তথ্য প্রচার করছে। তাদের দাবি, এসব প্রচারণার উদ্দেশ্য শুধু একজন কর্মকর্তার ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা নয়; বরং এর মাধ্যমে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের মনোবল ও জনমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পর্কে আস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলার চেষ্টা হতে পারে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগগুলোর সবকটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সরাসরি ষড়যন্ত্রকারী কিংবা অপপ্রচারকারী হিসেবে চিহ্নিত করার আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য, নথি ও বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম এম মাহমুদ হাসানকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তার দায়িত্ব পালন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আচরণ এবং পুলিশিং কার্যক্রম নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যও দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে তার পক্ষের বক্তব্য হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালনকালে সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা তার কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছেন। এমনকি রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনানুগভাবে দায়িত্ব পালনের কথাও তুলে ধরছেন তারা।

তবে এসব বক্তব্যের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট ঘটনা, সময়, স্থান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। কারণ ব্যক্তিগত প্রশংসা বা সমালোচনা—কোনোটিই এককভাবে কোনো অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না।


বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু কোনো পোস্ট, ভিডিও, স্ক্রিনশট কিংবা মন্তব্য প্রকাশিত হলেই সেটি সত্য—এমন নিশ্চয়তা নেই। অনেক সময় একটি ঘটনার আংশিক তথ্য, পুরোনো ঘটনা কিংবা ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ছবি বা ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা হয়।

এ কারণে এম এম মাহমুদ হাসানকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি অভিযোগের ক্ষেত্রেও মূল উৎস, সংশ্লিষ্ট নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।


সংশ্লিষ্টদের একটি অংশের দাবি, দায়িত্ব পালনরত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে যাচাইহীন বা একতরফা প্রচারণা চলতে থাকলে তার প্রভাব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছাড়াও বাহিনীর অন্য সদস্যদের ওপর পড়তে পারে। এতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অস্বস্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে এ ধরনের প্রচারণার পেছনে সত্যিই কোনো সংঘবদ্ধ মহল রয়েছে কি না, কিংবা এর উদ্দেশ্য কী—তা নির্ধারণের জন্য সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন।


একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি কোনো গুরুতর অভিযোগ থাকে, সেটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নির্ধারণ করাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একইভাবে কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হয়ে থাকলে তারও প্রমাণভিত্তিক অনুসন্ধান প্রয়োজন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যেমন গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন, তেমনি অভিযোগের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগও থাকা উচিত।

তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে চূড়ান্তভাবে দায়ী না করে তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


এম এম মাহমুদ হাসানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর উৎস, সংশ্লিষ্ট নথি, ঘটনার বাস্তব প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

তালাশ বিডির অনুসন্ধানী অবস্থান স্পষ্ট—অভিযোগ থাকলে তার অনুসন্ধান হবে, আবার কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে ভিত্তিহীন প্রচারণার অভিযোগ উঠলেও সেটিও যাচাই করা হবে। কারণ সংবাদে ব্যক্তির পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নয়, সত্য ও তথ্য-প্রমাণই হওয়া উচিত মূল ভিত্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় নিখোঁজ নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার, সাবেক স্বামী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


নেত্রকোনায় নিখোঁজ নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার, সাবেক স্বামী আটক

নেত্রকোনায় নিখোঁজের ছয় দিন পর নাজমা আক্তার (৩৪) নামের এক নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার সাবেক স্বামী নুরুল আমীন (৪০) কে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের খাটপুড়া ব্রিজসংলগ্ন শ্মশানঘাটের পাশে হত্যার আলামত এবং নুরুল আমীনের বাড়ির পাশের ঢুকিয়ালী নদীর পাড় থেকে নাজমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত নাজমা সদর উপজেলার কাটলী এলাকার ইসলাম উদ্দিনের মেয়ে। আটক নুরুল আমীন উপজেলার নগুয়া কুশলগাঁও গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নাজমা নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই ২২ সেপ্টেম্বর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহের ভিত্তিতে নুরুল আমীনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নদীর পাড় থেকে নাজমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৪ বছর আগে নাজমা ও নুরুল আমীনের বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে একাধিকবার তাদের বিচ্ছেদ ও পুনরায় বিয়ে হয়। সর্বশেষ তারা আলাদা থাকছিলেন। ভরণপোষণের দাবিতে নাজমা তার সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।

পুলিশ আরো জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে ভরণপোষণের টাকা নিয়ে খাটপুড়া ব্রিজ এলাকায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাজমার বুকে আঘাত করে তাকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তাকে শ্মশানঘাট এলাকায় নিয়ে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের কাছে নুরুল আমীন স্বীকার করেছেন। এরপর মরদেহ নদীর পাড়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের জানান, নুরুল আমীনের দেখানো স্থান থেকে নাজমার ওড়না, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্তসহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%