ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

পদ্মার পানি নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি আখতার হোসেনের


পদ্মার পানি নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি আখতার হোসেনের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি উল্লেখ করেছেন, পদ্মার পানি শুধুমাত্র পানি নয়, এটি বাংলাদেশের মানুষের অস্তিত্বের প্রশ্ন। এই অস্তিত্বের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আবারও মাওলানা ভাসানীর মতো লংমার্চের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে একবিন্দু দেরি করা হবে না।

শনিবার রাতে রাজশাহীর কাটাখালীতে দলের এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: ভিন্নমতের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সহিংসতা: সরকারের দায়িত্বের প্রতিফলন

কাটাখালী পৌর এনসিপি আয়োজিত এই পথসভায় আখতার হোসেন বলেন, ‘রাজশাহী থেকে পূর্বপুরুষেরা মাওলানা ভাসানীর ফারাক্কা লংমার্চে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই লংমার্চের ঘটনা আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। কারণ, আসছে ডিসেম্বরে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। পদ্মার পানির ব্যাপারে বাংলাদেশের মানুষ একবিন্দু ছাড় দেবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফারাক্কা হওয়ার আগে পদ্মায় যে পরিমাণ পানি আসত, ফারাক্কা হওয়ার পরে তা অর্ধেকে নেমে গেছে। এতে বাংলাদেশের মানুষকে বঞ্চিত হতে হয়েছে। পদ্মার সব শাখানদী-উপনদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানি পাওয়া যায় না। খুলনা অঞ্চলে সমুদ্র থেকে নোনা পানি উজানে চলে আসছে পদ্মার শাখা-উপশাখায় পানি নেই বলে। বাংলাদেশের কৃষিকে ধ্বংস করা এবং এ দেশের মানুষকে অধিকারবঞ্চিত করার নীলনকশা বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না।’

পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকারকে তৎপর থাকার আহ্বান জানিয়ে আখতার বলেন, ‘দেশের মানুষের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তিতে একবিন্দু ছাড় দেওয়া চলবে না। আমাদের ন্যায্য হিস্যা আমাদের আদায় করে নিতে হবে। আর যদি কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করা হয়, যদি এ দেশের মানুষের জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্ন তৈরি করা হয়, তাহলে আবারও মাওলানা ভাসানীর মতো করে লংমার্চের মতো কর্মসূচিতে শামিল হতে একবিন্দু দেরি করব না।’

এনসিপির এই সদস্যসচিব তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়েও বক্তব্য দেন। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার আগের মতো করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে দুরভিসন্ধি করেছে। এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নতুন ফর্মুলা নিয়ে বিএনপি যে দুরভিসন্ধি করেছে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। বিএনপি যদি মনে করে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে কব্জা করে বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে চলে যাবে, সেই সুযোগ দেশের মানুষ দেবে না।’

আরও পড়ুন: ঢাকায় আজ বিভিন্ন কর্মসূচি, আলোচনা সভা ও বিচারিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে

পথসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এম এ সবুর, সদস্যসচিব নাহিদুল ইসলাম সাজু ও মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী প্রমুখ।

কাটাখালী পৌর এনসিপির আহ্বায়ক মাসউদুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। সভা পরিচালনা করেন সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম সজীব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ নভেম্বর: ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ এম


৮ নভেম্বর: ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিন

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকে ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদ। ইতিহাসই আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে পথ দেখায়।

আজ রোববার (৮ নভেম্বর), ২০২৬। ইতিহাসের দিক থেকে নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার কারণে এই দিনটি স্মরণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। চলুন, একনজরে দেখে নেয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ঘটনাবলি

৯৬০ - আন্দ্রাসোসের যুদ্ধ: লিও ফোকাস দ্য ইয়াংগার-এর নেতৃত্বে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হামদানি আমির সাইফ আল-দৌলা-কে পরাজিত করে।

১২৭৮ - ত্রান রাজবংশের দ্বিতীয় সম্রাট ত্রান থানহ টং যুবরাজ ত্রান খাম-এর কাছে সিংহাসন হস্তান্তর করেন এবং অবসরপ্রাপ্ত সম্রাট হন।

১২৯১ - ভেনিস প্রজাতন্ত্র মুরানো দ্বীপে কাচ শিল্প সীমাবদ্ধ করার আইন জারি করে।

১৪৯৪ - ইতালিতে বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে।

১৫১৯ - হার্নান কর্তেস তেনোচতিতলান-এ প্রবেশ করেন এবং অ্যাজটেক শাসক দ্বিতীয় মোকতেজুমা তাকে উৎসবের মাধ্যমে স্বাগত জানান।

১৫২০ - সুইডেনের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার পর দ্বিতীয় ক্রিশ্চিয়ান সাধারণ ক্ষমার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে স্টকহোমে প্রায় ১০০ জন অভিজাতকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

১৫৭৬ - আশি বছরের যুদ্ধ: গেন্টের শান্তিচুক্তি: নেদারল্যান্ডসের স্টেটস জেনারেল স্পেনীয় দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়।

১৬০২ - অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বোডলিয়ান লাইব্রেরি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

১৬০৫ - গানপাউডার ষড়যন্ত্রের মূল নেতা রবার্ট কেটসবি নিহত হন।

১৬১৪ - জাপানি দাইমিও ডোম জুস্তো তাকায়ামা খ্রিস্টান হওয়ায় শোগুন তোকুগাওয়া ইয়েয়াসু তাকে ফিলিপাইনে নির্বাসিত করেন।

১৬২০ - প্রাগের কাছে হোয়াইট মাউন্টেনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা মাত্র দুই ঘণ্টায় ক্যাথলিকদের নির্ণায়ক বিজয়ে শেষ হয়।

১৬৪৪ - মিং রাজবংশের পতনের পর ছিং রাজবংশের তৃতীয় সম্রাট শুনজি সম্রাট বেইজিং-এ সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং চীন শাসনকারী প্রথম ছিং সম্রাট হন।

১৬৫৮ - সুইডেনের নৌবাহিনী পর্তুগীজ বাহিনীকে পরাজিত করে।

১৭৩১ - ফিলাডেলফিয়ায় বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন প্রথম লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৭৪৫ - চার্লস এডওয়ার্ড স্টুয়ার্ট প্রায় ৫,০০০ সৈন্য নিয়ে ইংল্যান্ড আক্রমণ করেন, যারা পরে কুলোডেনের যুদ্ধ-এ অংশ নেয়।

১৮৩৭ - মেরি লিয়ন মাউন্ট হলিওক ফিমেল সেমিনারি প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরে মাউন্ট হলিওক কলেজে পরিণত হয়।

১৮৬১ - মার্কিন গৃহযুদ্ধ: ট্রেন্ট ঘটনা: ব্রিটিশ ডাক জাহাজ ট্রেন্ট থামিয়ে দুই কনফেডারেট দূতকে গ্রেফতার করা হয়, যা যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে।

১৮৮১ - সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বালক-বালিকাদের পাঠ্য সাপ্তাহিক ‘আর্যকাহিনী’ প্রকাশিত হয়।

১৮৮৯ - মন্টানা ৪১তম মার্কিন অঙ্গরাজ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৮৯২ - নিউ অরলিন্স সাধারণ ধর্মঘট শুরু হয়, যেখানে প্রথমবারের মতো কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ ট্রেড ইউনিয়ন কর্মীরা চার দিনের সফল সাধারণ ধর্মঘটে ঐক্যবদ্ধ হন।

১৮৯২ - কারমো-বন-এনফঁ বোমা হামলা এমিল হেনরি-র আতাতের যুগ (১৮৯২-১৮৯৪)-এ হামলার সূচনা করে।

১৮৯৫ - জার্মান পদার্থবিদ ভিলহেল্ম কনরাড রন্টগেন রঞ্জন রশ্মি (ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ যার অপর নাম এক্স-রে) আবিষ্কার করেন।

১৯০১ - গসপেল দাঙ্গা: ডেমোটিক গ্রিক ভাষায় গসপেল অনুবাদের পর অ্যাথেন্সে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়।

১৯০২ - গওহর জানের গান দিয়ে কলকাতায় এশিয়ার প্রথম রেকর্ডিং শুরু হয়।

১৯১০ - ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম নারী ভোট প্রদান করেন।

১৯১৭ - প্রথম গণ কমিশনার পরিষদ গঠিত হয়, যার মধ্যে ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন, লিওন ট্রটস্কি ও জোসেফ স্তালিন।

১৯১৯ - আইখেনফেল্ড গণহত্যা: ইউক্রেনের বিপ্লবী বিদ্রোহী বাহিনী ১৩৬ জন মেনোনাইট বসতি স্থাপনকারীকে হত্যা করে।

১৯২০ - মেরি টুরটেল-এর আঁকা রুপার্ট বিয়ার প্রথমবার ছাপায় প্রকাশিত হয়।

১৯২৩ - বিয়ার হল পুৎশ: মিউনিখে অ্যাডলফ হিটলার নাৎসিদের নেতৃত্বে জার্মান সরকার উৎখাতের ব্যর্থ চেষ্টা করেন।

১৯২৪ - অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ইগনাজ সেইপেল পদত্যাগ করেন।

১৯৩২ - ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট বর্তমান প্রেসিডেন্ট হার্বার্ট হুভারকে পরাজিত করে ৩২তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৩৩ - মহামন্দা: নিউ ডিল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট ৪০ লাখের বেশি বেকারের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সিভিল ওয়ার্কস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন চালু করেন।

১৯৩৬ - স্পেনের গৃহযুদ্ধ: ফ্রাঙ্কোবাদী বাহিনী মাদ্রিদ দখলে ব্যর্থ হয়, তবে এর পর তিন বছরব্যাপী মাদ্রিদ অবরোধ শুরু হয়।

১৯৩৭ - মিউনিখে নাৎসিদের দ্য ইটারনাল জিউ (শিল্প প্রদর্শনী) প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হয়।

১৯৩৯ - জার্মানীর শাসক এডলফ হিটলারকে হত্যার একটি ব্যর্থ চক্রান্ত হয়েছিল।

১৯৩৯ - ভেনলো ঘটনা: দুইজন ব্রিটিশ সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস এজেন্ট জার্মানদের হাতে বন্দী হন।

১৯৩৯ - হিটলারের জার্মান বাহিনী ব্রিটেন আক্রমণ করে।

১৯৪০ - গ্রিক-ইতালীয় যুদ্ধ: এলাইয়া-কালামাসের যুদ্ধ-এ সংখ্যায় কম গ্রিক বাহিনী ইতালীয় আক্রমণ প্রতিহত করে।

১৯৪২ - মিত্র শক্তি উত্তর আফ্রিকায় পদার্পণ করে।

১৯৪২ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: আলজিয়ার্সে ফরাসি প্রতিরোধ অভ্যুত্থান ঘটে, যেখানে ৪০০ বেসামরিক ফরাসি দেশপ্রেমিক ভিশি ফ্রান্সের XIX আর্মি কর্পসকে নিষ্ক্রিয় করে।

১৯৫০ - কোরীয় যুদ্ধ: মার্কিন বিমান বাহিনীর লেফটেন্যান্ট রাসেল জে. ব্রাউন এফ-৮০ শুটিং স্টার চালিয়ে ইতিহাসের প্রথম জেট-বনাম-জেট ডগফাইটে দুইটি উত্তর কোরীয় মিগ-১৫ ভূপাতিত করেন।

১৯৫৪ - হো চি মিনের নেতৃত্বে সংগ্রামরত কমিউনিস্টরা হ্যানয় দখল করেন।

১৯৫৭ - প্যান আম ফ্লাইট ৭ সান ফ্রান্সিসকো ও হনলুলুর মধ্যে নিখোঁজ হয়।

১৯৫৭ - অপারেশন গ্র্যাপল এক্স: যুক্তরাজ্য কিরিতিমাতি দ্বীপের ওপর প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথম সফল হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা চালায়।

১৯৬০ - জন এফ. কেনেডি বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে পরাজিত করে ৩৫তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৬৩ - ফিনএয়ারের অ্যারো ফ্লাইট ২১৭ আলান্দের মারিয়াহামন বিমানবন্দর-এর কাছে বিধ্বস্ত হয়, এতে ২২ জন নিহত হন।

১৯৬৪ - রাজকীয় আইএমএফ ব্রিটেনকে এক বিলিয়ন ডলার ঋণ মঞ্জুর করে।

১৯৬৫ - ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল গঠিত হয়, যার মধ্যে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ, আলদাব্রা, ফারকুহার ও ডেস রোচেস দ্বীপ অন্তর্ভুক্ত।

১৯৬৫ - যুক্তরাজ্যে মার্ডার (মৃত্যুদণ্ড বিলোপ) আইন ১৯৬৫ রাজকীয় সম্মতি পায়, যা প্রায় সব অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত করে।

১৯৬৫ - ভিয়েতনাম যুদ্ধ-এ অপারেশন হাম্প-এ ১৭৩তম এয়ারবোর্ন ব্রিগেড ১,২০০-এর বেশি ভিয়েত কং দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং গ্যাং তোইয়ের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯৬৫ - আমেরিকান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৩৮৩ (১৯৬৫) কনস্ট্যান্স, কেন্টাকি-তে বিধ্বস্ত হয়, এতে ৫৮ জন নিহত হন।

১৯৬৬ - এডওয়ার্ড ব্রুক পুনর্গঠন যুগের পর প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান হিসেবে মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত হন।

১৯৬৬ - মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন ন্যাশনাল ফুটবল লিগকে আমেরিকান ফুটবল লিগের সঙ্গে একীভূত হওয়ার জন্য অ্যান্টিট্রাস্ট ছাড় সংক্রান্ত আইনে স্বাক্ষর করেন।

১৯৬৮ - আন্তর্জাতিক সড়ক চলাচল সহজ করতে ভিয়েনা কনভেনশন অন রোড ট্রাফিক স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৭২ - আরব গেরিলারা ইজরায়েলি খেলোয়াড়দের অপহরণ ও হত্যা করলে মিউনিখের অলিম্পিক পল্লী রক্তরঞ্জিত হয়।

১৯৭২ - মার্কিন পে টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এইচবিও যাত্রা শুরু করে।

১৯৭৩ - জন পল গেটি তৃতীয়-এর কাটা কান একটি সংবাদপত্র অফিসে মুক্তিপণের চিঠিসহ পাঠানো হয়।

১৯৭৭ - গ্রিক প্রত্নতাত্ত্বিক মানোলিস আন্দ্রোনিকোস ভার্জিনা-তে দ্বিতীয় ফিলিপ (ম্যাসিডন)-এর সমাধি আবিষ্কার করেন।

১৯৮১ - অ্যারোমেক্সিকো ফ্লাইট ১১০ জিহুয়াতানেহো-র কাছে বিধ্বস্ত হয়, এতে ১৮ জন নিহত হন।

১৯৮৩ - টিএএজি অ্যাঙ্গোলা এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৪৬২ লুবাংগো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর বিধ্বস্ত হয়, এতে ১৩০ জন নিহত হন।

১৯৮৪ - রিগ্যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পুনর্নির্বাচিত হন।

১৯৮৭ - তিউনিসিয়ায় সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট বরগুইবা ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৮৭ - স্মরণ দিবসে বোমা হামলা: অস্থায়ী আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি এনিসকিলেন-এ ব্রিটিশ বাহিনীর যুদ্ধে নিহতদের স্মরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালায়, এতে ১২ জন নিহত ও ৬৩ জন আহত হন।

১৯৮৮ - মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ ৪১তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯১ - স্পিকার আবদুর রহমান বিশ্বাস বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৯৪ - রিপাবলিকান বিপ্লব: ১৯৯৪ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ঐতিহাসিক জয় পায়।

১৯৯৭ - ইরিত্রিয়া ইরিত্রিয়ান নাকফা-কে সরকারি মুদ্রা হিসেবে গ্রহণ করে।

১৯৯৮ - বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ে ফারুক, রশিদ, ডালিমসহ ১৫ জনের প্রকাশ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৯ - মিশিগান-এর ফ্লিন্ট-এর কাছে ব্রুস মিলার নিহত হন, যা বিশ্বের প্রথম ইন্টারনেট হত্যা হিসেবে পরিচিত।

২০০২ - ইরাক নিরস্ত্রীকরণ সংকট: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতভাবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ১৪৪১ অনুমোদন করে, যা সাদ্দাম হোসেনকে নিরস্ত্র হতে বাধ্য করে।

২০০৪ - ইরাক যুদ্ধ: ১০,০০০-এর বেশি মার্কিন সৈন্য ও অল্প সংখ্যক ইরাকি সেনা বিদ্রোহী ঘাঁটি ফালুজা অবরোধে অংশ নেয়।

২০০৬ - ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত: ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী বেইত হানুন-এ গোলাবর্ষণে ১৯ জন ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে।

২০১১ - সম্ভাব্য বিপজ্জনক গ্রহাণু ২০০৫ ওয়াইইউ৫৫ পৃথিবী থেকে ০.৮৫ চন্দ্র দূরত্ব অতিক্রম করে।

২০১৩ - টাইফুন হাইয়ান, রেকর্ডকৃত সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়গুলোর একটি, ফিলিপাইন-এর ভিসায়াস অঞ্চলে আঘাত হানে, এতে ৬,৩৪০ জনের বেশি নিহত হন।

২০১৬ - ভারতের উচ্চ মানের (৫০০ ও ১০০০ টাকা) ব্যাংক নোট বাতিল করা হয়।

২০১৬ - ডোনাল্ড ট্রাম্প হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করে ৪৫তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

২০১৭ - লুভর আবুধাবি ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ এবং আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান কর্তৃক উদ্বোধন করা হয়।

২০২০ - সেনাশাসন অবসানের পর মিয়ানমারে দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

২০২০ - যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এক কোটি অতিক্রম করে।

২০২০ - জাপানের রাজসিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে আকিশিনো ফুমিহিতোর নাম ঘোষণা করা হয়।

জন্ম

০০৩০ - নেরভা, রোমান সম্রাট।

১৫৭২ - প্রুশিয়ার ডিউক জোহান সিগিসমুন্ড।

১৬৫৬ - এডমান্ড হ্যালি, ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী, ভূপদার্থবিদ, গণিতজ্ঞ, আবহাওয়াবিদ এবং পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৪৭ - জাঁ ক্যাসিমির-পেরিয়ের, ফরাসি রাজনীতিবিদ ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

১৮৪৮ - ফ্রিড্‌রিশ লুডভিগ গটলব ফ্রেগে, জার্মান গণিতবিদ ও দার্শনিক।

১৮৬২ - সংগীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ উস্তাদ আলাউদিন খাঁ।

১৮৮৫ - জর্জ বউযিয়ানিস, গ্রিক পেইন্টার।

১৯০০ - কাফি খাঁ নামে পরিচিত প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী, প্রখ্যাত বাঙালি ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী।

১৯০০ - খ্যাতিমান মার্কিন মহিলা লেখক মার্গারেট মিচাইল যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায়।

১৯০৯ - বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী দিল্লি ঘরানার শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী আচার্য ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়।

১৯১৯ - পুরুষোত্তম লক্ষ্মণ দেশপাণ্ডে, মারাঠি লেখক এবং কৌতুকবিদ।

১৯২১ - সুবিনয় রায়, বাঙালি রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

১৯২২ - ক্রিশ্চিয়ান বার্নার্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার কার্ডিওথোরাসিক সার্জন যিনি বিশ্বে প্রথম মানব হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করেন।

১৯২৩ - জ্যাক কিলবি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান প্রকৌশলী ও পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯২৭ - এল. কে. আডবাণী, তিনি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ভারতীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ভারতের ৭তম উপ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৮ - রিচার্ড স্টকের, ইংরেজ সুরকার, লেখক ও কবি।

১৯৪৬ - গুউস হিডিঙ্ক, ডাচ ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৬৮ - পার্কার পসেয়, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৭৮ - আলি করিমি, ইরানি ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৮৮ - জেসিকা লওন্ডেস, কানাডিয়ান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৮৯ - মরগ্যান সছনেইডেরলিন, ফরাসি ফুটবলার।

মৃত্যু

১২৩১ - ফ্রান্সের রাজা অষ্টম লুইস।

১২৩৪ - বাহাউদ্দিন ইবনে শাদ্দাদ, কুর্দি পণ্ডিত।

১৩০৮ - জন ডান্স স্কোটাস, ধর্মবেত্তা, দার্শনিক ও যুক্তিবিদ।

১৬৭৪ - জন মিলটন, ইংরেজ কবি।

১৮৮৭ - ইউজিন পতিয়ে, ফরাসি সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী, কবি এবং পরিবহন কর্মী।

১৮৯০ - সিসার ফ্রাঙ্ক, বেলজিয়ান অর্গানবাদক ও সুরকার।

১৮৯৩ - মার্কিন ঐতিহাসিক ফ্রান্সিস পার্কম্যান।

১৯৩৩ - লক্ষ্মীনারায়ণ রায়চৌধুরী, ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পী।

১৯৩৫ - সন্তদাস কাঠিয়াবাবা, ভারতীয় প্রখ্যাত নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের বাঙালি যোগসাধক, দার্শনিক ও ধর্মগুরু এবং সাবেক কুম্ভ মেলা প্রেসিডেন্ট।

১৯৩৩ - আফগানিস্তানের রাজা নাদির শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন।

১৯৫২ - প্রভা দেবী, খ্যাতনাম্নী বাঙালি অভিনেত্রী, সুগায়িকা।

১৯৫৩ - ইভান বুনিন, নোবেল বিজয়ী রুশ লেখক।

১৯৫৪ - মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, বাংলাদেশি সাহিত্যিক।

১৯৬০ - সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম ভারতীয় চীফ অভ দ্যা এয়ার স্টাফ।

১৯৭০ - নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, বাঙালি ঔপন্যাসিক কবি প্রাবন্ধিক ও ছোটগল্পকার।

১৯৮৩ - জেমস হেডেন, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৮৫ - প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় প্রখ্যাত রবীন্দ্রজীবনীকার।

১৯৯৮ - রুমের গুডডেন, ইংরেজ লেখক ও কবি।

২০০৯ - ভিতালি ল্যাজারেভিচ গিঞ্জবার্গ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রাশিয়ান পদার্থবিদ ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী।

অন্যান্য

আন্তর্জাতিক রেডিওলজি দিবস

বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইজেনকটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিল ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ এম


আইজেনকটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিল ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট

দখলদার ইসরাইলে নতুন জোট সরকার গঠনের জন্য প্রেসিডেন্ট দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা গাদি আইজেনকটকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

গত সপ্তাহের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা আইজেনকট—কোনো পক্ষই দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

নতুন সরকার গঠনের জন্য সাবেক সেনাপ্রধান আইজেনকটকে ২৮ দিন সময় দেওয়া হবে। তবে প্রয়োজন হলে এই মেয়াদ ১৪ দিন বাড়ানো হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে আইজেনকট উল্লেখ করেন, ‘এখন সময় এসেছে একটি জাতীয় জরুরি সরকার গঠনের। জনগণের বিশ্বাসের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে আমি সবটুকু করার চেষ্টা করব।’

ইসরাইলের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে দেশটিতে সবসময়ই জোট সরকার গঠিত হয়ে আসছে।

তবে এবারের নির্বাচনে দুই আরব জোট—ইউনাইটেড আরব লিস্ট এবং জয়েন্ট লিস্ট—সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে। আরব ভোটারদের উপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এই জোট দুটি একসঙ্গে রেকর্ড ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে।

এমন ফলাফলে আরব দলগুলো সরকার গঠনের অন্যতম কিংমেকার হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদিও একটি ব্যতিক্রমি দল ছাড়া সবকটি ইহুদি রাজনৈতিক দলই নির্বাচনের আগে আরব দলগুলোর সঙ্গে কোনো সরকার না গড়ার অঙ্গীকার করেছিল।

সপ্তাহজুড়ে সব দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট হারজোগ জানান, তিনি সরকার গঠনের প্রথম সুযোগটি আইজেনকটকেই দিতে যাচ্ছেন।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্তের কথা ইতোমধ্যে আইজেনকট ও নেতানিয়াহু উভয়কেই অবহিত করা হয়েছে।

নবনির্বাচিত নেসেট সদস্যদের মধ্যে আইজেনকট ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন পেয়েছেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থন এসেছে ৪৬ জনের—এটি ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচনের ফলাফলের পর সরকার গঠনের তিনটি পথ খোলা রয়েছে—নেতানিয়াহু ও আইজেনকটের সমন্বয়ে একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি জোট (যেখানে আইজেনকট জোটের এমপিদের ভাগিয়ে আনার প্রয়োজন হতে পারে) অথবা আরব দলগুলোর সমর্থনে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন সরকার।

আইজেনকট ও তার ব্লকের প্রায় সব সদস্য এতদিন আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছিলেন। তবে পর্দার আড়ালে কোনো ধরনের সমঝোতা হতে পারে বলেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

এর বাইরে তিনি আল্ট্রা-অর্থোডক্স দলগুলোর সঙ্গেও চুক্তি করার চেষ্টা চালাতে পারেন, যদিও সেটি বেশ কঠিন ও জটিল এক হিসাব।

অবশ্য ইসরাইলে ঐক্যের সরকার গঠনের ইতিহাস নতুন নয়। এর আগে ২০২০ সালে পরপর তিনটি নির্বাচন অচল হয়ে পড়লে নেতানিয়াহু এবং তার তৎকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী বেনি গ্যান্টস ক্ষমতার হাতবদলের (রোটেশনাল গভর্মেন্ট) ভিত্তিতে একটি চুক্তি করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে ইসরাইল। নেতানিয়াহু ও তার বিরোধীদের মধ্যে সমঝোতার অভাবে সে সময় তিন বছরে পাঁচবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোয়ারের নোনা পানিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীতে বাড়ছে লবণাক্ততা, কৃষি হুমকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ এম


জোয়ারের নোনা পানিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীতে বাড়ছে লবণাক্ততা, কৃষি হুমকিতে

জোয়ারের সঙ্গে আসা নোনা পানি ধীরে ধীরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদী ও খাল-বিলকে গ্রাস করতে শুরু করেছে। যদিও পরিস্থিতি এখনও অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার কৃষিজমিতে এর প্রভাব দেখা দিতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীতে উজানের মিষ্টি পানির প্রবাহ কমে গেলে পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

মধুমতী নদীর পাশে কৃষক আসাদুজ্জামানের একটি জমি রয়েছে। আগে নদীর পানি দিয়ে সেচ দিলেই ফসলে মাঠ ভরে উঠত। কিন্তু গত কয়েক বছরে নদীর পানিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে গাছগুলো মরে যাচ্ছে এবং নানা রোগবালাই দেখা দিচ্ছে। ফলস্বরূপ, ফসলের ফলন অর্ধেকে নেমে এসেছে।

কৃষক আসাদুজ্জামান জানান, "ভালো ফসল হয় না। আগে অল্প সার প্রয়োগ করেই ভালো ফলন পাওয়া যেত। কিন্তু এখন আর তা হচ্ছে না।"

একদিকে নদ-নদীতে উজান থেকে আসা মিষ্টি পানির প্রবাহ কমছে, অন্যদিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। ফলে জোয়ারের সঙ্গে আসা নোনা পানি ক্রমেই উত্তরের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় বছরে সাতক্ষীরার তালায় কপোতাক্ষ নদে লবণাক্ততার মাত্রা ৩২ দশমিক ১২ ডিএস/এম-এ পৌঁছেছে।

গোপালগঞ্জের মধুমতী নদীতে লবণাক্ততার মাত্রা ৪ দশমিক ১৬ ডিএস/এম পাওয়া গেছে, যেখানে কৃষিকাজের জন্য পানির আদর্শ সহনীয় মাত্রা ২ ডিএস/এম। মূলত উজানের পানির প্রবাহ ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার কারণে সাগরের নোনা পানি নদীপথ ধরে ভেতরের দিকে প্রবেশ করছে। এর ফলে লবণাক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে, যা মাটি, পানি, ফসল ও প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর মিষ্টি পানির অন্যতম প্রধান উৎস গঙ্গা-পদ্মার প্রবাহ। তবে শুষ্ক মৌসুমে ভারত এসব নদীর পানি আটকে রাখায় এ অঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, "উজান থেকে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জোয়ারের সঙ্গে আসা পলি নদীর তলদেশ ভরাট করছে। এ প্রক্রিয়া চলতে থাকলে বিস্তীর্ণ এলাকা লবণাক্ততার ঝুঁকিতে পড়বে।"

এ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে শুধুমাত্র নদী খনন করাই যথেষ্ট নয়। পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী আরও বলেন, "উজানের দিকে খাল-নদীর সঙ্গে সংযুক্ত যেসব জলপথ ভরাট হয়ে আছে, সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় খনন করতে হবে। একই সঙ্গে মিষ্টি পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ খননকাজ সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সক্ষমতা ও সততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা জরুরি।"

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে খাদ্যনিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও জনবসতির ওপর হুমকি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনে সৌদির বিমান হামলায় নিহত ৩৩, আহত ৩৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ এম


ইয়েমেনে সৌদির বিমান হামলায় নিহত ৩৩, আহত ৩৯

ইয়েমেনের রাজধানী সানার নিকটবর্তী একটি গ্রামে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলার ফলে নিহতের সংখ্যা ৩৩ জনে পৌঁছেছে। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন।

হুথি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলাসবাহি এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। আল জাজিরায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী,

তিনি জানান, শনিবার (৭ নভেম্বর) সানার পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বানি হাশিশ জেলার আল শারিয়াহ গ্রামে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

আলাসবাহি দাবি করেছেন, হামলার ফলে গ্রামের বেশ কিছু বাড়ি, সড়ক, অ্যাম্বুলেন্স কর্মী এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, হামলার পর নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

এদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে এ হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%