ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত গ্রেফতার ৪২


ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত গ্রেফতার ৪২

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৪২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার মতিঝিল বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

আজ বুধবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।  

আরও পড়ুন: মিরপুরে চেকপোস্ট এড়িয়ে পালানোর চেষ্টা, পিস্তলসহ দুই মোটরসাইকেল আরোহী আটক

এতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে- মতিঝিল থানায় তিন জন, পল্টন মডেল থানায় নয় জন, সবুজবাগ থানায় তিন জন, খিলগাঁও থানায় ১২ জন, রামপুরা থানায় তিন জন, শাহজাহানপুর থানায় তিন জন এবং মুগদা থানায় নয় জন।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীতে বজ্রপাতে নিহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


পটুয়াখালীতে বজ্রপাতে নিহত ১

পটুয়াখালী, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার গলাচিপা উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন এক কৃষক, যার নাম তপন শিকারী (৫০)।

আজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের কাছারিকান্দা গ্রামে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত তপন শিকারী হচ্ছেন গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের কাছারিকান্দা গ্রামের অনিল শিকারীর পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে তপন শিকারী তার কৃষি জমিতে কাজ করছিলেন। দুপুরের দিকে হঠাৎ করে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাত ঘটে। এতে তপন শিকারী বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা এসে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।

তালতলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. মিজান দেওয়ান বজ্রপাতে কৃষক তপন শিকারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত ব্যক্তির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতন্ত্র ও উন্নয়নে বিএনপির ভূমিকা শক্তিশালী : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


গণতন্ত্র ও উন্নয়নে বিএনপির ভূমিকা শক্তিশালী   : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি

ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ মন্তব্য করেছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিক, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য পেশাদারিত্ব, সুশাসন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে যোগ্যতা, দক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, "গণতন্ত্র ও উন্নয়নে বিএনপি ভূমিকা শক্তিশালী।"

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের সিনেট হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া পরিষদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ড. আমানুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সততা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি স্মার্ট ও আধুনিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব, গণতন্ত্রের জন্য তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম এবং দেশের উন্নয়নে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে সমাজে একটি শক্তিশালী, তথ্যনির্ভর ও একাডেমিক ডিসকোর্স তৈরি করা জরুরি।

ভাইস-চ্যান্সেলর আরও বলেন, দল ও সরকারকে এক করা যায় না, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয় ও কোনো দলের সাংগঠনিক কাঠামো এক নয়। বিশ্ববিদ্যালয়কে তার নিজস্ব আইন, বিধি-বিধান, একাডেমিক মূল্যবোধ ও প্রশাসনিক পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত করতে হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি বড় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। মত ও পথের ভিন্নতা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষ প্রশাসন একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিহার্য ভিত্তি। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে নিয়মনীতি অনুসরণ, যোগ্যতার মূল্যায়ন এবং দায়িত্বশীলতার চর্চার মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে হলে দেশের ইতিহাস ও জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ নায়কদের ভূমিকা বস্তুনিষ্ঠভাবে তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর সততা, সাধারণ জীবনযাপন ও নেতৃত্বের গুণাবলীও আলোচনায় আসা দরকার।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন সংকটময় সময়ে তাঁর "অটল ও আপসহীন" ভূমিকা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দেশের সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রশ্নে তাঁর ভূমিকা নিয়ে গবেষণা ও আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ইতিহাসকে শুধু দলীয় আবেগের জায়গা থেকে নয়, বরং গবেষণা, তথ্য-উপাত্ত ও বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা উচিত। নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুদৃঢ় করা, মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্য জোরদার করা বিএনপির রাজনীতির অন্যতম লক্ষ্য ছিল।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, দেশের অগ্রযাত্রার জন্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা জরুরি। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাস, গণতন্ত্র ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হওয়া আবশ্যক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দক্ষতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি পরিবার। এখানে কোনো ধরনের বিভাজন থাকা উচিত নয়।

সভায় বক্তারা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য, দলটির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস এবং দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও জাতীয় অগ্রযাত্রায় বিএনপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্নাতকোত্তর, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) এবং জিয়া পরিষদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. ফকির রফিকুল আলম। জিয়া পরিষদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর সরকারের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও সেবা দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মিয়া হোসেন রানা, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, জিয়া পরিষদ গাজীপুর জেলার সভাপতি ইয়াকুব মিয়া। আলোচনা সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলার তেল দখলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু জ্বালানি খরচ কি কমবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


ভেনেজুয়েলার তেল দখলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু জ্বালানি খরচ কি কমবে?

ভেনেজুয়েলার বিশাল খনিজ তেল সম্পদের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেছে। চলতি বছরের শুরুতে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর, মার্কিন প্রশাসন ও দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে মার্কিন অর্থনীতি সচল রাখা এবং জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করা। তবে মার্কিন সরকারের দাবি অনুযায়ী, বাজারে তেলের দাম দ্রুত কমবে কি না, তা নিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা তীব্র সংশয় প্রকাশ করেছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউস সমর্থিত মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘নর্থ আমেরিকান ব্লু এনার্জি পার্টনার্স’ (NABEP)-এর সঙ্গে একটি যৌথ ভেঞ্চার গঠন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে ভেনেজুয়েলার প্রমাণিত প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে, যা দেশটির মোট খনিজ তেল সম্পদের পাঁচভাগের একভাগেরও বেশি।

 

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি বনাম বাজারের বাস্তব চিত্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক নেতৃত্বের দাবি, এই চুক্তি আমেরিকার তেলের রিজার্ভ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়াবে এবং সাধারণ নাগরিকদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে। কিন্তু বিশ্ব বাজারের তেল সূচক অন্য গল্প বলছে।

বিশ্লেষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দাম কমার পরিবর্তে আরও বেড়েছে। বর্তমানে মার্কিন ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলার এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট (Brent) ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

কেন কমছে না জ্বালানির দাম?

১. হরমুজ প্রণালী সংকট: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনার কারণে রণকৌশলগত প্রণালী ‘হরমুজ’ বন্ধ হয়ে আছে। বিশ্বের ২০ শতাংশের বেশি তেল সরবরাহকারী এই পথ স্তব্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে (দৈনিক ১০ মিলিয়ন ব্যারেলের বেশি), ভেনেজুয়েলার তেল দিয়ে তা তাৎক্ষণিকভাবে পূরণ করা অসম্ভব।

২. ভেনেজুয়েলার ভারী ও অম্লীয় তেল: ভেনেজুয়েলা থেকে আসা তেল মূলত ‘হেভি ও সার’ (Heavy and Sour) স্বাদের ক্রুড। এটি উত্তোলন এবং শোধন করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল। মার্কিন গল্ফ কোস্টের রিফাইনারিগুলো এই তেল ব্যবহারে সক্ষম হলেও বর্তমানে তাদের সক্ষমতা শতভাগ পূর্ণ। ফলে চাইলেই দ্রুত শোধন বাড়িয়ে পাম্পে জ্বালানির দাম কমানো সম্ভব নয়।

৩. জীর্ণ অবকাঠামো: দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভেনেজুয়েলার পাইপলাইন, বিদ্যুৎ গ্রিড ও তেল অবকাঠামোগুলো চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশটির তেল উৎপাদন উল্লেখজনক হারে বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার ও শত শত কোটি ডলার নতুন বিনিয়োগ প্রয়োজন, যার জন্য কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।

মুনাফা কার ঘরে?

বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে হয়তো বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে, তবে স্বল্পমেয়াদে সাধারণ ভোক্তা এই চুক্তির সুবিধা পাচ্ছেন না। প্রকৃতপক্ষে এই সমঝোতার ফলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে মার্কিন জায়ান্ট এনার্জি কোম্পানিগুলো (যেমন: শেভরন)। এর ফলে তাদের শেয়ার সূচক ও ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ উভয়ই নতুন গতি পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেই: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য শহরে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়নের জন্য স্বতন্ত্র রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আধুনিকায়ন কার্যক্রম এবং সাইবার হামলা ও বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় দেশীয়ভাবে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য প্রদান করেন। সংরক্ষিত নারী আসন-৪১-এর সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের সমগ্র আকাশসীমার নিরাপত্তা ও আকাশ প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমান বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঢাকা ও অন্যান্য শহরের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা জরুরি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথক বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণ একটি ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। বাংলাদেশের সীমিত ভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, কেবল প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক রানওয়ে নির্মাণ না করে বিদ্যমান সুবিধার যথাযথ ব্যবহারকেই সরকার অধিক বাস্তবসম্মত মনে করছে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়লেও আবহাওয়া পূর্বাভাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে—এমন বক্তব্য সঠিক নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ থেকে ১০ দিনের আগাম পূর্বাভাসসহ ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও অন্যান্য দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে। পূর্বাভাস সক্ষমতা আরও আধুনিক ও নিখুঁত করার জন্য পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উন্নত ডেটা বিশ্লেষণ ও দক্ষ জনবল তৈরির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসন-২-এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা এবং সংরক্ষিত নারী আসন-১০-এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির পৃথক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও বেসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

শিরীন সুলতানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এবং ‘In Aid to the Civil Power’ নির্দেশিকা অনুযায়ী দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে অসামরিক প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সহায়তা করে থাকে।

এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১২৯ ধারা অনুযায়ী অসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%