রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৮ পি.এম
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রোববার সুইজারল্যান্ডে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে দেশটির দীর্ঘকালীন নিরপেক্ষতার নীতি আরো কঠোর করার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি কট্টর ডানপন্থীদের সমর্থন পাচ্ছে এবং এটি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ ভোটার এই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। বিরোধীরা এই উদ্যোগকে ‘রাশিয়াপন্থী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সুইজারল্যান্ডের সরাসরি গণতন্ত্র ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। তবে, দেশটির অধিকাংশ মানুষ ডাকযোগে আগেই ভোট প্রদান করে থাকেন।
সুইস জনগণ সাধারণত তাদের দেশের নিরপেক্ষতাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন করেন। তবে, সংবিধানে নিরপেক্ষতার একটি কঠোর সংজ্ঞা যুক্ত করার এই উদ্যোগটি দেশের নিরপেক্ষতার প্রকৃত অর্থ কী— তা নিয়ে গভীর মতপার্থক্য সৃষ্টি করেছে।
ঐতিহ্যগতভাবে সুইজারল্যান্ডের অবস্থান হলো শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা বজায় রেখে সামরিকভাবে নিরপেক্ষ থাকা। কিন্তু ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পর বিদেশি সংঘাতে সুইজারল্যান্ডের কতটা সম্পৃক্ত হওয়া উচিত, তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।
বার্ন সরকারের ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন হয়ে সার্বভৌমত্বপন্থী সংগঠন ‘প্রো সুইজারল্যান্ড’ দেশটির সংবিধানে নিরপেক্ষতাকে আরো শক্তভাবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে গণভোট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে।
দেশটির প্রায় পুরো রাজনৈতিক নেতৃত্বই এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। জনমত জরিপেও দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ ভোটারও এটি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
অন্যদিকে, রাশিয়া সুইজারল্যান্ডের ইইউ নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেওয়ার সমালোচনা করে আসছে এবং বার্ন তাদের নিরপেক্ষতা পরিত্যাগ করেছে বলে অভিযোগ করেছে। একই সঙ্গে মস্কো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে এর বিরোধীরা এটিকে ‘রাশিয়াপন্থী’ উদ্যোগ বলে আখ্যা দিয়েছে।
প্রস্তাবটিতে সংবিধানে সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতাকে ‘সশস্ত্র ও চিরস্থায়ী’ হিসেবে নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতার ঐতিহ্য ১৫১৬ সাল থেকে চলে আসছে এবং ১৮১৫ সাল থেকে তা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। প্রস্তাবটি পাস হলে দেশটি ন্যাটোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না। একই সঙ্গে দেশ আক্রান্ত না হলে কোনো সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগও থাকবে না।
এ ছাড়া জাতিসংঘের আহ্বান ছাড়া কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
‘চিরস্থায়ী সশস্ত্র নিরপেক্ষতা’
গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে থাকা উভয় পক্ষই দাবি করছে, তারা সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে চান।
তবে সুইস সরকার ও দেশটির পার্লামেন্ট প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, এটি অতিরিক্ত কঠোর এবং বর্তমান সময়ে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে দেশটির কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সীমিত করবে।
সম্প্রতি টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিতর্কে সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস বলেন, ‘নিরপেক্ষতা সবসময় কিছুটা নমনীয়তার সঙ্গে প্রয়োগ করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ইউক্রেনসহ সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর সুইজারল্যান্ডের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘নিরপেক্ষতার অর্থ উদাসীন থাকা নয়।’
তার ভাষায়, ‘শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়া আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘিত হতে দেখলে আমরা চোখ ফিরিয়ে নেব না।’
দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রায় সবাই এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে। ব্যতিক্রম কট্টর ডানপন্থী সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি), যা সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল।
টেলিভিশন বিতর্কে এসভিপির ভাইস প্রেসিডেন্ট সেলিন আমোদরু বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শান্তি, কূটনীতি ও সংলাপকে উৎসাহিত করা।’
তিনি বলেন, ‘এটি অর্জনের জন্য চিরস্থায়ী সশস্ত্র নিরপেক্ষতার মাধ্যমে আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে হবে।’
শুরুতে কয়েকটি জনমত জরিপে ভোটের ফলাফল খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। তবে সর্বশেষ দুটি জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোটার এই উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
রোববারের ভোটে আরেকটি জাতীয় উদ্যোগেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নির্দলীয় একটি নাগরিক আন্দোলনের উত্থাপিত প্রস্তাবে দেশের খাদ্যে স্বনির্ভরতার হার বর্তমান ৪২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭০ শতাংশে উন্নীত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
২০২৪ সালে সুইজারল্যান্ডের খাদ্যে স্বনির্ভরতার হার ছিল ৪২ শতাংশ।
সরকার সতর্ক করে বলেছে, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কঠিন, এমনকি সম্ভব নাও হতে পারে। দেশটির অধিকাংশ বড় রাজনৈতিক দলও প্রস্তাবটিকে অবাস্তব বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আজ থেকে জেলায় তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
রাঙামাটি জেলা পরিষদের উদ্যোগে আজ রোববার সকালে জেলা পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উল্লেখ করেন, ‘এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য। মেলাতে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য নিয়ে পসরা বসিয়েছেন। আমাদের নারী উদ্যোক্তারা তাদের নিজস্ব প্রচেষ্টায় অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আর এ ক্ষেত্রে তাদের পাশে দাড়াতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবো।’
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে আমাদের পর্যটন শিল্পের বিকাশে এবং পাহাড়ের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী যাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি করা যায়, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী কিছু দিনের মধ্যেই এ সুফল পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ পাবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য ও পর্যটন বিষয়ক আহ্বায়ক শ্বাশৎ চাকমা রিংকু, রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা, সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন, নন্দিতা দাশ প্রমুখ।
মেলায় রাঙামাটির স্থানীয় কৃষি ও হস্তশিল্পের প্রায় ৫০টি স্টল বসেছে। প্রতিবারের মতো এবারও পাহাড়ি নারীদের উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছেন নারী উদ্যোক্তারা, যা মেলায় আগত পর্যটক ও স্থানীয়দের আকৃষ্ট করছে।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করছেন যে, মেলাটি স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন খাতের প্রসারে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ঘটনাটি তার কাছে সম্পূর্ণ পরিষ্কার নয় এবং এর পেছনে কোনো গোপন উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্টে মেঘনা সালমানের সঙ্গে তার পুরোনো পরিচয়ের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, একসময় সালমান তার দুঃসময়ে পাশে থাকার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে সালমানের কিছু কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বন্ধু তালিকা থেকে সরিয়ে দেন বলে জানান।
মেঘনা পোস্টে নিজের অতীতের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, একসময় গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে তার ফোন ও ম্যাকবুকের তথ্য যাচাইয়ের সময় একজন তদন্ত কর্মকর্তা সালমানের সঙ্গে তার কথোপকথন দেখে মন্তব্য করেছিলেন, "সালমান কীভাবে এত ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।"
এরপর মেঘনা সালমানের স্টুডিওতে হামলার প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন করেন, হামলাকারীদের পরিচয় না জানা এবং সরাসরি চাঁদা দাবির কথা না বলার পরও সালমান কীভাবে ঘটনাটিকে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত করছেন। তার মতে, পুরো বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এর আগে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজ এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সালমানের পক্ষ থেকে চাঁদা না দেওয়াকে হামলার কারণ হিসেবে অভিযোগ করা হলেও পুলিশের বক্তব্য, জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুমকি উপজেলার ১নং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৭নং মধ্য পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ মাজহারুল ইসলাম (বাবুল)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে তিনটি করে খাতা ও একটি করে কলম বিনামূল্যে বিতরণ করেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ মাজহারুল ইসলাম (বাবুল)।
এ সময় তিনি বলেন, “আমি যতদিন এই দায়িত্ব পালন করব, ততদিন বিদ্যালয়ের শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে খাতা ও কলম বিতরণ অব্যাহত থাকবে।”
পরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও সুন্দর করতে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব নৌ দিবস–২০২৬ উদযাপিত হয়েছে, যার প্রতিপাদ্য হলো নীতি থেকে বাস্তব প্রয়োগ: নৌ খাতে উৎকর্ষতা অর্জন। এই উদযাপনটি রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত হয়, যা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে দেশের সামুদ্রিক খাতকে নিরাপদ, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়।
বিশ্ব নৌ দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী প্রদান করেন। উভয় বাণীতে তারা দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক বন্দর, নৌনিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক নৌবিধি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক চুক্তি সই বা আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়, বরং এর বাস্তব সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে। তিনি বন্দরগুলোর আধুনিকায়ন, অটোমেশন এবং পণ্য খালাসের সময় কমিয়ে আনার মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খন্দকার মেসবাহ-উল-আজিম সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্পর্ক তুলে ধরেন এবং বলেন, ব্লু ইকোনমি ও বন্দরের বিকাশ একটি স্থিতিশীল সামুদ্রিক পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের পাশে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ২০২৯ সালে চালু হলে সরাসরি বড় মাদার ভেসেল ভিড়তে পারবে, যা পরিবহন ব্যয় ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে। এছাড়া, পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের লক্ষ্যে ‘হংকং আন্তর্জাতিক কনভেনশন’ অনুসরণে ২৪টি ইয়ার্ড কমপ্লায়েন্স অর্জন করেছে।
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থার ‘গ্রিনভয়েজ ২০৫০’ প্রকল্পের আওতায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা নিচ্ছে বাংলাদেশ। জরুরি উদ্ধার অভিযানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ‘যৌথ অনুসন্ধান, উদ্ধার ও সমন্বয় কেন্দ্র’ (জেআরসিসি)-এর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে। এছাড়া, সমুদ্র খাতের উন্নয়নে নারী ক্যাডেটদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের ধারাবাহিক জোর দেওয়ার কথা বলা হয়।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ