ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুগ্ধসহ ১১ হত্যার অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ ২৩ সেপ্টেম্বর


মুগ্ধসহ ১১ হত্যার অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ ২৩ সেপ্টেম্বর

জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর উত্তরায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে কি না, সে বিষয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর আদেশ প্রদান করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই আদেশটি দেওয়া হয়।

 এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ী হামলা মামলায় আনিসুল হক ও পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন

পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন মো. আমির হোসেন ও এম হাসান ইমাম। মামলার ২৬ আসামির মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিনসহ আটজন কারাগারে অবস্থান করছেন।

সাবেক সংসদ সদস্য হাবিব হাসান, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান এবং উত্তরা বিভাগের সাবেক ডিসি কাজী আশরাফুল আজীমসহ ১৮ আসামি পলাতক রয়েছেন। এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রথম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করার পাশাপাশি আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মধ্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। এ সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। সতীর্থ আন্দোলনকারীরা তাঁকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

একই দিন উত্তরা এলাকায় জাহিদুজ্জামান তানভীন, শেখ ফাহমিন জাফর, মো. শাকিল হোসেন, মো. সাব্বির হোসেন ও সজিব সরকারকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া সেদিন উত্তরায় এপিসির (সাঁজোয়া যান) পেছনের চাকায় পিষ্ট করে উবারচালক মোখলেসুর রহমান দুর্জয়কে হত্যার অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুন: মেসার্স উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উত্তরা এলাকায় রিদোয়ান শরীফ, মো. ছাব্বির ইসলাম, মো. আসাদুল্লাহ ও নাঈমা সুলতানাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনার পর রাতে থানায় মামলা ও গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যার ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধীয় জায়গায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। এ সময় মজিব উল্লার মেয়ে শারমিনের চোখে আঘাত করেন প্রয়াত শরিফ উল্লার ছেলেমেয়েরা। খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে পাশের গোপালপুর ইউনিয়েনের রসূরপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো.ইস্রাফিল লোকজন নিয়ে চাচা শ্বশুর শরিফ উল্লার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে হামলাকারীদের দুইজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশধারী ছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারীরা শরিফ উল্লার পরিবারের নারী পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তারা শরিফ উল্লার বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালান।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ ও শ্বশুর মজিব উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পুকুরে বিষ দিয়ে ৯০ মণ মাছ নিধন, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পুকুরে বিষ দিয়ে ৯০ মণ মাছ নিধন, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি

চার তরুণ উদ্যোক্তা স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। তারা বছরে এক লাখ টাকা লিজে পুকুর নিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। পুকুরটিতে রুই, কাতলা, পাঙাশ, সিলভার কার্পসহ ৭-৮ প্রজাতির মাছ ছিল। কিছুদিনের মধ্যে মাছ বিক্রি করে লাভের মুখ দেখার পরিকল্পনা ছিল তাদের। কিন্তু দুর্বৃত্তদের কারণে সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে। রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ প্রয়োগের ফলে আনুমানিক ৯০ মণ মাছ মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের দাবি, এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার রামজয়পুর গ্রামে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তারা হলেন— মাজহারুল ইসলাম অপু, সাইফুল ইসলাম সম্রাট, রাহাত আলী ও তানজীর আহমেদ মানিক।

তথ্য অনুযায়ী, চার তরুণ একসঙ্গে উদ্যোগ নিয়ে রামজয়পুর গ্রামের একটি পুকুর বছরে এক লাখ টাকা লিজ নেন। এরপর পুকুর প্রস্তুত করে প্রায় চার লাখ টাকা বিনিয়োগ করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের চাষ শুরু করেন। দীর্ঘদিন পরিচর্যার পর মাছগুলো বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছিল। তারা কিছুদিনের মধ্যে মাছ বিক্রি করে বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি লাভের আশা করেছিলেন।

কিন্তু রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে পুকুরে গিয়ে অসংখ্য মৃত মাছ ভাসতে দেখে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে তারা নিশ্চিত হন যে, পুকুরের প্রায় ৯০ মণ মাছ মারা গেছে।

উদ্যোক্তাদের দাবি, মাছ মারা যাওয়ায় তাদের প্রায় ৭ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন, পরিকল্পিতভাবে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করা হয়েছে।

চার তরুণ উদ্যোক্তা বলেন, মাছ চাষের মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা। তবে দুর্বৃত্তদের বিষ প্রয়োগে শুধু পুকুরের মাছই মারা যায়নি, তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্নও বড় ধাক্কা খেয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তারা। তারা ক্ষয়ক্ষতির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতারও দাবি করেন।

শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক যুগ পরও টার্মিনাল খালি, পার্কিং মহাসড়কে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


এক যুগ পরও টার্মিনাল খালি, পার্কিং মহাসড়কে

বাস টার্মিনাল রয়েছে। যাত্রী ওঠানামা ও বাস রাখার জন্য নির্ধারিত জায়গাও রয়েছে। নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা। অথচ টার্মিনালটি পড়ে আছে, আর ব্যস্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কেই বাসগুলো পার্কিং করা হচ্ছে।

ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনাল কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টার্মিনাল নির্মাণের পরও বাস মালিক ও শ্রমিকদের একটি অংশ সেখানে বাস না রেখে পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কের পাশে বাস দাঁড় করিয়ে রাখছেন। নির্দিষ্ট স্টপেজের পরিবর্তে সড়কেই যাত্রী ওঠানামা করানো হচ্ছে। ব্যস্ত সময়ে একই স্থানে একাধিক বাস দাঁড়ানোর কারণে সেখানে সৃষ্টি হচ্ছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া পৌরসদর অংশে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

পটিয়া পৌরসভার গিরিশ চৌধুরী বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে নির্মিত বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজ ২০১৪ সালের নভেম্বরে শেষ হয়। এরপর উদ্বোধন করা হয় ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর। এর পর কেটে গেছে প্রায় এক যুগ। কিন্তু দীর্ঘ এই সময়ে টার্মিনালটি পটিয়ার যানজট নিরসনে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারছে না।

এদিকে, পটিয়া শহরের ব্যস্ততম অংশে বিভিন্ন রুটের বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানোর দৃশ্য এখন অনেকটাই নিয়মিত হয়ে গেছে। বাস থামার পর পেছনে থাকা গাড়িগুলোকে ধীরগতিতে চলতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিপরীত লেন দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে এগোতে হয় ছোট যানবাহনকে।

একটি বাসের পেছনে আরেকটি বাস দাঁড়িয়ে গেলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়ে। বাসের আড়ালে পথচারী সড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করলে দেখা দেয় দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

এ ব্যাপারে পটিয়া বাস মিনিবাস মালিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, পৌর বাস স্টেশনে বাস রাখার পরিবেশ নেই। সেখানে নেই নিরাপত্তা, পানি, বিদ্যুৎ ও পর্যাপ্ত আলোর। পাশাপাশি সেখানে বড় বড় খানাখন্দ রয়েছে। তাছাড়া সেখানে গাড়ি রাখলে যন্ত্রাংশ চুরি হয়। তাই নিরাপত্তার অভাবে সেখানে কেউ গাড়ি রাখতে চায় না।

পটিয়া ট্রাফিক জোনের ইনচার্জ মো. আমীর ফারুক বলেন, বিষয়টি নিয়ে পটিয়া বাস মালিক সমিতির সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা আশ্বস্ত করেছেন খুব দ্রুত অবৈধ বাস স্টেশন থেকে বাস সরিয়ে নিয়ে পৌর বাস টার্মিনালে রাখবেন।

তিনি বলেন, শেষবারের মতো তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পরও তারা নির্দেশনা না মানলে আমরা সম্মিলিতভাবে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে বাধ্য হবো।

পটিয়া পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, তিন মাস আগে বাস মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে পটিয়া পৌরসভায় একটি সভা হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে বাস পার্কিংয়ে টার্মিনাল ব্যবহার করা হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা টার্মিনালে বাস রাখছেন না।

ইউএনও আরো বলেন, পটিয়ার ট্রাফিক সার্জেন্ট বাস মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। টার্মিনালটি সচল না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ কারবারি গ্রেপ্তার, মামলা দায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


গোমস্তাপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ কারবারি গ্রেপ্তার, মামলা দায়ের

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মো: শরিফুল ইসলাম (৪৩) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ০৭:১০ থেকে ০৮:০০ ঘটিকা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে গোমস্তাপুর থানাধীন গোমস্তাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের হোগলা গ্রামস্থ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শরিফুল ইসলাম ওই একই গ্রামের মো: মোজাম্মেল হক ও মোসা: ইদন বেগমের ছেলে।

ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোমস্তাপুর ইউনিয়নের হোগলা এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে শরিফুল ইসলামের কাছ থেকে অবৈধ ১ (এক) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%