০৮:৪০ এম
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কের উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, কানাডার গাড়ি, ট্রাক, যন্ত্রাংশ ও ইস্পাতের ওপর নতুন করে শুল্ক বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে কানাডা শত শত মার্কিন পণ্যে শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছে।
এদিকে, ট্রাম্প লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কানাডার স্থানীয় সময়, তিনি নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
পরবর্তীতে, ট্রাম্প ‘লেক আমেরিকা’ নাম উল্লেখ করে একটি মানচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, ভবিষ্যতে অন্টারিওর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য খুব বেশি হবে না।
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১২ জন আটক
ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কানাডার যুক্তরাষ্ট্রবিষয়ক বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক বলেন, কানাডা সরকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বা তাঁর প্রশাসনের প্রতিদিনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
লেক অন্টারিও উত্তর আমেরিকার পাঁচটি বৃহৎ হ্রদের মধ্যে একটি। এর এক পাশে কানাডার অন্টারিও প্রদেশ এবং অন্য পাশে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য অবস্থিত। আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এই হ্রদের নাম যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে পরিবর্তন করতে পারবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এর আগে, ২০২৫ সালে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ‘গালফ অব মেক্সিকো’র পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রে ‘গালফ অব আমেরিকা’ নাম ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। বিশ্লেষকরা মনে করেন, লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তনের সর্বশেষ মন্তব্যটি কানাডার ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর একটি প্রতীকী প্রচেষ্টা হতে পারে।
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে বিএনপির লিফলেট বিতরণ, সরকারের উন্নয়ন প্রচারণা ও গুজবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন