সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৪ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালী সরকারি কলেজের ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত প্রসপেক্টাসে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, নতুন শিক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া ভর্তি-সংশ্লিষ্ট প্রকাশনায় রাজনৈতিক বক্তব্য থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষ পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের প্রসপেক্টাসে ‘প্রতিষ্ঠা ও নামকরণ’ শিরোনামের লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে, কাউখালী মহাবিদ্যালয় ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে কলেজ প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন সংসদ সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষানুরাগীর ভূমিকার পাশাপাশি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসপেক্টাসের ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শপথবাক্য’ অংশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই অংশে শিক্ষার্থীদের দেশ, দেশের মানুষ ও জাতীয় কল্যাণে কাজ করার শপথের কথাও বলা হয়েছে।
এদিকে ভর্তি প্রসপেক্টাসে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও শেখ হাসিনা পরিবারের প্রশংসাসূচক বক্তব্য থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। তাদের বক্তব্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি সহায়িকা বা প্রসপেক্টাসে শিক্ষার্থীদের ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য, শিক্ষা কার্যক্রম, নিয়মনীতি ও প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সরকারের প্রশংসামূলক বক্তব্য নতুন শিক্ষার্থীদের কাছে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে উপস্থাপিত হতে পারে।
তাদের আরও অভিযোগ, এ ধরনের লেখা শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার পাশাপাশি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন তালুকদারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দলীয় রাজনৈতিক প্রচারের বাইরে রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরপেক্ষ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কলেজ কর্তৃপক্ষের ভর্তি সহায়িকা বইয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রশংসামূলক বক্তব্য কীভাবে স্থান পেল, তা তদন্ত করে দেখা দরকার। বর্তমান শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করা কিংবা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে এসব লেখা যুক্ত করা হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে টানটান উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, এই লেখার পূর্বে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন।
তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, পুরোনো বই অনুসরণ করতে গিয়ে এসব লেখা নতুন ভর্তি সহায়িকা বইয়ে ছাপানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, “ভর্তি সহায়িকা বই প্রকাশের জন্য ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. মনিরুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে বই ছাপানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পুরোনো বই অনুসরণ করতে গিয়ে এসব লেখা ছাপানো হয়েছে। আজ ৫০ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে বই বিতরণ করার পর বিষয়টি আমার নজরে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে বই বিতরণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বই প্রকাশের দায়িত্বে থাকা মনিরুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
এ ব্যাপারে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ জানান, “এডিসি শিক্ষা কে আহ্বায়ক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাখিল করবেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, তার ও তার প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি জানান, তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আত্মহত্যা করার সময় তিনি বাসায় উপস্থিত ছিলেন না।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকার আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রোববার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর রাতেই সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
পরে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার দুপুরে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা বেগমকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুর ২টা ২২ মিনিটে তাদের আদালতে নেওয়া হয় এবং সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকার দুই আসামির জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন, পাঁচটি কারণ উল্লেখ করে।
বেলা ৩টা ১২ মিনিটে আসামিদের আদালতের পঞ্চম তলার এজলাসে নেওয়া হয়। এ সময় তাদের হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট এবং বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল। কাঠগড়ায় নেওয়ার পর এগুলো খুলে দেওয়া হয়।
বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এজলাসে উপস্থিত হন। এক মিনিট পর মামলার শুনানি শুরু হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শামসুজ্জোহা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মাহবুবুর রহমান রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে সর্বোচ্চ মেয়াদের রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিন এবং মাকছুদা বেগমকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পরে বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, "আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। ঘটনার সময় আমি বাসায় ছিলাম না। সে নিজে নিজে আত্মহত্যা করেছে।"
মরিয়ম কেন আত্মহত্যা করেছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে আমি জানি না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে এক নারী ও তার মেয়েকে মারধর, শ্লীলতাহানি এবং মেয়ের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজিয়া খাতুন বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের নিশিন্দা এলাকায় রাজিয়া খাতুনের ভোগদখলীয় জমিতে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন মো. শামীম (২৫), ফখরুল (৩০) ও মার্জিয়া খাতুন (২০)।
এ সময় রাজিয়া খাতুন ও তার মেয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে মা-মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়। একপর্যায়ে তাদের পোশাক টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া রাজিয়া খাতুনের মেয়ের গলায় থাকা এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন,যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত মা-মেয়ে ভালুকা সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন।
ভুক্তভোগী রাজিয়া খাতুন অভিযোগ করে বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। অভিযুক্তরা জোরপূর্বক জমি দখল করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে তারা বাধা দেন। এ সময় তাদের ওপর হামলা চালানো এবং মেয়ের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ না করায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে,অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মশাল মিছিলের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ফটিকছড়ি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ফটিকছড়ি থানার এসআই মো. মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী ২০১৩)-এর ৯, ১০, ১১ ও ১২ ধারায় মামলাটি করেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ১৯ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে ফটিকছড়ি থানাধীন বক্তপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি এলাকায় সড়কে মশাল মিছিল করার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। রাত পৌনে ১১টার দিকে পুলিশ সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, কয়েকজন ব্যক্তি হাতে বাঁশের তৈরি মশাল নিয়ে মিছিল করছেন। পুলিশ উপস্থিত হলে তারা মশাল ও টায়ার ফেলে বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে পোড়া টায়ারের অংশবিশেষ এবং তিনটি বাঁশের তৈরি মশাল জব্দ করা হয়। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সমর্থনে স্লোগান দিয়ে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি, জনমনে আতঙ্ক ও নাশকতার উদ্দেশ্যে মিছিল করছিলেন।
মামলায় ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজালাল জনি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাবেক আহ্বায়ক জুবাইদা সরোয়ার চৌধুরী নিপা, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এম মোরশেদুল আলম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের উপ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক ইমতিয়াজ চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৫০-৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
ফটিকছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল আলম খান জানান, মামলার পরবর্তী সময়ে একজন আসামীকে গ্রেফতার করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের পরিচয় ও ঠিকানা শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মামলার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফটিকছড়িতে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো যাবে না এবং এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, চলতি বছরের জুন মাসেও ফটিকছড়িতে মশাল মিছিলকে কেন্দ্র করে ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাশকতার মামলার কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরিফুদ্দিন রিমন (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে কুষ্টিয়া শহরের পুলিশ লাইনস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া শরিফুদ্দিন রিমন দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের মৃত সুজাউদ্দিনের পুত্র। তিনি দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের প্রাগপুর বাজারে নাশকতার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার প্রেক্ষিতে শরিফুদ্দিন রিমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রাগপুর বাজারে একটি সহিংস ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর স্থানীয় থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। গ্রেপ্তার হওয়া শরিফুদ্দিন রিমন সেই মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, আসামিকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। অবশেষে কুষ্টিয়া শহরের একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানান, নাশকতার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ