সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৬ এম
কানাডা ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যে ঋণ ইউক্রেনকে সহায়তার জন্য বরাদ্দ করেছে, তাতে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। রুশ সংবাদমাধ্যম তাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, এ বিষয়ে কানাডার সঙ্গে ইইউর আলোচনা চলছে।
প্রতিবেদনটি জানায়, আগামী অক্টোবরের শেষের দিকে কানাডার মন্ট্রিয়েলে অনুষ্ঠিতব্য ইইউ-কানাডা সম্মেলনের আগে ঋণে কানাডার সম্ভাব্য অবদানের পরিমাণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা হতে পারে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই উদ্যোগের লক্ষ্য ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কানাডার নির্ভরতা কমানোর বিষয়টিও তাঁর নীতির অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে অটোয়ার সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কার্নি বহুপক্ষীয় বিশ্বব্যবস্থায় বিশ্বাসী উদারপন্থি দেশগুলোর মধ্যে একটি জোট গঠন করতে চান। ইউক্রেনকে সহায়তায় ইইউর ঋণে অংশ নিয়ে কানাডার ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি অঙ্গীকারও তুলে ধরতে চান তিনি। বর্তমানে যুক্তরাজ্যই একমাত্র ইইউ-বহির্ভূত দেশ, যারা এই ঋণে অংশ নিচ্ছে।
এই সপ্তাহে কার্নি ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গ সফর করবেন। সেখানে তিনি ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর যুক্তরাজ্যের লিভারপুলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সঙ্গে আলোচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ ব্যবহার করে ইউক্রেনকে সহায়তা করার বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। ইইউ ও জি-৭ভুক্ত দেশগুলো, যার মধ্যে কানাডাও রয়েছে, রাশিয়ার প্রায় ৩০ হাজার কোটি ইউরোর সম্পদ জব্দ করে রেখেছে। এর মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার কোটি ইউরো রয়েছে বেলজিয়ামের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউরোক্লিয়ারে।
তবে গত বছরের শেষের দিকে ইইউ সম্মেলনে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ইউক্রেনকে ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি। পরিবর্তে ২০২৬ ও ২০২৭ সালের জন্য ইউক্রেনকে ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ দূত রোদিয়ন মিরোশনিক অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেন এসব অর্থ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধে ব্যয় করছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন কোনো প্রমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তথ্যসূত্র: তাস, ফিন্যান্সিয়াল টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গতকাল রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপি’র অধীনস্থ ১৪টি ইউনিট এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভাটি জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি’র সভাপতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সিনিয়র সদস্য ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান এমপি।
এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মো. আবদুল মান্নান এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন। কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও সভায় অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বিএনপি’র সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, পাশাপাশি তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তারা বলেন, দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় ও যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।
এছাড়া, দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, শৃঙ্খলা ও ঐক্য বজায় রেখে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। সভায় জেলার ১৪টি ইউনিটের সাংগঠনিক পরিস্থিতি, তৃণমূলের বিভিন্ন বিষয় এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। নেতারা নিজ নিজ ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল দলকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি দলীয় শৃঙ্খলা মেনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় জেলা বিএনপি, উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উত্তাল সমুদ্রে একটি ফেরি ডুবে যাওয়ার পর নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে সোমবার ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির শীর্ষ উদ্ধার কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জীবিতদের উদ্ধারের জন্য বিমান, নৌযান ও ডুবুরি মোতায়েন করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ‘ভিরগো ট্রান্সপোর্ট ৮’ ফেরিটিতে ২১৩ জন যাত্রী এবং ৩০ জন ক্রু ছিলেন। পূর্ব জাভার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সুরাবায়া থেকে ফেরিটি যাত্রা শুরু করার পর রোববার ভোরে ফেরিটির পরিচালনাকারী কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
জাকার্তা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে।
জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ সিয়াফি সোমবার জানান, ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ১২৯ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগের দিন অন্তত ১০৮ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, উদ্ধার অভিযানে পাঁচটি বিমান এবং ১৭টি নৌযান মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজও রয়েছে। ডুবে যাওয়া ফেরিটিকে ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সিয়াফি বলেন, ‘ভাসমান নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য ছয়টি এলাকায় ভাগ করে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উদ্ধার অভিযান চালাব।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘আমরা নিখোঁজদের নিরাপদ অবস্থায় খুঁজে পাব।’
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকারীরা ডুবে যাওয়া ফেরিটির অবস্থান শনাক্ত করেছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে ফেরিটির ভেতরে এবং আশপাশে ডুবুরি ও পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোন মোতায়েন করা হবে।
পরিবহনমন্ত্রী দুডি পুরওয়াগান্ধি সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ফেরিটিতে অতিরিক্ত যাত্রী ছিল না। বরং সর্বোচ্চ ৫০০ জন ধারণক্ষমতার তুলনায় ফেরিটিতে যাত্রী সংখ্যা ছিল কম।
১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়ায় নৌপথে যাতায়াত ও পর্যটনের জন্য নৌযানের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা রয়েছে। দেশটিতে প্রায়ই নৌ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং অনিশ্চিত আবহাওয়া এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে বানতেন প্রদেশের আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির কাছে আটজনকে বহনকারী একটি স্পিডবোট নিখোঁজ হয়। তাদের মধ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থায় কর্মরত পাঁচজন সাংবাদিক ছিলেন। তাদের সন্ধানে এখনও অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাট, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে লালমনিরহাটে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহ. রাশেদুল হক প্রধান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় যোগদান করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাসান রাজীব প্রধান এবং লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রোকন উদ্দীন বাবুল।
এছাড়া সভায় লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আলোচনা করা হয় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে।
এ সময় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সূচনা হওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে পেট্রলের দাম গড়ে ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ডিজেলের দাম ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে জ্বালানির দাম দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইউরোপীয় কমিশনের সাপ্তাহিক তেলবাজার প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি ইইউতে করসহ প্রতি লিটার পেট্রলের গড় দাম ছিল ১.৬৪ ইউরো। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে তা বেড়ে ২.০৪ ইউরোতে পৌঁছেছে। ডিজেলের দাম তুলনামূলকভাবে আরো দ্রুত বেড়েছে। একই সময়ে প্রতি লিটার ডিজেলের গড় দাম ১.৫৯ ইউরো থেকে বেড়ে ২.১১ ইউরোতে পৌঁছেছে, যা প্রায় ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার কারণে তেল উৎপাদন কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর উপর হামলার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়া, হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত জ্বালানি পরিবহন নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। এর প্রভাব ইউরোপের খুচরা জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপে ডিজেলের সরবরাহ তুলনামূলকভাবে কম থাকায় পেট্রলের তুলনায় ডিজেলের দাম বেশি হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইইউভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পেট্রলের দাম সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডে। অন্যদিকে, ডিজেলের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বুলগেরিয়ায়। দেশটিতে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম প্রায় ৪৭ শতাংশ বেড়ে ১.২৩ ইউরো থেকে ১.৮১ ইউরোতে উন্নীত হয়েছে। সূত্র : আনাদোলু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ