মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৯ পি.এম
গাইবান্ধা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা করেছেন জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম, চলমান উন্নয়ন কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় সভায় আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশীদ ইরাম খান এবং গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনসেবা নিশ্চিতকরণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ৪ নম্বর পার্বতীপুর ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘পূর্ব ব্রাহ্মণগ্রাম হাফিজিয়া কেরাতিয়া ও নূরানী মাদ্রাসা’-য় নতুন শিক্ষাবর্ষে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম মহাসমারোহে শুরু হয়েছে। কোলাহলমুক্ত ও শান্ত নিবিড় পরিবেশে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার এক অনন্য সমন্বয় ঘটিয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
এখানে শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত আবাসিক ও অনাবাসিক—উভয় শাখায় ছাত্র ভর্তি নেওয়া হচ্ছে।
পড়াশোনার প্রধান বিভাগসমূহ
নূরানী বিভাগ (শিশু শ্রেণি হতে ৩য় শ্রেণি)
নাজেরা বিভাগ
হিফজুল কুরআন বিভাগ
হিফজ রিভিশন (দৌড়) বিভাগ
কেন বেছে নেবেন এই প্রতিষ্ঠানটি?
দ্রুত ও শুদ্ধ হিফজ: সঠিক তাজবীদ, মাখরাজ ও সিফাত অনুসরণ করে সুশৃঙ্খল নিয়মে দ্রুততম সময়ে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করার বিশেষ ব্যবস্থা।
দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলী: প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দেশবরেণ্য অভিজ্ঞ হাফেজ ও ক্বারীগণ দ্বারা সার্বক্ষণিক নিবিড় পাঠদান।
সমন্বিত শিক্ষা: আরবি ও দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে সমান গুরুত্ব প্রদান। নিয়মিত ইংরেজি ও আরবি ভাষায় কথা বলা এবং লেখার বিশেষ অনুশীলন করানো হয়।
ব্যক্তিগত পরিচর্যা: দুর্বল ও অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের পড়া আদায়ে রয়েছে আলাদা যত্ন ও নজরদারির সুব্যবস্থা।
প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি: সঠিক লাহানে তেলাওয়াতের মাশকের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের কেরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়।
বিশেষ সুযোগ-সুবিধা: গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড় এবং আবাসিক ছাত্রদের জন্য সুসংগঠিত লজিং/জাগির খাওয়ার ব্যবস্থা।
দিনের পর দিন শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে শুধু স্থানীয়ই নয়, দূর-দূরান্ত থেকেও অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে এখানে ভর্তি করাচ্ছেন। ইলম, আমল ও উত্তম আখলাকের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই এই মাদ্রাসার মূল লক্ষ্য।
আজই যোগাযোগ করুন:
আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ও দ্বীনি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরাসরি যোগাযোগ করুন নিচে দেওয়া নম্বরগুলোতে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় পদ্মা নদীর শাখা
দাদনচক নদীতে ডুবে ইউসুফ (১১) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার দাদনচক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ইউসুফ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের দাদনচক এলাকার মৃত পলাশের ছেলে।
স্থানীয় ও আত্মীয় সূত্রে জানা যায়, ইউসুফ পদ্মার শাখা নদী দাদনচক নদীতে গোসল করতে নেমে ডুবে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধারে খোঁজাখুঁজি চালালেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার কাদেরী কিবরিয়া জানান, খবর পেয়ে শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে স্থানীয় জনতা নদী থেকে ইউসুফের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেট ভ্যালুয়েবল কার্গো এলাকায় কাপড়ের রোলের ভেতর কৌশলে আনা প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের ১ হাজার ৬৫৫টি মোবাইল ফোনের একটি বিশাল চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
আজ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কাস্টমস হাউসের এয়ারপোর্ট ও এয়ারফ্রেট সার্কেলের কর্মকর্তাদের বিশেষ তৎপরতায় ‘নিট ফেব্রিকস/পি কভার জি রোল’ হিসেবে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা চালানটি পরীক্ষার সময় এসব লুকানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে ‘থিয়ানিস অ্যাপারেলস লিমিটেড’। প্রাথমিক গণনা অনুযায়ী উদ্ধার করা ফোনের মধ্যে রয়েছে ‘রেডমি ১৪সি’ মডেলের ৪৫০টি, ‘রেডমি ১৫সি’ মডেলের ১৫০টি এবং পুরোনো বা ব্যবহৃত আইফোন ও অন্যান্য চীনা ব্র্যান্ডের আরও ১ হাজার ৫৫টি স্মারটফোন।
এনবিআর জানায়, এয়ার কার্গো সিস্টেমের ডেটাবেজ অনুযায়ী চালানটির মাস্টার এয়ার ওয়েবিল নম্বর ৮২৮-৫৬৭৮-২৪১২ এবং হাউস এয়ার ওয়েবিল নম্বর জেএল৫৭২০৩। হংকং থেকে আগত এ চালানের ঘোষিত বিবরণীতে শুধুই ‘নিট ফেব্রিকস’ উল্লেখ ছিল। চালানটির মোট ওজন ছিল ৮৯৫ কেজি এবং এটি ২০টি প্যাকেজে বিভক্ত ছিল।
চালানটি কার্গো ফ্লাইট আরএইচ-৬৬৫১ যোগে গত ৩১ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছায়। এতে পণ্য প্রেরণকারী হিসেবে ‘ঝেজিয়াং শাওশিং জিনহুয়া নিটিং কোম্পানি’ এবং মাস্টার এয়ার ওয়েবিলে ‘জ্যাঙ্কো গ্লোবাল লজিস্টিকস লিমিটেড’-এর নাম রয়েছে। ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার হিসেবে তথ্য পাওয়া গেছে ‘এফ এফ কার্গো সার্ভিস’-এর।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ঘোষিত পণ্যের বর্ণনার সঙ্গে কায়িক পরীক্ষায় প্রাপ্ত পণ্যের চরম বৈসাদৃশ্য দেখা গেছে। এয়ার কার্গো নথিতে ‘নিট ফেব্রিকস’ ও ‘পি কভার জি রোল’ বলা হলেও মূলত কাপড়ের পেঁচানো রোলের সুনির্দিষ্ট ফাঁকা অংশে লুকিয়ে এই মূল্যবান ফোনগুলো চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়।
এনবিআরের মতে, তৈরি পোশাক খাতের কাঁচামাল আমদানির সুযোগ ও সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য গোপন করে বিপুল অঙ্কের সরকারি শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এ অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
উদ্ধারকৃত ফোনগুলোর আইএমইআই নম্বর ও সঠিক বাজারমূল্য যাচাই-বাছাই, ফোনগুলো নতুন নাকি ব্যবহৃত তা নিরূপণ এবং ফাঁকিকৃত শুল্ক-করের পরিমাণ নির্ধারণের পর পুরো ঘটনার আর্থিক ব্যাপ্তি পুরোপুরি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার ও সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সহ দায়ীদের চিহ্নিত করে কাস্টমস আইন অনুযায়ী কঠোর ফৌজদারি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢাকা পূর্বাঞ্চলীয় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান ঘিরে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কাস্টমস কর্মকর্তাদের মিষ্টি, দুধ ও পানির বোতল দিয়ে আপ্যায়ন করা হলেও অভিযান শেষে কী ধরনের অনিয়ম বা অসংগতি পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভৈরব বাজারের জে আই ইমপ্রেক্স প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঢাকা পূর্বাঞ্চলীয় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুনের নেতৃত্বে একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।
অভিযানের খবর পেয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় সাংবাদিকরা অভিযান পরিচালনার কারণ এবং প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়ম বা অসংগতি পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুন বলেন, অভিযান শেষে এ বিষয়ে জানানো হবে।
তবে অভিযান চলাকালে জে আই ইমপ্রেক্সের পক্ষ থেকে কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তাদের মিষ্টি, দুধ ও পানির বোতল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে অভিযান ও তল্লাশি কার্যক্রম চলার পর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নথিপত্র এবং কিছু মালামাল জব্দ করেন। পরে জব্দকৃত নথি ও মালামাল কাস্টমস বিভাগের গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়।
অভিযান শেষে সাংবাদিকরা আবারও কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান, প্রতিষ্ঠানে কী ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেছে, কী কী নথি ও মালামাল জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।
তবে এসব প্রশ্নের বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে অভিযান পরিচালনাকারী দলের নেতৃত্বে থাকা যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুন সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে দ্রুত গাড়িতে ওঠেন। পরে কাস্টমসের পুরো দল ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
সরকারি রাজস্ব আদায়কারী একটি সংস্থার অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের আপ্যায়ন এবং অভিযান শেষে নথিপত্র ও মালামাল জব্দ করে কর্মকর্তাদের দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগের বিষয়টি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তবে আপ্যায়নের সঙ্গে অভিযান পরিচালনা বা জব্দ কার্যক্রমের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, প্রায় দুই ঘণ্টার অভিযানে কাস্টমস কর্মকর্তারা আসলে কী পেয়েছেন?
কোন নথিতে অসংগতি পাওয়া গেছে, কী ধরনের মালামাল জব্দ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি বা শুল্ক-ভ্যাট সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের তথ্য রয়েছে কি না এবং পরবর্তী সময়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এসব বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিযান সম্পর্কে জে আই ইমপ্রেক্সের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি শুভ জয় গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, কাস্টমস ও এক্সাইজ বিভাগের কর্মকর্তারা যেভাবে অভিযান পরিচালনা করেছেন এবং যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে তারা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
তিনি বলেন, অভিযানের কারণে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং এতে তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
সরকারি কোনো সংস্থার অভিযানের ক্ষেত্রে কী কারণে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, কী পাওয়া গেছে, কী জব্দ করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ কী হবে—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও জনসাধারণের জানার আগ্রহ ও অধিকার রয়েছে।
জে আই ইমপ্রেক্সে কাস্টমসের এ অভিযানেও একই প্রশ্ন সামনে এসেছে। অভিযানের শুরুতে ফলাফল জানানোর কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের প্রশ্নের সরাসরি ব্যাখ্যা না দিয়ে কর্মকর্তাদের দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করায় বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা আরও বেড়েছে।
এ ঘটনায় জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন উঠেছে—অভিযানের সুনির্দিষ্ট কারণ কী ছিল? কী কী নথি ও মালামাল জব্দ করা হয়েছে? প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ধরনের অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে? এবং অভিযানের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বা পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে জনসাধারণকে জানানো হবে কি না?
এসব প্রশ্নের পরিষ্কার উত্তর পাওয়া গেলে অভিযানের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও ফলাফল নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা অনেকটাই কাটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ