০৬:৩৭ পি.এম
সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত অনলাইন সাতক্ষীরার তথ্য, দক্ষিণের মশাল ও যশোর বার্তাসহ অনলাইন পোর্টালে ২৪ আগস্ট তারিখে প্রকাশিত ‘সাতক্ষীরায় ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ প্রতারণার অভিযোগ‘ শিরোনামের সংবাদটি ডাক্তার এম হাফিজুর রহমান সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং ভুয়াও অপপ্রচারের অভিযোগ করেছেন।
তিনি জানান, প্রকৃত ঘটনা হলো, একটি সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে মাত্র দেড় মাস আগে ন্যাচারাল বা প্রাকৃতিক উপায়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান শুরু হয়েছে। ১৫ দিন পর পর অর্থাৎ এ পর্যন্ত মাত্র তিন দিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এখানে এসেছেন এবং তিন দিনে মোট ১৬ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছে। রোগীদের খরচ ৩শ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫শত টাকা হলেও দরিদ্র নারী বা রোগীর জন্য এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। সংবাদে উল্লেখিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার তথ্য সঠিক নয়, কারণ এখানে ওই ধরনের কোন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় না; এটি শুধুমাত্র চিকিৎসা পরামর্শ কেন্দ্র। ডাক্তারকে জড়িয়ে ভুয়া খবর প্রকাশ করে ডাক্তার ও প্রতিষ্ঠানের মানহানি করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে।
এম. হাফিজুর রহমান একজন বি ইউ এম এস ডিগ্রিধারী বিশেষজ্ঞ সিনিয়র ডাক্তার এবং খাদ্য ও পুষ্টিবিদ (iuk) হিসেবে চিকিৎসা/ পরামর্শ সেবা প্রদান করছেন। এনালাইজার সফটওয়্যারে বিশেষ রোগীর প্রাথমিক অসুবিধা ডাক্তার নিজেই চেক করেন, যার জন্য রোগীকে কোনো খরচ করতে হয় না।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল
যদি রোগীর বিশেষ কোনো ত্রুটি ধরা পড়ে, তবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এম হাফিজুর রহমান যৎসামান্য টেস্ট লিখে দেন, যা রোগী যে কোন জায়গা থেকে করিয়ে আনতে পারেন। ফলে, যৎসামান্য খরচে ক্রনিক ডিজিজ জাতীয় রোগীগুলো দ্রুত সুস্থতার পথে ফিরে আসছে বলে তথ্য রয়েছে।
বিশেষ উল্লেখ্য যে, সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ইদ্রিস আলী নামক একজন ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে দুইজন সহযোগীসহ হঠাৎ চেম্বারে প্রবেশ করে সম্মানীয় ডাক্তারকে হেনস্তার চেষ্টা করেন এবং অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। কথার এক পর্যায়ে ডাক্তার থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। ডাক্তার কোনোভাবেই তা দিতে অস্বীকার করেন এবং নতুন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব সবুজকে ঘটনাটি জানিয়ে ডাক্তারকে সাহায্য চান।
সিনিয়র সাংবাদিক ও সাহিত্যিক সবুজ ভাই ওই ইদ্রিস আলী নামক কথিত সাংবাদিককে বুঝিয়ে বের করে দেন। এরপর কথিত সাংবাদিক নামধারী ইদ্রিস আলী ডাক্তারকে হুমকিধামকি দিতে দিতে চলে যান। এর ফলস্বরূপ, ইদ্রিস ও তার অপর সহযোগী মিলে ভূয়া তথ্য দিয়ে ভুলভাল বুঝিয়ে, সম্মানিত ডাক্তারকে জড়িয়ে ভূয়া খবর প্রকাশ করেছেন। যা একজন সম্মানীয় ডাক্তারের জন্য মানহানিকর। এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া ও ভিত্তিহীন খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদ এম হাফিজুর রহমান।
আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন