বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৩ পি.এম
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থায়ন এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন নিয়ে সরকার চায়না এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ব্যাংকটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র সম্প্রসারণ, স্মার্ট গ্রিড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নির্মাণ এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির (ডিপিডিসি) নেটওয়ার্ক উন্নয়নে দ্রুত অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে চায়না এক্সিম ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ওয়াং চুনইংয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে। বৈঠকে বিদ্যুৎ খাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমসহ বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প, জি-টু-জি ভিত্তিতে পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ প্রকল্প এবং ডিপিডিসি এলাকায় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, "স্থিতিশীল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ জাতীয় উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি।" তিনি পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরবর্তী ধাপের সম্প্রসারণ, স্মার্ট গ্রিড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ডিপিডিসির বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক উন্নয়নে দ্রুত অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ জানান।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৬-এর আওতায় বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরের বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী জাতীয় গ্রিডের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও স্মার্ট গ্রিড নির্মাণ, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরবর্তী ধাপ সম্প্রসারণ এবং ডিপিডিসির সঞ্চালন লাইন শক্তিশালীকরণে ভবিষ্যৎ অর্থায়ন দ্রুত করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো পরিদর্শনের জন্য ব্যাংকটির প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণও জানান তিনি।
চায়না এক্সিম ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ওয়াং চুনইং বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাংকটির অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি সবুজ জ্বালানি খাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাম্প্রতিক বিনিয়োগবান্ধব শুল্ক ও কর কমানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
একই সঙ্গে ভূমিভিত্তিক ও ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে অর্থায়ন ও কারিগরি দক্ষতা বিনিময়ে সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন ওয়াং চুনইং।
বৈঠকে জি-টু-জি ভিত্তিক গ্রিড শক্তিশালীকরণ এবং ডিপিডিসির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের অর্থায়ন অনুমোদন দ্রুত করতে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতকে আরো শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও সম্মতি জানায় দুই পক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষা চিন্তাশক্তির উন্নয়ন ঘটায়। এটি সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। নৈতিকতার গুরুত্ব শিক্ষার সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের জন্য ট্রু এডুকেশন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যদি আমরা এ বিষয়ে নজর না দিই, তাহলে শিক্ষা আমাদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ্যানি আরও বলেন, নবীনদের শিক্ষার্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা রক্ষা করা, দায়িত্বশীল হওয়া এবং মানব ও সমাজের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। যদি আমরা এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিকে গুরুত্ব না দিই এবং ক্রীড়াঙ্গনকে নিজেদের সঙ্গে সম্পৃক্ত না করি, তাহলে এই শিক্ষা সমাজব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে না। সমাজব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য নৈতিকতা, সমাজে অবদান রাখা এবং নিজেদের উন্নয়নে নজর দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে এআইয়ের যুগ চলছে। আপনি এআইকে কিভাবে কাজে লাগাবেন, তা আপনার নিজস্ব দক্ষতা ও উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। কারণ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময় অনেক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আজকের দিনে এআইয়ের মাধ্যমে চেষ্টা করলে টার্গেট পয়েন্টে পৌঁছানো সহজ হয়ে যাবে।
লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর শহীদুল্লাহ্ মজুমদার, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘টাকা আসে, ভবিষ্যত গড়ে’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো রেমিট্যান্স মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার, টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যোনে দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করা হয়। মেলা প্রাঙ্গণে প্রবাসী পরিবার, স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা এবং যুবসমাজের একটি বিশাল সমাগম ঘটে।
জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন। টাঙ্গাইলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক শাহজাহান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা জনশক্তি ও কর্মস্থান অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন এবং টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় উল্লেখ করেন, রেমিট্যান্স শুধুমাত্র একটি পরিবারের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্যই প্রদান করে না, বরং সঠিক ও পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে এটি দেশের এবং সমাজের একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মেলায় প্রায় অর্ধশত বিভিন্ন সংস্থার স্টল অংশগ্রহণ করে। স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার প্রদর্শনী করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের ছাদ ধসে ৪০ জন নিহতের ৪১ বছর পূর্তিতে শোক দিবস পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, প্রার্থনা ও রক্তদান কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিহতদের স্মরণ করেন।
দিবসের আলোচনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আবাসিক হলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্থানে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন ভিসি প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সকাল সাড়ে ৭টায় ভিসির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জগন্নাথ হল স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর হলের কিশোরীলাল রায় চৌধুরী অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ভিসি। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি (শিক্ষা) প্রফেসর ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. দেবাশীষ পাল, সাবেক প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. অজয় কুমার দাস এবং জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক নিবাস চন্দ্র মাঝি।
আলোচনায় ভিসি নিহতদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবরের মর্মান্তিক ঘটনা জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। ঐক্যের এই বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে সমাজে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে নিরাপদ রাখতে প্রশাসন কাজ করছে। আবাসিক হলসহ সবাই যেন নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে থাকতে পারেন, সে পরিবেশ গড়ে তুলতে চান তাঁরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবার—নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মাণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সব অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
আলোচনা সভায় জগন্নাথ হলের আহত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে হলের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী বক্তব্য দেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ। এতে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল, হোস্টেল ও প্রধান ভবনে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়। সকালে জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআসহ হলগুলোর মসজিদে মোনাজাতের কর্মসূচি রাখা হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে নিহতদের তৈলচিত্র ও সংশ্লিষ্ট স্মারকসামগ্রী প্রদর্শন করা হয় এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় হলের উপাসনালয়ে শোকসংগীত ও কবিতা আবৃত্তির আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া হল প্রশাসনের উদ্যোগে ‘অক্টোবর স্মৃতি রচনা প্রতিযোগিতা’ ও ‘অক্টোবর স্মৃতি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা’র আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের একটি ভবনের ছাদ ধসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ২৬ জন শিক্ষার্থী এবং ১৪ জন অতিথি ও কর্মচারীসহ মোট ৪০ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে। প্রতিবছর ১৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিহতদের স্মরণে শোক দিবস পালন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল জেলায় নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ-এর সঙ্গে আইনজীবীদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং বিচারাধীন মামলাসমূহের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। যুবসমাজকে রক্ষার জন্য মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়।
মতবিনিময়কালে বক্তারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হ্রাস, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন ও আইনজীবী সমাজের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করার আহ্বান জানান।
সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সমাজে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত করতে জেলা প্রশাসন ও আইনজীবী সমাজ সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা এডভোকেট বার সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোনায়েম হোসেন খান আলম, সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান স্বপন, টাঙ্গাইলের জিপি মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন, এডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
এ সময় বার সমিতির কমিটির সদস্যবৃন্দ ও বিজ্ঞ আইনজীবীগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সেলিম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হোসেনসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ