বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০২ পি.এম
সড়কের দুই পাশে ঘন ঝোপঝাড় দেখা যাচ্ছে। সীমানা অতিক্রম করে লম্বা ঘাসের ঝাঁক সড়কের বড় অংশ দখল করে নিচ্ছে।
দুই পাশ থেকে চাপ আসায় সড়কটি সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এর সাথে রয়েছে বন্যপ্রাণীর চলাচল। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক ও নান্দাইল-তাড়াইল আঞ্চলিক সড়কের বিভিন্ন স্থানে।
এ বিষয়ে প্রতিকার দাবি করেছেন যানবাহনচালক ও স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ও গাড়ির চালকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ঝোপঝাড় পরিষ্কার না করার কারণে পিচঢালা সড়কগুলো ক্রমে সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এসব ঝোপঝাড় থেকে হঠাৎ বন্যপ্রাণী চলন্ত গাড়ির সামনে লাফিয়ে পড়ে, যা নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে।
এছাড়া, রাতে দুষ্কৃতকারীরা অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। তারা যানবাহনের চালক ও পথচারীদের জিম্মি করে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। এর ফলে রুটগুলোতে চলাচলকারী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এসব সড়কের বিভিন্ন বাঁকে ঝোপঝাড়ের কারণে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন দূর থেকে দেখা যায় না। সম্প্রতি ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের শম্ভুগঞ্জ এলাকায় ট্রাফিক জটলা ও অসচেতনতার মধ্যে একটি দ্রুতগতির ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।
এতে তিনজন নিহত হন।
এছাড়া, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইলের আমলিতলা জোরপুকুরপাড় এলাকায় চালবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা দিলে এর চালক নিহত হন।
স্থানীয়দের মতে, সড়কের দুই পাশে জঙ্গল থাকার কারণে রাতে চালকেরা প্রায়ই রাস্তার সঠিক সীমানা বুঝতে ভুল করেন। দুর্ঘটনার পাশাপাশি, এসব ঝোপঝাড়ের সুযোগ নিয়ে নান্দাইল ও তাড়াইল সীমান্তের নির্জন অংশগুলোতে রাতে গাছের ডাল ফেলে বা ব্যারিকেড দিয়ে ডাকাতি সংঘটিত হয়। ডাকাত দল সিএনজি ও মোটরসাইকেল আরোহীদের জিম্মি করে মোবাইল ও নগদ অর্থ লুট করে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নীতিমালা অনুযায়ী, নিরাপদ যানচলাচলের স্বার্থে সড়কের দুই পাশের ‘রাইট অব ওয়ে’ (সড়কসীমা) সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা, লতাপাতা ও জঙ্গলমুক্ত রাখার জন্য স্পষ্ট নিয়ম রয়েছে। বিশেষ করে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কের বিভিন্ন বাঁক ও মোড়ে চালকের দৃষ্টিসীমা ঠিক রাখতে নিয়মিত বিরতিতে আগাছা কেটে পরিষ্কার করার জন্য সরকারি বাজেট ও নির্দিষ্ট জনবল বরাদ্দ থাকে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আহম্মেদ জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুমের কারণে সড়কের দুই পাশে আগাছা কিছুটা দ্রুত বেড়ে গেছে। আমাদের সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ নীতিমালার আওতায় ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পরিষ্কার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও দুর্ঘটনা এড়াতে শিগগিরই ঝোপঝাড় ও জঙ্গল কাটার কাজ শুরু করা হবে বলে জানান এই সওজ প্রকৌশলী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার মিঠামইনে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে জয়ন্ত মন্ডল (৭) ও হাফিজা আক্তার (৬) নামে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের দক্ষিণ গোপদিঘী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জয়ন্ত মন্ডল দক্ষিণ গোপদিঘী এলাকার জুয়েল মন্ডলের ছেলে এবং হাফিজা আক্তার একই এলাকার আব্দুল কাদিরের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে একসঙ্গে গোসল করতে নামে জয়ন্ত ও হাফিজা। গোসলের এক পর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে তারা পানিতে ডুবে যায়।
কিছুক্ষণ পর শিশু দু’টিকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে জয়ন্তের দাদা আনন্দ মন্ডল পুকুরের পানিতে হাফিজা আক্তারকে ভাসতে দেখেন। পরে কিছু দূরে জয়ন্তকেও পানিতে ভাসতে দেখা যায়।
স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত ২ শিশুকে উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার মোহাম্মদ বাসস’কে বলেন, পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ মোট ২২৬৮টি মামলা দায়ের করেছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলি করে।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৬টি বাস, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ১৫টি সিএনজি ও ৩৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৫টি বাস, ১২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি ও ১১০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮০টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১২টি বাস, ১টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ডভ্যান, ২৪টি সিএনজিসহ মোট ৩৪২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩০টি বাস, ২৬টি ট্রাক, ২৭টি কাভার্ডভ্যান, ৩০টি সিএনজিসহ ও ১২৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৪০টি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২০টি ট্রাক ও ৯৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯০টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩৫টি বাস, ২২টি ট্রাক, ৩৭টি কাভার্ডভ্যান, ৪৯টি সিএনজি ও ১৬৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৩টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩৮টি বাস, ৯টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৪২টি সিএনজি ও ১৮৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৩২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩১টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ২১টি সিএনজি ও ৭৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৪৭টি মামলা হয়েছে। এছাড়াও, অভিযানের সময় মোট ৪৮৬টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ১২২টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’-এ দেশের ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার অর্জন করেছে। এই পুরস্কারের আয়োজন করেছে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ।
রাজধানী ঢাকার লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বাংলালিংককে ‘এক্সটার্নাল সাপ্লাই চেইন, কোলাবরেশন অ্যান্ড পার্টনারশিপস’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন ইএসজি টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজিটাল ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ সেলফ-রিটেইলার অ্যাপের জন্য এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
‘বাংলালিংক পাওয়ার’ প্ল্যাটফর্মটি চলতি বছরের মার্চে চালু করা হয়, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জ বিক্রি করে অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। এখানে কোনো আগাম বিনিয়োগ ছাড়াই সেলফ-রিটেইলার হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ডিজিটাল কেওয়াইসি যাচাই, রিয়েল-টাইম কমিশন দেখার সুবিধা এবং ডিজিটাল পুরস্কার ব্যবস্থার মাধ্যমে বিক্রয় ও আয়ের হিসাব পরিচালনার সুযোগও রয়েছে।
বাংলালিংক জানিয়েছে, ডিজিটাল বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সবার জন্য আয়ের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্যেই এই প্ল্যাটফর্মটি চালু করা হয়েছে। বিশেষত তরুণ, নারী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য দোকান স্থাপন ছাড়াই আয়ের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।
বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ কোনো আগাম বিনিয়োগ ছাড়াই মানুষের জন্য সহজে আয়ের সুযোগ তৈরি করছে। স্মার্টফোন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যবসা পরিচালনার সুযোগের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মটি প্রচলিত খুচরা বিক্রয় ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে।
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত এমন মানুষদের বৃহত্তর ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করছে বলেও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।
বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ সরাসরি উপকৃত হলেই ডিজিটাল রূপান্তর অর্থবহ হয়। ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ ডিজিটাল সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আয় ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির নতুন সুযোগ তৈরি করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়া নতুন করে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা নির্মাণ করেছে প্রধান পরমাণু কমপ্লেক্স ইয়ংবিয়নে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ জানিয়েছে, এখানে সর্বোচ্চ ২৮টি সেন্ট্রিফিউজের সারি স্থাপন করা সম্ভব। একই সময়ে, পিয়ংইয়ংয়ের নিকটবর্তী কাংসন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের সম্প্রসারিত অংশেও কাজ শুরু হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
আইএইএ-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ধীরে ধীরে একাধিক স্থানে তার পরমাণু কর্মসূচির অবকাঠামো বৃদ্ধি করছে। ভিয়েনা ভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক সংস্থা ২৮ আগস্টে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির ওপর নজর রাখতে আইএইএ উপগ্রহের ছবি এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত উৎসের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। এই তথ্যগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
২০০৯ সালের পর থেকে উত্তর কোরিয়ায় আইএইএর কোনো পরিদর্শক যেতে পারেননি। ফলে বর্তমানে দেশটির পরমাণু স্থাপনাগুলোর তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রধানত উপগ্রহের ছবি ও প্রকাশ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে সংস্থাটিকে। আইএইএ ইয়ংবিয়নে একটি নতুন দ্বিতল ভবনের সন্ধান পেয়েছে। সংস্থাটির ধারণা, এটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার দ্বিতীয় স্থাপনা হতে পারে। কিম জং উন জুন মাসে ইয়ংবিয়ন পরমাণু কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছিলেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবির সঙ্গে ভবনটির নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ের উপগ্রহের ছবি মিলিয়ে আইএইএ এই ধারণা তৈরি করেছে।
আইএইএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কিম জং উনের সফরের সময় প্রকাশিত ছবিতে ভবনটির ওপরের ও নিচের দুই তলাতেই গ্যাস সেন্ট্রিফিউজের সারি দেখা গেছে। সেন্ট্রিফিউজ এমন একটি যন্ত্র, যা ইউরেনিয়ামকে আরও বেশি মাত্রায় সমৃদ্ধ করে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি, উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পরমাণু অস্ত্র তৈরিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
আইএইএর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিতে দেখা ধরনের সর্বোচ্চ ২৮টি সেন্ট্রিফিউজের সারি নতুন ভবনটিতে স্থাপন করা সম্ভব। এর ফলে ইয়ংবিয়নে উত্তর কোরিয়ার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পিয়ংইয়ংয়ের কাছে কাংসন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রেও নতুন কার্যক্রমের ইঙ্গিত পেয়েছে আইএইএ। সংস্থাটি জানিয়েছে, কেন্দ্রটির সম্প্রসারিত অংশে জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্প্রসারিত অংশটি ২০২৪ সালে নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে সেখানে কার্যক্রম শুরু হওয়ার লক্ষণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আইএইএ। অর্থাৎ, উত্তর কোরিয়া একই সময়ে দেশের একাধিক পরমাণু স্থাপনায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইএইএ বলেছে, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচিতে এসব নতুন উন্নয়ন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সোমবার আইএইএর গভর্নরস বোর্ডের কাছে দেওয়া একটি বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাংসন ও ইয়ংবিয়নের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলোতে চলমান কার্যক্রম এবং অস্ত্র তৈরির উপযোগী পরমাণু উপাদান উৎপাদন আরও বাড়ানোর খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গ্রোসির এই বিবৃতির সঙ্গে আইএইএর বিস্তারিত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। সূত্র:
,
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ