বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৬ পি.এম
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর প্রেমবাজার থেকে সিআরবি পরিচয়ে এহসান প্রকাশ হাসান নামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণে ব্যবহৃত গাড়িসহ সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বাঁশখালী থানা পুলিশ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, আটক ৬ অপহরণকারীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
মোহাম্মদ এহছান ওরফে হাসানকে কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা (আলীখালী) রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চাকরিচ্যুত সাবেক সেনাসদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে অপহরণে ব্যবহৃত ১টি প্রাইভেট কার, ৫টি কালো রঙের সিআরবি কটি, ২টি ভুয়া সিআরবি পরিচয়পত্র ও ১টি হ্যান্ডকাফ জব্দ করা হয়েছে।
১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে বাঁশখালী থানাধীন পুঁইছড়ির প্রেমবাজারে ভিকটিমের মালিকানাধীন মেসার্স আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ নামক হার্ডওয়্যারের দোকানে কয়েকজন ব্যক্তি কালো পোশাকের ওপর সিআরবি লেখা কটি পরিহিত, মাথায় কালো ক্যাপ ও মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় প্রবেশ করে। তারা নিজেদের সিআরবি সদস্য পরিচয় দিয়ে দোকানের ক্যাশে বসা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এহছান ওরফে হাসানকে তার যমজ ভাই মো. হোছাইনের ছবি দেখিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে।
একপর্যায়ে ভিকটিম নিজের পরিচয় দিলে অভিযুক্তরা তাঁ দুই হাত পেছনে নিয়ে হ্যান্ডকাফ পরায় এবং টানাহেঁচড়া করে জোরপূর্বক দোকান থেকে বের করে একটি অজ্ঞাত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে বিভিন্ন যানবাহনে স্থানান্তর করে কক্সবাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
অপহরণের পর ওই দিন ১১টা ৪০ মিনিট থেকে ভিকটিমের স্ত্রী ও দোকানের ম্যানেজারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ভিওআইপি নম্বর থেকে কল করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দাবিকৃত টাকা পরিশোধ না করলে ভিকটিমকে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ভিকটিমের ভাই মো. হোছাইন বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় মামলা করেন।
সূত্র জানায়, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ঘটনার পরপরই অপহৃত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার এবং ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ও ওসি, ডিবি মাসুদ রানার নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বাঁশখালী থানা পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। একাধিক আভিযানিক দল গঠন করে তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপহরণকারীদের শনাক্ত ও তাদের অবস্থান নির্ণয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় যৌথ আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার সদর, পেকুয়া, উখিয়া, রামু ও টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০ অক্টোবর কক্সবাজার সদর থানাধীন বাস টার্মিনাল, বাংলাবাজার ও কোর্টবাজার থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ অক্টোবর ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে কক্সবাজার জেলার টেকনাফের লেদা (আলীখালী) রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপহরণকারীদের হেফাজত থেকে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এহছান ওরফে হাসানকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চাকরিচ্যুত সাবেক সেনাসদস্য সুমন মুন্সি, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার বাসিন্দা; মিজানুর রহমান, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বাসিন্দা; জয়নাল উদ্দিন, উখিয়া উপজেলার বাসিন্দা; মো. আব্বাস উদ্দিন, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা; মো. ছলিম ওরফে সেলিম (রোহিঙ্গা), টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৬ এর বাসিন্দা; এবং দেলোয়ার হোসেন, কক্সবাজার সদর উপজেলার বাসিন্দা।
গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, চাকরিচ্যুত সাবেক সেনাসদস্য সুমন মুন্সি অতীতে উখিয়া এলাকায় সিআরবিতে কর্মরত থাকার সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কিছু ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে তিনি চাকরিচ্যুত হন এবং কারাভোগ করেন বলে জানা গেছে। কারাগারে অবস্থানকালে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি ভুয়া সিআরবি পরিচয়ে একটি দল গড়ে তোলেন। এ পর্যন্ত ভুয়া সিআরবি সদস্য পরিচয়ে সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় তাঁর নামে ১৩টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পছন্দের মানুষকে কিভাবে মনের কথা জানাবেন, প্রথম ডেটে কী নিয়ে আলোচনা করবেন কিংবা কিভাবে কাউকে আকৃষ্ট করবেন—এসব বিষয়ে অনেকেই বন্ধুদের পরামর্শ গ্রহণ করেন। তবে বর্তমানে সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। ভারতীয়রা ডেটিং থেকে শুরু করে প্রেমের কথোপকথন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের পরিচিতি আকর্ষণীয় করে তুলতেও এআইয়ের সাহায্য নিচ্ছেন।
ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডেটিং অ্যাপ গ্লিডেন এবং গবেষণা সংস্থা ইপসোসের একটি সমীক্ষায় দিল্লি, মুম্বাই ও হায়দরাবাদের বাসিন্দাদের মধ্যে এআই ব্যবহারের প্রবণতা উঠে এসেছে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া দিল্লির ৫৫ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, গত ১২ মাসে কাউকে আকৃষ্ট করার কৌশল উন্নত করতে তাঁরা এআইভিত্তিক কথোপকথন ব্যবস্থার সাহায্য নিয়েছেন। মুম্বাইয়ে এই হার ৪৯ শতাংশ, হায়দরাবাদে ৪৮ শতাংশ এবং বেঙ্গালুরুতে ৪৭ শতাংশ।
সমীক্ষা অনুযায়ী, শুধু কাউকে আকৃষ্ট করার কৌশল শেখার পাশাপাশি অনলাইন ডেটিং প্রোফাইল সাজানো এবং সম্ভাব্য সঙ্গীর সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও এআইয়ের সাহায্য নিচ্ছেন অনেকে। দিল্লি ও মুম্বাইয়ের ৪৬ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, গত এক বছরে ডেটিং বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলের বিবরণ উন্নত করতে তাঁরা এআই ব্যবহার করেছেন। বেঙ্গালুরুতে এই হার ৩৫ শতাংশ এবং হায়দরাবাদে ২৬ শতাংশ।
অন্যদিকে, সম্ভাব্য সঙ্গীর সঙ্গে লিখিত কথোপকথন আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এআই ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন দিল্লি ও বেঙ্গালুরুর ৪৬ শতাংশ উত্তরদাতা।
গ্লিডেন ও ইপসোসের ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির আরেকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৬৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৬০ শতাংশ নারী জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কাউকে আকৃষ্ট করার কৌশল উন্নত করতে এআই ব্যবহার করেছেন। প্রথম ডেটের জন্য জায়গা বা কার্যক্রমের ধারণা পেতেও এআইয়ের পরামর্শ নিয়েছেন ৬৪ শতাংশ পুরুষ ও ৬১ শতাংশ নারী।
ডেটিং অ্যাপ আইসলের ৮ হাজার ২৪০ জন শহুরে অবিবাহিত ভারতীয়কে নিয়ে করা পৃথক এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৫৩.১ শতাংশ নারী নিজেদের অনুভূতি ও সম্পর্কের উদ্বেগ নিয়ে কথা বলতে এআইয়ের সাহায্য নেন। জেনারেশন জেড বা জেন-জেডের ৩৭.৩ শতাংশ জানিয়েছেন, পছন্দের মানুষের পাঠানো দুর্বোধ্য বার্তার অর্থ বুঝতে তাঁরা এআইকে প্রশ্ন করেছেন।
তবে এআই ব্যবহারের বিষয়ে সবার মনোভাব এক নয়। ওই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২৪.৩ শতাংশ উত্তরদাতা নিজেরা এআই ব্যবহার করলেও সম্ভাব্য সঙ্গী একই কাজ করলে তাঁরা অস্বস্তি বোধ করবেন বলে জানিয়েছেন।
শহরভেদেও এআই নিয়ে মানুষের মনোভাবের পার্থক্য রয়েছে। বেঙ্গালুরুর ৫৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এআই দিয়ে লেখা বার্তা চেনা সম্ভব। তবে ৮৮ শতাংশের ধারণা, এআইয়ের সাহায্যে তৈরি প্রথম বার্তা ভবিষ্যতে ডেটিংয়ের স্বাভাবিক অংশ হয়ে উঠবে।
দিল্লি-এনসিআরের ৪০.৫ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, সরাসরি ডেটে কথা বলার চেয়ে এআইয়ের সঙ্গে কথোপকথন তাঁদের কাছে বেশি অর্থবহ মনে হয়। মুম্বাইয়ের ৬৯.১ শতাংশ অবশ্য এআইয়ের পরামর্শের চেয়ে নিজেদের স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধির ওপর বেশি আস্থা রাখেন। পুনের ৪২ শতাংশের মতে, এআইয়ের উৎসাহমূলক পরামর্শ তাঁদের ডেটিংয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
এআইয়ের তাৎক্ষণিক উত্তর পাওয়া যায়, এটি বিচার করে না—এমন ধারণা অনেককে এর প্রতি আকৃষ্ট করছে। আইসলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বন্ধুদের বদলে এআইয়ের সাহায্য নেওয়ার পেছনে ২১.৪ শতাংশ উত্তরদাতা তাৎক্ষণিক উত্তর পাওয়াকে এবং ১৮.৩ শতাংশ বিচারহীনভাবে কথা বলার সুযোগকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তবে বিশেষজ্ঞরা এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত আবেগগত নির্ভরতা নিয়ে সতর্ক করেছেন। তাদের মতে, এআইয়ের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা বাস্তব সম্পর্ক ও কল্পনার মধ্যকার সীমারেখা অস্পষ্ট করতে পারে। এর ফলে অবাস্তব প্রত্যাশা, অতিরিক্ত আসক্তি, একাকিত্ব কিংবা নিজের প্রতি অসন্তুষ্টি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পছন্দের মানুষকে মনের কথা জানাতে বা কথোপকথনের প্রস্তুতি নিতে এআই সহায়ক হতে পারে। তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অনুভূতি, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বাস্তব যোগাযোগের গুরুত্বও সমানভাবে বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের ইউনাইটেড নেশনস ইউনির্ভাসিটি (United Nations University) আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীদের জন্য ছয় মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করছে। এই আন্তর্জাতিক ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামটি জাতিসংঘের রেক্টর অফিসের আয়োজনে পরিচালিত হবে, যেখানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ পেশাজীবী ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। আবেদন করার শেষ সময় ১ নভেম্বর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এটি জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের (United Nations University – UNU) মর্যাদাপূর্ণ জুনিয়র ফেলো ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম। ইন্টার্নশিপটি ২০২৭ সালের ১ মার্চ শুরু হবে এবং ২৭ আগস্ট ২০২৭ তারিখে শেষ হবে। এই সময়কালে অংশগ্রহণকারীরা জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে মূল্যবান পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন।
আবেদনের যোগ্যতা
*বিশ্বের যেকোনো দেশের নাগরিক আবেদন করতে পারবেন;
*আবেদনকারীদের স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি পর্যায়ে অধ্যয়নরত থাকতে হবে, অথবা আবেদনপত্র জমাদানের তারিখ থেকে দুই বছরের মধ্যে ডিগ্রি সম্পন্ন করে থাকতে হবে;
*বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ ৩২ বছর;
*সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ বছরের অভিজ্ঞতা গ্রহণযোগ্য;
*ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে। তবে আইইএলটিএস বা টোয়েফল আবশ্যক নয়, যদি পূর্বের ডিগ্রি ইংরেজি মাধ্যমে হয়ে থাকে বা মাতৃভাষা ইংরেজি হয়;
সুযোগ-সুবিধা
*বিনা খরচে অফিস স্পেস ব্যবহার করার সুযোগ;
*মাসিক ভাতা প্রদান করা হবে, যা দিয়ে জাপানে বসবাস ও যাতায়াতের খরচ মেটানো যাবে;
*অফিসের লাইব্রেরি ও জিম ব্যবহার করার সুবিধা থাকবে;
*আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করে পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন ও নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ;
*অভিজ্ঞ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ;
*প্রতি মাসে ১.৫ দিন ছুটি। অফিসিয়াল ছুটির দিন ও সাপ্তাহিক ছুটি আলাদা থাকবে;
দায়িত্ব ও কাজের পরিধি
জুনিয়র ফেলোরা রেক্টর অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা করবেন, যার মধ্যে রয়েছে:
*প্রশাসনিক গবেষণা ও প্রতিবেদন তৈরি;
*ইভেন্ট পরিকল্পনা ও সমন্বয় (অনলাইন ও সরাসরি);
*মিটিং সমন্বয়;
*সম্পাদকীয় সহায়তা;
*যোগাযোগ সংক্রান্ত কার্যক্রমে সহায়তা;
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
*জীবনবৃত্তান্ত (সিভি);
*কভার লেটার;
*আবেদন ফরম;
*ফান্ডিং ফরম;
*দুটি সুপারিশপত্র ও ফরম;
*ভাষাদক্ষতার প্রমাণপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়);
আবেদনপদ্ধতি
আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আপলোড করতে হবে। সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা প্রার্থীদের সঙ্গে অনলাইন (Zoom) বা ফোনে সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।
আবেদন করতে এবং আবেদনপদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় মামার বাড়িতে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের বাবা মো. আলম বক্তার। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত দুই ভাই হলেন আব্দুর রহিম (৪০) এবং মো. রাকিব (৩০)। আহত বাবা মো. আলম বক্তার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে আলম বক্তার তার দুই ছেলে রহিম ও রাকিবকে নিয়ে শ্যালক মো. আইয়ুব আলীর বাড়িতে গাছ কাটার উদ্দেশ্যে যান। সেখানে দুই ছেলে গাছে উঠে ডালপালা কাটছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত আলম বক্তার নিচে গাছের ডালপালা কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
বাবাকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখে ছোট ছেলে রাকিব গাছ থেকে নেমে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু তিনি নিজেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এরপর বড় ছেলে রহিম তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তিনজনকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক রহিম ও রাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আলম বক্তারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশ্রাব আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে ড্রামের ভেতর মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
শ্রীবর্দী উপজেলায় কুড়িকাহনিয়া ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান একটি বড় প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ওই নারীর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে শ্রীবর্দী-শেরপুর মহাসড়কের কুড়িকাহনিয়া ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িকাহনিয়া ব্রিজের নিচে পানিতে একটি বড় প্লাস্টিকের ড্রামে নারীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ড্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, নিহতের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তাঁর পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশ কাজ করছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ