১০:৫০ এম
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা গেছে। বরং এই যুদ্ধের মাধ্যমে ইরান বৈশ্বিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়েছে, এমন দাবি করেছেন দেশটির আইনপ্রণেতা মাহমুদ নাবাভিয়ান।
নাবাভিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ধারাবাহিকভাবে কিছু পোস্টে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সভ্যতা ধ্বংস করা, দেশটিকে বিভক্ত করা, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সরকার উৎখাত করা এবং ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিশ্চিহ্ন করা।
তবে তিনি দাবি করেন, ইরানের প্রতিরোধ এবং সামরিক অভিযানের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধ হয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এই আইনপ্রণেতা জানান, এ যুদ্ধ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেহরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের কাতারের আমিরের সঙ্গে ফোনালাপ, যুদ্ধের অবসানে প্রচেষ্টা
এছাড়া, বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হওয়ার পেছনে যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নাবাভিয়ান আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ দেশটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধা তৈরি করেছে। তার মতে, এই যুদ্ধ ইরানকে ‘বৈশ্বিক পরাশক্তি’তে পরিণত করেছে।
যুদ্ধের ফলাফল নিয়ে ভিন্ন কোনো বয়ান প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, পশ্চিমাপন্থি ও ভীতসন্ত্রস্ত ব্যক্তিদের যেন যুদ্ধের জয়-পরাজয়ের চিত্র পাল্টে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া না হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মঙ্গলবার ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ লাভ করার পর নাবাভিয়ান এসব মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: ইরান: হামলার ক্ষেত্রে ভৌগোলিক সীমা মানবে না
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন