০২:৪৮ পি.এম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে দলীয় সংযোজন বেড়েছে এই অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন শেষে এই অভিযোগের বিষয়টি উত্থাপন করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, '৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতা গণভবনে এসে ফ্যাসিবাদমুক্ত করে এবং বিজয় উল্লাস করে। সৈরাচারী হাসিনা ১৭ বছর এখান থেকে সব ধরনের বিধ্বংসী সিদ্ধান্ত নেয়।'
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
এবং তিনি আরও বলেন, 'অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জুলাই জাদুঘরের কাজ মোটামুটি শেষ হয়। নতুন সরকার পাঁচ মাস সময় নেয়। এখন খুলে দিয়েছে। তবে নতুন সরকার কিছু পরিবর্তন করেছে। ফেলানীর স্মৃতি ছবি, মোদি বিরোধী আন্দোলনের ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। দলীয় বয়ান এসেছে। দলীয় সংযোজন বেড়েছে।'
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, 'এখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী, ঢাকার বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্দোলনের দৃশ্য ফুটে ওঠেনি। এসব যাতে বাড়ানো হয়। দলীয় ইতিহাস যাতে না রাখা হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। জাদুঘরের দায়িত্বে যারা রয়েছেন, তাদের আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি।'
তিনি বিএনপির পক্ষ থেকে ভারতকে ভয় পাওয়ার অভিযোগ করেন এবং বলেন, 'এসব ইতিহাসের অংশ। ভয় না পেলে কেন থাকবে না। বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে ভারতও জড়িত ছিল।'
নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে দর্শনার্থীর চাপ সামলানোর সক্ষমতা যথাযথ নেই। বলেন, 'লোকবল নেই। কাঠামো এবং আইন প্রয়োজন। ২০০ জন লোকবল প্রয়োজন। বিপরীতে ১৫-২০ জন রয়েছে। নিরাপত্তাহীনতা ও ঝুঁকি রয়েছে। এটি শায়িত্বশাসিত হওয়া উচিত।'
আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা
এবং সরকারের আপসপূর্ণ মনোভাবের কারণে বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ভারতে বসে প্রেস কনফারেন্স করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, 'সরকার শুধু একটি প্রেস রিলিজ দিয়ে দায় সেরেছে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন