ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লৌহজংয়ে ৯৫টি লুণ্ঠিত ব্যাটারি উদ্ধার, তিনজন গ্রেফতার


লৌহজংয়ে ৯৫টি লুণ্ঠিত ব্যাটারি উদ্ধার, তিনজন গ্রেফতার

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতু (উত্তর) থানার দক্ষিণ মেদেনীমণ্ডল মাওয়া পুরাতন ঘাটের একটি অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে ৯৫টি পুরোনো ব্যাটারি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৩টার সময় মুখোশ পরিহিত কয়েকজন দুর্বৃত্ত গ্যারেজের তালা ও শিকল কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। তারা পাহারাদার মাসুমকে বেঁধে মারধর করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। পরে তারা ২২টি অটোরিকশা থেকে ৯৫টি ব্যাটারি ও ২২টি চার্জার নিয়ে পালিয়ে যায়। লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এই ঘটনার পর ২৪ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতু (উত্তর) থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে যাত্রাবাড়ী থেকে মো. মাসুদ (৩৩), সিরাজদিখানের মালখানগর থেকে আছলাম শেখ (৩৮) এবং টঙ্গীবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা থেকে মো. সজিব ফকিরকে (২৯) গ্রেফতার করা হয়। মাসুদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে লুট হওয়া ৯৫টি ব্যাটারি।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া আছলাম শেখের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি মামলা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরগঞ্জে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


কিশোরগঞ্জে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার সকালে, যেখানে পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও সহিংসতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদ জানানো হয়। জেলা শহরে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সংগঠন তিনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

এ কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান জিএস শরীফ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সাজ্জাদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ্ কায়সার শহীদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী তৌকি, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মারুফ মিয়া, বর্তমান সভাপতি শরীফুল ইসলাম নিশাদ, সাধারণ সম্পাদক রাফিউল ইসলাম নওশাদ এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রাজীব।

শুক্রবার সকাল থেকেই কিশোরগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও সহিংসতার প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মিছিলের পর শহরের পুরান থানা এলাকার ইসলামিয়া সুপার মার্কেটে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সহিংসতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বক্তারা উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক অংশ। তবে সেই মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, সন্ত্রাস বা আতঙ্ক সৃষ্টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।

তারা আরও বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কোনো পক্ষ যাতে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বা সহিংসতার মাধ্যমে জনজীবনে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মীদেরও দায়িত্বশীল আচরণ এবং শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার আহ্বান জানান বক্তারা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা জানান তারা।

সমাবেশে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের পাশে থেকে দেশের স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা কাজ করে যাবেন।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে জেলা শহরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ কর্মসূচিতে সংগঠন তিনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধ কখন শেষ হবে, তা ঠিক করার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের: ইরানের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


যুদ্ধ কখন শেষ হবে, তা ঠিক করার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের: ইরানের প্রেসিডেন্ট

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভর করছে যুদ্ধ কখন শেষ হবে। ফক্স নিউজের ‘স্পেশাল রিপোর্ট উইথ ব্রেট বায়ের’ অনুষ্ঠানে তিনি এই বিষয়টি তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রচারিত সাক্ষাৎকারে, সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান, বছরের শেষ হওয়ার আগে কি এই সংঘাতের সমাপ্তি ঘটতে পারে? এর জবাবে মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমরা এটি চালিয়ে যেতে চাই না। আমেরিকাকেই বেছে নিতে হবে যে তারা এটি শেষ করতে চায় কি না।’

যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে যখন ব্যাপক দূরত্ব রয়েছে, তখন বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তেহরান কখনোই মার্কিন চাপের কাছে মাথা নত করবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য কোনো সমঝোতা না হলে তিনি ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দিতে পারেন। তবে তিনি এ-ও ইঙ্গিত করেছেন যে, শিগগিরই একটি চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর, তেহরান পাল্টা হামলা চালায় উপসাগরীয় দেশগুলোতে যেখানে মার্কিন এবং ইসরায়েলি ঘাঁটি অবস্থিত। এই ঘটনার পর থেকে ট্রাম্প যুদ্ধের লক্ষ্য ও সময়সীমা পরিবর্তনের কথা বলছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলি আক্রমণে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে দুর্বল করে দেওয়াকে তার যুদ্ধের অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইরানের দাবি, তাদের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই এবং তারা তা অর্জনের চেষ্টা করার কথাও অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র একটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ। পারমাণবিক অসংঘাত চুক্তির পক্ষ হিসেবে তেহরান বলছে, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি বিকাশের অধিকার তাদের রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাফর ইকবালের অভিনয়, গান ও স্টাইলিশ ব্যক্তিত্বের অনন্য অবদান স্মরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


জাফর ইকবালের অভিনয়, গান ও স্টাইলিশ ব্যক্তিত্বের অনন্য অবদান স্মরণ

ঢাকাই চলচ্চিত্রে নায়ক মানেই যখন নির্দিষ্ট কিছু ছাঁচের মধ্যে আবদ্ধ ছিল, তখন অভিনয়, গান এবং স্টাইলিশ ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছিলেন জাফর ইকবাল। রুপালি পর্দায় তিনি কখনো রোমান্টিক নায়ক, কখনো দুর্দান্ত অ্যাকশন হিরো—বিভিন্ন রূপে দর্শকদের মন জয় করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সংগীতেও তার বিচরণ ছিল সমান। ভক্তদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘বাংলার এলভিস প্রিসলি’ হিসেবে। আজ এই কিংবদন্তি অভিনেতা ও সংগীতশিল্পীর জন্মদিন।

১৯৫০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার পল্টনে জন্মগ্রহণ করেন জাফর ইকবাল। মাত্র ৪১ বছর বয়সে তার জীবন থেমে যায়। তবে এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই অভিনয় ও সংগীতে তিনি এমন কিছু স্মৃতি রেখে গেছেন, যা আজও দর্শক-শ্রোতার হৃদয়ে তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

অভিনয়ের আগেই গানের জগতে

ছোটবেলা থেকেই জাফর ইকবালের সংগীতের সঙ্গে পরিচয় ছিল। তার বড় ভাই আনোয়ার পারভেজ ছিলেন খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক এবং সুরকার। ছোট বোন শাহনাজ রহমতুল্লাহও দেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ছিলেন। সংগীতময় পরিবারে বেড়ে ওঠার ফলে গানের প্রতি আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছিল।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে, ১৯৬৬ সালে, বন্ধুদের নিয়ে একটি ব্যান্ড গড়ে তোলেন জাফর ইকবাল। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের আগে সংগীতশিল্পী হিসেবে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে রুপালি পর্দায় জনপ্রিয়তা পেলেও গানের সঙ্গে তার সম্পর্ক কখনো বিচ্ছিন্ন হয়নি।

১৯৬৯ সালে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘আপন পর’ সিনেমার মাধ্যমে তার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। ছবিটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কবরী। এরপর ধীরে ধীরে অভিনয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন জাফর ইকবাল। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেও পরিচিত। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন প্রয়াত এই নায়ক।

‘মাস্তান’ থেকে ‘নয়নের আলো’

সত্তরের দশকের মাঝামাঝি ‘মাস্তান’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে ড্যাশিং নায়ক হিসেবে পরিচিতি পান জাফর ইকবাল। পর্দায় তার উপস্থিতি, ব্যক্তিত্ব এবং অভিনয়ের ধরন দর্শকদের কাছে তাকে আলাদা করে তোলে। এরপর ‘নয়নের আলো’ তাকে প্রতিষ্ঠিত করে রোমান্টিক নায়ক হিসেবে।

তবে জাফর ইকবালের তারকাখ্যাতির পেছনে শুধুমাত্র অভিনয় কিংবা জনপ্রিয় সিনেমা ছিল না। সমসাময়িক অনেক নায়কের তুলনায় তার পোশাক, চুলের ছাঁট এবং ব্যক্তিত্ব ছিল ব্যতিক্রম। পর্দায় তার শরীরী ভাষা এবং চরিত্র ফুটিয়ে তোলার নিজস্ব ধরনও তৈরি করেছিল আলাদা এক স্টাইল।

এ কারণে পরবর্তী সময়ে তাকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম স্টাইলিশ নায়ক ও ফ্যাশন আইকন হিসেবে স্মরণ করা হয়। তার সাজপোশাক ও ব্যক্তিত্বের প্রভাব সে সময়ের তরুণদের মধ্যেও দেখা যেত।

কেন ‘বাংলার এলভিস প্রিসলি’?

জাফর ইকবালকে ভক্তরা ‘বাংলার এলভিস প্রিসলি’ নামেও ডাকতেন। পশ্চিমা সংগীতের কিংবদন্তি এলভিস প্রিসলির প্রতি তার অনুরাগ ছিল। সংগীতচর্চা, পোশাক এবং ব্যক্তিত্বে সেই প্রভাবের ছাপও পাওয়া যেত। সব মিলিয়ে এই উপাধি হয়ে ওঠে তার পরিচয়ের একটি অংশ।

অভিনেতা হিসেবে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি সংগীতশিল্পী হিসেবেও তিনি নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তার প্রথম সিনেমায় গাওয়া গান ছিল ‘পিচ ঢালা পথ’। তার কণ্ঠে গাওয়া ‘হয় যদি বদনাম হোক আরও’, ‘সুখে থেকো ও আমার নন্দিনী’ এবং ‘প্রেমের আগুনে’ গানগুলো শ্রোতাদের কাছে পরিচিত। আশির দশকে প্রকাশিত হয়েছিল তার একটি অডিও অ্যালবামও।

দেড় শতাধিক সিনেমায় অভিনয়

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য সিনেমায় কাজ করেছেন জাফর ইকবাল। তার অভিনীত ছবির সংখ্যা প্রায় ১৫০। উল্লেখযোগ্য সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘সূর্য সংগ্রাম’, ‘মাস্তান’, ‘নয়নের আলো’, ‘অবুঝ হৃদয়’, ‘ভাই বন্ধু’, ‘অবদান’, ‘প্রেমিক’, ‘আশীর্বাদ’, ‘প্রতিরোধ’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘মেঘ বিজলী বাদল’, ‘সন্ধি’ এবং ‘বন্ধু আমার’সহ আরও অনেক ছবি। ববিতার সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি সবচেয়ে বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাদেরকে একসঙ্গে প্রায় ৩০টি ছবিতে দেখা গেছে।

বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে নিজের বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। কখনো রোমান্টিক আবহে, কখনো অ্যাকশন দৃশ্যে—পর্দায় তার উপস্থিতি দর্শকদের কাছে ছিল আকর্ষণীয়। অভিনয় ও সংগীতের এই যুগল পরিচয়ই তাকে সমসাময়িক তারকাদের থেকে আলাদা করেছিল।

৪১ বছরেই থেমে যায় পথচলা

জাফর ইকবালের জীবনের শেষ অধ্যায় এসেছিল বড় অসময়ে। নিয়ন্ত্রণহীন জীবনযাপনের কারণে একসময় ক্যান্সারে আক্রান্ত হন তিনি। দেখা দেয় হার্টের সমস্যা। দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে যায়। শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগে ১৯৯২ সালের ৮ জানুয়ারি মাত্র ৪১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ‘লক্ষ্মীর সংসার’।

জীবন খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি, কিন্তু শিল্পী হিসেবে তার অর্জন ছিল বহুমাত্রিক। সময়ের ব্যবধানে ঢাকাই চলচ্চিত্রের অনেক কিছু বদলে গেলেও দর্শকের স্মৃতিতে তিনি আজও সেই স্টাইলিশ নায়ক, যার উপস্থিতি ছিল একেবারেই নিজস্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তেনেরিফের সমর্থকদের বার্সেলোনায় কখনো বিয়ার কিনে খেতে হয় না!’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


‘তেনেরিফের সমর্থকদের বার্সেলোনায় কখনো বিয়ার কিনে খেতে হয় না!’

পশ্চিম ইউরোপের ফুটবলে অ্যাওয়ে ম্যাচ সাধারণত কয়েকশো মাইলের পরিচিত পথ। তবে স্পেনের ফুটবলে এই হিসাব পরিবর্তিত হয় যখন গন্তব্য হয় ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ। এটি আটলান্টিক মহাসাগরের এক দূরবর্তী দ্বীপমালা, যা মূল ভূখণ্ড থেকে হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। শান্ত-সুন্দর তেনেরিফ দ্বীপটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি মাউন্ট তেইদের ছায়ায় ঘেরা। প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক সেখানে সমুদ্র এবং রোদ উপভোগ করতে যান। কিন্তু ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ‘সিডি তেনেরিফে’ নামটি কেবল একটি ফুটবল ক্লাবের নাম নয়, বরং এটি একটি মহাকাব্যিক নাটকের নাম। এটি বার্সেলোনা সমর্থকদের জন্য স্বর্গীয় আনন্দের উৎস, অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদ ভক্তদের মনে সৃষ্টি করে এক অধরা যন্ত্রণার কালো স্মৃতি।

এই পুঁচকে দলটি ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় সেকেন্ড ডিভিশনে কাটিয়েছে এবং মাত্র ১২ মৌসুম লাল লিগায় খেলেছে। তবুও, তারা কীভাবে যেন স্প্যানিশ ফুটবলের রাজকীয় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ‘কিংমেকার’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফুটবল বিধাতা পরপর দুই মৌসুমে এমন এক নাটকের চিত্রনাট্য রচনা করেছিলেন, যা কোনো উপন্যাসের কল্পনাকেও হার মানায়।

ব্ল্যাঙ্কোদের আধিপত্য এবং ক্রুইফের ‘ড্রিম টিম’ বিপ্লব

আশির দশকের শেষের দিকে স্প্যানিশ ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। বুত্রাগুয়েনো, স্যানচিস, মিচেল, মার্তিন বাসকেসদের নিয়ে গঠিত ‘লা কুইনতা দেল বুইত্রে’ এবং হুগো সানচেসের বুলেট ড্রাইভের সামনে দাঁড়িয়ে রিয়াল মাদ্রিদ টানা পাঁচটি লা লিগা শিরোপা জিতেছিল। ইউরোপের মঞ্চেও তারা ছিল অপরাজেয় শক্তি। আর তাদের বিশাল ছায়াতলে বার্সেলোনা বারবার দ্বিতীয় স্থানে সন্তুষ্ট ছিল।

কিন্তু ১৯৮৮ সালের গ্রীষ্মে ন্যু ক্যাম্পে আগমন ঘটে এক ফুটবল প্রেরিতের। তার নাম ইয়োহান ক্রুইফ। এই ডাচ জাদুকর বার্সেলোনার ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তন করতে এসেছিলেন। প্রথম দুই মৌসুমে দলকে গুছিয়ে রোনাল্ড কোমান, পেপ গার্দিওলা এবং বুলগেরিয়ান তুফান রিস্টো স্টইচকভকে এক সুতোয় গাঁথলেন ক্রুইফ। এর ফলে বিখ্যাত ‘ড্রিম টিম’ জন্ম নিল। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১০ পয়েন্টে পেছনে ফেলে বার্সেলোনা শিরোপা পুনরুদ্ধার করল। রিয়ালের পাঁচ বছরের দীর্ঘ রাজত্ব ভেঙে গেল।

কিন্তু আসল নাটক অপেক্ষা করছিল পরবর্তী দুই মৌসুমে।

১৯৯১-৯২ মৌসুম: রিয়ালকে তেনেরিফের প্রথম বজ্রপাত

১৯৯১-৯২ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্বে এলেন লিও বেনহ্যাকার। দলে যোগ দিলেন রবার্ট প্রোদিনেচকি এবং তরুণ লুইস এনরিকে। শুরুতেই একের পর এক জয়ে উড়তে শুরু করল রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে বার্সেলোনা প্রথম পাঁচ ম্যাচের তিনটিতেই হেরে পয়েন্ট টেবিলের পেছনে চলে গেল। ডিসেম্বরের শুরুতে রিয়াল মাদ্রিদ ৮ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়ে যেন শিরোপায় এক হাত দিয়ে বসেছিল।

কিন্তু বসন্তের বাতাসে ফুটবল খেলা বদলাতে শুরু করল। মার্চে এসে রিয়ালের ফর্ম হঠাৎই পড়ে যায়, আর ক্রুইফের বার্সেলোনা একের পর এক জয়ে দূরত্ব কমাতে শুরু করে। এপ্রিল মাসে তেনেরিফেতে ১-২ গোলে হেরে বার্সা আবার ধাক্কা খায়। তবে মে মাসের শেষে সমীকরণ দাঁড়ায় ১ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ।

৬ জুন, ১৯৯২ : সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ

শেষ দিনে বার্সেলোনার ম্যাচ ঘরের মাঠে তুলনামূলক দুর্বল অ্যাথলেটিক বিলবাওর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদের গন্তব্য ছিল সেই হাজার মাইল দূরের তেনেরিফে, যেখানে তাদের কোচ ছিলেন সাবেক কিংবদন্তি হোর্হে ভালদানো। তেনেরিফে তখন টিকে থাকার লড়াই চলছিল।

ম্যাচের ৮ মিনিটে ফার্নান্দো হিয়েরোর দুর্দান্ত হেড এবং চার মিনিট পর ঘেওরগে হাজির ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া এক রকেট ফ্রি-কিকে রিয়াল ০-২ গোলে এগিয়ে যায়। রিয়াল সমর্থকেরা তখন শ্যাম্পেন খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

কিন্তু ৩৬ মিনিটে তেনেরিফের এস্তেবারান্স এক একক প্রচেষ্টায় ব্যবধান ১-২ করেন। ঠিক একই মুহূর্তে ন্যু ক্যাম্পে স্টইচকভ গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন। খেলা হয়ে ওঠে আরও শ্বাসরুদ্ধকর। বিরতির পরপরই স্টইচকভ নিজের দ্বিতীয় গোল করলে বার্সার জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। এখন সব নজর আটলান্টিকের ওপারের সেই ছোট্ট দ্বীপে।

রিয়ালের দুর্ভাগ্য শুরু হলো একে একে। প্রথমে একটি বৈধ গোল অফসাইডের অজুহাতে বাতিল হলো। এরপর রিয়ালের ডিফেন্ডার ভিয়ারোইয়া লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন এবং ১০ জনের দলে পরিণত হলো মাদ্রিদ। তবুও জয় যখন হাতছানি দিচ্ছে, ৭৩ মিনিটে বুত্রাগুয়েনো ওয়ান-অন-ওয়ানে গোলরক্ষক মানোলোকে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। এরপর ঘটল সেই অবিশ্বাস্য তাণ্ডব!

ম্যাচের ৭৭ মিনিটে তেনেরিফের ফিলিপের একটি নিচু ক্রস নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন রিয়াল ডিফেন্ডার রিকার্দো রোচা। আত্মঘাতী গোলে ম্যাচ তখন ২-২! রিয়াল প্লেয়ারদের চোখেমুখে তখন আতঙ্ক। এক মিনিট কাটতে না কাটতেই তেনেরিফের একটি উঁচু ব্যাকপাস সামলাতে গিয়ে পা পিছলে যায় রিয়াল গোলরক্ষক বুয়োর। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি তুলে দেন চার মিনিট আগে বদলি হিসেবে নামা তেনেরিফে স্ট্রাইকার পিয়েরের পায়ে! খালি জালে বল ঠেলে দিতে বিন্দুমাত্র ভুল করেননি পিয়ের।

মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে ২-০ থেকে ৩-২! স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো মাদ্রিদ, আর হাজার মাইল দূরে ন্যু ক্যাম্পে ৫০ হাজার দর্শক আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে। পাঁচ মিনিটের ইনজুরি সময় শেষে বাঁশি বাজতেই ইতিহাস লেখা হয়ে যায়—রিয়ালকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বার্সেলোনাকে লা লিগা উপহার দেয় তেনেরিফে!

১৯৯২-৯৩ মৌসুম: নাটকের দ্বিতীয় পর্ব এবং একই নিয়তি

এক বছর পর। নতুন মৌসুমে নতুন আশায় বুক বাঁধে রিয়াল মাদ্রিদ। বেনহ্যাকারের জায়গায় আসেন বেনিতো ফ্লোরো, দলে যোগ দেন দুর্দান্ত স্ট্রাইকার ইভান জামোরানো। ১৯৯৩ সালের পুরোটা সময় লিগে অপরাজিত ছিল রিয়াল (২২ ম্যাচে ১৫ জয়)। ১৯ জুন, ১৯৯৩—লিগের শেষ দিনে আবারও রিয়াল ১ পয়েন্টে এগিয়ে বার্সেলোনার চেয়ে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, শেষ দিনে রিয়ালের গন্তব্য ছিল আবারও সেই তেনেরিফে!

মাদ্রিদ থেকে তেনেরিফে যাওয়ার পথে রিয়ালের চার্টার্ড বিমানের এসি নষ্ট হয়ে যায়। ১৫ ঘণ্টার সেই নরকযন্ত্রণার সফর পেরিয়ে অসুস্থ শরীরে দ্বীপে পৌঁছায় তারা। প্রকৃতি যেন আগেই জঘন্য সমাপ্তির সংকেত দিয়ে রেখেছিল।

১৯ জুন, ১৯৯৩: ইতিহাস পুনরাবৃত্তি ও রিয়ালের কালো রাত

ম্যাচ শুরুর মাত্র ১১ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে অস্কার দেসের্তিয়ার হেডে রিয়াল ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে। টিভিতে যখন এই গোলের রিশট দেখানো হচ্ছিল, ব্যাকগ্রাউন্ডে ধারাভাষ্যকারের চিৎকার শোনা গেল—ন্যু ক্যাম্পে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিরুদ্ধে গোল করেছেন সেই রিস্টো স্টইচকভ!

৩৮ ও ৪০ মিনিটে রিয়ালের দুটি পেনাল্টি দাবি নাকচ করে দেন রেফারি। ৪২ মিনিটে চ্যানোর দর্শনীয় হেডে তেনেরিফে ২-০ গোলে এগিয়ে গেলে রিয়ালের খেলোয়াড়দের মাথার ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে গোল শোধের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইভান জামোরানো।

ছয় মিনিটের ইনজুরি সময় শেষে চূড়ান্ত বাঁশি বাজতেই ইতিহাসের নির্মমতম পুনরাবৃত্তি ঘটে। ২-০ গোলের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল, আর ঘরের মাঠে ১-০ গোলে জিতে টানা তৃতীয়বারের মতো লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হয় ইয়োহান ক্রুইফের স্বপ্নের বার্সেলোনা!

পরপর দুই মৌসুমে শেষ দিনে তেনেরিফেতে গিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের শিরোপা হারানোর এই ঘটনা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম বড় অলৌকিক ঘটনা। এই দুই অঘটন ঘটিয়ে তেনেরিফে কেবল নিজেদের ইউরোপা লিগে (তৎকালীন ইউয়েফা কাপ) খেলার যোগ্যতাই অর্জন করেনি, বরং স্প্যানিশ ফুটবলের ইতিহাসের পাতায় চিরদিনের জন্য নিজেদের নাম খোদাই করে নিয়েছে।

পরবর্তীতে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে হোর্হে ভালদানো নিজেই রিয়াল মাদ্রিদের ম্যানেজার হয়ে আসেন এবং তেনেরিফের অভিশাপ কাটিয়ে রিয়ালকে শিরোপা এনে দেন। ইয়োহান ক্রুইফও ১৯৯৬ সালে চারটি লা লিগা ও একটি ইউরোপিয়ান কাপ জিতে বিদায় নেন ন্যু ক্যাম্প থেকে।

তেনেরিফে ক্লাবটি হয়তো আজ স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগে ধুঁকছে, তাদের ক্যাবিনেটে হয়তো ঝলমলে ট্রফির পাহাড় নেই। তবে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে খেলাধুলার সেই রোমাঞ্চকর দিনগুলোতে তারা যা করে দেখিয়েছিল, তার জন্য একটি কথা প্রচলিত আছে—‘একজন তেনেরিফে সমর্থককে অন্তত বার্সেলোনা শহরে কখনো নিজের পকেটের টাকায় বিয়ার কিনে খেতে হবে না!’

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%