সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৮ এম
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : ‘বাংলাদেশ-মালদ্বীপ গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে, যা পরিবেশগত স্থায়িত্ব, কৃষি গবেষণা ও জলবায়ু সহনশীলতায় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
আজ রোববার মালদ্বীপের মিয়ানজ কলেজ এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের আওতায় মিয়ানজ কলেজ স্কুল অব এগ্রিকালচারকে ৯টি নির্বাচিত প্রজাতির ২১ হাজার ৩৬০ বীজ ও ২২ হাজার ৩৬০টি পলিব্যাগ প্রদান করা হয়েছে।
মালদ্বীপের ৫০ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব বীজ দেশটির পরিবেশগত পরিস্থিতিতে গবেষণা, অঙ্কুরোদ্গম ও চাষাবাদের কাজে ব্যবহার করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে হস্তান্তরিত বীজের মধ্যে রয়েছে ৫ হাজার পেয়ারা, ৫ হাজার গগন শিরীষ, ৫ হাজার ইপিল-ইপিল, ২ হাজার ৫০০টি আকাশমণি, ১ হাজার ৬০০টি কৃষ্ণচূড়া, ১ হাজার ২০০টি নিম, ৭০০টি বকুল, ২০০টি অর্জুন এবং ১৬০টি বহেরা গাছ।
অনুষ্ঠানে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘এই উদ্যোগ শুধুমাত্র বীজ বা চারা বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সহযোগিতার নতুন গবেষণামুখী মাত্রা। জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকিতে থাকা দুই দেশ যৌথ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও সবুজায়ন জোরদার করবে।’
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পবিত্র আরাফাহ ময়দানে জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় যে নিমগাছ রোপণের ঐতিহ্য সূচনা করেছিলেন—যা ‘জিয়া ট্রি’ নামে পরিচিতি পায়—সেই ধারাবাহিকতা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে পরিবেশ কূটনীতির এই প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। সফলভাবে উৎপাদিত চারাগুলো মালদ্বীপ সরকারের কাছে হস্তান্তরের পর যৌথ প্রতীকী প্রয়াস হিসেবে তা বিবেচনা করার সম্ভাবনা উন্মোচিত হবে।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, মিয়ানজ কলেজ স্কুল অব এগ্রিকালচার প্রদত্ত বীজের মান, অঙ্কুরোদ্গম ও প্রবৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করবে। সফলভাবে বেড়ে ওঠা চারাগুলো তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে মালদ্বীপ সরকার ও জনগণের উদ্দেশ্যে বন্ধুত্বের উপহার হিসেবে প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে মিয়ানজ কলেজের চেয়ারম্যান আহমেদ মোত্তাকী, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শিক্ষকবৃন্দ ও হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমাজসেবী বিল গেটস সতর্ক করেছেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উন্নয়নে যথাযথ নিয়ন্ত্রণের অভাব বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অসৎ উদ্দেশ্যে এআই ব্যবহার হলে তা ‘১০০ কোটি মানুষের মৃত্যুর’ কারণ হতে পারে।
গেটস এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারে সরকারি নিয়ন্ত্রণ এবং নজরদারি প্রয়োজন বলে জানান।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েলকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
গেটস বলেন, এআই খাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নজরদারি কেমন হবে, সে বিষয়ে আইনপ্রণেতা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আলোচনায় যুক্ত হতে হবে। তিনি বলেন, এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।
এআই খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কিছু অতিরিক্ত খরচ হবে বলে মন্তব্য করেন গেটস। তবে তিনি মনে করেন, এতে প্রযুক্তির উন্নয়ন উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর হয়ে যাবে না।
সাক্ষাৎকারের আরেক অংশে এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে গেটস আরও কঠোর সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, সর্বাধুনিক এআই প্রযুক্তি খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হলে তা বিপুল প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটানোর জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী হতে পারে।
এআই বন্ধ করার জন্য ‘কিল সুইচ’ রাখার ধারণা নিয়েও কথা বলেন গেটস। তার মতে, শুধু একটি কিল সুইচ থাকলেই যথেষ্ট নয়। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এআই এখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি যে নিজে থেকেই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেটিকে বন্ধ করা যাবে না।
আগস্টের শেষ দিকে প্রকাশিত প্রায় ৬ হাজার শব্দের একটি প্রবন্ধেও এআইয়ের সম্ভাব্য ভয়াবহ ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছিলেন গেটস। এর আগে প্রযুক্তি খাতের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এআই উন্নয়নের গতি কমানো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সও ২৩ সেপ্টেম্বর একটি আইন প্রস্তাব করেন। এতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত উন্নত এআই প্রযুক্তির বিকাশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে গেটসের প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটও এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মী ও বিভিন্ন অধিকারকর্মী ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে মাইক্রোসফটের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
গেটসের সাক্ষাৎকারের শেষ দিকে এআই ব্যক্তিগত জীবনে কতটা ব্যবহার করেন, তা জানতে চান উপস্থাপক ক্রিস্টেন ওয়েলকার। জবাবে গেটস জানান, ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি এআই ব্যবহার করেন না। পরিবার ও বন্ধুদের কারণে এ ক্ষেত্রে তার এআইয়ের প্রয়োজন হয় না।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের কলেজছাত্র জুবায়ের হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল মোল্লা (৪৭) কে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬ ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প, সিপিসি-৩ এবং যশোরের যৌথ অভিযানিক দল।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যশোর কোতোয়ালী মডেল থানার ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের দরাটানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রাইভেট পড়া শেষে বাবার সঙ্গে বাড়ি ফেরার সময় জুবায়ের এবং তার বাবা রমজান ভূঁইয়াকে পথরোধ করে আসামিরা। এই সময় সোহেল মোল্লার নেতৃত্বে জুবায়েরকে রামদা, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে আক্রমণ করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় জুবায়েরকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
নিহত জুবায়ের গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। এই ঘটনার পর তার বাবা রমজান ভূঁইয়া গোপালগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
আটক সোহেল মোল্লাকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যশোর কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অস্ট্রেলিয়া সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল ক্রিস স্মিথ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সেনাসদরে অস্ট্রেলিয়া সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সরফভাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও প্রকৌশলী ওসমান গনিকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি মো. আলমগীরকে (৪৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারটি ঘটেছে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে, সরফভাটা ইউনিয়নের নিজ বাড়ি এলাকা থেকে।
আলমগীর, যিনি সরফভাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলানা গ্রামের তমাছ উদ্দীনের মৃত কালাবালির পুত্র, তার বিরুদ্ধে অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে, যা পুলিশ ও মামলার বাদী সূত্রে জানা গেছে।
মামলার এজাহার ও বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ২২ মার্চ রাতে সরফভাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ওসমান গনির বসতঘরে পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছিল। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে ওসমান গনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার চেষ্টা করা হয়। মামলার ৬ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি আলমগীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ওসমান গনির মায়ের দুই হাঁটুতে গুলি করে গুরুতর আহত করেছেন।
পুলিশ জানায়, মামলাটির এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে আছেন, অন্যরা পলাতক রয়েছেন। আলমগীরই এই মামলায় প্রথম গ্রেফতার হওয়া আসামি।
দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মো. হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমগীরের নিজ বাড়িতে আসার খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, মামলার বাদী ওসমান গনি বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছেন। তিনি মুঠোফোনে বলেন, "গ্রেফতার আলমগীর হামলার সময় প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে অংশ নিয়েছিলেন।" এর আগে তার বিরুদ্ধে জনসমাগমের মধ্য থেকে অপহরণেরও অভিযোগ রয়েছে। বাদী দাবি করেন, "মামলার সব আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ