মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪১ পি.এম
বাংলাদেশ ক্রিকেটে জাতীয় দলের খেলা না থাকলেও অন্যান্য বিভাগের খেলা চলছে ব্যাপকভাবে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসেও ক্রিকেটারদের জন্য রয়েছে ব্যস্ততা। ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ইভেন্টে বাংলাদেশ দল সরাসরি নকআউট পর্বে অংশগ্রহণ করবে।
এই ক্রিকেট প্রতিযোগিতা চলতি সেপ্টেম্বরে জাপানের নাগোয়ায় শুরু হতে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতার সকল ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশ তাদের শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশও সোনা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে দল গঠন করছে।
এছাড়া, কোচিং প্যানেলে বড় নামগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রধান কোচ হিসেবে মোহাম্মদ সালাউদ্দিন দায়িত্ব পালন করবেন, এবং সহকারী কোচ হিসেবে তালহা জুবায়ের থাকবেন। ফিল্ডিং কোচ হিসেবে মোহাম্মদ আশিককে দেখা যাবে। টিম ম্যানেজার হিসেবে নাফিস ইকবাল এবং ফিজিও হিসেবে বায়েজেদুল ইসলাম দলের সঙ্গে থাকবেন। ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিসিবির একজন কর্মকর্তা।
এবারের দলটি প্রায় জাতীয় দলের আদলে গঠিত হবে। অধিনায়ক হিসেবে তাওহীদ হৃদয় অথবা লিটন দাসকে দেখা যেতে পারে। এছাড়া, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাকলাইন, সাইফ হাসান, পারভেজ ইমন, তানজিদ তামিম, রিশাদ হোসেন এবং রিপন মন্ডলদেরও দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এশিয়ান গেমসের পুরুষ বিভাগে মোট ১০টি দল অংশগ্রহণ করবে। অন্যদিকে, নারী বিভাগের প্রতিযোগিতায় ৮টি দলের মধ্যে লড়াই হবে। ছেলেদের ক্রিকেটে সরাসরি মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার জন্য চার দলের সঙ্গে প্রথম ধাপ পেরোতে হবে আফগানিস্তান, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া, নেপাল এবং ওমানকে। প্রথম রাউন্ডে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে আফগানিস্তান, জাপান এবং নেপাল।
এবং ‘বি’ গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে হংকং, মালয়েশিয়া এবং ওমান। দুই গ্রুপের সেরা দুটি দল নকআউট পর্বে উঠে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে। পুরুষদের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে, যা চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই র্যালিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার দালাল বাজার এলাকায় সদর পশ্চিম উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে র্যালিটি বের হয়। র্যালিটি ঢাকা-লক্ষ্মীপুর-রায়পুর আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে।
র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছেন। একটি ঐতিহাসিক প্রয়োজনে তিনি রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন এবং জনগণ তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করেছিল।"
তিনি আরও বলেন, "জিয়াউর রহমান কাউকে হত্যা কিংবা ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসেননি। ক্ষমতায় আসার পর তিনি দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। ১৯৭১ সালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক মুক্তি, চিকিৎসা ও বাসস্থানের অধিকারসহ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে।"
র্যালিতে সদর পশ্চিম উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন এবং সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন বিটু পাটওয়ারীর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সোহেল, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম ফরিদ উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, "দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।"
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইপিইউ সেক্রেটারি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, "প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা বহন করে।"
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি।"
তিনি আরও বলেন, "এ সময় আমাদের দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করতে পেরেছি।"
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, "বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। আমাদের সামনে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমরা আশাবাদী এবং গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
তিনি বলেন, "গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। আমরা বিশ্বাস করি একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।"
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।"
আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার পড়েছেন। তিনি ইশতেহারে শিক্ষা খাতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে আন্দা ফিলিপ বলেন, "এ ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।"
তিনি জানান, আইপিইউ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী।
তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আইপিইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আন্দা ফিলিপ।
এছাড়া, গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বৈঠকে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও বেশ গুরুত্ব পায়।
আইপিইউ সেক্রেটারি তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, "তারা অত্যন্ত উদ্যমী ও আগ্রহী।"
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "নারীর ক্ষমতায়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীর জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।"
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।"
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত কয়েক বছরে নারী ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পেয়েছে, সেইসাথে ক্রিকেটারদের আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জাতীয় দলের সঙ্গে চুক্তি এবং ম্যাচ ফি ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, বিজ্ঞাপন, ধারাভাষ্য এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নারী ক্রিকেটাররা এখন বিশাল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছেন। এর ফলে আর্থিক দিক থেকে নতুন এক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে।
, বিশ্বের ধনী নারী ক্রিকেটারদের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অলরাউন্ডার এলিস পেরি। তার মোট সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তির পাশাপাশি তিনি নারী বিগ ব্যাশে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে খেলে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিজ্ঞাপনী চুক্তি করে উল্লেখযোগ্য আয় করছেন।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার আরেক কিংবদন্তি মেগ ল্যানিং। যদিও সাবেক এই অধিনায়ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন, তবে তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, ধারাভাষ্য এবং ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭৫ কোটি টাকা।
বিশ্বের ধনী নারী ক্রিকেটারদের তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক মিতালি রাজ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি বিজ্ঞাপন, ধারাভাষ্য, গণমাধ্যমে উপস্থিতি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আয় করে চলেছেন। বর্তমানে তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪৩ কোটি টাকা।
মিতালি রাজের পর চতুর্থ স্থানে রয়েছেন স্মৃতি মন্ধানা। এই তারকার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। জাতীয় দলের চুক্তি, নারী প্রিমিয়ার লিগের পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন থেকে তার আয়ের একটি বড় অংশ আসে।
তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ভারতের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৬ কোটি টাকা। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, জাতীয় দলের পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে তিনি নিজের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করেছেন।
শীর্ষ পাঁচে অস্ট্রেলিয়ার দুই তারকার পাশাপাশি ভারতের তিন ক্রিকেটারের উপস্থিতি নারী ক্রিকেটের বাণিজ্যিক উত্থানের চিত্র তুলে ধরছে। বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বিস্তার, নারী ক্রিকেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞাপনী বাজারে নারী ক্রিকেটারদের চাহিদা বাড়ানোর কারণে ভবিষ্যতে এই তালিকায় আরও বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক সময় নারী ক্রিকেটে অর্থের পরিমাণ পুরুষ ক্রিকেটের তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। তবে এখন সেই ব্যবধান ধীরে ধীরে কমছে। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটারদের তারকাখ্যাতি বড় বাণিজ্যিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ