প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত কয়েক বছরে নারী ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পেয়েছে, সেইসাথে ক্রিকেটারদের আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জাতীয় দলের সঙ্গে চুক্তি এবং ম্যাচ ফি ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, বিজ্ঞাপন, ধারাভাষ্য এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নারী ক্রিকেটাররা এখন বিশাল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছেন। এর ফলে আর্থিক দিক থেকে নতুন এক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে।
, বিশ্বের ধনী নারী ক্রিকেটারদের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অলরাউন্ডার এলিস পেরি। তার মোট সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তির পাশাপাশি তিনি নারী বিগ ব্যাশে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে খেলে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিজ্ঞাপনী চুক্তি করে উল্লেখযোগ্য আয় করছেন।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার আরেক কিংবদন্তি মেগ ল্যানিং। যদিও সাবেক এই অধিনায়ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন, তবে তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, ধারাভাষ্য এবং ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭৫ কোটি টাকা।
বিশ্বের ধনী নারী ক্রিকেটারদের তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক মিতালি রাজ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি বিজ্ঞাপন, ধারাভাষ্য, গণমাধ্যমে উপস্থিতি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আয় করে চলেছেন। বর্তমানে তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪৩ কোটি টাকা।
মিতালি রাজের পর চতুর্থ স্থানে রয়েছেন স্মৃতি মন্ধানা। এই তারকার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। জাতীয় দলের চুক্তি, নারী প্রিমিয়ার লিগের পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন থেকে তার আয়ের একটি বড় অংশ আসে।
তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ভারতের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৬ কোটি টাকা। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, জাতীয় দলের পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে তিনি নিজের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করেছেন।
শীর্ষ পাঁচে অস্ট্রেলিয়ার দুই তারকার পাশাপাশি ভারতের তিন ক্রিকেটারের উপস্থিতি নারী ক্রিকেটের বাণিজ্যিক উত্থানের চিত্র তুলে ধরছে। বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বিস্তার, নারী ক্রিকেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞাপনী বাজারে নারী ক্রিকেটারদের চাহিদা বাড়ানোর কারণে ভবিষ্যতে এই তালিকায় আরও বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক সময় নারী ক্রিকেটে অর্থের পরিমাণ পুরুষ ক্রিকেটের তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। তবে এখন সেই ব্যবধান ধীরে ধীরে কমছে। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটারদের তারকাখ্যাতি বড় বাণিজ্যিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন