ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
বন্ধ ঢাকা-খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর সংক্রান্ত ৪৮ ঘণ্টার হরতাল


ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর সংক্রান্ত ৪৮ ঘণ্টার হরতাল

নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর ‘যৌক্তিক’ স্থানে স্থাপনের দাবিতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ, পিকেটিং, বিক্ষোভ মিছিল ও টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেন আন্দোলনকারীরা। এতে ঢাকা, ফেনী ও খাগড়াছড়ির সঙ্গে ফটিকছড়ি অংশের আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

হরতালের কারণে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। বাস, ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কে আটকা পড়ে। একই সঙ্গে পেলাগাজী দিঘী থেকে হেয়াঁকো সড়কেও যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

সকাল থেকে নারায়ণহাট, দাঁতমারা, শান্তিরহাট, হেয়াঁকো, চিকনছড়া ও বাগানবাজার এলাকায় অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফার্মেসি ও ক্লিনিক খোলা রয়েছে।

আন্দোলনকারীরা বালুটিলা বাজার, চিকনছড়া বাজার, গার্ডের দোকান, হেয়াঁকো, দাঁতমারা, শান্তিরহাট ও নারায়ণহাট এলাকায় ২০ থেকে ২৫টি স্থানে পিকেটিং, বিক্ষোভ ও মিছিল করেন। তবে বেলা ১১টা পর্যন্ত কোথাও ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, সংঘর্ষ বা আটকের খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়গুলোতে পুলিশের একাধিক দল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, সদ্য ঘোষিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর পশ্চিম ভূজপুরে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অধিকাংশ মানুষের জন্য সুবিধাজনক নয়। তাদের দাবি, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কোনো সুবিধাজনক স্থানে সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শাহাদাত হোসাইন বলেন, “জালিয়াতির মাধ্যমে সদর দপ্তর ভুজপুর মৌজায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উপজেলার নাম যখন ফটিকছড়ি উত্তর, তখন সদর দপ্তরও উত্তরাঞ্চলে হতে হবে। জনগণের যৌক্তিক দাবি মেনে না নিলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।”

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

আরেক আন্দোলনকারী জসিম উদ্দিন বলেন, “আমাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। মাত্র কয়েক কিলোমিটারের ব্যবধানে দুটি উপজেলা সদর রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এতে নতুন উপজেলা গঠনের উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সদর দপ্তর স্থানান্তর করতে হবে।”

ভূজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে জানান, হরতালে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, “পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

আন্দোলনকারীরা জানান, সদর দপ্তর স্থাপনের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ এম


সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) নতুনভাবে সক্রিয় ও কার্যকর করার জন্য একমত হয়েছে বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপ। দুই দেশ সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর জোর দিয়েছে, যা আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা উন্মোচন এবং ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা কাটিয়ে তোলার জন্য।

সম্প্রতি মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে, যেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহামেদ মুইজ্জুর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে এই সদিচ্ছার কথা উঠে আসে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মালে পৌঁছে ড. খলিলুর রহমান প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উষ্ণ শুভেচ্ছা প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর কাছে পৌঁছে দেন।

তিনি গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের নির্বাচিত নতুন সরকারের শপথগ্রহণে উপস্থিত থাকার জন্য মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য তার প্রার্থিতায় সমর্থন দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানান।

ড. খলিলুর রহমান জানান, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে বিশ্বাসী এবং সবার আগে বাংলাদেশ নীতির ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার মাধ্যমে সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সুসম্পর্কে দুই নেতাই সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন। বৈঠকে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং সার্ককে নতুনভাবে সক্রিয় করার তাগিদ দেওয়া হয়।

মালদ্বীপে প্রচুর পরিমাণে বাংলাদেশি কর্মী ও পেশাজীবীর কর্মসংস্থান হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মালদ্বীপের অর্থনীতিতে তাদের অবদানকে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু আন্তরিকভাবে স্বীকৃতি জানান।

বৈঠকে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইহসান এবং মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরে সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্মানে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু এক প্রীতি চা-চক্রের আয়োজন করেন। সেখানে মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব হুসেইন মোহামেদ লতিফ, ক্যাবিনেট মন্ত্রী ও সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়োজিত একটি কূটনৈতিক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময় করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতলব হাসপাতালের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে, আতঙ্কে রোগীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


মতলব হাসপাতালের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে, আতঙ্কে রোগীরা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ভবনের ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ কারণে খসে পড়ে যাচ্ছে ছাদের পলেস্তারা ও সুরকি। রোগী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের ভিতরে রোগীরা শঙ্কায় রয়েছেন, কারণ তাদের মাথার উপর কখন ছাদ ভেঙে পড়ে তা কেউ জানে না। খানিকটা সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে যে কোনো সময়।

মতলব দক্ষিণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে। এখানে চিকিৎসক থাকার কথা ৪০ জন, কিন্তু বর্তমানে আছেন মাত্র ১৮ জন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংখ্যা ১৯২ হওয়ার কথা, কিন্তু এখন স্রেফ ১১৬ জন তারা। নার্স সংকটও মারাত্মক। নেই এনেস্থিসিয়া ডাক্তার, সিজারিয়ান অপারেশন হচ্ছে না। হাসপাতালে এম্বুলেন্স নেই, এক্স-রে মেশিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জামও নেই। সরেজমিনে গিয়েও দেখা যায়, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। কেউ সিটে আবার কেউ ফ্লোরে রয়েছে।

হাসপাতাল ভবনের প্রথম তলা এবং দ্বিতীয় তলায় ছাদের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা যাচ্ছে। ওই স্থানে পলেস্তারা ও সুরকি ভেঙে পড়ছে। অন্তর্বিভাগ ও বহির্বিভাগের রোগীরা এ স্থানগুলো এড়িয়ে চলছেন। আর যদি বাধ্য হয়ে এখানে যেতে হয়, তখন তাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা যাচ্ছে। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মতলব উত্তর উপজেলার ইন্দুরিয়া গ্রামের ছানাউল্লাহ বলেন, ‘মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম তিনদিন। হাসপাতালের দ্বিতীয় তলা থেকে নেমে মেয়ের ওষুধ আনার জন্য বাইরে যাচ্ছিলাম। হাঁটছি আর আতঙ্ক নিয়ে বারবার ছাদের দিকে তাকাচ্ছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘দোতলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে নামার পরই ছাদের ফাটলের স্থান। মাঝেমধ্যেই সিমেন্টুসুরকির বড় বড় অংশ পড়ে যাচ্ছে। এ স্থান দিয়ে যাওয়ার সময় ভয় লাগে। এভাবে একটি হাসপাতালে থাকা যায় না। ভয়ে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে যাবে।’

বরদিয়া এলাকার আরেক রোগী শাহনাজ বেগম বলেন, ‘হাসপাতালে মানুষ আসে সুস্থ হওয়ার জন্য। কিন্তু এই হাসপাতালে এসে থাকি আতঙ্কে। কোন সময় যেনো মাথায় ভেঙে পড়ে ছাদ। হাসপাতালের অনেক জায়গায় ভেঙে ভেঙে পড়েছে। আবার হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য কোনো মেশিন নেই। পর্যাপ্ত মেশিন ও ভবন সংস্কার করার জন্য সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি।’

ফারজানা নামের এক রোগীর অভিভাবক জানান, ‘এক ঘণ্টা ধরে চিকিৎসকের কক্ষের সামনে অপেক্ষা করছি। কিন্তু সবার নজর বারবার ছাদের দিকে। কারণ, কখন ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে আমাদের ওপর।’ আতঙ্কে থাকতে হয়েছে যতক্ষণ হাসপাতালে অবস্থান করেছি।

মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. রাজিব কিশোর বনিক বলেন, ‘হাসপাতাল ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় ছাদ ফাটল রয়েছে। খসে খসে পড়ছে পলেস্তারা, ইটের সুরকি ও সিমেন্ট বালুর মিশ্রণ। জনসাধারণকে সতর্ক করার জন্য বিভিন্ন স্থানে লিফলেট লাগানো হয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত যথাযথ চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।’

মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মো. গোলাম রায়হান বলেন, ‘হাসপাতালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। হাসপাতালের মেশিন, সরঞ্জাম, চিকিৎসক, নার্সসহ জনবল সংকট রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ দিয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে চেষ্টা করছি।’ মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইশমাম বলেন, ‘হাসপাতালের ভবনের পলেস্তারা খসে পড়ছে, এ বিষয়ে আমি জেনেছি। দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলা হবে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালের ভবনের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাসপোর্ট সেবায় প্যারিস দূতাবাসের বিশেষ উদ্যোগ, সহায়তায় প্রবাসী কমিউনিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ এম


পাসপোর্ট সেবায় প্যারিস দূতাবাসের বিশেষ উদ্যোগ, সহায়তায় প্রবাসী কমিউনিটি

ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য ই-পাসপোর্ট সেবা আরও সহজ করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে প্যারিসের বাংলাদেশ দূতাবাস। দীর্ঘদিন ধরে অ্যাপয়েন্টমেন্টের সংকট, অনলাইন ব্যবস্থার জটিলতা এবং সেবা গ্রহণে অপেক্ষার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল প্রবাসীদের মধ্যে। এ বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে দূতাবাস বিশেষ কনস্যুলার কার্যক্রম শুরু করেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া এ বিশেষ সেবার প্রথম দিনে ৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করেছেন। ওই দিনে পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই অনেক আবেদনকারী নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ পান।

দূতাবাসের সূত্র জানায়, ফরাসি প্রেফেকচারে রেসিডেন্স পারমিট সংক্রান্ত জরুরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে আছেন এমন প্রবাসীরা এবং দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ আবেদনকারীদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ২৫ জুলাই, ৮ আগস্ট এবং ২২ আগস্ট তিনটি শনিবার বিশেষ কনস্যুলার সেবা চালু থাকবে।

সম্পrecent, ইমেইলভিত্তিক আবেদন পদ্ধতির পরিবর্তে ওয়েবসাইট ভিত্তিক অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা চালু করে দূতাবাস। তবে সীমিত সংখ্যক স্লট এবং অতিরিক্ত আবেদনকারীর কারণে অনেক প্রবাসী সময়মতো অ্যাপয়েন্টমেন্ট না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। কিছু আবেদনকারী ওয়েবসাইটে কারিগরি সমস্যার কথাও জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব কে. এফ. এম. শারহাদ শাকিল বলেন, ই-পাসপোর্ট একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া। আবেদনকারীর ছবি, আঙুলের ছাপ, স্বাক্ষরসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাইয়ের পর কেন্দ্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে পাসপোর্ট প্রস্তুত করা হয়। তিনি জানান, আবেদনকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে কিছুটা চাপ তৈরি হলেও সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিশेष কনস্যুলার সেবা কার্যক্রমে দূতাবাসের আহ্বানে কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের স্বেচ্ছাসেবীরা সহযোগিতা করছেন। আবেদনকারীদের তথ্য প্রদান, সিরিয়াল ব্যবস্থাপনা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে তারা কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল করার ভূমিকা রাখছেন।

এ কার্যক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও কমিউনিটি সংগঠনের প্রতিনিধিরাও স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ নাগরিক পরিষদ ফ্রান্স, বিএনপি ফ্রান্সসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেবাগ্রহীতাদের সহযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি ফ্রান্সের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদুর রহমান জুনেদ বলেন, আমরা নিয়মিত পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতাদের সহযোগিতা করার জন্য দূতাবাসে উপস্থিত হচ্ছি। কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলে সমন্বয় করার চেষ্টা করছি। আমাদের লক্ষ্য, প্রবাসীরা যেন দ্রুত ও নির্বিঘ্নে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।

কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মিল্টন সরকার বলেন, প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা দীর্ঘদিনের। ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তবে সাধারণ প্রবাসীরা যেন সহজে এবং হয়রানিমুক্তভাবে সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমরা প্রবাসীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশ নাগরিক পরিষদ ফ্রান্সের সভাপতি আবুল খায়ের লস্কর বলেন, প্রবাসীদের নাগরিক সেবার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দূতাবাসের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। তবে সেবাকে আরও গতিশীল ও প্রবাসীবান্ধব করার সুযোগ রয়েছে।

প্রবাসীদের মতে, বিশেষ এই উদ্যোগটি স্বাগতযোগ্য হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে হবে, দ্রুত যোগাযোগের ব্যবস্থা চালু করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কনস্যুলার সেবা বাড়াতে হবে।

তাদের প্রত্যাশা, ই-পাসপোর্ট সেবা ভবিষ্যতে আরও সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত হবে এবং ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিরা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই সেবার পূর্ণ সুবিধা পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাইব্যুনালে দীপু মনিকে দেখতে এসেছেন অসুস্থ স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৬ এম


ট্রাইব্যুনালে দীপু মনিকে দেখতে এসেছেন অসুস্থ স্বামী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে দেখতে এসে উপস্থিত হয়েছেন তার অসুস্থ স্বামী, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তৌফিক নেওয়াজ। তিনি স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য হুইলচেয়ারে করে ট্রাইব্যুনালে গমন করেন। রোববার সকাল ৯টার সময় তিনি ট্রাইব্যুনালে পৌঁছান। এই সময়ে তাঁর বড় ভাইয়ের স্ত্রী এবং একমাত্র মেয়ে সেখানে উপস্থিত ছিল। উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বিচার চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%