ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিপ রিসাইক্লিং দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিল্পমন্ত্রী


শিপ রিসাইক্লিং দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, শিপ রিসাইক্লিং দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের গ্রিন সার্টিফায়েড শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের সংখ্যা অন্তত তিন অঙ্কে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বর্তমানে দেশে এ ধরনের প্রায় ৩১টি ইয়ার্ড বিদ্যমান রয়েছে। আরো কিছু ইয়ার্ড বর্তমানে গ্রিন সার্টিফিকেশনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

আজ রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে শিল্প মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

‘বাংলাদেশ নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃব্যবহার প্রকল্প’-এর আওতায় টিএসডিএফ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শিল্পমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শিপ রিসাইক্লিংয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ। এক সময় টনের হিসাবে ভারতকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে, তবুও বৈশ্বিক জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

শিপ রিসাইক্লিংকে দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ খাতে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের স্টিল শিল্পের কাঁচামালের গুরুত্বপূর্ণ উৎস জাহাজ থেকে পাওয়া স্ক্র্যাপ। তবে খাতটির বিকাশকে দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও পরিবেশগত মানদণ্ড অনুসরণের মাধ্যমে শিল্পটিকে আরো আধুনিক, নিরাপদ ও টেকসই করাই সরকারের লক্ষ্য।

গ্রিন সার্টিফায়েড ইয়ার্ডের সংখ্যা শতাধিক করতে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি পরিবেশগত মানদণ্ড অনুসরণের বাধ্যবাধকতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বড় জাহাজ ভাঙার সময় বিভিন্ন ধরনের বিপজ্জনক উপাদান ও বর্জ্য তৈরি হয়। যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হলে এসব বর্জ্য পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, এ কারণে বর্জ্য নিরাপদ ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিশোধন ও নিষ্পত্তিতে ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত টিএসডিএফ শিপ রিসাইক্লিং শিল্পের বিপজ্জনক বর্জ্যের বড় অংশ ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে অন্যান্য শিল্প ও ইলেকট্রনিক বর্জ্যসহ বিভিন্ন উৎসের বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগও তৈরি হবে।

এ অবকাঠামো শিল্প খাতকে আন্তর্জাতিক পরিবেশগত মানের সঙ্গে আরো সামঞ্জস্যপূর্ণ করার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে।

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

মন্ত্রী বলেন, সরকার, শিল্প মালিক, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিপ রিসাইক্লিং খাতকে আরো নিরাপদ, আধুনিক ও টেকসই শিল্পে রূপান্তর করা সম্ভব।

শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপান মেরিন সায়েন্স কোম্পানির আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সুমিইয়োকি অটসুকি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ বছরেও চালু হয়নি সাড়ে ৩০ কোটি টাকার ম্যাটস ভবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


৪ বছরেও চালু হয়নি সাড়ে ৩০ কোটি টাকার ম্যাটস ভবন

নির্মাণের প্রায় ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বান্দরবানের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) এখনও চালু হয়নি। এর ফলে ভবনের অনেক কক্ষ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ছাত্র-ছাত্রীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এই ক্যাম্পাসটি তিন একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এবং এখানে ৮টি ভবন রয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এখানে স্টাফ কোয়ার্টার, শিক্ষক ডরমেটরি, ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুবিধা রয়েছে। তবে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কর্তৃপক্ষ এখনও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করতে পারেনি এবং ম্যাটসের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। অভ্যন্তরীণ সড়ক ও এলাকা জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ময়লা আবর্জনায় ভরে গেছে। বিদ্যুতের বাতি বসানোর জায়গায় পাখির বাসা বাঁধা। যদিও এসব ভবনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পদচারণার কথা ছিল, বর্তমানে ক্যাম্পাসের সবকটি ভবনই পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে গরু-ছাগল ও লাকড়ি সংগ্রহকারীদের দেখা যাচ্ছে। ফলে জনমানবশূন্য ক্যাম্পাসটিতে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে সরকারের এই বিশাল সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

২০২১ সালে বান্দরবানের রেইচা এলাকায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ৩০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্জন ক্যাম্পাসের সবকটি ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ক্যাম্পাসে নাইটগার্ড হিসেবে একজন বৃদ্ধ রয়েছেন। পাশাপাশি গরু-ছাগল ও কিছু লাকড়ি সংগ্রহকারী মানুষের পদচারণা দেখা গেছে। এর বাইরে অন্য কোনো মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। জনমানবশূন্য ক্যাম্পাসটিতে বিদ্যুতের আলো না থাকায় ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কোনো ভবনেই আসবাব দেখা যায়নি।

বৃদ্ধ নাইটগার্ড জানিয়েছেন, তিনি তিন বছর ধরে ভবনটিতে কর্মরত আছেন। কার্যক্রম না চলার কারণে ভবনের অনেকগুলো কক্ষ এবং সরকারি সম্পদ এভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মতে, ম্যাটসটি নির্মিত হলেও এখনো কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে ট্রেনিং স্কুলটি চালু হলে পাহাড়ের শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকায় ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ পাবে। তাদের মতে, এই এলাকার অনেক ছেলে-মেয়ে এখানে পড়ালেখার সুযোগ পেলে দেশের স্বাস্থ্য সেবায় বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি চালুর জন্য দাবি জানান ছাত্র-ছাত্রীরা।

অভিভাবকদের মতে, ম্যাটসটি নির্মিত হলেও কার্যক্রম শুরু হয়নি। পাহাড়ের ছেলে-মেয়েরা অনেক আশা নিয়ে রয়েছে যে তারা নিজ জেলায় কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। তবে যারা মেডিকেলে পড়াশোনা করবেন, তারা সেই সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দীর্ঘ ৪ বছরের প্রতিষ্ঠানটি চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা চরম হতাশায় ভুগছেন। তবে ম্যাটসের বর্তমানে কোনো গুরুত্ব নেই। স্থানীয় অভিভাবকরা মনে করেন, যদি এটি মেডিকেল কলেজ হিসেবে চালু করা হয়, তাহলে তা অধিক কার্যকর হবে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অংসাহ্লা মারমা বলেছেন, তিন বছর আগেই কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়নি। ফলে পাহাড়ি এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত চালু হলে পাহাড়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বাহিরে গিয়ে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হবে না। তাই দ্রুত প্রতিষ্ঠানটি চালুর দাবি জানান স্থানীয় এই জনপ্রতিনিধি।

অপরদিকে কক্সবাজার স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের উপসহকারী জাকিয়া নাসরিন মুঠোফোনে জানান, ২০২১ সালে ম্যাটসের অবকাঠামো নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও জনবল নিয়োগ ও আসবাবপত্র না থাকায় হস্তান্তর হয়নি।

বান্দরবানে কর্মরত স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল রউফ জানিয়েছেন, ম্যাটস নির্মাণের বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মুহাম্মদ ফজলু রহমান (৫০) নামের এক বিএনপি নেতার মৃত্যু ঘটেছে।

এই দুর্ঘটনাটি সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কর্নেলবাজারে ঘটে।

নিহত ফজলু রহমান মনিয়ন্দ ইউনিয়নের ইটনা পূর্ব উত্তরপাড়া এলাকার মরহুম মুহাম্মদ মমতাজ মিয়ার পুত্র ছিলেন এবং তিনি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফজলু রহমানের দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। তার এক ছেলে বিদেশে অবস্থান করছেন, অন্য ছেলে হাফিজিয়া মাদরাসায় পড়াশোনা করছেন। তিনটি মেয়ে শিক্ষারত রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কর্নেলবাজারে টিসিবির পণ্য সংরক্ষণের জন্য একটি গুদাম রয়েছে। সোমবার সকালে গুদাম থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে পণ্য বের করার জন্য শাটার খুলতে যান ফজলু রহমান। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫৪ বিদ্যালয়ে ‘প্রস্ফুটিত শ্রেণিকক্ষ’ গড়ে তোলার উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


৫৪ বিদ্যালয়ে ‘প্রস্ফুটিত শ্রেণিকক্ষ’ গড়ে তোলার উদ্যোগ

৫৪ বিদ্যালয়ে ‘প্রস্ফুটিত শ্রেণিকক্ষ’ গড়ে তোলার উদ্যোগ

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫৪টি প্রস্ফুটিত শ্রেণিকক্ষ (ব্লুমিং ক্লাসরুম) চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সহজভাবে পড়তে এবং ইংরেজি ভীতি দূর করার লক্ষ্যে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) পৌর এলাকার রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি প্রস্ফুটিত শ্রেণিকক্ষ উদ্বোধন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোতেও একই ধরনের শ্রেণিকক্ষ চালু করা হবে।

আয়োজকরা জানান, প্রস্ফুটিত শ্রেণিকক্ষ গড়ে তোলার উদ্যোগটি ‘যেভাবে শিখেছি বাংলা, সেভাবেই শিখবো ইংরেজি' এই স্লোগানের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার ৩৫ জন শিক্ষককে রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের শ্রেণিকক্ষ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং পরে এ বিষয়ে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

 

কর্মশালায় ৩৫ জন শিক্ষক বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেন। এতে আরো দুই দিন ধরে প্রায় ১০০ শিক্ষককে নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়। কর্মশালায় শ্রেণিকক্ষের সহায়ক হিসেবে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হাসনাত মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ভূঁঞার লেখা বইয়ের পাশাপাশি শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্লুমিং ক্লাসরুম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ দৌলত হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইলিয়াস উদ্দিন ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মুনসুর মিশন। প্রধান শিক্ষক মৌসুমী আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হাসনাত মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ভূঁঞা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেন।

জহিরুল তাঁর উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইংরেজি ভীতি বিদ্যমান। সেই ভীতি দূর করার জন্য এবং সহজ উপায়ে ইংরেজি শেখানোর জন্য একটি প্রক্রিয়া প্রস্তুত করা হয়েছে। শিক্ষকদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

 

শিক্ষকরা যদি এর যথাযথ ব্যবহার করতে পারেন, তবে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ইংরেজিতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে উঠবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ দৌলত হোসেন ভূঁইয়া এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘ব্লুমিং ক্লাসরুমের ওপর বই লেখা থেকে শুরু করে এর সব প্রক্রিয়ার বিষয়ে আমি সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে উৎসাহ দিয়েছি। এ উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হবে।’

জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মুনসুর মিশন মন্তব্য করেন, ‘আমার মনে হয় এ ধরনের পদ্ধতি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। বিষয়টি যেন প্রধানমন্ত্রী কিংবা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, সেজন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘সব শিক্ষার্থীর মধ্যেই ইংরেজি ভীতি কাজ করে। কিন্তু ব্লুমিং ক্লাসরুমের মাধ্যমে যেভাবে শেখানো হবে, তা সঠিক ও সহজ উপায়। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে ১৬০ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


খাগড়াছড়িতে ১৬০ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ

খাগড়াছড়িতে অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৬০ পিস ভারতীয় সিল্ক ও জামদানি কাতান শাড়ি জব্দ করেছে। এই জব্দকৃত শাড়ির আনুমানিক মূল্য ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।

সোমবার রাতে খাগড়াছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩২ বিজিবি) এর আওতাধীন ডাইনচন্দ্রবাড়ী এলাকার জানমারাটিলা ডাউন নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এসব শাড়ি উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি জানায়, খাগড়াছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজীবের সার্বিক দিকনির্দেশনায় সহকারী পরিচালক মো. জাকিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল ডাইনচন্দ্রবাড়ী এলাকায় অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানমারাটিলা ডাউন এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় চোরাকারবারীরা দূর থেকে টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পাহাড়ি জঙ্গলের ভেতর পালিয়ে যায়।

এরপর টহল দল ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় শাড়িভর্তি সাতটি বস্তা জব্দ করে। বস্তাগুলো খুলে গণনা করার পর ১৬০ পিস ভারতীয় সিল্ক ও জামদানি কাতান শাড়ি পাওয়া যায়। এসব শাড়ির আনুমানিক সিজার মূল্য ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

বিজিবি আরও জানায়, জব্দ করা মালামাল স্থানীয় শুল্ক গুদামে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%