সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৮ পি.এম
মিল্কভিটা ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে, খুচরা দোকানে মিল্কভিটার প্রতি লিটার দুধ এখন ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই নতুন দাম গত ৫ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড মিল্কভিটার দুধ উৎপাদন করে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, খামারিদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহের মূল্য এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে খুচরা পর্যায়ে দুধের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি, ১ আগস্ট থেকে খামারি পর্যায়ে দুধ সংগ্রহের মূল্যও বাড়ানো হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মিল্কভিটার নতুন দামের দুধের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে। ৫০০ মিলিলিটারের (আধা লিটার) স্ট্যান্ডার্ড দুধ (লো ফ্যাট) ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা পূর্বে ছিল ৫৫ টাকা। আধা লিটার টোন্ড মিল্ক বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়, যা আগে ৫০ টাকা ছিল।
তবে, অন্যান্য বেসরকারি কোম্পানি যেমন প্রাণ ও ফার্মফ্রেশ (আকিজ ডেইরি)-এর প্যাকেটজাত তরল দুধ আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। আধা লিটারের প্রাণ, আড়ং ও ফার্মফ্রেশ দুধ ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
মিল্কভিটা পাস্তুরিত তরল দুধ ছাড়াও টোল্ড মিল্ক, ফ্লেভার্ড মিল্ক, ঘি, মাখন, ননিযুক্ত গুঁড়া দুধ, ননিবিহীন গুঁড়া দুধ, মিষ্টি দই, টক দই, রসগোল্লা, সন্দেশ, চিজ, কেকসহ ২৫ ধরনের পণ্য বাজারজাত করে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষের দাবি, প্যাকেজিং সামগ্রী, গোখাদ্যসহ অন্যান্য সহায়ক উপকরণের দাম বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ উৎপাদনে তাদের খরচ ১১ থেকে সাড়ে ১১ টাকা বেড়েছে। দুগ্ধ খামারিরাও বারবার দুধের দাম বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছিল। সব মিলিয়ে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুধের পাশাপাশি মিল্কভিটার অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের দামও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মিল্কভিটার চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল বলেন, "আমরা হিসাব করে দেখেছি যে প্রতি লিটার দুধের উৎপাদন ব্যয় ১১ থেকে সাড়ে ১১ টাকা বেড়েছে। আমরা সেই খরচ হিসাব করে প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক কিংবা অন্তত সমান সমান রাখার স্বার্থে দুধের দাম বাড়িয়েছি।"
তিনি জানান, মিল্কভিটার কারখানাগুলোর বিদ্যুৎ বিল একলাফে ৫৫–৫৬ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৭২–৭৪ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। গ্যাস সংকটের কারণে বর্তমানে কারখানায় এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা ব্যয় বাড়িয়েছে। এর আগে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে খামারি ও বিপণন পর্যায়ে পরিবহন খরচও বেড়েছে।
উৎপাদন খরচের পাশাপাশি প্রাথমিক খামারিদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টিও উল্লেখ করেন মিল্কভিটার চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, "গোখাদ্য ও পরিবহনের খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য বেসরকারি কোম্পানিগুলো খামারিদের থেকে তুলনামূলক বেশি দাম দিয়ে দুধ কিনে নিচ্ছে। ফলে মিল্কভিটার দুধ সংগ্রহ কমে যাচ্ছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তারা ১ আগস্ট থেকে খামারি পর্যায়ে লিটারপ্রতি দুধের দাম তিন টাকা বাড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা ও আট মাসের শিশু ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যা করেছে তারই সন্তান। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা এ ঘটনায় ঘাতক ইমন (২৯) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— ইমনের গর্ভধারিণী মা পেয়ারা বেগম (৫০), ভাবি রাবেয়া বেগম (২৫) এবং রাবেয়ার দুই বছর বয়সী ইসরাত জাহান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে হঠাৎ ধারালো অস্ত্র নিয়ে নিজ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান ইমন। প্রথমে তিনি তার মা পেয়ারা বেগম ও ৮ মাসের শিশু ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যা করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মা ও শিশুর মৃত্যু ঘটে। এ সময় গুরুতর আহত হন ভাবি রাবেয়া বেগম। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুমূর্ষু অবস্থায় আছেন।
ঘটনার পর আশপাশের লোকজন একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত ইমনকে আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক ইমনকে আটক করি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে অভিযুক্ত ইমন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।”
অভিযুক্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রীতি গ্রুপের ‘এস স্যুহী ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক’-এ এলপিইজি গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি একটি লড়িতে আগুন ও বিস্ফোরণের ফলে ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাবুদ্দিন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কমিটির সভাপতি হিসেবে ঢাকা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুল জামান দায়িত্ব পালন করবেন। সদস্য সচিব হিসেবে সাভার অঞ্চলের জোন কমান্ডার হাফিজুর রহমান রয়েছেন। কমিটির অন্যান্য দুই সদস্য হলেন জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাবুদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক অলিয়ুর রহমান।
এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে মিলিয়ে মোট ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি ৮ থেকে ৯টি লরি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিখোঁজের দুই দিন পর বাড়ির পাশের ঝোপঝাড় থেকে মিম (৮) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে নবীনগর থানা পুলিশ বিদ্যাকুট বড়বাড়ির পুকুর পাড়ের ঝোপঝাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মিম পজেলার বিদ্যাকুট বড়বাড়ি এলাকার মিজান মিয়ার কন্যা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিম গত দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে আজ বিদ্যাকুট বড়বাড়ির পুকুর পাড়ের ঝোপঝাড়ে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। তবে শিশুটির মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত দুই দিন আগে মিম নামে ছোট্ট শিশুকে খুঁজে না পেয়ে নানা ফিরুজ মিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। আজ বিকেলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নির্বাচন কমিশন (ইসি) অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি বা মাধ্যমিক বা সমমান শিক্ষাসনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধন কার্যক্রমের মনিটরিং এবং প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেছে।
এ তথ্যটি ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি থেকে জানা যায়। এই চিঠিটি সকল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৩ আগস্ট জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছিল। উক্ত পরিপত্র অনুযায়ী, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি বা মাধ্যমিক বা সমমান শিক্ষাসনদ (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ব্যতীত) এর ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন 'ক' ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার দ্বারা নিস্পত্তি করা যাবে।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হবে তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের এই কার্যক্রম মনিটরিং করা। একই সাথে, দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার ন্যূনতম তিনটি আবেদন যথাযথভাবে নিস্পত্তি হয়েছে কিনা তা সংযুক্ত ছকে প্রতিবেদন আকারে পরিচালক (অপারেশন্স)-এর ইন্টারনাল একাউন্টে পাঠাতে হবে।
চিঠিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, পরিপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৩ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের প্রতিবেদন সংযুক্ত ছকে ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিচালক (অপারেশন্স), এনআইডি উইং এর ইন্টারনাল একাউন্টে পাঠাতে হবে।
এছাড়া, প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পাঠানোর জন্যও নির্দেশনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ