মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২৯ এম
> ইসলাম ও জীবন
ইউরোপের ১১০ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে হাফেজ সাদ সাফল্য অর্জন করেছেন।
হাফেজ শেখ সাদ মুহাম্মাদ নুর আবারো বাংলাদেশের গৌরব উজ্জ্বল করেছেন আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারের বোল্টনে অনুষ্ঠিত 'হাবিবুল কুরআন ইউকে' আয়োজিত 'ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন কম্পিটিশন-২০২৬'-এ তিনি তৃতীয় স্থান অধিকার করে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। হাফেজ সাদের এই অসাধারণ কৃতিত্ব বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে বিশ্ব দরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
এই বৃহৎ প্রতিযোগিতাটি ২৬ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বোল্টনে অবস্থিত ঐতিহাসিক জাকারিয়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ১১০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে 'এ-২' গ্রুপে হাফেজ শেখ সাদ মুহাম্মাদ নুর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই সাফল্য অর্জন করেন। বিচারকদের তিনি তার অসাধারণ ও সুললিত কণ্ঠের মাধ্যমে মুগ্ধ করেন। ফলাফল ঘোষণার পর আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাকে বিশেষ সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১ এ অবস্থিত মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল-ইসলামীর কিতাব বিভাগের কৃতি ছাত্র হাফেজ শেখ সাদ। উল্লেখ্য, এই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এর আগে এই মাদ্রাসা থেকেই হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম, মুয়াজ মাহমুদ এবং আনাস মাহফুজরা সৌদি আরব, দুবাই, ইরান, তুরস্কসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে বিশ্ব জয় করেছেন। হাফেজ সাদ সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে আরো সমৃদ্ধ করেছেন।
হাফেজ শেখ সাদ মুহাম্মাদ নুরের এই অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করে মারকাযু ফয়জিল কুরআনের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজি মাসুম বলেন, "আলহামদুলিল্লাহ, হাফেজ সাদ নূরের এই সাফল্যে আমরা মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি।" তিনি আরও বলেন, "এই অর্জন শুধু সাদ নূরের নয়, বরং পুরো বাংলাদেশের। আমাদের লক্ষ্য হলো কোরআনের আদর্শে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা যাতে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে এবং কোরআনময় বিশ্ব গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।" সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই কৃতি হাফেজের সাফল্য দেশের নতুন প্রজন্মের কোরআন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছাত্রশিবিরের ট্রেনিং ক্যাম্পে বক্তারা
মেধা-নৈতিকতার সমন্বয়ে দুর্নীতিমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র গড়ার আহ্বানবাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ বিভাগের উদ্যোগে চলতি বছরের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের জনশক্তিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ১০ দিনব্যাপী 'প্রি-কলেজ স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং ক্যাম্প (পিসিএসডি) ২০২৬।গাজীপুরের একটি মিলনায়তনে গত ২১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহীর পরিচালনায় এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এ বছরের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল- ‘সততা ও দূরদর্শিতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা’।সোমবার শিবিরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কলেজ জীবনের বৃহত্তর শিক্ষাঙ্গণে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক, ভাষাগত ও প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এই নিবিড় ক্যাম্পে প্রতিদিন ইংরেজি ও কম্পিউটারের ওপর মোট ৪০টি ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। একাডেমিক ক্লাসের পাশাপাশি কোরআন তিলাওয়াত, বিষয়ভিত্তিক স্টাডি সেশন, মোটিভেশনাল ক্লাস এবং ইনোভেটিভ গেমসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশে জোর দেওয়া হয়।সমাপনী ও অন্যান্য সেশনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতারা দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি আত্মশুদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত ও একাডেমিক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি, আত্মিক পবিত্রতা ও স্রষ্টার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক ছাড়া প্রকৃত সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। একজন আদর্শ ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের মধ্যে সঠিক চরিত্র এবং সঠিক দিকনির্দেশনা— দুটিরই সমন্বয় প্রয়োজন।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জিপিএ-৫ অর্জন আপনাদের জীবনের একটি গৌরবময় মাইলফলক হলেও এটি চূড়ান্ত গন্তব্য নয়। 'সততা ও দূরদর্শিতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা'- এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে আপনাদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং নৈতিক দৃঢ়তার সমন্বয় ঘটাতে হবে। আগামীর ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে আপনাদেরকেই সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব পালন করতে হবে।
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসাইন বলেন, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনার একটি দেশ। এদেশের মানবসম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম এমপি ও জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মোহাম্মদ কাজী আল আমিন দেশবাসী, দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। এটি গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮ বছরের একটি স্মরণীয় দিন।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ৪৮ বছরের পথচলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও স্বাধীনতার চেতনা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নানা প্রতিকূলতা, আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দলটি দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠার দিন নয়; এটি দলের নেতাকর্মীদের জন্য নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকারের দিন। আগামী দিনে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
মোহাম্মদ কাজী আল আমিন বর্তমানে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, ভালুকা পৌর তাঁতীদল; দপ্তর সম্পাদক, মিশুক সিএনজি বেবিটেক্সি টেক্সিকার ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা পরিবহন মালিক সমিতি, ভালুকা উপজেলা শাখা; জেলা দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন এবং সহ-সভাপতি, বাইতুল আমান হাইওয়ে থানা মসজিদ।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
একই সঙ্গে তিনি বিএনপির উত্তরোত্তর সাফল্য, সাংগঠনিক শক্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পাশাপাশি দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানুষের কল্যাণে মহান আল্লাহর রহমত কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হলের সময়সীমা রাত ১১টা পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানকে ডাকসু ২০১৯ এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের হলের প্রধান গেট বন্ধের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে রাত ১১টা পর্যন্ত করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কালের কন্ঠকে নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্যরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম জানান, সিন্ডিকেটে রাশেদ খানকে ২০১৯ এর ডাকসুর জিএস ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সালে ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ভর্তি কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ায় তার ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে গেছে। যদি ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে যায়, তাহলে তিনি জিএস পদে থাকতে পারেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টার মতামত অনুযায়ী, গোলাম রাব্বানীর পরে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ব্যক্তিকে জিএস ঘোষণা করা যেতে পারে। সিন্ডিকেট এই মতামত গ্রহণ করেছে।
নারী শিক্ষার্থীদের হলগুলো এখন রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বলে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, "মেয়েদের হল বন্ধের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।"
অর্থাৎ, এখন থেকে রাত ১১টায় মেয়েদের হল বন্ধ হবে। এছাড়াও, মেয়েদের অন্যান্য দাবির বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া, সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান লিটু এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে এবং তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী ডিগ্রী না থাকায় সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. শবনম জাহানের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের কূটনৈতিক চুক্তিতে যাওয়ার প্রতি আগ্রহী নয়। বরং, ট্রাম্প প্রশাসন আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখতে চায়।
তেহরান ইউনিভার্সিটির গবেষক মোহাম্মদ এসলামি আল জাজিরার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের এই কৌশল সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সঙ্গে একটি ‘হিসাব-নিকাশ করা’ বা পরিকল্পিত সংঘাতের পথে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।
এসলামি উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের ভুল হিসাবের ভিত্তিতে এই যুদ্ধের সূচনা হলেও, সংঘাতের বর্তমান গতিপথ সম্পর্কে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) এখন বেশ আত্মবিশ্বাসী।
এই গবেষক সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার কারণে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি কতটা খারাপ হবে, তা সময়ই নির্ধারণ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমান ও ইরান ইতিমধ্যে একটি রূপরেখায় পৌঁছালেও, মার্কিনিরা মনে করছে যে, এখনই কোনো কূটনৈতিক চুক্তিতে যাওয়ার প্রয়োজন তাদের নেই।
তবে, ইরান মনে করে যে, এই সংকটের দ্রুত সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেই প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
তিনি বলেন, সম্মেলনে সব বৈঠকেই ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ)-এর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে। দুই দেশের প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রই লঙ্ঘন করেছে। আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হলে ওয়াশিংটনকে অবশ্যই এই সমঝোতার শর্ত মেনে নিজ প্রতিশ্রুতিতে ফিরতে হবে। কারণ, বিশ্বের সব দেশই এখন গভীরভাবে এই যুদ্ধ নিয়ে উদ্বিগ্ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ