প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের কূটনৈতিক চুক্তিতে যাওয়ার প্রতি আগ্রহী নয়। বরং, ট্রাম্প প্রশাসন আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখতে চায়।
তেহরান ইউনিভার্সিটির গবেষক মোহাম্মদ এসলামি আল জাজিরার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের এই কৌশল সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সঙ্গে একটি ‘হিসাব-নিকাশ করা’ বা পরিকল্পিত সংঘাতের পথে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।
এসলামি উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের ভুল হিসাবের ভিত্তিতে এই যুদ্ধের সূচনা হলেও, সংঘাতের বর্তমান গতিপথ সম্পর্কে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) এখন বেশ আত্মবিশ্বাসী।
এই গবেষক সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার কারণে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি কতটা খারাপ হবে, তা সময়ই নির্ধারণ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমান ও ইরান ইতিমধ্যে একটি রূপরেখায় পৌঁছালেও, মার্কিনিরা মনে করছে যে, এখনই কোনো কূটনৈতিক চুক্তিতে যাওয়ার প্রয়োজন তাদের নেই।
তবে, ইরান মনে করে যে, এই সংকটের দ্রুত সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেই প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
তিনি বলেন, সম্মেলনে সব বৈঠকেই ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ)-এর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে। দুই দেশের প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রই লঙ্ঘন করেছে। আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হলে ওয়াশিংটনকে অবশ্যই এই সমঝোতার শর্ত মেনে নিজ প্রতিশ্রুতিতে ফিরতে হবে। কারণ, বিশ্বের সব দেশই এখন গভীরভাবে এই যুদ্ধ নিয়ে উদ্বিগ্ন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন