বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪০ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দুই ফার্মেসিকে জরিমানা করেছে।
বুধবার, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। অভিযানের ফলস্বরূপ ইউনিক ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা এবং একেএস ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ মন্তব্য করেন, "ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কিংবা অননুমোদিত ও ভেজাল পণ্য কোনোভাবেই বাজারজাত করতে দেওয়া হবে না।" তিনি আরও জানান, পণ্যের মান, মেয়াদ, সঠিক লেবেলিং এবং অনুমোদনের বিষয়গুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অনিয়মের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রোগী সেজে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা। তারা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন, যেখানে রোগীদের সেবা প্রদানে হয়রানি, টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল এগিয়ে দেওয়া এবং মৃত্যু সনদ প্রদানসহ বিভিন্ন অনিয়মের কথা উঠে এসেছে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুদকের একটি টিম হাসপাতালে অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে অভিযান চালানোর পর, দুপুর ২টার দিকে টিমের সদস্যরা হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক সুরাইয়া সুলতানার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে দুই সদস্য রোগী সেজে হাসপাতালের বিভিন্ন সেবা ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
দুদক জানায়, সকালে তাদের টিম হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, প্যাথলজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও রান্নাঘরসহ বিভিন্ন স্থানে পরিদর্শন করে। অভিযানে পাওয়া বিষয়গুলো নিয়ে কমিশনের কাছে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এরপর কমিশন থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান দুদক কর্মকর্তারা।
অভিযান শেষে সুরাইয়া সুলতানা বলেন, রোগীদের সেবা প্রদানে হয়রানি, টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল এগিয়ে দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে সার্বিক অব্যবস্থাপনা নিয়ে দুদকের কাছে অভিযোগ ছিল। কমিশনের অনুমতি নিয়ে এসব অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে সবচেয়ে গুরুতর যে বিষয়টি উঠে এসেছে, সেটি হলো টাকার বিনিময়ে মৃত্যু সনদ দেওয়ার অভিযোগ।
তিনি আরও বলেন, দুদকের দুই সদস্য সরেজমিনে রোগী সেজে হাসপাতালে গিয়ে কিছু অনিয়ম দেখতে পেয়েছেন। এসব বিষয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়েও কিছু সমস্যা পাওয়া গেছে বলে জানান সুরাইয়া সুলতানা। তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায় তাদের লোকবল কম। এই সমস্যার সমাধানে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
দুদকের এই কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালের নার্সদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং খাবার নিয়ে কিছু অভিযোগও তাদের কাছে এসেছে। এসব বিষয়ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অভিযানে পাওয়া অনিয়মগুলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক বিষয় উল্লেখ করে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করেই দুদক অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে পর্যবেক্ষণের বিষয়ে তারা আমাদের বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ইলেক্ট্রোমার্ট, যা কনকা, গ্রী এবং হাইকো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ও গৃহস্থালী সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত, ২০২৬ সালের চতুর্থ কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডসে ‘কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড হোম অ্যাপ্লায়েন্স ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ লাভ করে। একই সময়ে, প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি ও সিইও মো. নুরুল আফছার কমনওয়েলথ অঞ্চলে অসামান্য অবদানের জন্য ‘কমনওয়েলথ টপ ১০০ সিইও অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ এবং ‘কমনওয়েলথ কর্পোরেট লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেন।
সম্প্রতি, যুক্তরাজ্যের লন্ডনের মিলেনিয়াম গ্লুসেস্টার হোটেলের কেনসিংটনের কনজারভেটরি রুমে এই অ্যাওয়ার্ডসের আয়োজন করা হয়। কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ব্যক্তিগত এবং প্রতিষ্ঠানগত অবদানের জন্য স্বীকৃতি প্রদান করে, যা নেতৃত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, পেশাগত উৎকর্ষ এবং কমনওয়েলথ কমিউনিটিতে অবদানকে চিহ্নিত করে।
এই অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, পেশাজীবী, কূটনীতিক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। কেনিয়ার হাইকমিশনার, লেসোথোর হাইকমিশনার এবং লন্ডনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা মো. নুরুল আফছারের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী জানিয়েছেন যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে নিরপেক্ষভাবে ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় ফ্যাক্টচেকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে ম্যানুয়াল পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্যাক্টচেকিং করার জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জাতীয় সংসদকে অচিরেই অবহিত করা হবে।
আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে শেরপুর-১ আসনের বিরোধী দলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বট বাহিনী যদি অসত্য তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার করে, সেগুলোও ফ্যাক্টচেকিংয়ের আওতায় আসবে। তিনি বলেন, বিএনপি কোনো বট বাহিনী পরিচালনা করে না, তাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ফ্যাক্টচেকের সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নিরপেক্ষভাবে ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দ্রুত এবং প্রযুক্তিনির্ভরভাবে অপতথ্য শনাক্ত করতে স্বয়ংক্রিয় ফ্যাক্টচেকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির সদস্য আবুল হাসনাত প্রেস কাউন্সিলের বর্তমান আইনের আওতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বিদ্যমান প্রেস কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী মূলত প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত অপতথ্য বা বিভ্রান্তিকর সংবাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যায়। কিন্তু একই প্রতিষ্ঠানের অনলাইন সংস্করণে কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হলে তার বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগের সুযোগ নেই।
এ অবস্থায়, অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অপতথ্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি এবং প্রেস কাউন্সিল আইনকে যুগোপযোগী করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান তিনি।
জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু বিরোধী দলীয় সদস্যরাই নন, দেশের মা-বোনদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দলের সদস্য, প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের নিয়েও অনলাইনে আক্রমণাত্মক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তিনি জানান, প্রেস কাউন্সিলকে পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইন গণমাধ্যমকে প্রেস কাউন্সিলের আওতায় আনার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন কীভাবে প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়ে অন্যান্য দেশ কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে, তা সরকার পর্যালোচনা করছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শও করা হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরামর্শ ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় একটি কার্যকর ও সুন্দর কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং প্রেস কাউন্সিলকে যুগোপযোগী করার প্রক্রিয়াও দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ