ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর


অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যাংক ঋণ ও সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রচলিত অর্থায়ন কাঠামো কার্যকর নয়। তাই ‘ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্সিং’ বা সমন্বিত অর্থায়ন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ আয়োজনে ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতিক কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্মেলনে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে অর্থায়নের নানা বিকল্প উৎস রয়েছে। সিন্ডিকেটেড ফাইন্যান্সিং, বিভিন্ন ফান্ড ম্যানেজার ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের বাইরেও অর্থায়নের সুযোগ দিচ্ছে। তাই শুধু ব্যাংক ঋণ বা সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভর করার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এই পরিবর্তনের প্রয়োজন শুধু বেসরকারি খাতের জন্য নয়, ব্যাংক খাত ও সরকারের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। নতুন আর্থিক কাঠামো, নতুন অর্থায়ন পদ্ধতি এবং নতুন চিন্তার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপে মুসলমানদের উপস্থিতি সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ: খাদ্যমন্ত্রী

এছাড়া, সরকারের ঋণ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অতীতে বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক উৎস থেকে নেয়া ঋণের ব্যয় এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যখন সরকার স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নেয়, তখন তার চাপও বাড়ে। গত এক দশকে এই প্রবণতা ঋণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শুধু সুদ পরিশোধের জন্য প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়েছে। ফলে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বা ‘ফিসকাল স্পেস’ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।

মূলধন বাজারকে অর্থায়নের প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বড় বড় বিনিয়োগের অর্থায়ন মূলধন বাজার থেকেই আসা উচিত। ইক্যুইটি এবং ঋণ; উভয় ধরনের অর্থই মূলধন বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ সুদে ঋণ নেয়, অথচ বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৭ থেকে ৮ শতাংশ খরচে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে, তাহলে ব্যয়ের পার্থক্য বিশাল। ব্যবসার ক্ষেত্রে ঋণের খরচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তিনি বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ সৎ ও পেশাদারভাবে পরিচালিত ব্যবসা নিয়মিতভাবে ৪ থেকে ৬ শতাংশের বেশি নিট মুনাফা করতে পারে না। কিন্তু উচ্চ সুদের ঋণের কারণে সেই মুনাফার বড় অংশ ব্যয় হয়ে গেলে ব্যবসার টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

সরকারি অর্থায়ন কাঠামো পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগে সরকারের অর্থায়নের প্রধান উৎস ছিল বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক ঋণ, স্থানীয় অর্থায়ন এবং কর রাজস্ব। কিন্তু বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তনের কারণে এসব উৎসের ব্যয় বেড়েছে। আগে বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলো ১ শতাংশেরও কম সুদে ঋণ দিত। এখন অনেক ক্ষেত্রে তা ২ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যাংক ঋণের সুদের হারও তুলনামূলক বেশি, আর কর-জিডিপি অনুপাত এখনও নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

আমির খসরু মাহমুদ বলেন, সরকারি অর্থায়ন কাঠামোকে নতুন করে মূল্যায়ন ও পুনর্বিবেচনা করার প্রয়োজন রয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় যে পরিবর্তন এসেছে, তা বিশ্বের সব দেশের অর্থনীতিকেই প্রভাবিত করেছে। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি। এ কারণে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি ভিন্নধর্মী আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি যোগ করেছেন, সরকারের পক্ষে সব ধরনের ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান সরকারি মালিকানাধীন হলেও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেগুলোর সরকারের অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রকৃত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মতো পরিচালিত হতে হবে। নিজেদের প্রয়োজনীয় অর্থ বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হবে এবং নিজেদের আয় দিয়েই পরিচালিত হতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে সেটিকে ব্যবসার নিয়ম মেনেই চলতে হবে। একদিকে সরকারি মালিকানা থাকবে, অন্যদিকে লোকসান হলে সরকারি কোষাগার থেকে সহায়তা দেয়া হবে; এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর নয় এবং অতীতেও কার্যকর ছিল না। বাংলাদেশেও এমন ব্যবস্থার নানা উদাহরণ রয়েছে। তাই সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিজস্ব অর্থায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় রিকশাচালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


বরগুনায় রিকশাচালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বরগুনায় পুলিশ এক রিকশাচালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে পাথরঘাটা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে মিজানুর রহমানের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মিজানুর রহমান (৪০) পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের মৃত সফেজ উদ্দিনের ছেলে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মিজানুর রহমান তার বাসার সামনে রিকশা চার্জে রেখে রাত ১১টার দিকে ঘরে ফিরেছিলেন। রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। তবে গভীর রাতে কখন তিনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন, তা পরিবারের কেউ টের পাননি।

এরপর শনিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর স্থানীয়রা বাড়ির সামনের সড়কে মিজানুর রহমানের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে, পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

মিজানুরের স্ত্রী পারভীন আক্তার জানান, রাতে স্বাভাবিকভাবে সবাই ঘুমাতে যান এবং তারা সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে স্বামীর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

এদিকে নিহতের বড় ভাই শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর আগে প্রতিপক্ষ নিজেদের ঘরে আগুন দিয়ে তাদের পরিবারকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই মিজানুর রহমানকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার খবর পেয়ে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) শাহেদ আহমেদ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিখোঁজের তিনদিন পর গোপালগঞ্জে যুবকের লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


নিখোঁজের তিনদিন পর গোপালগঞ্জে যুবকের লাশ উদ্ধার

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর শাহিন শেখ (১৮) নামে একটি যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শাহিন শেখ পার্শ্ববর্তী ঘোষেরচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের রবিউল শেখের ছেলে।

শনিবার সকাল ১১টার সময় চরমানিকদাহ গ্রামের মৃনাল বিশ্বাসের বাড়ির পাশে একটি পুকুর থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম জানান, তিন দিন আগে সন্ধ্যার পর থেকে শাহিন নিখোঁজ ছিল। বাড়ির লোকজন নানা স্থানে তার খোঁজাখুঁজির চেষ্টা করলেও তাকে পায়নি। এরপর শনিবার এলাকাবাসী নিহতের মরদেহ পুকুরের পানিতে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে পরে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ মর্গে পাঠায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ৪ জন হতাহত, ইউক্রেনের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ পি.এম


ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ৪ জন হতাহত, ইউক্রেনের দাবি

ইউক্রেন রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং আরও অন্তত তিন ব্যক্তি আহত হয়েছে।

ড্রোন হামলায় সৃষ্ট আগুন নেভাতে প্রায় একশ’ জন লোক কাজ করছে। শনিবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।

এ বিষয়ে খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ক্রাসনোদার ক্রাই-এর গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ টেলিগ্রামে তাঁর পোস্টে জানান, ‘ইউক্রেন রাশিয়ার তেমরিউক জেলায় হামলা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে সমুদ্রবন্দরের একটি টার্মিনালে আগুন ধরে যায় এবং এই হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হয়।

তিনি আরও জানিয়ে দেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী অন্তত তিন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ঘটনার স্থলে জরুরি ও বিশেষায়িত সেবা সংস্থাগুলো সেবা কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র হামলায় কৃষকসহ ১৭ জনের মৃত্যু, আহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র হামলায় কৃষকসহ ১৭ জনের মৃত্যু, আহত ৫

ঢাকা, ১৩ জুন, ২০২৬ : নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শুক্রবার বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ জন কৃষক নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন।

কৃষি মৌসুম শুরুর পর কৃষকদের ওপর চলমান সহিংসতার এটি সর্বশেষ ঘটনা। স্থানীয় কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নাইজেরিয়ার উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ‘জিহাদি গোষ্ঠী’ এবং ‘ব্যান্ডিট’ নামে পরিচিত সশস্ত্র অপরাধী চক্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। এই গোষ্ঠীগুলো মুক্তিপণের জন্য অপহরণ এবং গবাদিপশু লুটসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। এরা হামলা চালায় এবং কৃষকদের নিজেদের জমিতে প্রবেশের জন্য কর আরোপ করে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলে আসা বন্দুকধারীরা নিজেদের সাধারণ দর্শনার্থী হিসাবে পরিচয় দেয় এবং জামফারা রাজ্যের মারাদুন জেলার গোরন নামায়ে গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় জমিতে কাজ করা কৃষকদের ওপর গুলি চালায়। এতে ১৭ জন নিহত হয়েছে এবং ৫ জন আহত হয়েছেন।

মারাদুন জেলার রাজনৈতিক প্রশাসক সানুসি দোসারা জানিয়েছেন, ‘আজ সকালে গোরন নামায়ে এলাকায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছে।’

তিনি এই ধারাবাহিক হামলাকে ‘২০২৬ সালের কৃষি কার্যক্রম ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত নোংরা হামলা’ বলেও উল্লেখ করেন।

স্থানীয় নেতা আবুবকর জারা জানান, ‘আমরা নিহত ১৭ জনকে দাফন করেছি। আহত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষকদের সুরক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

গোরন নামায়ে এলাকার বাসিন্দা মানসির মুহাম্মদ একই নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলেন, হামলাকারীরা নিজেদের দর্শনার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল এবং অস্ত্র লুকিয়ে রেখে কৃষকদের কাছে এসে তা বের করে গুলি চালায়।

আরেক বাসিন্দা নুরা মুসা জানান, কয়েক সপ্তাহ আগে গ্রামে হামলার সময় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা ১৩ জন বন্দুকধারীকে হত্যা করেছিল। ওই ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবেও এই হামলা হতে পারে।

নাইজেরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বর্ষা মৌসুম শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই उत्तरাঞ্চলের বহু কৃষক সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার কারণে তাদের জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই কারণে আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশটির খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে।

একই জেলার অপর একটি গ্রামের ৩৯ জন প্রবীণকে রোববার অপহরণ করা হয়েছে। কৃষিজমিতে চাষাবাদের অনুমতি পেতে এক গ্যাং প্রধানের ক্যাম্পে শান্তিচুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়েছিলেন ভুক্তভোগীরা।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মঙ্গলবার সতর্ক করে জানিয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কারণে বিস্তৃত নিরাপত্তাহীনতা সরকারি রাজস্ব ও রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%