জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৩:১৫ পি.এম
রাজবাড়ীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ভোরে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়া মুখী আঞ্চলিক মহাসড়কে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের কারণে কিছু সময়ের জন্য যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ইয়াছির আরাফাত রামিমের নেতৃত্বে শতাধিক নেতা ও কর্মী মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মিছিলে থাকা ব্যানারে শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, সজিব ওয়াজেদ জয় এবং জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপুর ছবি প্রদর্শিত হয়।
রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের জন্য এটাই প্রথম মিছিল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মিছিলটি শনিবার সকাল ৬টায় শুরু হয় এবং স্থানীয়রা জানান, এ সময় রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কের যানবাহন চলাচল ১০ মিনিটের জন্য অচল হয়ে পড়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের জন্য কয়েকশ কোটি ডলারের তহবিল ছাড়তে রাজি হয়েছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যে তেহরানের পক্ষ থেকে আমিরাতে হামলা চালানো হয় দাঁড়িয়ে। এর পর ধনী উপসাগরীয় দেশটি নিজেদের কৌশলে পরিবর্তন আনতে উদ্যোগ নিয়েছে। এই তথ্য চারটি সূত্র সাংবাদিকদের কাছে নিশ্চিত করেছে।
এটা এমন একটি সময়ে প্রকাশিত হয়েছে, যখন যুদ্ধ বন্ধ করার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে ইরানের তেল বিক্রির বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকা রয়েছে। কূটনীতিকদের মতে, চলমান আলোচনা শেষে সেই অর্থ ছাড় হতে পারে।
দুটি আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে, আমিরাত মোট ১০ বিলিয়ন (১ হাজার কোটি) ডলার ছাড় করতে সম্মত হয়েছে, যার মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ইতিমধ্যেই তেহরানকে দেওয়া হয়েছে।
আরও দুটি সূত্র বলছে, আবুধাবি তেহরানের জন্য মোট ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড় করবে। আরব আমিরাতের ভূখণ্ডে ইরান হামলা চালাবে না—এমন শর্তে এই অর্থ ছাড় দেওয়া হবে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি ৩ বিলিয়ন ডলার প্রথম কিস্তির হিসেবে প্রদান করা হয়েছে। এদিকে, এই অর্থের উৎস সম্পর্কে রয়টার্স নিশ্চিত হতে পারেনি।
শনিবার (১৩ জুন) ভোরে আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে, ৩ বিলিয়ন ডলার হস্তান্তরের খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। তবে এ বিষয়ে আর কোনও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এর আগে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, আমিরাতের একজন কর্মকর্তা বলেন, তারা উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, "উত্তেজনা প্রশমন এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনাই আমিরাতের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য।" এই সংঘাতের ভয়াবহ পরিণতি থেকে পুরো অঞ্চলের মানুষকে বাঁচাতে যুক্তরাষ্ট্রের গঠনমূলক চেষ্টাকে আমিরাত সমর্থন করে।
আগস্ট ৪ মে ইরান সর্বশেষ সরাসরি হামলা চালায়।
এই পদক্ষেপের বিষয়ে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সই বা বৈঠক করলেই ইরানের অর্থ ছাড় হবে না।
তার মতে, সম্ভাব্য চুক্তিটি এমনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে তেহরান তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করলেই তারা অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে।
রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্যের জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাত্ক্ষণিক সাড়া মেলেনি।
এটি একটি সংবেদনশীল সমস্যা হওয়ায় উল্লেখিত সূত্রগুলো নিজেদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি।
এই সমঝোতা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানের মধ্যে প্রকাশ্য শত্রুতার ক্ষেত্রে নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যুদ্ধের সময়ে দুই দেশের মধ্যে চরম বৈরিতা বজায় ছিল। ইরানি হামলায় দুবাইয়ের হোটেলগুলো ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল এবং বহু প্রবাসী দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন।
সম্প্রতি, বিষয়টি মার্কিন-ইরান সংঘাত সমাধানে অভিনব উপায় তৈরি করেছে, যেখানে কোনো পক্ষকেই নিজেদের লাল রেখা অতিক্রম করতে হচ্ছে না। ইরান যুদ্ধের ক্ষতিপূরণের দাবি করতে পারবে এবং ওয়াশিংটনও যুক্তি দিতে পারবে যে তারা কোনও অর্থ দেয়নি। আবুধাবি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।
অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান আরব আমিরাতে সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বন্ধ রাখবে এই অর্থ ছাড়ের বিনিময়ে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠন হবে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত দু'টি আরব দেশের সঙ্গে একই ধরনের সমঝোতা করতে যোগাযোগ করেছে।
আরব আমিরাতে ইরানের সর্বশেষ সরাসরি হামলাটি এক মাসেরও বেশি সময় আগে, ৪ মে ওমান উপসাগরে অবস্থিত ফুজাইরাহ বন্দরে।
প্রথম সূত্রের তথ্যমতে, কয়েক সপ্তাহ আগে আলোচনা শুরু হয়েছিল। তখন গত সপ্তাহে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কর্মকর্তারা আবুধাবিতে আসেন। তারা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও আবুধাবির উপ-শাসক শেখ তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সাথে বৈঠক করেন।
ওই সফরের পর এই লেনদেনের খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে আরব আমিরাতের কর্মকর্তারা তেহরান সফর করেন।
দুবাইয়ে আটকে থাকা ইরানের সম্পদসংক্রান্ত বিষয়টি এই চুক্তির সঙ্গে জড়িত। দুবাই আমিরাতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক শহর এবং ইরানের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
দুবাইয়ের ব্যাংকগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ ইরানি অর্থ জমা আছে, যার বেশিরভাগ মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে আটকা রয়েছে।
গত ১১ এপ্রিল ইরানের একটি শীর্ষস্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল, ইরানের সম্পদ ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে। কিন্তু মার্কিন এক কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
সংবেদনশীল হওয়ার কারণে নাম প্রকাশে অস্বীকারকারী সূত্রটি জানিয়েছে, এই সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার’ সঙ্গে সম্পর্ক আছে। এটি চলমান সংঘাত বন্ধের আলোচনা সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন।
আজ দুপুর ২ টায় পিএমখালি ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখননের কার্যক্রম শেষ করে তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ছিলেন। তাঁরা পার্কের ভেতরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর উচ্ছ্বাসিত মনোভাব ছিল এই সময়।
এর আগে, কক্সবাজার বিমানবন্দরে নামার পর তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচির স্থলে যান। পাশের আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে বসিয়ে তিনি যাত্রা শুরু করেন।
সেখান থেকে আবারও নিজে গাড়ি চালিয়ে তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে আসেন।
এ সময় পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনগণ এবং দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে, হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং স্লোগান দিতে থাকেন।
কক্সবাজার, যে সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত, সেখানে বহু পর্যটক গেলেও এই জেলার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে সাফারি পার্ক। এটি দেশের প্রথম সাফারি পার্ক। সেখানে পাহাড়, বন, জলাধার আর উন্মুক্ত পরিবেশে বিচরণকারী শত শত প্রাণী রয়েছে, যা এক অনন্য বন্য প্রাণীর জগত।
ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার অন্তর্গত। চট্টগ্রাম শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০৭ কিলোমিটার এবং কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে এই সাফারি পার্কের যাত্রা শুরু হয়, যখন ৪২ দশমিক ৫ হেক্টর বনভূমি নিয়ে বন বিভাগ একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র গড়ে তোলে। পরে দেশের প্রথম সাফারি পার্কের প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মধ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
পরে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে তিনি সংরক্ষিত বনকে ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছরে এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
প্রথম ধাপে দেশের ৪৯টি জেলার ১৪৯টি উপজেলায় দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেমে নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচির স্থলে যান। এ সময় তার পাশে বসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
এছাড়া গাড়িতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ।
এরপর আবারও প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে পৌঁছান। এসময় পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনতা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন থানার আওতাধীন এলাকায় পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে অপরাধে জড়িত ৬১ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
গ্রেফতারকৃত ৬১ জনের মধ্যে রয়েছে মো. জাহিদ (২৩), মো. শুভ (২৩), মো. নাঈম (১৮), মো. হযরত আলী (১৯), মো. তাইজুল ইসলাম তুহিন (২২), রাসেল (৩২), মো. আমির হোসেন (২৩), মো. মুন্না (৩২), মো. রুবেল খা (৪০), মো. আরজু (৩৭), মো. শিহাব (২০), মো. পাভেল (২২), মোমিনুল আমিন (৪১), আব্দুস সাত্তার, মো. তামীম (২০), মো. রাকিব (১৮), মো. মাহবুব (২০), মো. রাহুল (১৯), মো. মনির হোসেন, মো. রায়হান (১৯), সোহেল ওরফে মামুন (৩০), মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৮), মো. মিজানুর রহমান (২৮), মো. মাসুদ রানা (৩০), আবু সাঈদ (২৮), আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৫), রফিকুল ইসলাম (২০), মো. তুষার আহমেদ রনি (৪০), মো. আকাশ (২১), মো. নাহিদ (১৯), মো. ইরফান (২১), মো. শাকিল (২০), মো. হান্নান (২৫), মো. সুজন (২০), তানভীর ইসলাম রাতুল (২০), আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত এক শিশু, মো. আকাশ (২১), মো. রাব্বি (১৮), মো. কোরবান, রাজু ওরফে মো. এরশাদ (২০), মো. মেহেদী কাউসার (৩৩), মো. আরিফ (৪৫), মো. সাইদুল ইসলাম বাবু (২৩), মো. রাজ (২০), মো. বিজয় (২৫), মো. হারুনঅর রশিদ গোলাপ (২৫), মো. মেহফিল উদ্দিন (১৯), মো. মাহবুব (২০), মো. মহসিন (৩৫), সোহেল (৩৫), বিশ্বজিৎ কুমার (২৪), ইমরান হোসেন (২৪), মো. ইয়াছিন কাজী (২০), মো. রাঝি (১৮), মো. নয়ন (১৮), মো. আমিনুল (২৮), মো. রবিউল ইসলাম (২২), মো. আলিম (২২), তানভীর আহম্মেদ (১৮), মো. নুর আলামিন (৩০) এবং মো. তারিকুল ইসলাম (৩০)।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন সংবাদ নিশ্চিত করেন। তিনি জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ৬১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানা এলাকা থেকে পাঁচজন, শেরেবাংলা নগর থানা থেকে পাঁচজন, মোহাম্মদপুর থানা থেকে ৩৩ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা থেকে পাঁচজন, আদাবর থানা থেকে নয়জন এবং হাতিরঝিল থানা এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিয়মিত এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ