সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
০৯:০২ পি.এম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান-এর সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ব্র্যাক রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সিরাজগঞ্জের জেলা কো-অর্ডিনেটর মাহফুজুর রহমান।
আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১:০০ টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে মাননীয় উপ-উপাচার্য মহোদয়ের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও মেধা বিকাশ, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ সৃষ্টি, তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় মাহফুজুর রহমান ব্র্যাকের বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সঙ্গে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, অ্যাকাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি, নেতৃত্বগুণ, উদ্যোক্তা মনোভাব ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মতবিনিময়কালে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান ব্র্যাকের প্রস্তাবিত সহযোগিতামূলক উদ্যোগসমূহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় একটি মানসম্মত, দক্ষতা ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অর্জন নয়, বরং বাস্তবমুখী দক্ষতা, সৃজনশীলতা, নৈতিক মূল্যবোধ ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের বিকশিত করার সুযোগ সৃষ্টি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে ব্র্যাকের মতো উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
মতবিনিময় সভায় উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এ-সময় ব্রাকের মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সহকারী এলাকা ব্যবস্থাপক শিফা আক্তার বৃষ্টি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কংগ্রেসে নতুন ‘লিভিং ওয়েজ ফর অল অ্যাক্ট’ বিলটি উত্থাপন করা হয়েছে। বর্তমান ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ৭.২৫ ডলার এবং এটি ২০০৯ সাল থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন এ প্রস্তাবে মজুরি বাড়িয়ে ঘণ্টায় ২৫ ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিলটি প্রথম ২৮ এপ্রিল প্রতিনিধি পরিষদে এবং পরে ২৫ জুন সিনেটে উত্থাপন করা হয়। সিনেটে এই বিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি, আর প্রতিনিধি পরিষদের প্রধান উদ্যোক্তা হলেন কংগ্রেসওম্যান ডেলিয়া রামিরেজ। বর্তমানে উভয় কক্ষে বিলটি সংশ্লিষ্ট কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
প্রস্তাব অনুসারে, ধাপে ধাপে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ২৫ ডলারে উন্নীত করা হবে। প্রতিনিধি পরিষদে বিলের সংস্করণ অনুযায়ী, বড় ও লাভজনক কোম্পানিগুলোকে ২০৩১ সালের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামোয় যেতে হবে। ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য কর্মীদের মজুরি সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
সিনেটের সংস্করণে বড় কোম্পানির জন্য সময়সীমা ২০৩২ এবং অন্যান্য ব্যবসায়ের জন্য ২০৩৯ সাল পর্যন্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, দুই কক্ষের সংস্করণে সময়সীমার ক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
বর্তমান ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ৭.২৫ ডলার। যদি প্রস্তাবটি কার্যকর হয়, তবে এটি এক ধাপে নয়, বরং কয়েক বছরের মধ্যে বৃদ্ধির মাধ্যমে ২৫ ডলারে নেওয়া হবে।
এছাড়াও, বিলটিতে ভবিষ্যতে জাতীয় মধ্যম ঘণ্টাপ্রতি মজুরির দুই-তৃতীয়াংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত ন্যূনতম মজুরি সমন্বয়ের ব্যবস্থা রাখার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি টিপসনির্ভর, তরুণ ও প্রতিবন্ধী কর্মীদের জন্য বিদ্যমান কিছু সাবমিনিমাম ওয়েজ ধীরে ধীরে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে, বিলটির পথে কতটুকু বাধা আসবে সে সম্পর্কে এখনও নির্দিষ্ট কিছু বলা সম্ভব নয়। কংগ্রেসের বর্তমান অবস্থায় এটি কমিটির পর্যায়ে রয়েছে, এবং বাস্তবায়নের জন্য প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের অনুমোদন এবং প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। এ কারণে প্রস্তাবটি আইন হতে পারে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।
বিলের সমর্থকরা বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে কর্মীদের মজুরি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। অন্যদিকে ব্যবসায়িক মহলে উদ্বেগ রয়েছে ফেডারেল পর্যায়ে এত বড় মজুরি বৃদ্ধির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ন্যূনতম মজুরি কিভাবে হওয়া উচিত, এ নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিতর্ক বাড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৭ হাজার ৪৬৭ দশমিক ১৮ মিলিয়ন বা ৩৭ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে, ২৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৭ হাজার ৪৬৭ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৬১৬ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
এর আগে ২০ আগস্ট পর্যন্ত দেশে গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৭ হাজার ৩৪৮ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভ ছিল ৩২ হাজার ৫৩২ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার।
নিট রিজার্ভ গণনার জন্য আইএমএফের বিচারে বিপিএম-৬ এর পরিমাপ অনুসরণ করা হয়। মোট রিজার্ভের পরিমাণ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ট্রাইব্যুনালের বিচারককে অবিলম্বে ফৌজদারি মামলার বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে আজ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের দেওয়া রায়ে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদকে অবিলম্বে ফৌজদারি মামলার বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ সম্পর্কে হাইকোর্ট বলেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রদানটা অনেকটা 'মাইন্ডলেস সেন্টেন্স'। অর্থাৎ যে জুডিশিয়াল মাইন্ড থাকার প্রয়োজন ছিল, তিনি (ট্রাইব্যুনালের বিচারক) সে জুডিশিয়াল মাইন্ড প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর ১০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দিয়ে আজ রায়ে দেন হাইকোর্ট।
এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের যে রায়ে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে তারা হলেন, সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম। আজকের রায়ে যে ৪ আসামির সাজা কমিয়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে তারা হলেন, মাদ্রাসা ছাত্র নুর উদ্দিন, সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের ও উম্মে সুলতানা পপি।
এদিকে, মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পাওয়া ১০ জন হলেন- সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, কামরুন নাহার মণি, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে এই মামলা শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির। আসামিপক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, এস এম শাহজালাল, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, মোহাম্মদ শিশির মনির ও অন্যান্য আইনজীবীরা।
ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সেই রায়ে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য গত ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বিশেষ এই বেঞ্চে ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলাটি শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়। শুনানি শেষে আজ এই মামলার রায় দেন হাইকোর্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার ৪৫ জন পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যকে ভালো কাজ ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত করা হয়েছে। এই পুরস্কার আজ সোমবার সকালে পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম তাদের হাতে তুলে দেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। সভা শেষে অবসরজনিত পিআরএলে যাওয়া জেলা পুলিশের চারজন সদস্যকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রাজিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সাখাওয়াত হোসেন, সার্কেল কর্মকর্তা, শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক এবং জেলার সকল থানার ওসিসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ