ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অক্টোবরের পাঁচ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫১৩ মিলিয়ন ডলার


অক্টোবরের পাঁচ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫১৩ মিলিয়ন ডলার

প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম পাঁচ দিনে (১ থেকে ৫ অক্টোবর) ৫১৩ মিলিয়ন বা ৫১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর মধ্যে ৫ অক্টোবর একদিনেই ১০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরে (২০২৬-২৭) ১ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ মাসিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে (১-৫ অক্টোবর, ২০২৫) রেমিট্যান্স এসেছিল ৪২২ মিলিয়ন ডলার। এর মানে হলো, গত বছরের তুলনায় চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনে ৯১ মিলিয়ন ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

আরও পড়ুন: পাহাড়ের ঘরে ঘরে তাঁতের খটখট শব্দে অর্থনৈতিক মুক্তির নতুন সুর: পার্বত্য অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনন্য উদ্যোগ

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ১০৪ মিলিয়ন (৯.১০ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স দেশে প্রবাহিত হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই থেকে ৫ অক্টোবর, ২০২৫) এই পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৮ মিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে এই সময়ে বছরওয়ারি (ইয়ার-অন-ইয়ার) প্রবৃদ্ধি ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন যে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আনবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনজিও ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারের অংশীদারত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩০ এম


এনজিও ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারের অংশীদারত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, এনজিও, বেসরকারি খাত এবং সরকারের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এনজিও খাতে টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করার জন্য সময়সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সম্মেলন কক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে: বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দেশে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের সমাধান এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা শুধু শুনতে চাই না, তার কার্যকর রেসপন্স করতে চাই।” তিনি বলেন, মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি রক্ষা এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন। সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনজিও ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে কাজ করছেন। এই অংশীদারত্বকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত রূপ দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

এনজিও, বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের সার্বিক সেবা সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এনজিওদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এনজিওদের টেকসই অর্থায়নের পথ সুগম করার আহ্বান জানান।

শীতলপাটিসহ দেশের স্থানীয় কারুশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব ঐতিহ্যবাহী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে আধুনিক ডিজাইন, মূল্য সংযোজন এবং মার্কেটিং প্রমোট করতে হবে। প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রেও চারটি বিষয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এগুলো হলো- ভ্যালু ফর মানি, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা। অর্থমন্ত্রী বলেন, এই চার শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না।

সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সেনাপ্রধান ধীরাজের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩০ এম


ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সেনাপ্রধান ধীরাজের বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

এই আলোচনায় ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে জোরদার করার বিভিন্ন পদক্ষেপের ওপর আলোচনা করা হয়।

এর আগে, মঙ্গলবার দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী।

সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এরও আগে, গত ১১ আগস্ট নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত এ ভারতীয় হাইকমিশনার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রয়োজন ফুরালেই কি ফুরিয়ে যায় সম্পর্ক? স্বার্থপরতার নির্মম বাস্তবতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাছুদুর রহমান আসলাম

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩২ এম


প্রয়োজন ফুরালেই কি ফুরিয়ে যায় সম্পর্ক? স্বার্থপরতার নির্মম বাস্তবতা

মানুষ সামাজিক জীব, আর এই সমাজে টিকে থাকার জন্য সম্পর্ক গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। তবে বর্তমান যুগে মানুষের সম্পর্কের ধরন এবং মানদণ্ড যেভাবে দ্রুত বদলে যাচ্ছে, তাতে মনে প্রশ্ন জাগে—সম্পর্ক কি হৃদয়ের বাঁধন, নাকি কেবলই লেনদেনের একটি মাধ্যম? বাস্তবতা কখনো কখনো আমাদের এমন কিছু মানুষের প্রকৃত চেহারা চিনিয়ে দেয়, যাদের একসময় নিজের চেয়েও বেশি আপন বলে মনে হতো। যাদের জন্য অনায়াসে নিজের মূল্যবান সময়, হাড়ভাঙা শ্রম, সাধ্য এবং ব্যক্তিগত স্বার্থকে একপাশে সরিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম, সময়ের নির্মম ব্যবধানে তারাই বুঝিয়ে দেয়—কিছু সম্পর্কের আড়ালে আসলে কোনো ভালোবাসা বা অনুভূতি থাকে না, থাকে কেবলই সূক্ষ্ম স্বার্থপরতা।

আমি নিজেও একাধিকবার জীবনসংগ্রামের এই তিক্ত বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছি। কারো কঠিন কিংবা সংকটের দিনে নিঃসংকোচে পাশে দাঁড়িয়েছি, নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। বহুবার নিজের তাগিদ কিংবা প্রয়োজনকে পেছনে ঠেলে অন্যের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। তখন সরল মনে বিশ্বাস করতাম—মানুষ অন্তত ভালোবাসার খাতিরে হলেও মানুষের পাশে থাকার বিষয়টি মনে রাখে, সহমর্মিতা ও উপকারের কদর করে।

কিন্তু সময়ের চাকা ঘোরার সাথে সাথে সেই ভুল ধারণা ভেঙে চুরমার হতে সময় নেয়নি।

যতদিন আমার মেধা, বুদ্ধি, শ্রম, সামাজিক পরিচিতি কিংবা সার্বিক সহযোগিতার প্রয়োজন অন্য কারো ছিল, ততদিন আমি তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলাম। প্রয়োজনের সময়ে ঘন ঘন ফোন এসেছে, মিষ্টি মধুর কথায় পাশে থাকার আকুল অনুরোধ জানানো হয়েছে, খুব আপনজন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ যেই মুহূর্তে প্রয়োজন ফুরিয়ে এসেছে কিংবা তাদের স্বার্থসিদ্ধি হয়ে গেছে, অমনি সেই উষ্ণ সম্পর্কের পারদ নিমেষেই হিমাঙ্কে নেমে গেছে।

জীবনের সবচেয়ে বড় আঘাত ও কষ্ট তখনই লাগে, যখন আবিষ্কার করতে হয়—যাদের বিপদে কোনো প্রতিদানের আশা না করে নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, সুযোগ পেলেই আড়ালে তারা আমারই সমালোচনা করছে। সামনে এক রকম মিষ্টতা আর আড়ালে বিষাক্ততা—এই দ্বিমুখী বা দ্বৈত আচরণ মানুষের মনের ভিত নাড়িয়ে দেয়। তখন নিজের অজান্তেই মনে প্রশ্ন জাগে—এই সম্পর্কটা কি আদৌ কোনো সত্যিকারের বন্ধন ছিল, নাকি পুরোটাই ছিল প্রয়োজনের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এক নাটক?

স্বার্থপর মানুষের সবচেয়ে নির্মম দিক হলো, তারা আপনার অতীত ত্যাগ, ঘাম কিংবা রক্ত জল করা উপকারের কথা কখনোই স্মরণে রাখে না। তারা কেবল বর্তমানের হিসেবনিকেশ কষে—আজ আপনি তার জন্য কতটা দরকারী বা লাভজনক। আপনি যতদিন তাদের কিছু দিতে পারবেন, ততদিন আপনার কদর থাকবে, খাতির থাকবে। আর যখনই আপনার দেওয়ার ক্ষমতা বা সুযোগ কমে আসবে, ঠিক তখনই আপনার অজস্র ভালো কাজগুলো স্মৃতির অতলে হারিয়ে যাবে।

এই কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়ে আমি একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি—আমি আর কারো কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বা মূল্য প্রমাণ করার লড়াইয়ে নামব না। কাউকে অতীতে করা উপকারের বিনিময়ে কৃত্রিম ভালোবাসা, সহানুভূতির জোড়াতালি কিংবা কোনো কৃতজ্ঞতাও আশা করি না। আমি শুধু এটুকু চাই—সম্পর্ক যদি টিকিয়ে রাখতে হয়, তবে তা যেন প্রয়োজনের তাগিদে নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবে অন্য মানুষকে শ্রদ্ধা ও সম্মান দেওয়ার জায়গা থেকে গড়ে ওঠে।

কারণ, যে কোনো সম্পর্কের আসল অগ্নিপরীক্ষা প্রয়োজনের সময়ে নয়, বরং প্রয়োজন শেষ হওয়ার পর শুরু হয়। যে মানুষটি আপনার কাছ থেকে কোনো বৈষয়িক বা ব্যক্তিগত সুবিধা না পেয়েও আপনার পাশে থাকে—তার মূল্য সত্যিই আলাদা। তাকেই আগলে রাখা উচিত। আর যারা প্রয়োজন মেটার সাথে সাথে আপনাকে দূরে ঠেলে দেয়, তাদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের মূল্যবান সময় ও মানসিক শান্তি নষ্ট করার কোনো অর্থ হয় না।

মনে রাখা দরকার, যেকোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার একক দায়িত্ব কখনোই একজনের হতে পারে না। যে জায়গায় আপনার আত্মসম্মানবোধ ক্ষুণ্ন হয়, যেখানে আপনাকে একজন 'মানুষ' হিসেবে না দেখে কেবল একটি 'প্রয়োজনীয় বস্তু' হিসেবে বিবেচনা করা হয়—সেখান থেকে নিঃশব্দে সরে আসাই পরম বুদ্ধিমত্তা ও আত্মসম্মানের পরিচয়। কারো প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে যদি আপনার গুরুত্বও ফুরিয়ে যায়, তবে জেনে রাখুন—আপনি কিছুই হারাননি; বরং খসে পড়েছে একটি সম্পর্কের মিথ্যে মুখোশ। আর মাঝে মাঝে এই মুখোশ খুলে যাওয়াটাই হয়তো জীবনের সবচেয়ে কষ্টের, কিন্তু সবচেয়ে সত্য ও শিক্ষণীয় অধ্যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পুলিশের প্রস্তুতি, পূজা হবে ১৬০ মণ্ডপে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো.রাজিব তালুকদার :

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ এম


ঝালকাঠিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পুলিশের প্রস্তুতি, পূজা হবে ১৬০ মণ্ডপে

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঝালকাঠিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ। জেলার ১৬০টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে ঝালকাঠি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা।
সভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুন আল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (রাজাপুর-কাঠালিয়া সার্কেল) মো. শাহ আলম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মো. হুমায়ুন কবির, ঝালকাঠি সদর থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম, নলছিটি থানার ওসি তৌহিদুজ্জামান, রাজাপুর থানার ওসি সুজন বিশ্বাস, কাঠালিয়া থানার ওসি নাছের রায়হায় এবং ট্রাফিক বিভাগের টিআই (অ্যাডমিন) মো. মেহেদী হাসান।

এ ছাড়া বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ঝালকাঠি জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অলোক সাহা, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি দিলীপ হালদার, রাজাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি রতন দেবনাথ, নলছিটি উপজেলা শাখার সভাপতি পলাশ সজ্জন এবং কাঠালিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র ভূষণ দাসসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন চলাচল ও সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সমস্যা, চাহিদা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ঝালকাঠির চার উপজেলায় মোট ১৬০টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দও পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%