সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫০ পি.এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বিভিন্ন দপ্তরে পরিদর্শন করেছেন, যা কর্মকর্তাদের কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবং প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে অফিস সময় শুরু হওয়ার পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর ও বিভাগ সরেজমিনে পরিদর্শনে বের হন।
এই পরিদর্শনের সময় উপাচার্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতি, দাপ্তরিক কার্যক্রম এবং অফিসের সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের ফলস্বরূপ ২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাদের কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়া যায়।
উপাচার্য বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত হয়ে দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মকর্তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, যারা যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হচ্ছেন না, তাদেরকে ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালনে আরো আন্তরিক ও সচেতন হওয়ার নির্দেশনা দেন।
উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরো কার্যকর, গতিশীল ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ প্রো-ভিসি, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রারের বাসভবন কাম গেস্ট হাউজ ভবনের নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে উক্ত ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।
এ সময় উপাচার্য বলেন, এই ভবনের নির্মাণ সম্পন্ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক প্রতিনিধিদের আবাসন নিশ্চিত হবে এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত সম্মানিত অতিথিদের জন্য উন্নত ও সময়োপযোগী গেস্ট হাউজ সুবিধা প্রদান সহজ হবে। তিনি জানান, নির্মাণকাজে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপাচার্য আরও বলেন, একটি আধুনিক ও বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ মাসুদ রানা, সেন্ট্রাল লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের গ্রন্থাগারিক ড. মোঃ মনিরুজ্জামানসহ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অবকাঠামো নির্মাণকাজের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি, অগ্রগতি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে অংশগ্রহণ করবে। এই তথ্য নতুন নয়।
তবে সম্প্রতি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সূচি প্রকাশ করেছে।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণের টুর্নামেন্টের শেষ আটের খেলা শুরু হবে ১৭ সেপ্টেম্বর। জাপানের নাগোয়ায় এই টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটবে ৩ অক্টোবর। সব ম্যাচ পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম দিনে ছেলেরা মাঠে না নামলেও মেয়েরা খেলতে নামবেন। ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে চীনের। একই দিনে পাকিস্তান খেলবে থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে। পরের দিন শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়া এবং ভারত ও জাপানের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
চীনকে পরাজিত করতে পারলে ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেলবে। তবে সেদিন নিগার সুলতানা জ্যোতির প্রতিপক্ষ কারা তা এখনও জানানো হয়নি। ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ ও ফাইনাল।
অন্যদিকে, ছেলেদের খেলা শুরু হবে ২৮ সেপ্টেম্বর। শেষ আটে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে ‘বি’ গ্রুপের সেরা দল। একই দিনে ‘বি’ গ্রুপের রানার্স-আপদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান খেলবে। পরের দিন ‘এ’ গ্রুপের সেরা দলের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কা এবং ভারত ‘এ’ গ্রুপের রানার্স-আপদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।
ছেলেদের দুই সেমিফাইনাল আগামী ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ ২০২৩ সালে চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানকে পরাজিত করে বাংলাদেশ ছেলেরা ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল। মেয়েদেরও সেই পাকিস্তানকে হারিয়েই ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছিল। এবার বাংলাদেশের লক্ষ্য সোনা জয় করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথে ওয়াটার বাস পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে কার্যকর হবে, এমন তথ্য জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের লোকসানের অভিজ্ঞতা থাকার কারণে সরকার এবার নতুন ব্যবস্থাপনায় সেবাটি চালুর পরিকল্পনা করছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথে ওয়াটার বাস চালু হলে নগরবাসীর যাতায়াত সহজ হবে এবং সড়কের যানজট কমাতে সহায়তা করবে। পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনায় ১০ বছরে ৫৭ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে নতুন ব্যবস্থাপনায় সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নৌপথে দুর্ঘটনা কমাতে, এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট লঞ্চের পরিবর্তে দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট লঞ্চ পরিচালনায় মালিকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, বলে জানান নৌমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার ক্ষেত্রে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে রুট ডিক্লারেশন, নৌ-সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রচার, টার্মিনালে মাইকিং এবং গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়া, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন ও অনিবন্ধিত নৌযানের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
নৌপথের নাব্যতা বজায় রাখতে বর্তমানে দেশের প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার নদীতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলছে, মন্ত্রী সংসদে এ তথ্য জানান। তাঁর মতে, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে দেশে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সচল রাখা হয়েছে।
কর্ণফুলী নদীতে ২০১৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬১ লাখ ঘনমিটার ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা হয়েছে। এর ফলে সদরঘাট-বাকলিয়ার চর এলাকায় নদীর গভীরতা ৮ মিটারে উন্নীত হয়েছে, বলে তিনি জানান।
নদী দখল ও দূষণ প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সরাসরি উচ্ছেদের আইনি ক্ষমতা নেই। দখলদারদের তালিকা তৈরির পর স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি জানান, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে দূষণের ৪২৪টি উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব দূষণের উৎস নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ