বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:৪৬ পি.এম
হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ও গায়ক টিম কারি মারা গেছেন। বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করা এই অভিনেতা ‘দ্য রকি হরর পিকচার শো’-তে ড. ফ্র্যাঙ্ক-এন-ফার্টার চরিত্রে অভিনয় করে ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
মঙ্গলবার, লস অ্যাঞ্জেলেসের টোলুকা লেকে অবস্থিত তার বাড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যু ঘটে। তার দীর্ঘদিনের ম্যানেজার ও বন্ধু মার্শিয়া হারউইটজ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
২০১২ সালে গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে টিম কারি বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
ওই স্ট্রোকের ফলে তার চলাফেরায় গুরুতর সমস্যা দেখা দেয় এবং পরে তাকে হুইলচেয়ারের ওপর নির্ভর করতে হয়। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, তিনি অভিনয় ও কণ্ঠশিল্পের কাজ চালিয়ে গেছেন।
টিম কারির অভিনয়জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় চরিত্র নিঃসন্দেহে ড. ফ্র্যাঙ্ক-এন-ফার্টার। ১৯৭৩ সালে লন্ডনের মঞ্চে প্রথমবার তিনি এই চরিত্রে অভিনয় করেন।
পরে ১৯৭৫ সালে একই চরিত্রে ‘দ্য রকি হরর পিকচার শো’ সিনেমায় অভিনয় করেন। মুক্তির সময় সিনেমাটি বড় ধরনের সাফল্য পায়নি। তবে সময়ের সঙ্গে এটি দর্শকদের মধ্যে আলাদা জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং এক পর্যায়ে কাল্ট ক্লাসিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সিনেমাটির মধ্যরাতের বিশেষ প্রদর্শনী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বিশাল ভক্তগোষ্ঠী তৈরি হয়। দর্শকেরা সিনেমার সংলাপের সঙ্গে কথা বলতেন, গান ও নাচে অংশ নিতেন এবং অনেকেই চরিত্রগুলোর পোশাক পরে প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত হতেন।
এই একটি চরিত্রই টিম কারিকে পপ সংস্কৃতির অন্যতম স্মরণীয় মুখে পরিণত করেছে। তবে, তার ক্যারিয়ার ‘রকি হরর’-এর বাইরেও বিস্তৃত ছিল।
স্টিফেন কিংয়ের জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৯০ সালের টিভি মিনিসিরিজ ‘ইট’-এ পেনিওয়াইজ দ্য ক্লাউন চরিত্রে অভিনয় করেও ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন টিম কারি। তার অস্বস্তিকর ও ভয়ংকর উপস্থিতি চরিত্রটিকে দর্শকদের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে তোলে।
এছাড়া, ‘ক্লু’, ‘অ্যানি’, ‘লিজেন্ড’, ‘হোম অ্যালোন ২: লস্ট ইন নিউইয়র্ক’, ‘দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’, ‘মাপেট ট্রেজার আইল্যান্ড’ এবং ‘চার্লি’স অ্যাঞ্জেলস’-এর মতো সিনেমায়ও তিনি অভিনয় করেছেন।
বিশেষ করে ‘হোম অ্যালোন ২’-এ হোটেলের কনসিয়ার্জ এবং ‘লিজেন্ড’-এ ভিলেন ডার্কনেস চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
টিম কারি শুধুমাত্র চলচ্চিত্র অভিনেতা ছিলেন না; থিয়েটারেও তার দীর্ঘ ও সফল ক্যারিয়ার ছিল। ‘অ্যামাডিউস’, ‘মাই ফেভারিট ইয়ার’ এবং ‘মন্টি পাইথন’স স্প্যামালট’-এর মতো মঞ্চনাটকে অভিনয়ের জন্য তিনি তিনবার টনি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন।
অ্যানিমেশনেও কণ্ঠশিল্পী হিসেবে ব্যাপক কাজ করেছেন তিনি। ‘পিটার প্যান অ্যান্ড দ্য পাইরেটস’ অ্যানিমেটেড সিরিজে ক্যাপ্টেন হুকের কণ্ঠ দেওয়ার জন্য ১৯৯১ সালে ডেটাইম এমি অ্যাওয়ার্ড জেতেন।
২০১২ সালের গুরুতর স্ট্রোক তার জীবন ও ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে। স্ট্রোকের পর দীর্ঘ সময় শারীরিক ও স্পিচ থেরাপি নিতে হয় তাকে। পরবর্তীতে অভিনয়ের পাশাপাশি কণ্ঠশিল্পের কাজে বেশি মনোযোগ দেন।
২০১৬ সালে ‘দ্য রকি হরর পিকচার শো: লেটস ডু দ্য টাইম ওয়ার্প এগেইন’-এর টিভি সংস্করণে তিনি আবারও ফ্র্যাঙ্ক-এন-ফার্টার চরিত্রের সঙ্গে যুক্ত হন, তবে এবার অভিনয়ের বদলে বর্ণনাকারীর ভূমিকায়। ২০২০ সালেও একটি লাইভ টেবিল রিডিংয়ে আবার ফ্র্যাঙ্ক-এন-ফার্টার চরিত্রে অংশ নেন।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে কাজের পরিমাণ কমে গেলেও টিম কারি পুরোপুরি অবসর নেননি। ২০২৪ সালের হরর সিনেমা ‘স্ট্রিম’-এর মাধ্যমে আবারও বড় পর্দায় তাকে দেখা যাবে। পাশাপাশি সংগীত নিয়েও কাজ করেছেন। নিজের ব্যান্ডের সঙ্গে গান পরিবেশন করার পাশাপাশি একাধিক অ্যালবামও প্রকাশ করেছেন তিনি।
অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে টিম কারি কখনো প্রচলিত নায়কোচিত চরিত্রের মধ্যে নিজেকে আটকে রাখেননি। বিচিত্র, অদ্ভুতুড়ে ও খলচরিত্রে তার অভিনয় তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। তবে, ড. ফ্র্যাঙ্ক-এন-ফার্টার চরিত্রটিই তাকে বিশ্বজুড়ে এমন এক তারকায় পরিণত করেছে, যাকে চলচ্চিত্রের ইতিহাসে দীর্ঘদিন মনে রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে একটি দুই ইঞ্জিনের প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট ও কো-পাইলট নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার গঙ্গা নদীর তীরবর্তী একটি মাঠে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর জরুরি সেবা সংস্থার কর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
কর্মকর্তাদের মতে, বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর দুর্ঘটনার শিকার হয়। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনার পর উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিহত দুই পাইলটের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি কামনা করেন। সূত্র: এনডিটিভি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলায় উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চলতি বছরের জুন ও জুলাই মাসে, জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০৮টি মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়ে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে মেহেরপুর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় প্রকৃত মালিকদের কাছে মোবাইল ফোন এবং টাকা হস্তান্তর করেন।
এসময় পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় উল্লেখ করেন, পুরাতন মুঠোফোন ক্রয়ের সময় অবশ্যই মোবাইলের বক্স ও ক্যাশ মেমো বিক্রেতার কাছ থেকে গ্রহণ করতে হবে। অনলাইনে প্রতারণার শিকার হওয়ার প্রতিরোধে, কারো কথায় প্রলোভনে পড়ে মোবাইল ব্যাংকিং যেমন বিকাশ, নগদ বা অন্য কোন ক্যাশ অ্যাপের ওটিপি কাউকে শেয়ার করা উচিত নয়। অনলাইনে কিছু ক্রয়ের পূর্বে অবশ্যই অভিজ্ঞজনের সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন। সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। হারানো মোবাইল এবং টাকা উদ্ধার করে ভুক্তভোগীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল।
পুলিশ সুপার আরও জানান, মেহেরপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে হারানো ১০৮টি মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ হওয়া ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
মেহেরপুর সদর থানায় ৬১টি, গাংনী থানায় ২৮টি এবং মুজিবনগর থানায় ১৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে, এছাড়া অন্য জেলা থেকে ১টি মোবাইল ফোন এবং টাকা উদ্ধার করেছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। পাশাপাশি ২৬টি ফেসবুক আইডি রিকোভারি ও ৫ জন নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামিনুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর নতুন করে আরও একটি বড় বিপর্যয়ের সতর্কবার্তা দিয়েছে কাঠমান্ডুভিত্তিক আন্তঃসরকারি সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (ইসিমোড)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নেপাল-চীন সীমান্তের উজানে এখনো একটি বিশাল প্রাকৃতিক বাধা আটকে রয়েছে। এর ফলে যেকোনো সময় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ বন্যা বা জলোচ্ছ্বাসের মতো পানির ঢল নেমে আসতে পারে।
হিমালয় অঞ্চলের ভারত, নেপাল, ভুটান, চীন, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও আফগানিস্তান—এই আটটি দেশ নিয়ে কাজ করে ইসিমোড। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটি হিমালয় অঞ্চলের পার্বত্য পরিবেশ, হিমবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগঝুঁকি নিয়ে গবেষণা করে থাকে।
গত বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোতে কোশি অববাহিকায় আকস্মিক বন্যার সূত্রপাত হয়। স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে পানির স্তর দ্রুত বাড়তে শুরু করলে বিপুল পরিমাণ পানি, পলি ও পাথর ভোতে কোশি ও ত্রিশুলি নদী দিয়ে নিচের দিকে নেমে আসে। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে গালছিতে ত্রিশুলি নদীর পানির স্তর ৯ মিটার এবং মালেকুতে প্রায় ৭ মিটার বেড়ে যায়।
অল্প সময়ে পানির এমন অস্বাভাবিক বৃদ্ধি উজান থেকে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ নেমে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় ভাটির দিকের নুয়াকোট ও ধাদিং জেলার বিভিন্ন এলাকাও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ইসিমোডের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান কিয়াংগং ঝাং জানান, গত বছরের বন্যায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া রাসুয়ার একই এলাকা আবারও হুমকির মুখে পড়েছে। লেন্দে খোলায় একটি বরফধসকে বন্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, নেপাল-চীন সীমান্তের উজানে একটি বড় বাধা এখনো আটকে থাকায় দ্বিতীয় দফায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে জিলং বন্দর এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় পার্বত্য অঞ্চলের ক্রায়োস্ফিয়ার—অর্থাৎ হিমবাহ ও তুষারক্ষেত্র থেকে সৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বর্তমানে স্যাটেলাইট, ভূকম্পন ও পানিবিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণ করে উজানে আটকে থাকা সন্দেহভাজন বাধাটির স্থিতিশীলতা নির্ধারণের চেষ্টা করছেন।
তবে ভোতে কোশি ও ত্রিশুলি নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের জন্য বিপদ এখনো পুরোপুরি কাটেনি বলে সতর্ক করেছে ইসিমোড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা এবার বড় পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়েছে দেশটির তরুণ প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহকে। মাত্র পাঁচ মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণের পর শাহ দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে জেন-জি নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর আধিপত্য ভেঙে ক্ষমতায় এসেছিলেন। এখন তাঁকেই মোকাবিলা করতে হচ্ছে এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা।
৩৬ বছর বয়সী বালেন শাহ মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি জাতীয় রাজনীতিতে শুদ্ধি আনার পাশাপাশি নেপালের তরুণদের জন্য সুযোগের অভাব এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন অভিযোগ সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নেপালের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের বড় ভূমিকা রয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।
বুধবার ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে শাহ জানান, রাসুয়া এলাকার ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি লেখেন, "এই অপ্রত্যাশিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাতে অনেক মানুষ ও শিশু গভীর কষ্টের মধ্যে পড়েছে।" ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, "এই অসহনীয় সময়ে পুরো নেপাল সরকার ও দেশের মানুষ তাঁদের পাশে রয়েছে।" বন্যায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাগরিকদের দ্রুত সুস্থতাও কামনা করেন তিনি।
ভয়াবহ এই বন্যা মোকাবিলায় শাহকে এখন নেপালের দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ভারত ও চীনের সঙ্গে সমন্বয় করতে হতে পারে। উত্তরে চীন এবং দক্ষিণে ভারতের সঙ্গেও বন্যার প্রভাব পড়েছে।
তবে দুই দেশের সঙ্গেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে শাহকে এবার কূটনৈতিকভাবে সতর্ক অবস্থান নিতে হতে পারে। এর আগে ভারত ও চীনকে ঘিরে তাঁর জাতীয়তাবাদী ও কঠোর অবস্থান বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে।
২০২৩ সালে কাঠমান্ডুর মেয়র থাকাকালে চীনে তাঁর একটি নির্ধারিত সফর বাতিল করেছিলেন শাহ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ওই সময় চীন নেপালের ২০২০ সালের সংশোধিত রাজনৈতিক মানচিত্রকে স্বীকৃতি না দিয়ে একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিল। নেপালের ওই সংশোধিত মানচিত্রে হিমালয়ের কিছু বিতর্কিত অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল।
রাজনীতির প্রচলিত ধারা ভেঙে তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উঠে আসা বালেন শাহের জন্য এই বন্যা তাই শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ