বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৪৪ পি.এম
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ছয়টি সিএনজি চালিত রিকশা (অটোরিকশা) অত্যন্ত ভেঙে পড়ে এবং দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এই ঘটনায় দুটি নারী নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতের দিকে, আনুমানিক ৮টার সময়, উপজেলার টানেল সংযোগ চত্বরে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত দুই নারীর মধ্যে একজন হলেন পলি দত্ত (৩০)। তিনি উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের ঝিউরি এলাকায় রমিজ মেম্বারের বাড়ির বাসিন্দা এবং তার স্বামীর নাম কাজল দত্ত। তিনি দুই সন্তানের মাতা। অপর নিহত ব্যক্তি একই এলাকার শিমুল শীলের স্ত্রী ইফা শীল (৪০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান যে, দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস টানেল সড়ক থেকে বের হয়ে টানেল চত্বরে একসাথে অবস্থানরত কয়েকটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয় এবং সড়কের পাশে অবস্থিত আব্দুল মান্নানের চায়ের দোকানে ঢুকে পড়ে। এর ফলস্বরূপ, অটোরিকশাগুলো দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং সেই সময় অটোরিকশা চালক ও তাদের যাত্রীরা গুরুতরভাবে আহত হন। দোকানের মালিকও আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় জনগণ আহতদের উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী জানান, হাসপাতালে আনার আগেই দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পর বাকিদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে কিছু লোকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু ঘটেছে। কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত কনটেন্ট অপসারণে ব্যর্থ হওয়া অভিযোগে বার্তা বিনিময় প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার আদালতে মামলা করেছে অস্ট্রেলিয়ার সাইবার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, এই অভিযোগের ফলে টেলিগ্রাম সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৪৬ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার বা ৩ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার জরিমানা মুখোমুখি হতে পারে।
সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।
রাশিয়া টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাভেল দুরভকে গ্রেফতার করার উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার একদিন পর এ পদক্ষেপটি নেওয়া হলো। রাশিয়ার অভিযোগ, তিনি ‘সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার’ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন।
দুবাই ও ফ্রান্স—উভয় দেশেই বসবাস করেছেন ৪১ বছর বয়সী দুরভ। ২০২৪ সালে অবৈধ কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফরাসি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। এর পর ফরাসি কর্তৃপক্ষ যখন তার ওপর আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, তখন তিনি ফ্রান্স ছেড়ে চলে যান।
ফরাসি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাসপোর্টধারী দুরভের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে টেলিগ্রাম ব্যবহার করে সদস্য সংগ্রহের সুযোগ দিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনার জুলি ইনম্যান গ্র্যান্ট বৃহস্পতিবার বলেন, নোটিশ দেওয়ার পরও টেলিগ্রাম সন্ত্রাসবাদ সমর্থনকারী বিভিন্ন কনটেন্ট সরিয়ে নেয়নি।
এর মধ্যে ছিল সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ভিডিও, গণহত্যার ভিডিও এবং ‘সাম্প্রতিক ইতিহাসে পরিচিত উগ্রপন্থী সহিংসতার সবচেয়ে কুখ্যাত কয়েকটি ঘটনার’ ভিডিও।
তিনি জানান, এর মধ্যে ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে সরাসরি সম্প্রচার করা হামলার ভিডিও এবং ২০২২ সালে নিউইয়র্কের বাফেলো শহরের গুলিবর্ষণের ভিডিও-সংক্রান্ত কনটেন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সিডনিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘যদি কোনো প্ল্যাটফর্মকে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত কনটেন্টের বিষয়ে অবহিত করা হয়, তবে তাদের অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বন্ডি ট্র্যাজেডির সাম্প্রতিক ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে উচ্চ নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ সময়ে এ পদক্ষেপ নেয়া হলো।’ তিনি গত বছর সিডনির একটি সমুদ্র সৈকতে ইহুদি বিদ্বেষীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের ঘটনার কথা উল্লেখ করেন, যাতে ১৫ জন নিহত হয়েছিল।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিবন্ধিত টেলিগ্রাম একটি বড় বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম।
অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ লাখ বার এটি ব্যবহার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রুশ হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়। এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেন, রাতের মধ্যে মস্কো বড় ধরণের আরেকটি হামলা চালাতে পারে।
বৃহস্পতিবার ভোরে কিয়েভ সিটি সামরিক প্রশাসন টেলিগ্রামে জানায়, ‘দুঃখজনকভাবে একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।’
কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
এর আগে কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেন, ‘শত্রুপক্ষ ব্যালিস্টিক অস্ত্র দিয়ে রাজধানীতে হামলা চালাচ্ছে। আরও হামলার আশঙ্কা এখনো রয়েছে। সবাই আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করুন।’
তিনি জানান, শহরের কয়েকটি জেলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
এএফপির এক সাংবাদিক জানান, ইউক্রেনের রাজধানীতে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। এরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
বুধবার রাতে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়া কয়েক দিন ধরেই বড় ধরণের হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে। আজ রাতেই সেই হামলা চালানোর আশঙ্কা খুবই বেশি।’
তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের সব অঞ্চলের মানুষকে অনুরোধ করছি, আজ বিমান হামলার সতর্ক সংকেতের প্রতি সতর্ক থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন।’
জেলেনস্কি আবারও ইউক্রেনের মিত্র দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যাতে তারা কিয়েভকে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করে।
মঙ্গলবার তিনি হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
জুলাইয়ের শুরুতে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনকে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য এ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার। সে সময় রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও জোরদার করেছিল।
এ ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম একমাত্র ব্যবস্থা হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তবে ইউক্রেনে পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্র সংকট রয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে এ সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গত ২৭ জুলাই সংঘটিত সহিংসতায় মারধরের শিকার হন শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান। তাঁর বাবা রাকসু সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বিরসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর একটি আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।
দায়ের করা মামলায় সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ১৭-১৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।
অন্য আসামিরা হলেন— রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজিব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, আরিফুর ইসলাম, আহসান উল্লাহ ফাইহান, সিফাত এবং সালেহ ও নুরুল ইসলাম শহীদ।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে অভিযুক্তরা ছুরি, লোহার রড, বেল্ট এবং বাঁশের লাঠি নিয়ে মাহমুদুলকে ধাওয়া করে। তারা মাহমুদুলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভিতরে ও বাইরে ঘিরে ফেলে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহমুদুলের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। সালমান সাব্বিরও তার মাথায় আঘাত করেন, ফলে মাহমুদুলের বাম চোখে গুরুতর জখম হয়। এছাড়া অন্যান্য আসামিরাও তাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও অভিযোগে বলা হয় যে, চারজন আসামি মাহমুদুলকে মাটিতে ফেলে বুক ও গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন।
মামলায় বলা হয়েছে যে, পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যরা মাহমুদুলকে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাকে জোরপূর্বক অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আবারও মারধর করেন। ফলস্বরূপ, মাহমুদুলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাহমুদুলের বাবা জানান, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে ঘটনার খবর সম্পর্কে জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে তিনি ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখতে পান।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২৮ জুলাই মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার চাইতে পরামর্শ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হযরত আলী বলেন যে, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আদেশ দেননি। বরং তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর কাছে পাঠানো হয়েছে।
তিনি দাবি করেন যে, মাহমুদুলের বাবা আবেগপ্রবণ হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী তাঁর নিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কারণে হুমকির অভিযোগ আনেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনের সঙ্গে ওইদিন রাতে একটি সভায় বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের আনাস, একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব, সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসানসহ কয়েকজন সেখানে যান। পরে তারা অভিযোগটি অস্বীকার করে প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন।
এই বিষয়ে সোমবার দুপুরে একটি সভা ডাকা হয় প্রক্টরের পক্ষ থেকে। সভায় রাকসু নেতারা আনাসের মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হিল গালিবসহ কয়েকজন নেতার সঙ্গে আনাসের ছবি খুঁজে পান। এরপর তাকে প্রক্টর দপ্তরে আম্মার ও সালমান সাব्बির মারধর করেন। পরে দুপুরেই প্রক্টর বিষয়টির সাময়িক সমাধান করে দেন এবং আনাসসহ বাকিরা প্রক্টর দপ্তর থেকে বেরিয়ে আসেন।
এ ঘটনার পর বিকাল ৩টার দিকে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারসহ কয়েকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।
হামলা চালানোর পর আনাসসহ সঙ্গীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে আশ্রয় নেন। পরে শিবির ও রাকসু নেতারা পাঠকক্ষের ফটক থেকে প্রক্টরকে ধাক্কা দিয়ে পাঠকক্ষে প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকেই তারা ওই শিক্ষার্থীদের মারধর করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ ফরিদা বেগম নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে উপজেলার টোলপ্লাজা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল টোলপ্লাজা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন ফরিদা বেগমকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় মাদক জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ফরিদা বেগম কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার পঞ্চবটি এলাকার মৃত আব্দুল হাশিমের মেয়ে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া গাঁজা জব্দ করে আশুগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ