বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫১ পি.এম
জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-প্রধান এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) প্রতিযোগী হিসেবে না দেখে বরং এটি কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম কনভেনশনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাময়িকী ‘ফরেন পলিসি’র আয়োজিত এক প্যানেল আলোচনায় এ মন্তব্য করেন।
এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান উল্লেখ করেন, এআই প্রযুক্তিকে ভয়ের দৃষ্টিতে না দেখে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক কাজের গতি ও দক্ষতা বৃদ্ধির একটি মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, যদি কর্মীদের সঠিকভাবে এআই ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক ও সঠিক ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হলে তা বৈশ্বিক উন্নয়ন এবং নতুন দিগন্ত উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালপুর থানার পুলিশ নাটোরের লালপুরে ১০৬টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক পুলিশ কনস্টেবল এবং তার তিন সহযোগীকে আটক করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে মাদক বিক্রি ও পরিবহণে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল এবং নগদ ৩২ হাজার টাকা।
আটক হওয়া পুলিশ সদস্য আল আমিন (২৩) রাজশাহী রেঞ্জের রিজার্ভ ফোর্সে কর্মরত। আল আমিন পানসিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
অন্যদিকে, আটক অপর দুজন হলেন মোহরকয়া গ্রামের ওহিদুল মোল্লা (৩২) এবং রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের মুক্তার আলী (৩৪)।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত ভোররাতে মোহরকয়া গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় ওহিদুল মোল্লার টিনশেড বাড়ির একটি কক্ষে গিয়ে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১০৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি মোটরসাইকেল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, ইয়াবাগুলো বিক্রি ও পরিবহণের উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা হয়েছিল। আল আমিন বর্তমানে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজির নিরাপত্তা ইউনিটে কনস্টেবল পদে কর্মরত। একজন পুলিশ সদস্যের মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় গ্রেফতারের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের মালতি পাড়ার গন্ধ পর দুলাল মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে গ্রামবাসীর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে হুগড়া ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুর রউফ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা, শাকিল, শাহিন মিয়া, মারুফ মিয়া, বিএনপি নেতা বাকি, ফরিদুল, সমাজসেবক এনায়েত করিম , গোলাপ মিয়া, হাসেন আলী , রাশেদুল সহ দুই শতাধিক লোকজন
অংশ নেন।
বিএনপি নেতা ফরিদুল ও বাকি বলেন, মামলাটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
পারিবারিক জমি জমা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মামলা করেন নার্গিস আক্তার।
নার্গিস আক্তারের স্বামীর নাম
আব্দুর রাজ্জাক। হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলাটি
আব্দুর রাজ্জাকের ছোট ভাই
শাহিন মিয়া, শাহীনের স্ত্রী ফরিদা বেগম, তার ভাতিজির জামাই শাকিল, তার চাচাতো ভাই রাশেদুল ও স্থানীয় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খোকনদের নাম সন্দেহভাজন হিসেবে
জড়ানো হয়। এই মামলার
নিঃশর্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী।
রাজ্জাক ও শাহিনের ভাতিজা মারুফ মিয়া জানান, মামলাটি মিথ্যা।হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এদের নাম জড়ানো হয়েছে।
আব্দুর রাজ্জাক ও শাহীন মিয়া দুজনেই আমার চাচা।
চুরির ঘটনা সাথে শাহিন, শাকিল, রাশেদুল, ফরিদা ও খোকন মিয়া জড়িত নয়।
এনায়েত করিম ও হাসেন আলী জানান,
আমাদের মামলার সাক্ষী বানানো হলেও এ বিষয়ে
আমরা জানিনা। ঘটনা তিনদিন পর তাদের বাড়িতে
আমাদের ডেকে নিয়েছিল আমরা তার বাড়িতে গিয়ে
জিনিসপত্র উলটপালট ও
ঘরের টিনের এক পাশ খোলা।
কিন্তু এই মামলার সাথে যাদের নাম জানানো হয়েছে এরা কেউই জড়িত নয়। পারিবারিক বিরোধের জেরে এটি করা হয়েছে।
মার্কেটের ব্যবসায়ী ডাক্তার গোলাম মোস্তফা জানান, যাদের নামে এই মিথ্যা মামলা দিয়েছে মামলা দিয়েছে তাদেরকে পূর্ব থেকেই আমি চিনি। ২৫ বছর যাবৎ আমি এখানে ব্যবসা করছি। মার্কেটের মালিক শাহিন মিয়া,
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাকিল মিয়া,
রাশেদুল, খোকন ও ফরিদা বেগম তারা ভালো মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
জমি সংক্রান্ত পূর্ব সপ্ততার জন্য এই মিথ্যা মামলার তদন্ত পূর্ব প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে বাদী নার্গিস আক্তার জানান, আমার বাড়িতে টিভি ফ্রিজ, কাগজপত্র সহ বিভিন্ন জিনিস হারানো গিয়েছে।
এ বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিকে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
নির্দোষ ব্যক্তির জন্য হয়রানি না হয়।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ জানান, আমি জনগণের সেবক। ভালো-মন্দ সকলেই আমাকে ডাকে। মামলাটি জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে। আমি চাই দোষী ব্যক্তি আইনের আওতায় আসুক। একই সঙ্গে নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানি না হয়।
সঠিক তদন্তের মাধ্যমে
পারিবারিক ভাবে বসে
সমাধান করলে ভাল হয়।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মিজান জানান,
গত বারই আগস্ট চুরি হয়েছে
এর এই মর্মে ১৫ সেপ্টেম্বর
থানায় মামলাটি এজাহার ভুক্ত হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ৪১ বছর বয়সেও পর্তুগালের হয়ে খেলা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে নিজের তুলনা নিয়ে রসিকতা করেছেন।
এখনও জাতীয় দলের হয়ে খেলা রোনালদোকে দেখে এমবাপ্পে মনে করেন, তাঁর মতো দীর্ঘ সময় ধরে খেলার সুযোগ তিনি পাবেন না। এমবাপ্পে রসিকতার ছলে বলেছেন, "ফ্রান্স আমাকে কখনোই ৪১ বছর পর্যন্ত খেলতে দেবে না।"
জার্মান সংবাদমাধ্যম বিল্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রোনালদোর মতো ৪১ বছর বয়স পর্যন্ত ফ্রান্সের হয়ে খেলে যাওয়ার বিষয়টি তাঁর কল্পনায় আছে কি না।
এমবাপ্পে হাসতে হাসতে বলেন, "সত্যি বলতে, আমি যে দেশের হয়ে খেলি, সেটা বিবেচনায় নিলে—ফ্রান্স আমাকে কখনোই ৪১ বছর পর্যন্ত খেলতে দেবে না।"
তবে রোনালদোর অসাধারণ দীর্ঘ ক্যারিয়ারের প্রশংসা করতে ভোলেননি এমবাপ্পে। তাঁর মতে, একজন ফুটবলার যদি শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে ঠিক রাখতে পারেন, তাহলে তিনি অনেক বছর সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলে যেতে পারেন—এটি রোনালদো প্রমাণ করেছেন।
এমবাপ্পে মনে করেন, তাঁর ক্ষেত্রে এত দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার সম্ভব নয়। বর্তমানে রোনালদোর বয়স ৪১, অন্যদিকে এমবাপ্পের বয়স ২৭। পর্তুগালের জাতীয় দলে রোনালদো এখনও নিয়মিত খেলছেন, আর ফ্রান্সের অধিনায়কত্ব করছেন এমবাপ্পে।
দুজনের সম্পর্ক মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরেও রয়েছে। ছোটবেলায় রোনালদোকে আদর্শ হিসেবে মানতেন এমবাপ্পে। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। সম্প্রতি এমবাপ্পে জানিয়েছেন, শৈশবের সেই আদর্শ এখন তাঁর পরামর্শ ও সমর্থনের একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ।
সেপ্টেম্বরের আন্তর্জাতিক সূচিতে রোনালদো পর্তুগালের দলে আছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর উয়েফা নেশনস লিগে ওয়েলসের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে পর্তুগাল। এক দিন পর ২৫ সেপ্টেম্বর তুরস্কের বিরুদ্ধে নিজেদের অভিযান শুরু করবে ফ্রান্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা এবারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে গুচ্ছভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা যদি আগামী মার্চে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে তার আগেই— অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই— জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এই বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা আসার পরে দেখলাম একটা বিশ্ববিদ্যালয়, সে ছেলেমেয়েদের অনার্স-মাস্টার্স সার্টিফিকেট দিচ্ছে এবং সে পাশ কোর্স এবং অন্যান্য প্রফেশনাল কোর্সের সার্টিফিকেট দিচ্ছে। কিন্তু কোনো ভর্তি পরীক্ষা নাই এবং এটা একটা স্কোরিং করা হচ্ছে। একটা তার রেজাল্ট যেটা আছে এসএসসি এবং এইচএসসিতে সেটাকে এভারেজ করে একটা রেজাল্ট দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে যেটা দেখতে পেয়েছি, যে মেয়েটা ফিজিক্স পড়তে চায়, সে পেয়ে গেছে হয়তো ইতিহাস। অথবা যে বাচ্চাটা একটা সাবজেক্ট পড়তে চায়, কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে চায়, সে হয়তো দেখা গেল পেয়ে গেছে সামাজিক বিজ্ঞানের কোনো একটা সাবজেক্ট।"
উপাচার্য আরও বলেন, "এরকম একটা অবস্থার ভেতরে আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমাদের একটু সেনসিটিভিটি আছে। ভর্তি পরীক্ষা সারা দেশব্যাপী ৫০০ উপজেলা, ৬৪টা জেলায় আমার ভর্তি পরীক্ষা হবে। সেটা একটা বিশাল বড় ম্যানেজমেন্ট। সব থেকে বড় এসএসসি এসএসসির মতো একটা বড় ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা পারব কিনা। আমরা অনেকগুলো মিটিং করার পরে, ব্রেইনস্টর্মিং করার পরে আমরা দেখলাম যে আমরা পারব। আমরা ইনশাআল্লাহ দুইটা ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছি, সফলভাবে নিয়েছি।"
তিনি আরও জানান, "ছেলেমেয়েরা খুশি এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছে। এবং এতে একটা জিনিস হয়েছে যে ছেলেমেয়েরা ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে তার ভিতরে একটা সেন্স অব বিলংগিংনেস। যে আমি একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আগে মনে করত যে আমি একটা বোর্ডে জিজ্ঞাসা করলে বলত কোথায় যাচ্ছ? বলে গাজীপুর বোর্ডে যাচ্ছি। এখন বলার চেষ্টা করছে যে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছি। আর সেন্স অব বিলংগিংনেস, তারপরে তার যে একটা প্রাইড। যখন আমার বড় বড় কলেজের সেন্টারে ভর্তি পরীক্ষা হয়, আপনারা দেখবেন যে হাজার হাজার ছেলেমেয়েরা আসছে ভর্তি পরীক্ষা দিতে, তাদের বাবা-মা আসছে, একটা উৎসবমুখর পরিবেশে এ ভর্তি পরীক্ষাটা হচ্ছে। এখানে মেরিটটা এমনভাবে যাচ্ছে যে যেটা পড়তে চাচ্ছে, তার একটা চয়েস, সেটা সুযোগটা পাচ্ছে এবং জেনুইনলি পাচ্ছে, তার স্কোরের উপরে ভিত্তি করে।"
এ এস এম আমানুল্লাহ আরও বলেন, "আমরা আশা করছি আগামীতে ভর্তি পরীক্ষা চলবে। আমাদের অন-ক্যাম্পাসেও ভর্তি পরীক্ষা ছিল না। এখানে আমরা ভর্তি পরীক্ষা চালু করেছি। তবে আমাদের এবার বড় ভর্তি পরীক্ষাটা চেষ্টা করব গুচ্ছের আগে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি থেকে নেওয়া যায় কিনা? গুচ্ছটা হয়তো মার্চের দিকে নিতে পারে। গুচ্ছ যদি মার্চের দিকে নেয়, আমরা চেষ্টা করব জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি দিকেই আমাদের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নিতে।"
তিনি উল্লেখ করেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় খুব বেশি একটা পরিবর্তন হবে না। আগের মতোই প্রশ্ন থাকবে। তবে প্রিপারেশন নিতে হবে। যদি ভালো কলেজ চান, ভালো সাবজেক্ট যদি চান এবং আপনার ভালো ক্যারিয়ার যদি করতে চান, তাহলে আপনাকে মোটামুটি ভালো প্রিপারেশন নিয়ে পরীক্ষায় বসতে হবে। এবার অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রিপারেশন নিয়েই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ