ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলমাকান্দায় স্কুল ব্যাগে ভারতীয় মদ, ২ জন আটক


কলমাকান্দায় স্কুল ব্যাগে ভারতীয় মদ, ২ জন আটক

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় স্কুল ব্যাগে করে ভারতীয় মদ বহনের সময় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে এবং পরে আরেকটি অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোট ৩২ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭২ হাজার টাকা।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আটক দুজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সারোয়ার হোসেন (৩১) নামে আরও একজন পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত পৌনে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, উপজেলার রংছাতি ইউনিয়ন থেকে ‘মায়ের আঁচল’ নামের একটি বাসে করে ভারতীয় মদের চালান কলমাকান্দা বাজারে আনা হচ্ছে। পরে এসআই মো. আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে কলমাকান্দা বাজারের রেন্ট্রিতলা এলাকার বাস কাউন্টারের সামনে অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে দোলনচাঁপা ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, চলাচল বন্ধ

সেখানে তল্লাশি চালিয়ে মো. জাকির হোসেন (২২) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তাঁর কাঁধে থাকা কালো রঙের স্কুল ব্যাগ থেকে ৭৫০ মিলিলিটারের আট বোতল ‘এসি ব্ল্যাক পিওর গ্রেইন ডিলাক্স হুইস্কি’ উদ্ধার করা হয়। এসব মদের আনুমানিক মূল্য ২৪ হাজার টাকা।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে জাকিরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই এলাকার সারোয়ার হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সারোয়ার পালিয়ে যান। পরে রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে তাঁর বসতঘরের পেছনের ধানক্ষেত থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাটিতে ৩৭৫ মিলিলিটারের আরও ২৪ বোতল একই ব্র্যান্ডের মদ পাওয়া যায়, যার আনুমানিক মূল্য ৪৮ হাজার টাকা।

এ ঘটনায় চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. সুমন মিয়া (২৬) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা পরস্পরের সহযোগিতায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে মদ এনে দেশে বিক্রি করতেন। তবে এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হতে হবে।

কলমাকান্দা থানার ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। পলাতক সারোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: চাম্বল ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া ফাইলের কাজ এগোয় না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধে লেনদেনে কি কোনো প্রভাব পড়বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধে লেনদেনে কি কোনো প্রভাব পড়বে

সাইবার হামলার সম্ভাবনার কারণে বিশ্বের অনেক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের মতো বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটও বন্ধ রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানাচ্ছে, এটি একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সাময়িকভাবে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছে না। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্তও এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যায়নি।

ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করলে ইংরেজিতে লেখা একটি বার্তা দেখা যাচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলার কারণে সেবাটি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে এবং শিগগিরই ওয়েবসাইটটি আবার চালু হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, বৈশ্বিকভাবে সাইবার হামলার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সারা বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক একই ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে, বেশ কিছু ব্যাংকও তাদের সেবা বন্ধ রেখেছে।’

বিশ্বজুড়ে অসংখ্য ওয়েবসাইট তৈরিতে পিএইচপি নামক একটি প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হয়। সম্প্রতি এই পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হয়েছে।

এরপর থেকেই বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট কবে নাগাদ চালু হবে জানতে চাইলে আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘সম্ভাব্য তারিখ বলা যায় না। গতকাল থেকে আমাদের আইটি টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যত দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ওয়েবসাইট চালু করা যায়, সেই চেষ্টা করছি। সিকিউরিটি নিশ্চিত না করে চালু করে যাতে কোনো বিপদে না পড়ি আমরা। সিকিউরিটি ফার্স্ট।’

তবে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকলে কি অন্যান্য ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়ে? বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং কার্যক্রম কি স্বাভাবিকভাবে চলছে?

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকলেও ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলছে; এই ব্যাংকটির কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশের একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশে ব্যাংকারদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘আমাদের লেনদেনে বা কোর ব্যাংকিং সিস্টেমে সমস্যা হয়নি।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খানও বলেন, ‘লেনদেন চলছে। তবে গতি একটু কম।’

তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

কিন্তু ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় কোন কোন সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, তা জানাতে পারেননি তিনি।

এমনিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে সাধারণ মানুষ, ব্যাংক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষকেরা বিভিন্ন অর্থনৈতিক তথ্য, নীতিমালা, প্রজ্ঞাপন এবং পরিসংখ্যান সংগ্রহ করেন।

ফলে ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় এসব তথ্য সংগ্রহে স্বাভাবিকভাবেই সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে মূলত থাকে ইনফরমেশন। মানি ট্রানজেকশন সিস্টেমের সঙ্গে ওয়েবসাইটের কোনো সম্পর্ক নেই।’

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি'র চিফ ডিজিটাল অফিসার খালিদ হোসেনও বলেন, ‘ওয়েবসাইটের সঙ্গে লেনদেনের প্রযুক্তিগত কানেকশন নাই। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট মূলত কিছু তথ্য শেয়ার করে।’

তিনি বলেন, ‘ওয়েবসাইট বন্ধ হলেই কাজে প্রভাব পড়ে- এমন কোনো ব্যাপার নেই।’

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির চিফ ডিজিটাল অফিসার খালিদ হোসেন বলেন, পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটির সুযোগ নিয়ে হ্যাকাররা কোনো ব্যাংকের ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে। সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইটে থাকা তথ্য পরিবর্তন, বিকৃত করা কিংবা নিজেদের পছন্দমতো বার্তা বা ছবি প্রদর্শন করতে পারে তারা।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, কোনো ওয়েবসাইট হ্যাক করে হয়তো কেউ পতাকা বসিয়ে দিতে পারে বা ব্যাংকের নাম পরিবর্তন করে দিতে পারে।

তবে, ব্যাংকের সাধারণ ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়া মানেই যে গ্রাহকদের অর্থ বা ব্যাংকিং লেনদেনের তথ্য হ্যাকারদের হাতে চলে যাবে, বিষয়টি এমন নয় বলে জানান তিনি।

কারণ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সাধারণত প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি, বার্ষিক প্রতিবেদনসহ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত তথ্য থাকে। গ্রাহকদের ব্যক্তিগত বা আর্থিক লেনদেনের তথ্য সেখানে রাখা হয় না।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাংকের মূল লেনদেন পরিচালিত হয় পৃথক কোর ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে।

‘কোর ব্যাংকিং সিস্টেম আলাদা কোডিং ও প্ল্যাটফর্মে চলে। বিশ্বের বিভিন্ন ব্যাংক টিসিএস, ওরাকল বা ইনফোসিসের মতো প্রতিষ্ঠানের তৈরি সফটওয়্যার ব্যবহার করে। এগুলো এন্টারপ্রাইজ পর্যায়ের সফটওয়্যার, যেখানে একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে। এগুলোয় পিএইচপি ব্যবহার করা হয় না।’

তিনি জানান, সাইবার হামলার সতর্কতা পাওয়ার পর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক তাদের চার-পাঁচটি ওয়েব পোর্টালের নিরাপত্তা পরীক্ষা করেছে। কিছু পোর্টাল সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে প্রয়োজনীয় আপডেট দেওয়ার পর আবার চালু করা হয়েছে।

তবে সাইবার হামলার ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন খালিদ হোসেন।

তার মতে, হ্যাকাররা প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তি ও কৌশল ব্যবহার করে। আর এ ধরনের হামলার পেছনে মানুষের অসতর্কতাও দায়ী। তাই প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি কর্মীদের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে হ্যাকাররা কন্ট্রোল নিতে পারলেও তারা নিজেরাই কনফিউজড। লাখ লাখ হ্যাকার তাদের সাইট রক্ষা করতে চেষ্টা করছে। কারণ এটা একটা আইডেন্টিটি।’

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাইবার হামলার আশঙ্কা দেখা দিলে প্রাথমিক সতর্কতা হিসেবে ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা যেতে পারে, যাতে হ্যাকাররা সেটির নিরাপত্তা ত্রুটির সুযোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে প্রবেশ করতে না পারে। সেই হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক যথার্থ পদক্ষেপ নিয়েছে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চিফ ডিজিটাল অফিসার খালিদ হোসেন বলেন, ‘এই প্র্যাকটিস সারা বিশ্বেই। এসব ক্ষেত্রে প্রথম নিয়ম হলো- সোর্স অব অ্যাটাককে অফলাইনে নিয়ে যাওয়া।’

‘গ্লোবালি মেজরিটি ওয়েবসাইট পিএইচপি-তে করা হয়। এই ধরনের সংকটে ওরা আপগ্রেডেশন করতে বলে। শুধু তো আপডেট করলে হয় না, এটাকে টেস্ট করতে হয়, রিইন্সটলেশন করতে হয়, এগুলো করতে একটু সময় লাগে। তাই, ওয়েবসাইট বন্ধ রেখে ব্যাকএন্ডে এই কাজগুলো করতে হবে।’

বেসিসের সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুরও বলছিলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করেছে পরীক্ষণ হিসেবে। সে হিসেবে ঠিক-ই আছে। কিন্তু ভালনারেবল কতটা, তা বিশ্লেষণ না করে বোঝা যাবে না। এটাকে সলভ করে চালু করতে কতদিন লাগে তা একটা ফ্যাক্টর।’

তিনি এও বলেন, ‘প্রাইভেট ব্যাংকগুলো বিদেশ থেকে প্রচুর সিকিউরিটির জিনিসপত্র কেনে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যে পরিমাণ ভালনারেবল, সেই অর্থে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের, বিশেষ করে ব্যাংকের ঝুঁকি কম।’

দূর্গাপুজা উপলক্ষ্যে দেওয়া দীর্ঘ ছুটি বিবেচনায় নিয়ে প্রায় ১৫ দিন আগে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সব ব্যাংককে সতর্ক করেছিলো। তবে সেই নির্দেশনায় বর্তমান সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকির কোনো ইঙ্গিত ছিল না।

এদিকে, গত ১৯শে অক্টোবর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের পক্ষ থেকে জারি করা একটি পরিপত্রে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত নিরাপত্তা ঝুঁকি যাচাই, সন্দেহজনক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং সাইবার হামলা মোকাবিলায় বিশেষায়িত দল গঠনের কথা বলা হয়েছিলো।

পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ব্যাকআপ সংরক্ষণ, অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সাইবার হামলার পর দ্রুত কার্যক্রম স্বাভাবিক করার প্রস্তুতি রাখার কথাও বলা হয়েছে।

এরপর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সরকারি সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা বিজিডি ই-গভ সার্ট এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করে। সেই সতর্কতায় বলা হয়েছে, ওয়েবসাইট তৈরিতে ব্যবহৃত পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষায় দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হয়েছে। এসব ত্রুটির সুযোগ নিয়ে হ্যাকাররা ঝুঁকিপূর্ণ সার্ভারে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করে বিভিন্ন নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে।

এ কারণে পিএইচপি ব্যবহার করে এমন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত পিএইচপির নিরাপত্তা আপডেট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। তাৎক্ষণিকভাবে আপডেট দেওয়া সম্ভব না হলে ঝুঁকি কমাতে সার্ভারে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণসহ বিকল্প নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চিফ ডিজিটাল অফিসার খালিদ হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, গত বুধবার দুপুর থেকেই ব্যাংকগুলোকে অভ্যন্তরীণভাবে সাইবার হামলার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করছে সার্ট।

কেন তৈরি হয়েছে সাইবার হামলার আশঙ্কা

বেশিরভাগ মানুষ হয়তো পিএইচপি-এর নাম শোনেননি, কিন্তু তারা অবশ্যই প্রতিদিন এর সাথে কাজ করেন। এর পুরো নাম ‘পিএইচপি: হাইপারটেক্সট প্রিপ্রসেসর’।

অনলাইন শপ, উইকিপিডিয়া এবং ওয়ার্ডপ্রেস-সহ অসংখ্য প্ল্যাটফর্মকে শক্তি জোগায় এই পিএইচপি, যা ব্লগের মতো অনেক ওয়েবসাইটের নেপথ্যের কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

গরিলা সাইবার সিকিউরিটির প্রধান নির্বাহী পল স্পেন বলেছেন, ‘আপনি যখন উইকিপিডিয়ার মতো কোনো ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, তখন পিএইচপি হলো সেই কোড যা আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে এবং ওয়েবে পড়ার উপযোগী করে তা উপস্থাপন করে। কিন্তু এমন একটি ত্রুটির কারণে, যার মাধ্যমে আক্রমণকারীরা প্রমাণীকরণ ছাড়াই প্রভাবিত ওয়েব সার্ভারগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে এবং সংবেদনশীল তথ্য চুরি করতে পারত, পিএইচপি-র ওপর নির্মিত সবকিছুই অরক্ষিত হয়ে পড়েছিল।’

স্পেন বলেছে, এআই এই ধরনের আক্রমণকে আরও সহজ ও দ্রুততর করে তুলতে পারে এবং অনুমান করছে যে এই ত্রুটিটি লাখ লাখ ওয়েবসাইটকে প্রভাবিত করতে পারে।

পিএইচপিতে ত্রুটি শনাক্তের পর বিশ্বজুড়ে সরকার ও সাইবার-নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তৎপর হয়ে উঠেছে এবং ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীদের একটি নতুন জরুরি সমাধান ইনস্টল করতে অথবা তাদের প্ল্যাটফর্মগুলো অফলাইনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে আহ্বান জানিয়েছে।

সাইবার-নিরাপত্তা সংস্থা উইজ, যেটির গবেষকরা এই দুর্বলতাগুলো উন্মোচন করেছেন, এই ত্রুটিগুলোকে এআই দ্বারা এযাবৎকালের শনাক্ত করা সবচেয়ে গুরুতর বলে বর্ণনা করেছে।

ওপেনএআই, যাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করা হয়েছিল, এই আবিষ্কারকে সাম্প্রতিক কালের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সমস্যা বলে অভিহিত করেছে।

কারণ এই ত্রুটির সুযোগে হ্যাকাররা ওয়েবসাইটের সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ নিতে কিংবা তথ্য চুরি করতে পারতো।

রয়টার্সের খবরে বলা হচ্ছে, এই আশঙ্কায় জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

যেমন, ফিনল্যান্ডের সরকার, এডিনবরা কাউন্সিল এবং বিবিসি তাদের সাইট ও পেজগুলো অফলাইন করে দিয়েছে এবং নেদারল্যান্ডসের সাইবার-নিরাপত্তা সংস্থাও তাদের ওয়েবসাইটটি সরিয়ে নিয়েছে।

এমনকি গেমিং প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে অনলাইন ফোরামের পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে অনলাইন বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার পরিচালক সংস্থা উইকিমিডিয়া, যা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের বেশ কিছু সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছে।

কাউন্সিল এবং স্বাস্থ্য বোর্ডসহ স্কটল্যান্ডের বেশ কিছু সরকারি সংস্থাও তাদের ওয়েবসাইটগুলো অফলাইনে নিয়ে গেছে।

কিছু বিশেষজ্ঞ সতর্ক করেছেন যে, এই দুর্বলতার কারণে দুর্বলভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা ওয়েবসাইটগুলো, বিশেষ করে সীমিত নিরাপত্তা সংস্থানসম্পন্ন ছোট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটগুলো আরও বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ইউএনএসডব্লিউ সিডনির সাইবার-নিরাপত্তা গবেষক সলিল কানহেরে বলেছেন, যেহেতু প্রযুক্তিগত বিবরণগুলো এখন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে, তাই আগামী সপ্তাহগুলোতে এই ত্রুটিগুলো কাজে লাগানোর আরও প্রচেষ্টা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজাদপুরে আন্তঃস্কুল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইউনিক মডেল স্কুল বিজয়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রাসেল সরকার ( স্টাফ রিপোর্টার)

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


শাহজাদপুরে আন্তঃস্কুল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইউনিক মডেল স্কুল বিজয়ী

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ওস্তাদ ঝুনু ও ওস্তাদ কুনুর স্মরণে আয়োজিত আন্তঃস্কুল অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর ফাইনাল খেলায় ইউনিক মডেল স্কুল বিজয়ী হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে শাহজাদপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় সপ্তবর্ণ মডেল স্কুলের মুখোমুখি হয় ইউনিক মডেল স্কুল। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ খেলায় ১-০ গোলে ইউনিক মডেল স্কুল জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
শাহজাদপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এবং এস,কে,এফ ডিজাইন এর সার্বিক সহযোগিতায় ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল-আমীন হোসেন, এস,কে,এফ ডিজাইনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সোহেল রানা, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব খন্দকার রুবেল প্রমুখ।

এ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মোঃ রাসেল সরকার
শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ
মোবা:০১৭২৯-১৪৮৮৮৪
তারিখ:২৩.১০.২৬ইং

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


মধুপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে মধুপুর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষাবিদ, সুধীজন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজাই প্রিন্স, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম এ রতন হায়দার, সাবেক সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবলু এবং পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্নাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক, সুধীজন ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত জোটে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অবস্থান জানালেন আতাউল্লাহ আমীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


জামায়াত জোটে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অবস্থান জানালেন আতাউল্লাহ আমীন

গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রাজপথে থাকবে, এমন তথ্য জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য এবং তাদের সকল কর্মসূচিতে তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে। তবে তিনি পরিষ্কার করেছেন যে, গণভোটের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই জাতীয় ঐক্যে থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোকে নিয়ে পৃথক বৃহত্তর বলয়ে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে তাঁদের।

শুক্রবার এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি দলের অবস্থান তুলে ধরেন। মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বলেন, “যতদিন পর্যন্ত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না হবে, ততদিন আমরা ১১ দলের সাথে আছি এবং থাকব। ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিটি কর্মসূচিতেও আমরা সক্রিয় থাকব। আমাদের প্রধান ও মুখ্য দাবি হলো জুলাই সনদ ও গণভোটের বাস্তবায়ন।”

হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে কওমি ধারার সমমনা সাত দলের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই নিজস্ব দলীয় কর্মপদ্ধতি, রাজনীতি ও সাংগঠনিক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যেহেতু জামায়াতে ইসলামী ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে এককভাবে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছে, তাই একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও বসে থাকতে পারে না। আমাদেরও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।”

তিনি জানান, স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কৌশল হিসেবেই হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগের প্রাথমিক পদক্ষেপে সাতটি ইসলামি দল একত্রিত হয়েছে। এই সাত দলসহ অন্যান্য সমমনা ইসলামি দলকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি বৃহত্তর নির্বাচনী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে।

আতাউল্লাহ আমীন জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় পর্যায়ে গণভোট ও জুলাই সনদের মতো মৌলিক দাবিতে ১১ দলীয় জোটে তাদের অবস্থান অটুট রয়েছে, তবে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনি রাজনীতিতে ইসলামি দলগুলোর স্বতন্ত্র ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস জারি থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%