শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২৫ পি.এম
কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনের গভীরে হামহাম জলপ্রপাতসংলগ্ন সিতাব জলধারা থেকে অজ্ঞাত এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করেছে যৌথ উদ্ধারকারী দল। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে উদ্ধারকৃত মরদেহটি লোকালয়ে নিয়ে আসা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কয়েকজন মাছ শিকারি মোকাম টিলা সংলগ্ন সিতাবের পানিতে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেন। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সন্দীপ তালুকদারের তত্ত্বাবধানে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগের সদস্যরা রাতের বেলায় উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দুর্গম পাহাড়ি পথ ও ঘন বনাঞ্চল অতিক্রম করে দীর্ঘ সময় পায়ে হেঁটে অভিযান চালাতে হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করে লোকালয়ে নিয়ে আসা হয়।
উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, মরদেহটি বেশ কিছুদিন আগের বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ থেকে ৬০ বছর। তবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের ধারণা, পাহাড়ি ঢল ও পানির প্রবল স্রোতে মরদেহটি উজান থেকে ভেসে আসতে পারে।
উদ্ধার অভিযানে ইউএনও সন্দীপ তালুকদার, ওসি কমর উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত থেকে কার্যক্রম তদারকি করেন। স্থানীয়ভাবে সহযোগিতা করেন চাম্পারায় চা-বাগানের ব্যবস্থাপক রাহেল রানা, ইউপি সদস্য সজয় কিশোর যাদবসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
কমলগঞ্জ থানার ওসি কমর উদ্দিন বলেন, ‘মরদেহটি থানায় আনা হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি-সংবলিত একটি পোস্টারকে কেন্দ্র করে আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বর্তমানে সেই মামলায় আপাতত তিনি স্বস্তি লাভ করেছেন।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে এখনই কোনো ধরনের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশে শ্রীলেখা এই স্বস্তি পান। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক এফআইআর খারিজের আবেদনও আদালতে জানানো হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ অনুসারে, আগামী ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শ্রীলেখার বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না।
মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই সময়ে মামলার সঙ্গে যুক্ত সকল পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে।
তবে শুনানির সময় পোস্টারটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি মন্তব্য করেন, ‘কেন এমন পোস্ট করেন মামলাকারী? এটা কোনো কার্টুন হতে পারে না।
এটা সত্যিই লজ্জাজনক পোস্টার। একজন বিচক্ষণ নাগরিক হিসেবে এমন পোস্ট ফেসবুকে করেন কিভাবে! এই পোস্ট সত্যিই লজ্জাজনক বা কষ্টদায়ক। তিনি একজন অভিনেত্রী, ধরে নেওয়া হবে তিনি সংবেদনশীল, তার পরেও এমন পোস্ট কেন? এটা কার্টুন নয়। বিচক্ষণ সংবেদনশীল নাগরিক হিসেবে এমন পোস্ট কেন?’
শ্রীলেখার পক্ষে আদালতে প্রশ্ন করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ও শামিম আহমেদ। তাঁরা জানান, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মোট ১৬টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
তাদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট পোস্টারটি রুচিহীন বা আপত্তিকর হতে পারে, কিন্তু সেটির ভিত্তিতে ফৌজদারি মামলা চালানোর মতো কোনো অপরাধ হয়েছে কি না, সেটিই মূল প্রশ্ন।
শুনানির সময় পোস্টারটি নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলেন। বিচারপতি জানতে চান, ‘এমন পোস্টার কীভাবে প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা যায়?’ তবে শুনানি শেষে আপাতত শ্রীলেখার বিরুদ্ধে কোনো কড়া পদক্ষেপ না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ২৪ জুলাই। নিট-এর প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কলকাতার রাস্তায় প্রতিবাদে বহু মানুষ শামিল হয়েছিলেন। সেই আন্দোলনে শ্রীলেখাও যোগ দিয়েছিলেন। অভিযোগ ওঠে, তাঁর হাতে থাকা একটি পোস্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুরুচিকর ছবি ছিল।
এরপর আনন্দপুর থানায় বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ সহ আরো অনেকে বিভিন্ন থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানাসহ একাধিক জায়গাতেও অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা যায়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫২, ৩৫৩ ও ৩৫৬ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে বলে খবর।
অভিযোগের পর শ্রীলেখা দাবি করেছিলেন, তিনি পোস্টারটি ভালো করে দেখতে পাননি। সেদিন তাঁর সঙ্গে চশমা না থাকায় পোস্টারে কী ছবি রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
তাঁর দাবি, প্রতিবাদের সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করছিল এবং সেই পরিস্থিতিতে কোনোমতে ছবিটি তুলেছিলেন। পোস্টারটি ঘুরিয়ে দেখার সুযোগও তাঁর হয়নি।
আদালতের এদিনের নির্দেশের পর শ্রীলেখা বলেন, ‘এটাই আশা করেছিলাম আদালতের কাছ থেকে। আমার আইনজীবীদের ধন্যবাদ।’
অন্যদিকে, রাজ্যের পক্ষে অ্যাডিশনাল অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার আবেদনটির বিরোধিতা করেন। তাঁর বক্তব্য, পোস্টারটি নিঃসন্দেহে আপত্তিকর এবং অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘টক্সিক’ ছবিতে যশের সঙ্গে কিয়ারা আদভানির অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে ব্যাপক। পর্দায় যশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করার কারণে কিয়ারা বিভিন্ন মন্তব্যের মুখোমুখি হয়েছেন।
এছাড়া, কিয়ারার স্বামী সিদ্ধার্থ মালহোত্রাকেও এ বিষয়ে নানা প্রতিক্রিয়া শুনতে হয়েছে।
এবার সিদ্ধার্থকে অন্য এক অভিনেত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা যাবে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। ‘দ্য বন: ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’ ছবিতে তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন সিদ্ধার্থ। ছবিতে এই দুই তারকার মধ্যে উষ্ণ রসায়ন দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‘দ্য বন’ ছবিটি আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। সম্প্রতি ছবিটির একটি ঝলক প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ছবির প্রথম গান ‘সামঝো না’ প্রকাশিত হবে। এর এক দিন আগে, বুধবার গানটির প্রোমো প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিদ্ধার্থ ও তামান্নার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দুই তারকাকে চুম্বনরত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তবে জানা গেছে, ভিডিওটি আসল নয়; এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।
ভিডিওটি নকল হলেও ‘দ্য বন’ ছবিতে সিদ্ধার্থ ও তামান্নার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থাকার খবর সামনে এসেছে।
এখন অনেক নেটাগরিক জানিয়েছেন, তাঁরা পর্দায় এই জুটির রসায়ন দেখতে আগ্রহী। কেউ কেউ আবার কিয়ারার প্রসঙ্গ টেনে সিদ্ধার্থকে নিয়েও এমন দৃশ্য দেখার দাবি করেছেন।
এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, “ভিডিওটি নকল ঠিকই। কিন্তু এবার সিদ্ধার্থের উষ্ণ দৃশ্য দেখতে চাই। ‘টক্সিক’-এ কিয়ারাকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা গেছে। তা হলে সিদ্ধার্থ কেন নয়?”
এআই দ্বারা তৈরি ওই ভিডিও নিয়ে ‘দ্য বন’ ছবির নির্মাতারা এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। সিদ্ধার্থ বা তামান্নার পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রথমে চলতি বছরের ২৮ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘দ্য বন’-এর। অন্যদিকে, ২৬ আগস্ট মুক্তি পেয়েছে কিয়ারার ‘টক্সিক’। ফলে দুই ছবির মধ্যে বক্স অফিসে সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেই কারণে ‘দ্য বন’-এর মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার খবর ছড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘দ্য বন’ ছবির কাহিনী বিহারের একটি গ্রামের জঙ্গলকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। ওই জঙ্গলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রহস্য ও নানা ঘটনার মধ্য দিয়েই ছবির কাহিনি এগিয়ে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্প্যানিশ অভিনেত্রী এস্টার এক্সপোসিটো এবং রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন সবসময়ই চলে আসছে। তবে এবার সেই গুঞ্জন নতুন মাত্রা পেয়েছে কটাক্ষের মাধ্যমে।
রাস্তায় রাতে ধূমপান করার একটি দৃশ্য প্রকাশিত হওয়ার পর, ‘এলিট’ খ্যাত এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিয়াল মাদ্রিদ ভক্তদের নিশানায় পরিণত হয়েছেন।
বিশ্বকাপের পর থেকেই এস্টার রিয়াল ভক্তদের ক্ষোভের শিকার ছিলেন। এমবাপ্পের পারফরম্যান্স এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা চলছিল, যেখানে এস্টারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তবে এবার কিছু কট্টর সমর্থক বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে তুলে এনে ফুটবল মাঠের সঙ্গে যুক্ত করছেন।
সামাজিক মাধ্যমে রাতে ধূমপানরত অবস্থায় এস্টারের ছবি দেখে রিয়ালের কিছু ভক্ত ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের অদ্ভুত যুক্তি হলো, অভিনেত্রীর এই বদঅভ্যাস এমবাপ্পের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে! এস্টারের মাধ্যমে এই ধূমপানের অভ্যাস এমবাপ্পের মাঝেও ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন অযৌক্তিক শঙ্কায় তারা অভিনেত্রীর তীব্র সমালোচনা করছেন।
যদিও বিষয়টি শুনতে অদ্ভুত এবং অতিরঞ্জিত মনে হতে পারে, রিয়াল সমর্থকদের একটি অংশের জন্য এটি এখন নতুন আলোচনার বিষয়। মাঠের বাইরের একটি সাধারণ ঘটনাকেও রিয়াল তারকার পারফরম্যান্সের সঙ্গে জড়িয়ে এস্টারকে নিয়ে আবার শুরু হয়েছে ট্রোলের মহোৎসব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে শ্রীকৃষ্ণের পুণ্য জন্মাষ্টমী ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় মদন মোহন জিউড় আখড়াবাড়ির উদ্যোগে আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি বের হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মদন মোহন জিউড় আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রা শেষে মদন মোহন জিউড় আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস. এম. আহসান কবির।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যুগে যুগে সব ধর্মের মানুষ এখানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বসবাস করে আসছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ অক্ষুণ্ণ রেখে দেশের সার্বিক উন্নয়নে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।
আলোচনা সভায় বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ ও মূলবাণী তুলে ধরে বলেন, অন্যায়, অবিচার ও পাপ দূর করে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। তাঁর জীবনাদর্শ মানবকল্যাণ, সত্য, ন্যায় ও শান্তির পথ দেখায়। সব ধর্মের মূল বাণীই হলো মানবকল্যাণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শাফিউল আজম দুলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, মদন মোহন জিউড় আখড়াবাড়ি কমিটির সভাপতি শংকর লাল বসু, সাধারণ সম্পাদক বাদল হালদার, সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন কৃষ্ণ কর, কোষাধ্যক্ষ পলাশ সাহা, পূজা ফ্রন্টের সভাপতি কিরণ চন্দ্র হালদার এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক দুলাল শীল ধলুসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভাকে ঘিরে মদন মোহন জিউড় আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ